আঞ্জুমান দলিল হারুন স্বাস্থ্য সেবা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের তদরকি কমিটি পুণঃগঠন ও সেবা সমূহ

 //এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম ঢাকা অফিস কর্তৃক পরিচালিত আঞ্জুমান দলিল হারুন স্বাস্থ্য সেবা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের তদরকি কমিটি ৯ সদস্য বিশিষ্ট পুণঃগঠন করা হয়েছে।

রূপসা আঞ্জুমান সম্পর্কে জানা যায়, খুলনা জেলা-রূপসার ইলাইপুর গ্ৰামের কৃতি সন্তান মরহুম এসএম দলিল উদ্দিনের পূত্র এসএম হারুনার রশিদ (যুগ্ম-সচিব, অবসরপ্রাপ্ত)। তাঁর নিজ এলাকার জনসাধারণের সেবা দান ও নানান সুবিধার কথা বিবেচনা করে রূপসার ইলাইপুর এলাকায় দলিল উদ্দিন সড়কের পাশে ২ বিঘা জমি সহ পাকা ভবন আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম সংস্থায় দান করে দেন। সেখানে- আঞ্জুমান ঢাকা হেড অফিস হইতে রূপসায় উক্ত সংস্থার নামকরণ করা হয় আঞ্জুমান দলিল হারুন স্বাস্থ্য সেবা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।

এরপর থেকে এ কেন্দ্রটিতে একেরপর এক জনসেবা ও প্রশিক্ষণ সেবা পরিচালিত হয়ে আসছে। যেমন- প্রতি শনিবার বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা সহ ঔষধ বিনামূল্যে বিতরণ করেছে সংস্থাটি। প্রতিমাসে প্রায় ২০০ জন রোগী চিকিৎসা সেবা নেয়। এছাড়াও এলাকার অসহায় নাজুক মহিলা ও পুরুষ রোগীর মধ্যে সপ্তাহে ৩ দিন অর্থাৎ রবিবার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার ”প্রশিক্ষিত থেরাপিষ্ট” দ্বারা ফিজিওথেরাপী সেবা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। এ ধরনের অসুস্থ রোগী প্রতিদিন প্রায় ৫০ জন থেরাপী সেবা নিতে আসেন।

তাছাড়া উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মেলাতে বাংলাদেশের গ্ৰাম অঞ্চলের মানুষেরা যাতে কোনোভাবেই পিছিয়ে না পড়ে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে পারে, সেদিক বিবেচনা করে নারীদের ক্ষমতায়ন ও সাবলম্বী করতে ২৬ সালের ১ জানুয়ারী হইতে আরো ২টি নতুন প্রকল্প যুক্ত করা হয়েছে। এখানে- বিবাহিত নারী ও মেয়েরা বিনামুল্যে ৩ মাসের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ক্লাসে ২০ জন শিক্ষার্থী কম্পিউটার প্রশিক্ষিত করা হচ্ছে।

আঞ্জুমান দলিল হারুন স্বাস্থ্য সেবা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করার লক্ষ্যে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম এর দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক, ড. মো. ফয়জুর রহমান ফারুকী কর্তৃক স্বাক্ষরিত ৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ২৬ সালের ৪ এপ্রিল পূণ:গঠন করা হয়েছে।

উক্ত তদারকি কমিটিতে আহ্বায়ক- এডভোকেট মো. সফিউল আলম সুজন, যুগ্ম-আহ্বায়ক- মো. মিজানুর রহমান ডিকেন (সমাজ সেবক), কোষাধক্ষ্য- শাহ আব্দুল হাই কচি (সাবেক অডিটর), সদস্য- মো. হায়দার আলী (প্রধান শিক্ষক- সামসুর রহমান হাইস্কুল), এম এ আজিম (সাংবাদিক), এম মুরশীদ আলী (সাংবাদিক), এস এম মিজানুর রহমান (সমাজ সেবক), গোলাম রসুল (সমাজ সেবক) এবং সদস্য সচিব- এস এম আরিফুল ইসলাম রিপন (নিউজ এডিটর, খুলনার বাণী) এর নাম প্রকাশ করেছেন আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম এর দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক।

রূপসায় পোল্ট্রি খামারের দুর্গন্ধে পরিবেশ নোংরা; বসতিরা রক্ষা পেতে নির্বাহীর কাছে একাধিক স্বাক্ষরিত অভিযোগ দায়ের

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা, খুলনা//

রূপসায় ঘনবসতি এলাকায় মশিউর রহমানের পোল্ট্রি খামার, ক্ষতিকর দুর্গন্ধে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ওই খামার বন্ধের দাবিতে একাধিক ভুক্তভোগী পরিবার গত ২৬ জানুয়ারি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন।

ভুক্তভোগী ও অভিযোগ পত্রে জানা যায়, রামনগর গ্রামের আফসার হাওলাদারের ছেলে মশিউর রহমান হাওলদার কয়েক মাস আগে নিজের এলাকা থেকে বিতাড়িত হয়ে জয়পুর হাফিজ মাস্টার সড়ক ঘনবসতি এলাকায় বিশাল পোল্ট্রি খামার নির্মাণ করে শত শত মুরগি পালন করেছেন। উল্লেখ্য খামারের মুরগির পায়খানার বিষাক্ত দুর্গন্ধ সৃষ্টির ফলে ওই এলাকার বসতিদের বসবাস একেবারে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ ক্ষতিকর দুর্গন্ধে পেটের পীঁড়াসহ নানান রোগের দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কায় পড়েছে ভূক্তভোগীরা। এলাকাবাসী মশিউর রহমানকে খামারটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার জন্য একাধিক বার বলেন। সে কারোর কথা মূল্যায়ন না করে বহাল তবিয়তে খামখেয়ালিভাবে খামার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে মহল্লাবাসী দীর্ঘদিন দুর্গন্ধ সহ্য করে কোন উপান্তর না পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে একাধিক স্বাক্ষরিত অভিযোগ দায়ের করেন।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতা বলেন- পরিবেশ ও সমাজ নষ্ট করে মুরগির খামার স্থাপন করা যাবে না। এটি খুবই দুঃখজনক। সরেজমিন তদন্ত পূর্বক উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রূপসায় টাইফয়েড টিকা প্রথমদিন পেল ১৯৯৫ জন শিক্ষার্থী

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

টাইফয়েড জ্বর থেকে শিশুকে সুরক্ষিত রাখতে দেশে প্রথমবারের মতো টিকাদান ক্যাম্পেইন হিসেবে রূপসায় উদ্বোধনী কার্যক্রম ১২ অক্টোবর সকাল ১০ টায় কাজদিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

স্কুলে স্কুলে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অপ্রতিম কুমার চক্রবর্তী। উপজেলা পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মো. সাইদুর রহমান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ার- উল- কুদ্দুস।

রূপসায় টাইফয়েড টিকা প্রথমদিন পেল ১৯৯৫ জন শিক্ষার্থী

টিকা সম্পর্কে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ মাজেদুল হক কাওছার জানান, সমগ্ৰ রূপসায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সি সকল শিশু প্রাক-প্রাথমিকে- ১১,১৪৩ জন। মাধ্যমিক নবম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রী ৮৬৭৯ জন এবং মাদ্রাসায় ছাত্র-ছাত্রী ২৭২৩ জন শিক্ষার্থী টিকার আওতায় থাকবে। তার মধ্যে প্রথম দিনে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ১৯৯৫ জন শিক্ষার্থীকে টিকা প্রদান করা হয়েছে।

বিনামূল্যে ১টি ডোজ টাইফয়েড টিকা প্রদান করা হচ্ছে। সরকারের ইপিআই কর্মসূচির আওতায় দেশব্যাপী টিকাদান ক্যাম্পেইন ১২ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং ১ নভেম্বর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত কমুনিটিতে ৮ দিন টিকা প্রদান করা হবে। এছাড়া, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ টি স্থায়ী কেন্দ্র যা ১৮ দিন টিকাদান কার্যক্রম চলবে। টাইফয়েড ঠিকাটি সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্য কর্মীদ্বারা প্রদান করা হচ্ছে। অভিভাবকগণ নিচিন্তায় সকাল বাচ্চাকে টিকা দিতে উদ্বুদ্ধ করুন।

রক্তের কোলেস্টেরল কমান ওষুধ ছাড়াই

//দৈনিক বিশ্ব//

রক্তের উচ্চ কোলেস্টেরলকে বলা হয় গোপন শত্রু। এটি ধীরে ধীরে আপনার শরীরকে হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের মতো বিপজ্জনক অবস্থার দিকে নিয়ে যায়, যা অনেক সময় আপনি টেরই পান না। টের যখন পান, তখন আর করণীয় তেমন থাকে না। তাই কোলেস্টেরলের মতো গোপন শত্রুকে আপনার চিনে নিতে হবে প্রথমেই, যখন নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

রক্তে দুই ধরনের কোলেস্টেরল থাকে—খারাপ ও ভালো। খারাপটা হলো লো ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন বা এলডিএল। আর ভালোটাকে বলে হাই ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন, যা এইচডিএল নামে পরিচিত।

কানাডার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ম্যাডিসন ব্রাউন এমন কিছু গবেষণাভিত্তিক পদ্ধতির কথা বলেছেন, যার জন্য আপনার কোনো ওষুধপত্র খেতে হবে না, কিন্তু খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল) কমবে প্রাকৃতিকভাবেই। এসব এতই সাধারণ ও ছোট যে আপনি জেনে অবাকও হতে পারেন।

১. দ্রবণীয় আঁশযুক্ত খাবার আরও খান

খাবারে আঁশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি পেটের ভেতর জেলের মতো একধরনের বস্তু তৈরি করে, যা রক্তে মেশার আগেই কোলেস্টেরলকে এর ফাঁদে আটকে ফেলে।

ওট, ডাল, চিয়া ও তিসি বীজের মতো অনেক খাবারই আঁশযুক্ত ও পানিতে দ্রবণীয়। এসব দ্রবণীয় আঁশ খাবারের অতিরিক্ত কোলেস্টেরলকে হজমপ্রক্রিয়ায় ঢুকতে বাধা দেয় এবং বর্জ্য হিসেবে শরীরের বাইরে বের করে দেয়।

আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে দেখা যায়, দিনে মাত্র ৫–১০ গ্রাম দ্রবণীয় আঁশ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় প্রায় ৫ শতাংশ।

২. খাবার প্লেটকে ‘প্ল্যান্ট’ দিয়ে পরিপূর্ণ করুন

এখানে ‘প্ল্যান্ট’ হচ্ছে উদ্ভিজ্জ খাবার। বলা হচ্ছে, আপনার খাবারের প্লেটে পুষ্টিপূর্ণ উদ্ভিজ্জ খাদ্য বেশি রাখুন। ফলমূল, শাকসবজি, বাদাম ও বীজজাতীয় খাবার শুধু খাবারের প্লেটকে বৈচিত্র্যপূর্ণই করে না; বরং এসব খাবারে স্টেরল ও স্ট্যানলের মতো উদ্ভিজ্জ চর্বি যোগ করে। এই স্টেরল ও স্ট্যানল রক্তে কোলেস্টেরল শোষণ কমায়।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় কোলেস্টেরল শিক্ষা কর্মসূচি অনুযায়ী, খাবারে দৈনিক ২ গ্রাম উদ্ভিজ্জ স্টেরল থাকলে তা ১০ শতাংশ পর্যন্ত এলডিএল কমায়। উদ্ভিজ্জ খাবারে অ্যান্টি–অক্সিডেন্টও থাকে, যা ধমনি ভালো রাখে। এটি আঁশ তৈরি করে, যা কোলেস্টেরল নিষ্কাশনে সহায়ক।

৩. ক্ষতিকর চর্বি বাদ দিয়ে স্বাস্থ্যকর চর্বি গ্রহণ

সাধারণত প্রক্রিয়াজাত ও ভাজাপোড়া খাবারে ক্ষতিকর চর্বি থাকে। এটি রক্তে ভালো কোলেস্টেরল কমিয়ে এলডিএলের মাত্রা বাড়ায়। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন খাবারে ক্ষতিকর চর্বি গ্রহণ বাদ দিয়ে স্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। তারা জলপাইয়ের তেল, অ্যাভোকাডো, আখরোটসহ চর্বিযুক্ত মাছ খেতে উৎসাহিত করেছে।

৪. সক্রিয় থাকুন প্রতিদিন

কোলেস্টেরলের পরিমাণ ঠিক রাখার জন্য প্রতিদিন ব্যায়ামাগারে যেতে হবে, এমন নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সপ্তাহে ৫ দিন অন্তত ৩০ মিনিট করে হাঁটুন। দ্রুত হাঁটা আপনার শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখবে। একই সঙ্গে এটি শরীরে রক্ত চলাচলও বাড়ায়। শারীরিক পরিশ্রম কোলেস্টেরলকে রক্ত থেকে যকৃতে পাঠায়। সেখানে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একে দেহ থেকেই বের করে দেওয়া হয়।

৫. পরিশোধিত শর্করা ও চিনি কমান

বেশি পরিশোধিত বা প্রক্রিয়াজাত শর্করা ও চিনি শরীরে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বাড়ায়। ট্রাইগ্লিসারাইড হলো রক্তে জমে থাকা চর্বি। এটি নির্দিষ্ট পরিমাণে দরকারি। কিন্তু এর অতিরিক্ত মাত্রা হৃদ্‌রোগের উচ্চঝুঁকি তৈরি করে।

২০১৪ সালে আমেরিকার ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব লোক তাঁদের ক্যালরির ২৫ শতাংশের বেশি চিনি থেকে গ্রহণ করেন, তাঁদের হৃদ্‌রোগজনিত মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি। চিনিযুক্ত পানীয়, ক্যান্ডি, পেস্ট্রি ও পাউরুটি খাওয়া বাদ দিলে শরীরে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমে এবং রক্তচাপ ঠিক থাকে।

শেষকথা

মনে রাখতে হবে, কোলেস্টেরল কমানোর এই প্রক্রিয়ায় কিন্তু রাতারাতি সফলতা অর্জন সম্ভব নয়। এটি দীর্ঘমেয়াদি চর্চার বিষয়। কাজেই এই পদ্ধতি অভ্যাস করুন এবং কোলেস্টেরল প্রাকৃতিকভাবেই কমিয়ে ফেলুন।

সূত্র: মায়ো ক্লিনিক

মোংলায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা এবং জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে কোস্ট গার্ড

//বিশেষ প্রতিনিধি, জেনিভা প্রিয়ানা//

বাগেরহাটের মোংলায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা এবং জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে কোস্ট গার্ড।

বৃহস্পতিবার ১৭ এপ্রিল ২০২৫ তারিখ দুপুরে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এ তথ্য জানান।

মোংলায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা এবং জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে কোস্ট গার্ড

তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড উপকূলীয় এবং নদী তীরবর্তী অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের বিভিন্ন প্রয়োজনে এগিয়ে এসেছে। দুঃস্থ ও নিম্ন আয়ের মানুষদের বিভিন্ন সময় মেডিকেল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছে কোস্ট গার্ড। এরই ধারাবাহিকতায় ১৭ এপ্রিল ২০২৫ তারিখ বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন কর্তৃক বাগেরহাট জেলার মোংলা থানাধীন জয়মনিঘোল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন পরিচালনা করে দুই শতাধিক অসহায়, দুঃস্থ ও শিশুদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী প্রদান করা হয়। উক্ত কর্মকাণ্ডের নেতৃত্ব দিয়েছেন মেডিকেল অফিসার সার্জন লেঃ কমান্ডার মাকসুদা জাহান, এএমসি। এসময় জয়মনিঘোলে পরিদর্শনে আগত Military Support Element, US, Emassy এর ০২ জন প্রতিনিধি উক্ত মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন অবলোকন করেন।

এছাড়াও, অবৈধ মৎস্য আহরন, মাদক ও মানব পাচার রোধ, অবৈধ জালের ব্যবহার, বনজ সম্পদ রক্ষা, নৌযান ও নৌপথে জানমালের নিরাপত্তার বিষয়ে স্থানীয় মৎস্যজীবিদের উদ্দেশ্যে জনসচেতনতামূলক বক্তব্য প্রদান করা হয়। উক্ত জনসচেতনতামূলক সভায় স্থানীয় প্রশাসন, বনবিভাগের প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধিগণ এবং সাধারন জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

বন্ধু’র মায়ের আত্মার মাগফেরাতে দোয়া এবং ৮৯ ব্যাচ কমিটি ঘোষনা

//এম মুরশীদ আলী//

বন্ধু (সাংবাদিক) জিএম আসাদুজ্জামানের মমতাময়ী মায়ের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়ার আয়োজনে করে খুলনা সরকারি সুন্দরবন কলেজ-৮৯ ব্যাচের বন্ধুরা। গত ৯ জানুয়ারী মাগরিব বাদ হোটেল ওয়েস্টার্ন ইন এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
দোয়া শেষে- অধ্যাপক ডা: বঙ্গ কমল বসুকে সভাপতি এবং রবিউল ইসলামকে সেক্রেটারী করে ৮৯ ব্যাচ, খুলনা (সরকারি সুন্দরবন কলেজ) সংগঠন নাম ঘোষণা করা হয়।

এ সময় বন্ধুদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- টিকু রহমান, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, খন্দকার আবুল বাশার, দিলরুবা নিম্নী, সাংবাদিক জিএম আসাদুজ্জামান, মো. আবুল কালাম আজাদ, মো. সাজ্জাদ খান চপল, মো. মঈনুল হাসান শিমুল, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, লাভলি খান, শামছুন নাহার, হোসনে আরা খনম, রাশিদা আক্তার ময়না, তানজিদুর রহমান চৌধুরী (তাপস), মো. শরিফুল আলম বাবু, কুমার (সমির), রাজিবুল হাসান রিপন, মো. বাবর আলী শেখ, মীর আলমগীর হোসেন, বিভাষ কুমার দাম, ফয়সাল আমিন তপু, মীর রেজওয়ান রহমান, রফিকুল ইসলাম শাহীন, মো. জসিম উদ্দিন লাবু, মো. মনিরুল ইসলাম প্রমুখ।

বাগেরহাটে ধ্রুবতারা যুব উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ

//বিশেষ প্রতিনিধি, জেনিভা প্রিয়ানা//

বাগেরহাটে শীতার্ত অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ধ্রুবতারা যুব উন্নয়ন ফাউন্ডেশন বাগেরহাট জেলা শাখার উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (৮ জানুয়ারি) আইপিডিসি ফাইন্যান্সের সহায়তায় ধ্রুবতারা যুব উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের জেলা কার্যালয়ে এই শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের পুলিশ সুপার জনাব মোঃ তৌহিদুল আরিফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর বাগেরহাটের উপ-পরিচালক জনাব আব্দুল কাদের এবং বাগেরহাট সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব সাইদুর রহমান।

ধ্রুবতারা যুব উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সভাপতি কাজী মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও তাকিয়া তাহসিন এর সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সাধারণ সম্পাদক নাঈম হোসেন, সদস্য ইয়াছির আরাফাত, জুম্মান শেখ, মিলন শেখ, রেদোয়ান ইসলাম, রাতুল ইসলাম, শৈশব সাহা, সাজিদ হোসেন, নিয়ামুল ইসলাম, শারমিন সুমনা প্রমুখ।

শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমে প্রায় শতাধিক অসহায় মানুষ শীত নিবারণের জন্য কম্বল পেয়েছেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সকলকে অনুপ্রাণিত করেন এবং ধ্রুবতারা যুব উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের এমন কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানান।

আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও তারা এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন এবং সমাজের অবহেলিত ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়াবেন।

বিএনপির সদস্য সচিব আবু হোসেন বাবুর সুস্থতা কামনায় দোয়া

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা //

খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু হোসেন বাবুর সুস্থতা কামনায় দোয়া করেছে রূপসা উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। গত ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় উপজেলা সদর অস্থায়ী দলীয় কার্যালয়ে এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভা প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- খুলনা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক জিএম কামরুজ্জামান টুকু।

বিএনপি নেতা মো. কামরুল ইসলাম কচির সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- সৈয়দ নিয়ামত আলী, এ্যাড: তাফছিরুজ্জামান, ওয়াকিদুজ্জামান ডাবলু, যুবদল নেতা মুন্না সরদার, আবুল কালাম আজাদ, বাবুল শেখ, আজিজুল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান, ইসরাইল বাবু, শফিকুর রহমান ঢালী, রবিউল ইসলাম রবি, মুফতি মাওলানা রেজাউল করিম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- শামীম আহমেদ, কবির শেখ, মিজান শেখ, আবু দাউদ ডানিশ, হীরোক গোলদার, আবুল কাশেম, টিপু খন্দকার, সুমন রাজ, জিয়াউর রহমান, জুয়েল আহম্মেদ বাদশা, আবুল হোসেন, নয়ন পাইক, জাহিদ শেখ, রাজু শেখ, সাইদুল শেখ, আলামিন শেখ আলা, রাকিবুল ইসলাম আহাদ, আরাফাত সানী, ওয়ালিদ শেখ প্রমুখ।

রূপসায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ বিষয়ক র‍্যালী অনুষ্ঠিত

//রূপসা, খুলনা প্রতিনিধি//
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার উদ্বোধন র‍্যালী রবিবার বিকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকাশ কুমার কুন্ডু।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি অপ্রতিম কুমার চক্রবর্তী, কৃষি কর্মকর্তা তরুণ কুমার বালা, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা:মো: আহসান হাবীব প্রমানিক,
মেডিকেল অফিসার ডা: পিকিং শিকদার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বোরহান উদ্দিন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ বজলুর রহমান, টিএসবি ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান আসাবুর রহমান, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফরিদ শেখ, রূপসা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আ.রাজ্জাক শেখ, সাংবাদিক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর সাধারণ সম্পাদক বেনজির হোসেন, ইউপি সদস‍্য ইনতাজ মোল্লা, সাংবাদিক মামুন শেখ, ছাত্র প্রতিনিধি তামিম হাসান লিওন, মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম, সাইদুর ইসলাম রাজু,মিরাজ হাওলাদার, সিয়াম সরদার, মিরাজ হোসেন প্রমূখ।

কলকাতার আরজি কর হাসপাতালে ধর্ষণের পর শ্বাস রোধ করে মারা হয় চিকিৎসক মৌমিতাকে

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার আরজি কর হাসপাতালে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার নারী চিকিৎসককে শ্বাস রোধ করে মারা হয়েছিল। তাঁর শরীরের বহিরাংশে ১৬টি ও ভেতর ৯টি ক্ষতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। যৌন নির্যাতনেরও আলামত পাওয়া গেছে।

৯ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিট থেকে ৭টা ১০ মিনিটের মধ্যে এই ময়নাতদন্ত করা হয়। আরজি কর হাসপাতালের চিকিৎসকেরাই এই ময়নাতদন্ত করেন। আজ সোমবার ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন নিয়ে খবর প্রকাশ করে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নাক-মুখ বন্ধ করে শ্বাস রোধ করার কারণেই (ওই চিকিৎসকের) তাঁর মৃত্যু হয়েছিল। হত্যার ধরনটি নরহত্যার পর্যায়ে পড়ে। ভুক্তভোগীর যৌনাঙ্গে কোনো কিছু জোর করে প্রবেশের আলামত পাওয়া গেছে। চিকিৎসকদের ধারণা, সম্ভবত তাঁকে যৌন নিপীড়ন করা হয়েছিল।

গাল, ঠোঁট, নাক, ঘাড়, বাহু, হাঁটু ও যৌনাঙ্গে বাহ্যিক ক্ষত পাওয়া গেছে। অভ্যন্তরীণ ক্ষত পাওয়া গেছে ঘাড়, মাথার ত্বক ও অন্যান্য অংশের পেশিতে।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে বলা হয়, সব আঘাত মৃত্যুর আগের। এর অর্থ হলো, মারার আগে তাঁকে সীমাহীন কষ্ট দেওয়া হয়েছে।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন আরজি কর হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন ও টক্সিকোলজি বিভাগের অধ্যাপক অপূর্ব বিশ্বাস, একই হাসপাতালের একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রিনা দাস এবং এনআরএস মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মলি ব্যানার্জি।

গত শুক্রবার উত্তর কলকাতার আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সভাকক্ষে এক নারী চিকিৎসকের মরদেহ পাওয়া যায়। দীর্ঘ ৩৬ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন শেষে ওই দিন রাতে তিনি সেখানে বিশ্রাম নিতে গিয়েছিলেন। ৩১ বছর বয়সী ওই শিক্ষানবিশ নারী চিকিৎসকের মরদেহটি ছিল রক্তাক্ত, শরীরের নানা জায়গায় জখমের চিহ্ন ছিল। এ ঘটনায় কলকাতার পাশাপাশি ভারতজুড়ে চিকিৎসকেরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। এখনো আন্দোলন চলছে।

প্রাথমিকভাবে এই ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল কলকাতা পুলিশকে। তাঁদের তদন্ত সমালোচনার মুখে পড়ে। এরপর তা ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার (সিবিআই) কাছে হস্তান্তর করা হয়।