তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন

তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন

আ. রাজ্জাক শেখ, খুলনা।।

চলতি মাসের দুই সপ্তাহ ধরে খুলনায় ভয়াবহ তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে পল্লী বিদ্যুৎ এর লোডশেডিং। এতে করে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। রমজান মাসে এমন অবস্থার হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে রোজদার ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী ও খেটে খাওয়া মানুষ। শিশু আর বৃদ্ধদের অবস্থা একেবারে কাহিল।
দুপুর হলেই চলে যাচ্ছে বিদ্যুৎ। গরমে ভেজা কাপড় গায়ে জড়াচ্ছেন অনেকে। কখন বিদ্যুৎ আসবে সে খবরও কারো জানা নেই। বেড়েগেছে হাতপাখার কদর। দোকান গুলোতে ভিড়লেগে গেছে তাল পাতার হাতপাখা বিক্রির। হাসপাতালে অসুস্থ রোগীদের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হচ্ছে। দিনে ও রাতে প্রায় ১০/১২ ঘন্টা থাকছে লোডশেডিং। লোডশেডিং থেকে রক্ষা পাচ্ছেনা ঈফতার ও সেহেরীর সময় টুকুও। গত ২ সপ্তাহ ধরে অতি তীব্র তাপদাহ ৪০/৪২ দশমিক ২ ডিগ্রী তাপমাত্রা রেকর্ড চলছে।
এরই মধ্যে প্রচুর ভ্যপসা গরমে যখন মানুষ হাঁসফাঁস করছে এমন সময় শুরু হয়েছে লোডশেডিং। রাত ও দিনে শুরু হওয়া লোডশেডিং দিনে রাতে ১০/১২ ঘণ্টা হচ্ছে। ইফতার ও সেহেরির কিছু সময়ও পড়ছে লোডশেডিং-এর আওতায়। এতে করে ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠছেন রোজদারগণ।
উপজেলা সদরের দিন মুজুর মজিদ বলেন, ‘এমন গরম আগে কখোনো দেখিনি, রোদ গরমে এনিতেই ঘরে দাঁড়ানো যাচ্ছে না। বাইরে বেরলে গা জ্বালা করছে। ফেন চালিয়ে কোনো মতে ঘরে থাকছিলাম তাও বিদ্যুৎ থাকছে না। কোথাও সস্থি পাচ্ছি না। ঘরে একটু স্বস্থিতে থাকবো, বিদ্যুৎ না থাকায় তাও পারছিনা। গাছ তলায় বসে থেকেও সস্থি নেই।’
ভ্যান চালক ইসমাইল বলেন, রাস্তায় কোন লোক বের হচ্ছে না। রাস্তা ফাকা রয়েছে। রৌদে তাকালে চোখ জলে যাচ্ছে। গাড়ি চালঅতে পারছি না। সামনে ঈদ চিন্তার মধ্যে আছি। আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *