হৃদযন্ত্রের অবস্থা সম্পর্কে জানতে ড. দেবী শেট্টি কিছু অতি প্রয়োজনীয় পরীক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

বয়স ২০ পেরোলেই সিটি স্ক্যান! জিমে কসরতের আগে হৃদ্‌যন্ত্রের কিছু পরীক্ষার পরামর্শ দিলেন দেবী শেট্টি

তারকাদের মতো চেহারা পাওয়ার বাসনায় জিমে গিয়ে শারীরিক কসরত করার হিড়িক পড়েছে কমবয়সিদের মধ্যেই। না জেনে ভারী ব্যায়াম করা কতটা বিপজ্জনক, তা নিয়ে পরামর্শ দিলেন কার্ডিয়াক সার্জন দেবি শেট্টি।

বয়স কুড়ির গণ্ডি পার হলেই করিয়ে নিতে হবে সিটি স্ক্যান। বাইশে লিপিড প্রোফাইল টেস্ট জরুরি। এমনই পরামর্শ দিলেন কার্ডিয়াক সার্জন দেবী শেট্টি। আচমকা হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে। তা বেশি হচ্ছে কমবয়সিদেরই। বাইরে থেকে দেখতে যতই সুস্থ ও চনমনে লাগুক না কেন, ভিতরে ভিতরে হৃদ্‌যন্ত্র দুর্বল হয়ে পড়ছে কি না, তা কিছু পরীক্ষা ছাড়া বোঝার উপায় থাকে না। চিকিৎসকের পরামর্শ, বয়স কুড়ির কোঠা পেরোলেই হার্টের কিছু পরীক্ষা অবশ্যই করিয়ে রাখতে হবে। বিশেষ করে যাঁরা জিমে গিয়ে ভারী কসরত করেন বা ওজন তুলে ব্যায়াম করেন, তাঁদের সবচেয়ে আগে চার থেকে পাঁচটি হার্টের টেস্ট করাতেই হবে। না হলে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়বে।

তারকাদের মতো চেহারা পেতে জিমে গিয়ে ওয়েট ট্রেনিং বা স্ট্রেংথ ট্রেনিং করার হিড়িক পড়ে গিয়েছে। পেশির ব্যায়াম করতে হলে আগে দেখে নিতে হবে শরীর সে ভাবে প্রস্তুত কি না। দেবী শেট্টি জানাচ্ছেন, শরীর যদি ভিতর থেকে দুর্বল হয় বা হৃদ্‌যন্ত্রের কোনও রোগ থেকে থাকে, তা হলে ভারী কসরত বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারে। বাইরে থেকে একজনকে ফিট দেখালেও তাঁর ধমনীতে ব্লকেজ বা জন্মগত কোনও হার্টের সমস্যা রয়েছে কি না, তা সাধারণ অবস্থায় বোঝা যায় না। যখন কেউ হঠাৎ জিমে গিয়ে ভারী ওজন তোলেন বা এমন ব্যায়াম করেন যাতে হার্ট রেট বা হৃৎস্পন্দন প্রতি মিনিটে ১৫০-এর উপরে চলে যায়, তখন হার্টের উপর প্রচণ্ড চাপ পড়ে। এই অতিরিক্ত চাপ সহ্য করতে না পেরে আচমকা হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। এই বিপদ থেকে বাঁচতেই কিছু পরীক্ষা করানো প্রয়োজন।

কী কী পরীক্ষা করাতে হবে?

শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা পরীক্ষা করার জন্য লিপিড প্রোফাইল টেস্ট করা জরুরি।হৃৎস্পন্দন ঠিক আছে কি না, তা জানতে ইলেক্ট্রোকার্ডিয়োগ্রাম (ইসিজি) পরীক্ষা করানো জরুরি।

হার্টের পেশি ঠিক মতো কাজ করছে কি না, তা জানতে ইকোকার্ডিয়োগ্রাম করতে হবে।

হৃদ্‌যন্ত্রের ধমনীতে ব্লকেজ আছে কি না বুঝতে সিটি করোনারি অ্যাঞ্জিয়োগ্রাম করানো জরুরি।

সি-রিঅ্যাকটিভ প্রোটিন টেস্ট (সিআরপি) টেস্ট করাতেই হবে। ‘সিআরপি’ এক ধরনের প্রোটিন। রক্তে এই প্রোটিন বৃদ্ধি পেলে প্রদাহ বাড়ে। সিআরপি টেস্ট করালে বোঝা যায়, শরীরে কী পরিমাণ প্রদাহ হচ্ছে। যার থেকে বোঝা সম্ভব হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি আছে কি না।

হিমোসিস্টিন টেস্টে হার্ট অ্যাটাকের আগাম খবর পাওয়া সম্ভব। এটি এক ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিড, যা খাবারের বিপাকের সময়ে তৈরি হয়। কিন্তু গোলমালটা বাধে, যখন এই অ্যামাইনো অ্যাসিডের মাত্রা অনেকটা বেড়ে যায়। তখন এটি ধমনীর ভিতরে জমা হতে থাকে ও রক্তপ্রবাহে বাধা তৈরি করে। দিনের পর দিন যদি রক্তে হিমোসিস্টিন জমা হতে থাকে, তা হলে ধমনীতে তা ‘প্লাক’-এর মতো জমতে থাকবে ও হার্ট ব্লকেজের কারণ হয়ে উঠবে।

ডক্টর শেট্টি সতর্ক করেছেন যে, ব্যায়াম করার সময়ে যদি বুকে চাপ চাপ ব্যথা অস্বস্তি, শ্বাসকষ্ট, পিঠের ব্যথা বেশি হয়, তা হলে সাবধান হতে হবে।

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে রূপসায় দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

//এম মুরশীদ আলী,  খুলনা//

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, নির্ভুল ও জনবান্ধব কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার জন্য করণীয় শীর্ষক কর্মশালা গত ১৭ জুন দিনব্যাপী

উপজেলা অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি ও মুখ্য আলোচক হিসেবে বিশদ আলোচনা করেন স্থানীয় সরকার খুলনার উপ-পরিচালক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন- শিশু জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন করতে হবে। এ কারণে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন টার্গেট দেওয়া থাকে যে, এক মাসের মধ্যে কতজন জন্মগ্ৰহন করেছেন এবং কতজন মৃত্যুবরণ করেছে তা নিবন্ধন করাটাই টার্গেট পূরণ হবে। এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কাজ গতিসম্পন্ন ভাবে চালিয়ে যেতে হবে। পাশাপাশি বাল্যবিবাহ রোধে ইউনিয়ন পরিষদ সংশ্লিষ্ট সকলকে কাজ করতে হবে। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন শুধু একটি প্রশাসনিক কার্যক্রম নয়, এটি একজন নাগরিকের রাষ্ট্রীয় পরিচয়ের ভিত্তি। একটি শিশুর জন্মের পর নির্ধারিত সময়ে সঠিক হালনাগাদ নিবন্ধন তথ্য সরকারের পরিকল্পনা প্রণয়ন জনসেবা প্রদান এবং জাতীয় তথ্যভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি, নিবন্ধক, প্রশাসন ও সাধারণ জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সকলকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে শতভাগ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন নিশ্চিত করতে হবে।

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে রূপসায় দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

রূপসা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতা। এসময় তিনি জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে বিদ্যমান সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন এবং সেবার মানোন্নয়নে সকলের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন- রূপসা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাঈদুর রহমান, সহকারী প্রোগ্রামার ইমরান হোসেন, ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলাম নন্দু, ইলিয়াজ হোসেন, জিয়াউল ইসলাম গাজী, মাসুম বিল্লাহ, ইউপি সদস্য ফিরোজ মাহমুদ, ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা সৌমিক রায়, প্রদীপ কুমার সাহা, মোঃ শামীমুজ্জামান, শেখ আলমগীর হোসেন, মোঃ নাছির উদ্দীন প্রমুখ। কর্মশালায় বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

কর্মশালা শেষে উপস্থিত সকলের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করেন প্রধান অতিথি।

ই-ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়িয়েছে এনবিআর-  আরো যা থাকছে…..

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

আগামী জুলাই থেকে বাধ্যতামূলকভাবে অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন দাখিল কার্যক্রম চালুর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্যবসায়ীদের পূর্বের দাখিলকৃত কাগজভিত্তিক (হার্ড কপি) ভ্যাট রিটার্নগুলো ইলেকট্রনিক ভ্যাট (ই-ভ্যাট) সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করার সময়সীমা আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

রোববার (৭ জুন) এনবিআর-এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগে হার্ড কপিতে জমা দেওয়া মাসিক ভ্যাট রিটার্নসমূহ ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ ও অনলাইনে অন্তর্ভুক্ত করার সুবিধার্থে ই-ভ্যাট ব্যবস্থায় ‘হার্ড কপি রিটার্ন এন্ট্রি’ নামে একটি নতুন সাব-মডিউল সংযোজন করা হয়েছে।

এনবিআর জানায়, এ সাব-মডিউল ব্যবহারের পদ্ধতি নির্ধারণ করে গত ৫ জানুয়ারি একটি পরিপত্র জারি করা হয় এবং সব হার্ড কপি রিটার্ন অনলাইন সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল।

তবে ই-ভ্যাট প্ল্যাটফর্মের তথ্য অনুযায়ী, এখনো উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কাগজভিত্তিক রিটার্ন অনলাইন সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

আগামী জুলাই থেকে অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করার লক্ষ্যে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করার জন্য অতিরিক্ত সময় দিয়ে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনবিআর।

এনবিআর সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, যে সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সংশোধিত সময়সীমার মধ্যে তাদের কাগজের রিটার্নগুলো ই-ভ্যাট সিস্টেমে এন্ট্রি করতে ব্যর্থ হবে, তারা বিধিনিষেধের সম্মুখীন হবে।

এ ক্ষেত্রে, ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত তাদের সমাপনী স্থিতি (ক্লোজিং ব্যালেন্স) স্থগিত (ফ্রিজ) করে দেওয়া হবে। ফলে ভবিষ্যতে ওই স্থিতির বিপরীতে কোনো সমন্বয় করা যাবে না।

রাজস্ব বোর্ড আরও জানায়, ভ্যাট ফেরতের (রিফান্ড) আবেদন নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট সব ভ্যাট রিটার্ন অনলাইন সিস্টেমে থাকা বাধ্যতামূলক। ফলে যে সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান তাদের পূর্ববর্তী সব ভ্যাট রিটার্ন ই-ভ্যাট প্ল্যাটফর্মে অন্তর্ভুক্ত করবে না, তারা রিফান্ডের আবেদন করতে পারবে না।

দেশের রাজস্ব ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং রাজস্ব কার্যক্রমের পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল রূপান্তরের লক্ষ্যে চলমান উদ্যোগে করদাতাদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছে এনবিআর।

 

রূপসায় ‘মা জায়েদা-জান্নাত’ মানবকল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে ঈদ উপহার

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

নিজ এলাকার অসহায় মানুষের ঈদ কাটবে হাসিখুশিতে। এ উদ্দেশ্য নিয়ে ‘মা জায়েদা-জান্নাত’ মানবকল্যাণ সংস্থা রূপসা উপজেলা সদরে গত ২৭ মে ঈদ উপহার সামগ্রী ও অসুস্থদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করেছে।

ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি (সাংবাদিক) জিএম আসাদুজ্জামান।

মা জাহেদা জান্নাত সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এইচ এম মাসুদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা প্রদান করেন- (সাবেক ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান) এইচ এম কামরুল ইসলাম কচি, এইচ এম আজিজুল ইসলাম।

আব্দুল মজিদ শেখের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন- আবু দাউদ ডানিস, মো. আসেফ হাসান রিফাত, রেজোয়ান আহম্মেদ, মো. নজরুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

‘মা জায়েদা-জান্নাত’ মানবকল্যাণ সংস্থাটি অসুস্থদের মাঝে নগদ অর্থ প্রদান সহ ১৫০ জনের মাঝে সিমাই-চিনি, দুধ ও চাউল দিয়ে ঈদের স্বচ্ছতা খুশি করলেন। এর আগে নিজ এলাকায় দবির উদ্দিন হাফেজিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের খাবারের চাউল বিতরণ করেছে।

রূপসায় উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

রূপসায় কারিতাস বাংলাদেশ খুলনা অঞ্চল আয়োজিত মানব পাচার হতে উদ্ধারপ্রাপ্ত নারী ও পুরুষদের জন্য আশ্বাস প্রকল্প (ফেজ-২) এর আওতায় “Provide Sensitization Session to Private and Public Institutions” শীর্ষক সরকারি ও বেসরকারি পরিষেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে উদ্বুদ্ধকরণ সভা গত ২০ মে সকালে উপজেলা মডেল মসজিদ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন- উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতা।

উদ্বুদ্ধকরণ সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জ্যোতি কনা দাস, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস এ আনোয়ারুল কুদ্দুস, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ বজলুর রহমান ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন। অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য রাখেন প্রকল্পের ব্যবস্থাপক প্রভাষ চন্দ্র বিশ্বাস।

সারভাইভারদের পুনঃএকত্রীকরণে কার্যকর সেবা প্রদানের লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেন প্রকল্পের ডেপুটি ম্যানেজার (এম অ্যান্ড ডি) আসিফ মল্লিক শুভ। এর পূর্বে অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রকল্পের কেস ম্যানেজার (সোশ্যাল সার্ভিস) লিমন রায়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ম্যানেজার মিলন কান্তি সরকার, ইসলামী রিলিফ বাংলাদেশ রূপসার মোঃ জাকারিয়া, প্রকল্পের সোশ্যাল মোবিলাইজার লাভিনিয় মুক্তা, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইলিয়াজ হোসেন প্রমুখ।

উক্ত প্রকল্পটি বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ের মাধ্যমে মানব পাচার থেকে উদ্ধারপ্রাপ্ত নারী ও পুরুষদের মর্যাদা পুনরুদ্ধার, সার্বিক কল্যাণ এবং আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনে সহায়তা করে আসছে। উদ্বুদ্ধকরণ সভায় সারভাইভারদের বিভিন্ন সমস্যা, বৈষম্য, নিরাপত্তা ও মানসিক সহায়তাসহ প্রয়োজনীয় সেবা প্রাপ্তির বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি তাদের জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সংগ্রামের গল্প উপস্থাপনের মাধ্যমে বর্তমান অবস্থা, সমস্যা ও চাহিদা সম্পর্কে তথ্য তুলে ধরা হয়। এই প্রতিষ্ঠানটি রূপসায় ৮৯ জন নারী ও পুরুষ সারভাইভারকে চিহ্নিত করে ৭৬ জনকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিভিন্নভাবে সহায়তা প্রদান করছে। সভায় মানব পাচার রোধে সচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক সহযোগিতা এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে পারলেই উন্নয়নের সুফল সাধারণ মানুষের ঘরে পৌঁছাবে —– রূপসায় এমপি আজিজুল বারী

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যেমন আজীবন কৃষক, শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করেছেন, তেমনি তাঁর সুযোগ্য সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ কৃষকের মুখে হাসি ফোটাতে, দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে এবং একটি আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়তে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। কৃষক বাঁচলে বাঁচে একটি দেশ। কৃষকের ঘরে সমৃদ্ধি ফিরলে দেশের অর্থনীতির চাকা আরও গতিশীল হবে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং উন্নয়নের অগ্রযাত্রা আরও বেগবান হবে। সেই লক্ষ্য থেকেই বিএনপি সরকার কৃষকদের কাছ থেকে ৩৬ টাকা কেজি দরে ন্যায্যমূল্যে ধান ক্রয়ের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অতীতের কোনো সরকার কৃষকের ঘাম ও পরিশ্রমের এমন মর্যাদা দিতে পারেনি। এটি শুধু ধান ক্রয় কর্মসূচি নয়, এটি কৃষকের ন্যায্য অধিকার ও সম্মান প্রতিষ্ঠার এক সাহসী রাষ্ট্রীয় অঙ্গীকার। কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের এই কার্যক্রমে কোনো ধরনের দুর্নীতি, অনিয়ম কিংবা মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য সহ্য করা হবে না। কৃষক যাতে হয়রানি ছাড়া দ্রুত ও সহজভাবে তাদের ধানের ন্যায্যমূল্য হাতে পায়, সে বিষয়ে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। একইসঙ্গে আগামীতে আরও বেশি পরিমাণে কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান সংগ্রহের উদ্যোগ নিবে বিএনপি সরকার, যাতে প্রকৃত কৃষকই সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়।

দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে পারলেই উন্নয়নের সুফল সাধারণ মানুষের ঘরে পৌঁছাবে ----- রূপসায় এমপি আজিজুল বারী

তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে দুর্নীতি। দুর্নীতি একটি জাতির স্বপ্ন ধ্বংস করে, মানুষের অধিকার কেড়ে নেয় এবং রাষ্ট্রকে পিছিয়ে দেয়। তাই দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। যেখানে অনিয়ম হবে, সেখানেই জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিবাদ করতে হবে। দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে পারলেই উন্নয়নের সুফল সাধারণ মানুষের ঘরে পৌঁছাবে। জনগণের উন্নয়নের কাজের প্রতিটি প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। গরিব, অসহায় ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে যেসব উন্নয়নমূলক কাজ মানুষের প্রকৃত উপকারে আসে, সেসব কাজকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। জনগণের টাকার প্রতিটি হিসাব জনগণের কাছেই দিতে হবে। কোনোভাবেই সরকারি অর্থ লুটপাট বা আত্মসাৎ হতে দেওয়া যাবে না। জনগণের অর্থ জনগণের কল্যাণেই ব্যয় করতে হবে এটাই বিএনপি সরকারের অঙ্গীকার।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার বাংলাদেশকে একটি দুর্নীতিমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। দেশের প্রতিটি স্তর থেকে দুর্নীতি নির্মূল করে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়াই হবে বিএনপি সরকারের মূল লক্ষ্য। তিনি গত ১৬ মে (শনিবার) সকালে রূপসা উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে রূপসা উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর আয়োজিত ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রণালয় কর্তৃক বরাদ্দকৃত বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত, দুঃস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে শুকনা খাবার, ঢেউটিন ও গৃহনির্মাণ অর্থ বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা আব্দুল করিম। সভাপতিত্ব করেন রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতা। উক্ত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন রূপসা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ বোরহান উদ্দিন। এসময় এমপি আজিজুল বারী হেলাল মোট ১১ টি পরিবার ও ১ টি প্রতিষ্ঠানের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ এবং  ৯৮ জনের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ করেন। এরপর তিনি রূপসা উপজেলা খাদ্য অধিদপ্তর কর্তৃক অব্যন্তরীন ধান সংগ্রহ অভিযান ২০২৬ এর উদ্ধোধন করেন। রূপসা উপজেলা প্রশাসন ও খাদ্য বিভাগ আয়োজিত স্বাগত বক্তৃতা করেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুজ্জামান। উদ্বোধনীর মাধ্যমে মোট ৬৬১ মেট্রিক টন ধান কৃষকদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন রূপসা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তরুন কুমার বালা, খাদ্য গুদাম ইনচার্জ মোঃ সেলিম, খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, এনামুল হক সজল, রূপসা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান, দিঘলিয়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সাইফুর রহমান মিন্টু, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক আতাউর রহমান রুনু, রূপসা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, জেলা বিএনপির সদস্য আরিফুর রহমান আরিফ, আছাফুর রহমান, জেলা কৃষকদলের সাধারন সম্পাদক শেখ মোঃ আবু সাঈদ, জেলা মহিলাদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহানাজ ইসলাম, রূপসা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বিকাশ মিত্র, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবুল কালাম গোলদার, হুমায়ূন কবীর, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা খান আনোয়ার হোসেন, মহিউদ্দিন মিন্টু, আজিজুর রহমান, দিদারুল ইসলাম, মিকাইল বিশ্বাস,ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলাম বিশ্বাস, আজিজুল ইসলাম নন্দু, ইলিয়াজ হোসেন, যুব মহিলাদল নেত্রী শারমিন আক্তার আঁখি, কৃষক সেলিম সরদার, ওমর ফারুক, কৃষকদল নেতা শাহ আলম ভূইয়া, খন্দকার শরিফুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম পাইক, মোল্যা দুরুল হুদা, কামরুল ইসলাম কচি, ফিরোজ মাহমুদ, আরিফ মোল্যা, শামীম হাসান, মাসুদ খান, মুন্না সরদার, সাবেক ছাত্রনেতা খান আলিম হাসান,ফরহাদ হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রেজাউল ইসলাম রেজা, নয়ন মোড়ল, জহিরুল হক শারাদ, তরিকুল ইসলাম রিপন, মহিতোষ ভট্টাচার্য, এসএম আবু সাঈদ, সাজ্জাদ হোসেন, কামরুজ্জামান নান্টু, জাহাঙ্গীর হালদার, আকতার শেখ, জাহিদ হোসেন, নাঈম আহম্মেদ, খান ওলিয়ার রহমান, আবু দাউদ দানিশ, মনিশংকর রায়,ওমর ফারুক, শামীম মোল্যা, ফারুক আহমেদ, গোলাম রসূল, ইব্রাহিম শেখ প্রমূখ।

‘জীবন রক্ষায় প্রয়োজন, নার্সদের ক্ষমতায়ন’ – রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে

 

‘জীবন রক্ষায় প্রয়োজন, নার্সদের ক্ষমতায়ন’ – রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

আন্তর্জাতিক নার্স দিবস ১২ মে উদযাপন উপলক্ষে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সকাল ১১ টায় কেক কাটার মাধ্যমে নার্সরা আনন্দ উল্লাসে  দিবসটি পালন করেছেন। এ বছরের প্রতিপাদ্য হচ্ছে- আমাদের নার্স। আমাদের ভবিষ্যৎ- জীবন রক্ষায় প্রয়োজন, নার্সদের ক্ষমতায়ন’।

কেক কাটা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ মো. মাজেদুল হক কাওসার, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ খন্দকার হিমেল, মেডিকেল অফিসার ডাঃ কল্লোল, রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি জি এম আসাদুজ্জামান, প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাংবাদিক এম মুরশীদ আলী।

নার্সদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- নার্সিং সুপারভাইজার নুরুন্নাহার শিল্পি, সিনিয়র ষ্টাফ নার্স সিরাতে আয়শা, ভাইয়া ইনচার্জ সুপর্ণা রানী বিশ্বাস, মরিয়ম খাতুন, শারমিন সুলতানা, হিমালা বিশ্বাস, ঝুমুর হাওলাদার, বৈশাখি ব্যাপারী, শিল্পী মল্লিক, খুকুমনি মজুমদার, ফারজানা লিজা, রাবেয়া সুলতানা, তিথী পোদ্দার, ঝুমুর সরকার, শিরিন খাতুন, সম্পা সরকার, গৌরিবাকচি, খাদিজা খাতুন, সুপর্না সরকার, নাছরিন নাহার, ইন্দ্রা সিংহ এবং মিডওয়াইফ নাজনীন সুলতানা, দিলরুবা ইয়াসমিন প্রমুখ।

আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস……. রূপসা নির্বাহী সানজিদা রিক্তা

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

রূপসা উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভার সভাপতি নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিক্তা বলেন- রূপসায় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পৈত্রিক ভিটায় ১৬৫ তম জন্ম বার্ষিকী পালন হবে আগামী ৮ মে, ২৫শে বৈশাখ। এদিনে সকলকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করতে পরামর্শ প্রদান করেন।

এছাড়া রূপসায় ট্রাক এবং টলীতে- মাটি, বালু ও ইট ইত্যাদি বহন করার সময় ঢেকে না নেওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের চোখে-মুখে পড়ে চলাচলে ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে। এমন যানবাহনে মাল ঢেকে নিতে নির্দেশ প্রদান করা হবে। তাছাড়া মাদক-জুয়া নজরদারি বৃদ্ধির পাশাপাশি বাল্যবিবাহ রোধে সকলকে সচেতন হতে হবে। পাশাপাশি প্রত্যেক শিশু জন্মের পর জন্ম নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদকে আরো গুরুত্ব দিয়ে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। এ সকল বিষয়ে গত ৩০ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১১টায় অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে আইন-শৃঙ্খলা সভায় সকলের খন্ড খন্ড বক্তব্যের প্রতি উত্তরে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, রূপসা থানা ওসি আব্দুর রাজ্জাক মীর, কৃষি কর্মকর্তা তরুণ কুমার বালা।

উপস্থিত ছিলেন- সমাজসেবা কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম তরফদার, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, খাদ্য কর্মকর্তা মো. আশরাফুজ্জামান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ার উল কুদ্দুস, কাজদিয়া সরকারি  উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অজিত সরকার, পিঠাভোগ ডিজিসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণ পদ রায়, কাজদিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাবানা, কাজদিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক কমল চন্দ্র সানা, ইসলামী ফাউন্ডেশন এর কেয়ারটেকার আব্দুস সালাম। আইচগাতী ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মাসুম, শ্রীফলতলা ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. জিয়াউল হক বিশ্বাস, নৈহাটি ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. ইলিয়াস, টিএসবি ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আসাফুর রহমান, ঘাটভোগ ইউনিয়ন‌ চেয়ারম্যান এর প্রতিনিধি ইউপি সদস্য মো. সফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- খুলনা জেলা বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, মোল্লা খাইরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, জামায়াত নেতা হাফেজ মো. জাহাঙ্গীর, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি ওবায়দ হোসেন সহ বিভিন্ন গনমাধ্যমে কর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

খুলনার রূপসায় পৈত্রিক সম্পত্তি জাল দলিলে জবরদখল –  থানায় অভিযোগ

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

রূপসায় জাল দলিল তৈরি করে পৈত্রিক সম্পত্তি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে। এব্যাপারে গত ২২ এপ্রিল রূপসা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ঘাটভোগের গোয়াড়ার বাসিন্দা অজিত কুমার বাগচী।

অজিত কুমার বাগচী অভিযোগে উল্লেখ করেন- তার চাচার কোনো পুত্র সন্তান না থাকায় তার পিতা এবং চাচার উভয় সম্পত্তির একমাত্র উত্তরাধিকারী তিনি। উল্লেখ্য- তার চাচাতো বোন শান্তি বালা ওরফে কালী তারা বালা নিঃসন্তান অবস্থায় স্বামীর ঘরে মৃত্যু হয়। এরপর শান্তি বালার স্বামী অশোক বালা সু-কৌশলে জাল দলিল তৈরির মাধ্যমে তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি জোরপূর্বক জবরদখল করছেন।

পরবর্তীতে অজিত বাগচী সম্পত্তি উদ্ধারের জন্যে আদালতে উচ্ছেদ মামলা করেন। বিবাদী অশোক বালা আদালতে উক্ত সম্পত্তির কোনো বৈধ কাগজ/দলিল দেখাতে পারেননি। তারপরও ঐ জমি জোরপূর্বক দখলে রেখেছেন।

বর্তমানে ওই জমিতে অজিত বাগচীর রোপণ করা পাকা-আধাপাকা ধান রয়েছে। এই ধান কাটতে বাধা দিলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ার আশঙ্কা করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঐ সম্পত্তি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

বিবাদী অশোক বালার সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে পাওয়া যায়নী।

এ বিষয়ে রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন- তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকলে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আঞ্জুমান দলিল হারুন স্বাস্থ্য সেবা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের তদরকি কমিটি পুণঃগঠন ও সেবা সমূহ

 //এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম ঢাকা অফিস কর্তৃক পরিচালিত আঞ্জুমান দলিল হারুন স্বাস্থ্য সেবা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের তদরকি কমিটি ৯ সদস্য বিশিষ্ট পুণঃগঠন করা হয়েছে।

রূপসা আঞ্জুমান সম্পর্কে জানা যায়, খুলনা জেলা-রূপসার ইলাইপুর গ্ৰামের কৃতি সন্তান মরহুম এসএম দলিল উদ্দিনের পূত্র এসএম হারুনার রশিদ (যুগ্ম-সচিব, অবসরপ্রাপ্ত)। তাঁর নিজ এলাকার জনসাধারণের সেবা দান ও নানান সুবিধার কথা বিবেচনা করে রূপসার ইলাইপুর এলাকায় দলিল উদ্দিন সড়কের পাশে ২ বিঘা জমি সহ পাকা ভবন আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম সংস্থায় দান করে দেন। সেখানে- আঞ্জুমান ঢাকা হেড অফিস হইতে রূপসায় উক্ত সংস্থার নামকরণ করা হয় আঞ্জুমান দলিল হারুন স্বাস্থ্য সেবা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।

এরপর থেকে এ কেন্দ্রটিতে একেরপর এক জনসেবা ও প্রশিক্ষণ সেবা পরিচালিত হয়ে আসছে। যেমন- প্রতি শনিবার বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা সহ ঔষধ বিনামূল্যে বিতরণ করেছে সংস্থাটি। প্রতিমাসে প্রায় ২০০ জন রোগী চিকিৎসা সেবা নেয়। এছাড়াও এলাকার অসহায় নাজুক মহিলা ও পুরুষ রোগীর মধ্যে সপ্তাহে ৩ দিন অর্থাৎ রবিবার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার ”প্রশিক্ষিত থেরাপিষ্ট” দ্বারা ফিজিওথেরাপী সেবা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। এ ধরনের অসুস্থ রোগী প্রতিদিন প্রায় ৫০ জন থেরাপী সেবা নিতে আসেন।

তাছাড়া উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মেলাতে বাংলাদেশের গ্ৰাম অঞ্চলের মানুষেরা যাতে কোনোভাবেই পিছিয়ে না পড়ে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে পারে, সেদিক বিবেচনা করে নারীদের ক্ষমতায়ন ও সাবলম্বী করতে ২৬ সালের ১ জানুয়ারী হইতে আরো ২টি নতুন প্রকল্প যুক্ত করা হয়েছে। এখানে- বিবাহিত নারী ও মেয়েরা বিনামুল্যে ৩ মাসের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ক্লাসে ২০ জন শিক্ষার্থী কম্পিউটার প্রশিক্ষিত করা হচ্ছে।

আঞ্জুমান দলিল হারুন স্বাস্থ্য সেবা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করার লক্ষ্যে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম এর দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক, ড. মো. ফয়জুর রহমান ফারুকী কর্তৃক স্বাক্ষরিত ৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ২৬ সালের ৪ এপ্রিল পূণ:গঠন করা হয়েছে।

উক্ত তদারকি কমিটিতে আহ্বায়ক- এডভোকেট মো. সফিউল আলম সুজন, যুগ্ম-আহ্বায়ক- মো. মিজানুর রহমান ডিকেন (সমাজ সেবক), কোষাধক্ষ্য- শাহ আব্দুল হাই কচি (সাবেক অডিটর), সদস্য- মো. হায়দার আলী (প্রধান শিক্ষক- সামসুর রহমান হাইস্কুল), এম এ আজিম (সাংবাদিক), এম মুরশীদ আলী (সাংবাদিক), এস এম মিজানুর রহমান (সমাজ সেবক), গোলাম রসুল (সমাজ সেবক) এবং সদস্য সচিব- এস এম আরিফুল ইসলাম রিপন (নিউজ এডিটর, খুলনার বাণী) এর নাম প্রকাশ করেছেন আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম এর দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক।