রূপসায় ২০ মে ইউসিসি নির্বাচনের মনোনয়ন পত্র জমা ২৬ এপ্রিল শেষ হয়েছে

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

রূপসা উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির নির্বাচন আগামী ২০ মে সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত রূপসা পল্লী উন্নয়ন ভবনে ভোট গ্ৰহন অনুষ্ঠিত হবে। ঐদিন ৯৬ জন ভোটার তাদের মহামূল্যবান ভোট প্রদানের মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থী বাছাই করে নিবেন।

এব্যাপারে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে- ২৬ এপ্রিল  মনোনয়ন পত্র জমার শেষ তারিখ। ২৮ এপ্রিল মনোনয়ন পত্র বাছাই এবং বৈধ প্রার্থীদের খসড়া তালিকা প্রকাশ। ২৯ এপ্রিল আপিল গ্রহন। ৩ মে আপিল শুনানি এবং  সিদ্ধান্ত প্রদান। ৬ মে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ। ৭ মে প্রার্থীতা প্রত্যাহার। ১০ মে প্রতীক বরাদ্দ ও চূড়ান্তা তালিকা প্রকাশ। সর্বশেষ ২০ মে ভোট গ্রহন ও ফলাফল প্রকাশ।

এলক্ষ্যে ইতিমধ্যে প্রার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচনী মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করে- ঘাটভোগ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ইউনিয়ন বিএনপির সার্চ কমিটির সদস্য হাসিবুর রহমান বাবুল লস্কর। সদ্য সাবেক ইউসিসি চেয়ারম্যান গোপাল চন্দ্র মন্ডল। রূপসা ইউসিসি লিমিটেড এর সাবেক প্রধান পরিদর্শক মো. শাহাজান ফকির। তারা ভোটারদের কাছে তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী ভোট প্রার্থনা করছেন।

নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি হলেন- তেরোখাদা উপজেলার সমবায় অফিসার মো. মঞ্জুরুল কবির, সদস্য জেলা সমবায় কার্যালয়ের প্রশিক্ষক রাধাকান্ত ঘোষ এবং রূপসা ইউসিসি লিমিটেডের হিসাব সহকারী রবিউল ইসলাম।

এ ব্যাপারে পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক ইকবাল আজিজ বলেন- সভাপতি পদে ৩টি মনোনয়ন পত্র বিক্রয় হয়েছে। এছাড়া সহ-সভাপতি পদে ১ জন এবং সদস্য পদে ৬ পদের বিপরীতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন নির্বাচনকে অর্থবহ, উৎসব মুখর এবং নিরপেক্ষ করতে যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে ২৬ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মোহাম্মদ শাজাহান ফকির এবং হাসিবুর রহমান বাবুল লস্কর।

রূপসায় জাতীয়তাবাদী দলের পোলিং এজেন্ট প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

//এম মুরশীদ আলী//

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে জাতীয়তাবাদী দল (ধানের শীষ) প্রতীক এর পক্ষে ভোট কেন্দ্রে নারী ও পুরুষ পোলিং এজেন্ট নিয়োগ প্রশিক্ষণ কর্মশালা গত ৭ ফেব্রুয়ারি সকালে রূপসা উপজেলা সদর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নৈহাটি, টিএসবি ও ঘাটভোগ ইউনিয়নের কর্মীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খান জুলফিকার আলি জুলু।

প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে খুলনা-৪ আসনের এজেন্ট প্রশিক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক জিএম কামরুজ্জামান টুকুর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- কর্মসূচি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক শেখ আঃ রশিদ, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য আরিফুর রহমান আরিফ, নাজমুস সাকিব পিন্টু, মোল্যা রিয়াজুল ইসলাম, আছাফুর রহমান।

প্রশিক্ষণে বক্তারা বলেন- ভোটকেন্দ্রে জনগণের ভোটাধিকার রক্ষায় পোলিং এজেন্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ও সজাগ থাকতে হবে। ভোটকেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা, ভোটারদের সহযোগিতা করা এবং যেকোনো অনিয়ম প্রতিরোধে পোলিং এজেন্টদের সজাগ থাকতে হবে। জনসাধারণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সদস্য এম এ সালাম ও উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মুন্না সরদারের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক শেখ মোঃ আবু সাঈদ, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বিকাশ মিত্র, জেলা মহিলাদল নেত্রী শাহানাজ ইসলাম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রয়েল আজম, ঘাটভোগ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এসএম আঃ মালেক, নৈহাটি ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মহিউদ্দিন মিন্টু, টিএসবি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক খান আনোয়ার হোসেন, সাবেক সদস্য সচিব আজিজুর রহমান, নৈহাটি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব দিদারুল ইসলাম, ঘাটভোগ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মিকাইল বিশ্বাস, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বাচ্চু, বিএনপি নেতা জাহিদুল ইসলাম রবি, ফ.ম. মনিরুল ইসলাম, সৈয়দ নিয়ামত আলী, সৈয়দ মাহমুদ আলী, বাদশা জমাদ্দার, সাবেক ছাত্রনেতা খান আলিম হাসান, মহিতোষ ভট্টাচার্য, আজিজুর রহমান, যুব মহিলা দল নেত্রী শারমিন আক্তার আঁখি, মহিলা দল নেত্রী মনিরা বেগম, বিএনপি নেতা সাজ্জাত হোসেন, স.ম. হাসিবুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা নাঈম আহম্মেদ, সাবেক ছাত্রনেত জিএম হিরোক, আবুল কাশেম প্রমুখ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ সালের ১২ ই ফেব্রুয়ারী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ সালের ১২ ই ফেব্রুয়ারী  ব্রহস্পতিবার…..

এইমাত্র তফশির ঘোষণা করলেন মাননীয় প্রধান নির্বাচন কমিশনার…….

নৈহাটি কালীবাড়ি বাজার নির্বাচন ৭ ডিসেম্বর মূল্যবান ভোটটি পেতে প্রার্থীরা দ্বারে দ্বারে

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

রূপসা উপজেলার নৈহাটি কালীবাড়ি বাজার বণিক সমিতির নির্বাচন দীর্ঘ ১০ বছর পর, অর্থাৎ দ্বি বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এ নির্বাচনে ঐ বাজারের ২১৪ জন দোকানদারই ভোট অধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। তাদের ভোটগ্রহণ শুরু হবে আগামী ৭ ডিসেম্বর-২০২৪ সকাল ৯ টায় থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ভোট অধিকার চলবে। নির্বাচনে ৭ টি পদে ২১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কাঙ্খিত প্রার্থীদের মধ্যে কে কে হবেন বিজয়ী এ নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

নির্বাচনে যথাযথ পদের প্রার্থীরা হলেন- সভাপতি পদে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। যথাক্রমে- শাহ জামান প্রিন্স (চেয়ার) প্রতীক, মো. হালিম মোড়ল (হরিণ) প্রতীক, ইঞ্জিনিয়ার মো. জাহিদুল ইসলাম (আনারস) প্রতীক। তাছাড়া সহ-সভাপতি পদে ৩ জন প্রার্থী হলেন- মো. সাব্বির শেখ (দেয়াল ঘড়ি) প্রতীক, ইব্রাহিম হোসেন হিবু (ছাতা) প্রতীক, মো. ওমর ফারুক (মোমবাতি) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

সাধারণ সম্পাদক পদে ৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। যথাক্রমে- মীর জাকির হোসেন (টেলিভিশন) প্রতীক, মুহাঃ মুক্তাদির বিল্লাহ (মোটরসাইকেল) প্রতীক, আব্দুস সালাম মল্লিক (আপেল) প্রতীক, মো. ইসলাম ফকির (মোরগ) প্রতীক, মো. রেজওয়ান শেখ (বই) প্রতীক, দিপঙ্কর সাহা (টেলিফোন) প্রতীক। তাছাড়া সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে ৩ জন প্রার্থী হলেন- এসএম মিকাইল হোসেন (হাতি) প্রতীক, মো. মারুফ বিল্লাহ (কাপ-পিরিচ) প্রতীক, মো. তারিক (তালা চাবি) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

কোষাধ্যক্ষ পদে ৩ জন প্রার্থী হলেন- মো. রাশেদুজ্জামান রাকিব (দোয়াত কলম) প্রতীক, মো. হাসিব মোল্লা (গরুর গাড়ী) প্রতীক, নাহিদ পারভেজ হাকিম (মোবাইল) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ২ জন প্রার্থী হলেন- মো. ওমর ফকির (মাছ) প্রতীক ও মো. ফেরদাউস (গোলাপফুল) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া প্রচার সম্পাদক পদে মো. রনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন।

নির্বাচন পরিচালনায় কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মো. আব্দুল কাদের শেখকে প্রধান করে চার সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন- সিনিয়র সাংবাদিক তরুণ চক্রবর্তী বিষ্ণু, মো. আসলাম শেখ ও মো. বিল্লাল হোসেন।

কালীবাড়ি বাজারের উপদেষ্টা এবং উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ রয়েল আজমের নেতৃত্বে দীর্ঘ ১০ বছর পর এ বাজারে স্বতঃস্ফূর্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

বিএনপি নেতাকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ঘোষণা

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি নেতা ডা. শাহাদাত হোসেনকে , বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

মঙ্গলবার রাতে ইসির নির্বাচন প্রশাসন শাখা এক সংশোধনী বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দেয়।

এর আগে, গত ১ অক্টোবর ডা. শাহাদাত হোসেনকে চসিক মেয়র হিসেবে ঘোষণা দেয় চট্টগ্রামের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল।

২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফল বাতিল চেয়ে দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এ রায় দেয় ট্রাইব্যুনাল।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশন সচিব শফিউল আজিম মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে বলেন, আদালতের রায়ের পর আমরা আইনি দিকগুলো যথাযথভাবে যাচাই করেছি। তারই পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র পদের ক্ষেত্রে সংশোধন বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

ইসির সংশোধনী বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের ১ অক্টোবরের আদেশে চসিক নির্বাচনে মেয়র পদে ‘নৌকা’ প্রতীকের প্রার্থী মো. রেজাউল করিম চৌধুরীকে নির্বাচিত ঘোষণা বাতিল করে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী শাহাদাত হোসেনকে নির্বাচিত মেয়র ঘোষণা করা হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২১ সালের ৩১ জানুয়ারির গেজেটে উল্লেখ করা নির্বাচনের ফলাফলের ১ নম্বর কলামের ১ নম্বর ক্রমিকের বিপরীতে ২ নম্বর কলামে ‘মো. রেজাউল করিম চৌধুরী’র পরিবর্তে ‘শাহাদাত হোসেন’ এবং ৩ নম্বর কলামে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের’ পরিবর্তে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’ দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হলো।

নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি মামলা করেছিলেন শাহাদাত। তার অভিযোগ, ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত চসিক নির্বাচনের ফলাফলে ইসি কর্মকর্তারা ‘কারচুপি’ করেছিলেন। মামলায় তিনি নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানান।

মামলার এজাহারে শাহাদাত আরও অভিযোগ করেন, তিনটি ভোটকেন্দ্রে তার শূন্য ভোট দেখানো হলেও তিনদিন পর ২৮টি কেন্দ্রে তার শূন্য ভোট দেখানো হয়—যা অবিশ্বাস্য ও অকল্পনীয়।

ডুমুরিয়ার মাগুরাঘোনা ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামীলীগ নেতা সুরঞ্জন ঘোষ

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি //

ডুমুরিয়ার মাগুরাঘোনা ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি পদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামীলীগ নেতা সুরঞ্জন ঘোষ ।

১১জুলাই  বৃহস্পতিবার সকালে প্রিজাইডিং আফিসার ও উপজেলা যুবউন্নয়ন বর্মকর্তা মো: কামরুজ্জামান এর অফিস কক্ষে স্কুলের নির্বাচিত অভিভাবক সদস্য,দাতা সদস্য ও  শিক্ষক প্রতিনিধির উপস্থিতিতে সভাপতি পদে দুইজন প্রার্থী হওয়ায় গোপন ব্যালোটের মাধ্যমে সভাপতি নির্বাচন করা হয়।

ভোট গ্রহন শেষে প্রিজাইডিং আফিসার সকলের উপস্থিতে ভোট গননা শেষে ফলাফল ঘোষনা করেন। আওয়ামীলীগ নেতা

সুরঞ্জন ঘোষ পেয়েছেন ৬ ভোট তার নিকটতম প্রার্থী রেক্সসনা আক্তার পেয়েছেন ৩ ভোট। উপজেলা  যুব উন্নযন কর্মকর্তা  মো: কামরুজামান নির্বাচন পরিচালনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন স্কুল পরিচালনা পরিষদের চলমান এড‍্যাহক কমিটির সভাপতি আ: হালিম রাজু, স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রভাত কুমার বৈধ‍্য, উপজেলা পরিষদের ভাইন্স চেয়ানম্যানসহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।

আসন্ন যুক্তরাজ্যের নির্বাচনে ৩৪ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থী লড়বেন

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

যুক্তরাজ্যে জাতীয় নির্বাচনে এবার বিভিন্ন দলের মনোনয়নে প্রার্থী হয়েছেন বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক। এর বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন অনেকেই। সব মিলিয়ে অন্তত ৩৪ জন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে থেকে লেবার পার্টি থেকে আছেন ৮ জন এবং কনজারভেটিভ থেকে ২ জন।

লেবার পার্টি থেকে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আটজন ব্রিটিশ নাগরিক হলেন রুশনারা আলী, রুপা হক, টিউলিপ সিদ্দিক, আফসানা বেগম, রুমী চৌধুরী উইথহাম, রুফিয়া আশরাফ, নুরুল হক আলী, নাজমুল হোসাইন। তাদের মধ্যে রুশনারা আলী, রুপা হক, টিউলিপ সিদ্দিক এবং আফসানা বেগম এপি হিসাবে দায়িত্বরত আছেন।

ক্ষমতাসীন দল কনজারভেটিভ পার্টির মনোনয়নে নির্বাচনি লড়াইয়ে আছেন লন্ডনের দক্ষিণে টটেনহাম আসনে আতিক রহমান এবং ইলফোর্ড সাউথ আসনে সৈয়দ সাইদুজ্জামান। ওয়ার্কার্স পার্টি অব ব্রিটেন থেকে ছয়জন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক মনোনয়ন পেয়েছেন।

ইলফোর্ড সাউথে গোলাম টিপু, বেডফোর্ডে প্রিন্স সাদিক চৌধুরী, হেকনি সাউথে মোহাম্মদ সাহেদ হোসাইন, আলট্রিচহাম অ্যান্ড সেল ওয়েস্টে ফয়সাল কবির, ম্যানচেস্টার রসলমোতে মোহাম্মদ বিলাল এবং স্টার্টফোর্ড অ্যান্ড বো আসনে হালিমা খান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ইলফোর্ড সাউথ আসনে রিফর্ম পার্টির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রাজ ফরহাদ।

লিবারেল ডেমোক্র্যাটসের মনোনয়নে বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড বো আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রাবিনা খান। স্কটিশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি থেকে নাজ আনিস মিয়া ডুনফারমলাইন অ্যান্ড ডলার আসনে লড়ছেন। গ্রিন পার্টির মনোনয়নে ইলফোর্ড সাউথে সাইদ সিদ্দিকী, ওল্ডহাম ওয়েস্ট অ্যান্ড রয়টনে সাইদ শামসুজ্জামান শামস এবং লেস্টার সাউথ আসনে শারমিন রাহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

সোশ্যালিস্ট পার্টির হয়ে ফোকস্টোন আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মমতাজ খানম। এছাড়াও নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ১১ ব্রিটিশ নাগরিক। হলবর্ন অ্যান্ড প্যানক্রাসে লড়ছেন ওয়েইছ ইসলাম। বেথনালগ্রিন অ্যান্ড স্টেপনি গ্রিনে আজমাল মাশরুর, সুমন আহমেদ ও সাম উদ্দিন। পপলার অ্যান্ড লাইম হাউসে এহতেশামুল হক। স্টার্টফোর্ড অ্যান্ড বোতে ওমর ফারুক ও নিজাম আলী। ইলফোর্ড সাউথে নূরজাহান বেগম।

নিউক্যাসল সেন্ট্রাল অ্যান্ড ওয়েস্টে হাবিব রহমান। বেক্সিল অ্যান্ড ব্যাটেলে আবুল কালাম আজাদ। ওল্ডহাম ওয়েস্ট, চেটারটন অ্যান্ড রয়স্টোনে রাজা মিয়া। যুক্তরাজ্যের আসন্ন নির্বাচনে ছোট-বড় প্রায় ৯৮টি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে।

ডুমুরিয়ায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন। চেয়ারম্যান গাজী এজাজ আহম্মেদ

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

খুলনার ডুমুরিয়ায়  ৯ জুন রবিবার  উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত  হয়েছে।

উপজেলা ১৪ ইউনিয়নে ১০৮ কেন্দ্র এ ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকে এলাকার ভোটার ভোট কেন্দ্রে ভোট দিতে  আসেন।  ১৪ ইউনিয়ন ১৪ জন নির্বাহী ম‍্যাজিষ্ট্রেট সহ পুলিশ প্রশাসনের টিম নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন।

নির্বাচনে বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী ঘোড়া  প্রতীকে ৭০ হাজার ৫১৯ ভোট পেয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সদস‍্য গাজী এজাজ আহম্মেদ পুনরায় চেয়ারম্যান  নির্বাচিত হয়েছেন।  তার নিকটতম প্রার্থী এ‍্যাড. মুনিমুর রহমান নয়ন আনারস প্রতীকে পেয়েছেন   ৩৯ হাজার ৪১৫ ভোট, ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ও উপজেলা  পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ  সম্পাদক প্রভাষক গোবিন্দ ঘোষ (তালা) প্রতীকে ৫২ হাজার ৫৭২ ভোট,  মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে শারমিনা পারভীন রুমা   (কলস )প্রতীকে ৫৫  হাজার ৮৩৫ ভোট পেয়ে পুনরায়  নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে বলে জানান সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আল আমিন ।

নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন  ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩  জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন।

মোদির শপথগ্রহণ শেষে নৈশভোজে খাবারের মেনুতে কিকি ছিল জেনে নিন

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

ভারতের প্রধানমন্ত্রী পদে তৃতীয়বারের মতো শপথ নেন নরেন্দ্র মোদি। রোববার বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে আটটায় রাষ্ট্রপতি ভবনে শপথ নেন তিনি। তাকে শপথবাক্য পাঠ করান ভারতের প্রেসিডেন্ট দ্রৌপদী মুরমু।

এতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী প্রবিন্দ যুগনৌত, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহে, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং টোবগে, নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দহল ‘প্রচন্দ’, এবং আফ্রিকা মহাদেশের ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র সিচেলিসের ভাইস প্রেসিডেন্ট আহমেদ আতিফ।

তাদের জন্য নৈশভোজ সভার আয়োজন করেন বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা। সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের বরাত দিয়ে এমনটাই জানিয়েছে আনন্দবাজার পত্রিকা।

শপথ অনুষ্ঠানে বাহারি পদের খাবার ছিল অতিথিদের জন্য।  গরম থেকে বাঁচতে নৈশভোজের মেনু এবং খাবারে আনা হয় টুইস্ট। পানীয়ের তালিকায় ছিল রিফ্রেশিং জুস, বিভিন্ন ধরনের শেক, স্টাফড লিচু, মটকা কুলফি, ম্যাঙ্গো ক্রিম এবং রায়তা।

রিফ্রেশিং পানীয়ের পর ডিনারের মেনুতেও ছিল নানান পদের আয়োজন। ছিল যোধপুরি সবজি যা রাজস্থানের একটি সুস্বাদু তরকারি, ডাল, ছিল মশলা এবং সুগন্ধযুক্ত ভেষজ দিয়ে তৈরি সিদ্ধ চালের পদ দম বিরিয়ানি। তালিকায় ছিল পাঁচ ধরনের রুটিও। এর সঙ্গে ছিল ডেডিকেটেড পাঞ্জাবি ফুড কাউন্টার। এরসঙ্গে ছিল বেশ কিছু দেশীয় পদ।

যারা বাজরা পছন্দ করেন, তাদের মেনুতে ছিল বাজরা খিচড়ি। এটি মুক্তা বাজারা থেকে একটি সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর পদ। এর সঙ্গে ছিল নানান ধরনের সবজি।

পানীয় বিভাগটিও সমানভাবে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছিল। পাঁচ ধরনের জুস, তিন ধরনের রায়তা এবং দইয়ের ওপর একটি সাইড ডিশ ছিল। এই সব খাবার গরমে অতিথিদের ঠান্ডা রাখতে সহায়ক ছিল।

ডেজার্ট উৎসাহীদেরও নিরাশ করেনি এ নৈশভোজ। মেনুতে ছিল আট ধরনের ডেজার্ট। ছিল জনপ্রিয় ভারতীয় মিষ্টি, সাদা রসমালাই, দুধে ভেজানো ক্রিম, চার ধরনের ঘেওয়ার- এটি একটি ঐতিহ্যশালী রাজস্থানী মিষ্টি।

এবারের নির্বাচনে মোদির রাজনৈতিক দল বিজেপি এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। দেশটির লোকসভায় মোট ৫৪৩টি আসন রয়েছে। কোনো দল যদি এককভাবে দল গঠন করতে চায় তাহলে তাদের কমপক্ষে ২৭২টি আসনে জয় পেতে হয়। কিন্তু বিজেপি এবার পেয়েছে ২৪০টি আসন। তবে তাদের এনডিএ জোট পেয়েছে ২৯৩ আসন। তাই তাদেরকে সরকার গঠনের অনুমতি দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুরমু।

শপথ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অমিত শাহ, রাজনাথ সিং, নিতিন গড়করি, নির্মলা সীতারামন, ড. এস জয়শঙ্কর, ধর্মেন্দ্র প্রধান, অশ্বিনী বৈষ্ণব এবং পীযূষ গোয়েল। অন্যদের মধ্যে ছিলেন বিজেপির প্রবীণ শিবরাজ সিং চৌহান, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, জেডিইউ নেতা রাজীব রঞ্জন সিং, এইচএএম নেতা জিতন রাম মাঝি, আরএলডির জয়ন্ত চৌধুরী, জেডিএস নেতা এইচডি কুমারস্বামী, এলজেপি (রামবিলাস) প্রধান চিরাগ পাসোয়ান এবং জিতিন প্রসাদ।

রূপসা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে হাবিবের বিজয়

//নিজস্ব প্রতিনিধি//
রূপসা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ১৭১১ ভোটের ব্যবধানে এস এম হাবিবুর রহমান হাবিব বিজয়ী হয়েছেন। চতুর্থ ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন তিনি। তাঁর নির্বাচনী প্রতীক ছিল দোয়াত-কলম।

এই উপজেলায় ৬ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে হাবিব পেয়েছেন ২৫
হাজার ৭৭৭ ভোট।বুধবার (৫ জুন) রাতে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জান্নাতুল ইসলাম এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলায় পাঁচটি ইউনিয়নে ৬৫ টি ভোট কেন্দ্রে গতকাল সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ হয়েছে। এই উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা এক লাখ ৫৭ হাজার।
ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়েছেন তিনজন। আর নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়েছেন দুইজন। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জান্নাতুল  ইসলাম
জানান, চেয়ারম্যান পদে (দোয়াত-কলম) প্রতীকে এস এম হাবিবুর রহমান হাবিব পেয়েছেন ২৫ হাজার ৭৭৭ ভোট এবং( কাপ-পিরিচ) প্রতীক নিয়ে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সরদার ফেরদৌস আহম্মেদ পেয়েছেন ২৪
হাজার ৬৬ ভোট। বেসরকারি ফলাফলে এস এম হাবিবুর রহমান হাবিব বিজয়ী হয়েছেন।
এদিকে গতকাল বিভিন্ন কেন্দ্রের তথ্যনুযায়ী এ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সুষ্ঠ, শান্তিপূর্ণ, oঅবাধ, নিরপেক্ষ ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। কোন কেন্দ্রে কোন প্রকার সহিংসতা ও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
অপরদিকে, ভাইস চেয়ারম্যান পদে হাফেজ মাওলানা আবদুল্লাহ যোবায়ের (তালা) নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ৩৯,৮০২। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আওয়ামীলীগ নেতা হিরন আহম্মেদ (টিউবওয়েল) পেয়েছেন ১৭,৭৩৬ ভোট। অপর দিকে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত উপজেলা যুব মহিলালীগের সাধারণ সম্পাদক সারমিন সুলতানা রুনা(প্রজাপতি)। তার প্রাপ্ত ভোট ৩৬৬৯৮। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ফারহানা আফরোজ মনা(কলস) পেয়েছেন ২৭,৭০৬ ভোট।

You May Also Like