রূপসায় বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী প্রদর্শনীতে এমপি হেলাল

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

রূপসায় এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (EESS) এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর আয়োজনে মেধা বিজ্ঞান উদ্যোগ ও উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বিজ্ঞান প্রকল্প শুরু ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী কর্মসূচি গত ১২ জুন (শুক্রবার) দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিজ্ঞান প্রদর্শনীযে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস কে আজিজুল বারী হেলাল। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বর্তমান বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তনশীল। এই পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হলে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। কেবল বইয়ের পড়াশোনায় সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান, গবেষণাধর্মী মানসিকতা এবং উদ্ভাবনী চিন্তা গড়ে তুলতে হবে। আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, উদ্যোক্তা ও নেতৃত্বদানকারী শক্তি। তাই তাদের মেধা বিকাশের জন্য প্রয়োজন সঠিক দিকনির্দেশনা, আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা এবং সুযোগ-সুবিধা। সরকার ও সমাজের সকল স্তরের মানুষ যদি একসাথে কাজ করে, তাহলে রূপসা উপজেলা শুধু নয়, পুরো দেশই একটি প্রযুক্তিনির্ভর ও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে।

এছাড়াও তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ছোট ছোট উদ্ভাবনী ধারণাও ভবিষ্যতে বড় পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে। তাই ভয় না পেয়ে নতুন কিছু চিন্তা করতে হবে, প্রশ্ন করতে হবে এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নিজের দক্ষতা বাড়াতে হবে। বিজ্ঞানই পারে একটি জাতিকে এগিয়ে নিতে এবং আত্মনির্ভরশীল করতে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতা। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন রূপসা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস. এ. আনোয়ারুল কুদ্দুস।

মাধ্যমিক একাডেমিক সুপারভাইজার নিত্যানন্দ মণ্ডলের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক মীর, খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, জেলা বিএনপির সদস্য শেখ আব্দুর রশিদ, রূপসা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান, সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রুনু, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শেখ আবু সাঈদ।

উপস্থিত ছিলেন- অধ্যক্ষ হিল্লোল মুখার্জি, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন, খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য আনিসুর রহমান বিশ্বাস, আরিফুর রহমান আরিফ, আছাফুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বিকাশ মিত্র, সমাজসেবক জাকির হোসেন জমাদ্দার, বিএনপি নেতা কবীর শেখ, রয়েল আজম, রবিউল ইসলাম রবি, জিয়াউল ইসলাম বিশ্বাস, ইলিয়াজ হোসেন, খান আনোয়ার হোসেন, মহিউদ্দিন মিন্টু, শরিফুল ইসলাম বকুল, মিকাইল বিশ্বাস, আজিজুর রহমান, দিদারুল ইসলাম, এছাড়াও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মোট ১৫টি স্টলে তাদের নতুন নতুন উদ্ভাবনী বিজ্ঞান প্রকল্প ও আইডিয়া প্রদর্শন করে। এতে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিনির্ভর চিন্তার প্রকাশ ঘটে।

রূপসাকে আধুনিক ও উন্নত উপজেলায় পরিণত করতে চান – এমপি আজিজুল বারী হেলাল

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় কৃষি গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং মাঠপর্যায়ে কৃষকদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। কৃষিকে লাভজনক ও টেকসই খাতে পরিণত করতে পারলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি উদ্বৃত্ত কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব হবে। বিএনপি সরকার সবসময় কৃষিবান্ধব সরকার। কৃষকের উন্নয়ন, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। তাই কৃষকের জীবনযাত্রা উন্নয়ন, উৎপাদন ব্যয় হ্রাস এবং কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। কৃষি খাতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে এবং গবেষণার ফলাফল মাঠপর্যায়ে পৌঁছে দিতে হবে। কৃষককে শুধু উৎপাদন নয়, বাজারজাতকরণ ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে। তাহলেই কৃষি হবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে হবে। যার ওপর যে দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে, তা সততা, নিষ্ঠা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে পালন করতে হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা অবহেলার স্থান নেই। জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করাই হবে সকলের প্রধান লক্ষ্য। আমরা এমন একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ সমানভাবে উন্নয়নের সুফল ভোগ করবে।

তিনি আরও বলেন, রূপসাকে আমরা একটি শান্তিপূর্ণ, আধুনিক ও উন্নত উপজেলায় পরিণত করতে চাই। কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়নের মাধ্যমে রূপসাকে দেশের অন্যতম মডেল উপজেলায় রূপান্তর করা হবে। উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে সরকার ও জনগণকে একযোগে কাজ করতে হবে। রূপসা হবে শান্তির, উন্নয়নের এবং সম্ভাবনার রূপসা। গত ১২ জুন (শুক্রবার) সকালে রূপসা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে “প্রোগ্রাম অব এগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) অর্থাৎ বাংলাদেশে পুষ্টি উন্নয়ন, উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও সহনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি ও গ্রামীণ রূপান্তর কর্মসূচি (পার্টনার) প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা রিকতা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পার্টনার প্রোগ্রামের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার মো. মোছাদ্দেক হোসেন, খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) সুবীর কুমার বিশ্বাস, খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, রূপসা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান, সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রুনু, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শেখ আবু সাঈদ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তরুণ কুমার বালা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা সুজিত কুমার মণ্ডল।

এ সময় উপস্থিত উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জ্যোতি কণা দাস, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা পপি সাহা ও মো. হাসিবুর শেখ, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাঈদুর রহমান, সহকারী প্রোগ্রামার ইমরান হোসেন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ বজলুর রহমান, সমাজসেবা কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম তরফদার, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মুহা. আবুল কাশেম, উপজেলা রিসোর্স ইন্সট্রাক্টর এহতেশামুল হক, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, অধ্যক্ষ হিল্লোল মুখার্জি, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন, খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য আনিসুর রহমান বিশ্বাস, আরিফুর রহমান আরিফ, আসাফুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বিকাশ মিত্র, সমাজসেবক জাকির হোসেন জমাদ্দার, বিএনপি নেতা কবীর শেখ, রয়েল আজম, রবিউল ইসলাম রবি, জিয়াউল ইসলাম বিশ্বাস, ইলিয়াজ হোসেন, খান আনোয়ার হোসেন, মহিউদ্দিন মিন্টু, শরিফুল ইসলাম বকুল, মিকাইল বিশ্বাস, আজিজুর রহমান, দিদারুল ইসলাম, আরিফ মোল্যা, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বনি আমিন সোহাগ, সাবেক ছাত্রনেতা খান আলিম হাসান, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রেজাউল ইসলাম রেজা, মাসুদ খান, যুবদল নেতা মুন্না সরদার, শাহজামান প্রিন্স, তরিকুল ইসলাম রিপন, নয়ন মোড়ল, বিএনপি নেতা মহিতোষ ভট্টাচার্য, ফিরোজ মাহমুদ, শামীম হাসান, বাদশা জমাদ্দার, কামরুজ্জামান নান্টু, জহিরুল হক শারাদ, এসএম আবু সাঈদ, নাঈম ইসলাম, মোকাররম হোসেন, রহিমা আক্তার নয়ন, হাকিম কাজী, রাজু দাস, তপন দাস, সাইফুল মোল্যা প্রমুখ।

নিশ্চিত জয়- ট্রাম্প, আসলে কে জয়ী….!

//দৈনি বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করেছিলেন, তখন তিনি একটি দ্রুত এবং চূড়ান্ত বিজয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। যুদ্ধের মাত্র ১০ দিনের মাথায় তিনি বড় গলায় দাবি করেছিলেন, আমেরিকা ‘ইতিমধ্যেই জিতে গেছে’। কিন্তু যুদ্ধের দুই মাস পেরিয়ে গেলেও রণক্ষেত্রে কোনো চূড়ান্ত মীমাংসা তো আসেইনি, বরং এই সংঘাত এখন পুরো বিশ্বকে এক অন্তহীন অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

সাধারণ মানুষের হাহাকার: ধ্বংসস্তূপে ইরান ও লেবানন যেকোনো যুদ্ধের মতো এখানেও সবচেয়ে বড় বলি হচ্ছে সাধারণ মানুষ। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, ইসরাইল ও আমেরিকার হাজার হাজার হামলায় ইরানে এ পর্যন্ত ৩ হাজার ৬০০ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ১,৭০০ জনই সাধারণ নাগরিক। ট্রাম্প এমনকি ইরানের পুরো ‘সভ্যতা’ ধূলিসাৎ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন।

এদিকে ইরানের ভেতরেও পরিস্থিতি ভয়াবহ। নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির শাসনামলে দমন-পীড়ন আরও কঠোর হয়েছে। ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের পাশাপাশি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ৬০০ জনের বেশি মানুষের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে।

লেবাননের অবস্থাও তথৈবচ। হিজবুল্লাহ ও ইসরাইলের সরাসরি লড়াইয়ে গত মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৫০০ জন লেবানিজ প্রাণ হারিয়েছেন। স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, ইসরাইলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের একের পর এক গ্রাম মাটির সাথে মিশিয়ে দিচ্ছে।

বিশ্ব অর্থনীতিতে ‘শক’:

পকেটে টান পড়ছে সবার এই যুদ্ধের উত্তাপ এখন পৌঁছে গেছে সাধারণ মানুষের ড্রয়িং রুমে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে তেলের বাজার টালমাটাল। আমেরিকায় মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে ৩.৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। জ্বালানির দাম বাড়ায় এশিয়া ও লাতিন আমেরিকার দেশগুলোতে খাদ্য ও নিত্যপণ্যের দাম আকাশচুম্বী। আইএমএফ সতর্ক করেছে যে, এই যুদ্ধ বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র দেশগুলোর কৃষিখাতকে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

‘লস’-এর তালিকায় যারা:

ট্রাম্প, উপসাগরীয় দেশ ও ইউক্রেন ডোনাল্ড ট্রাম্প: রাজনৈতিকভাবে ট্রাম্প এখন চাপে। জনমত জরিপে তার জনপ্রিয়তা কমে ৩৭ শতাংশে ঠেকেছে। যুদ্ধের লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থতা এবং জ্বালানির উচ্চমূল্য তার আসন্ন নির্বাচনের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

উপসাগরীয় দেশ:

সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও কুয়েত যারা এই যুদ্ধ প্রতিরোধ করতে চেয়েছিল, তারাই এখন সবচেয়ে বেশি অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে। বিশেষ করে ইরান ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধ করে দেওয়ায় এসব দেশের তেল ও গ্যাস রপ্তানি মুখ থুবড়ে পড়েছে।

ইউক্রেন:

ইউক্রেনের জন্য এই যুদ্ধ দুঃসংবাদ নিয়ে এসেছে। আমেরিকার নজর এখন ইরানের দিকে থাকায় ইউক্রেনের জন্য বরাদ্দ অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইলসহ অন্যান্য অস্ত্রের সরবরাহ কমে গেছে।

ছাইচাপা আগুনের মধ্যেও ‘জয়ী’ যারা এত ধ্বংসলীলার মাঝেও হাতেগোনা কয়েকজন কৌশলগত সুবিধা আদায় করে নিয়েছে:

চীন:

বিশ্বের বৃহত্তম জ্বালানি আমদানিকারক হয়েও চীন বেশ স্থিতিশীল। তারা নিজেদের তেলের বিশাল মজুত গড়ে তুলেছে এবং এই সুযোগে বিশ্বে শান্তির দূত হিসেবে নিজেদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে।

রাশিয়া ও তেল কোম্পানি:

তেলের আকাশছোঁয়া দামের কারণে রাশিয়ার জ্বালানি আয় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। অন্যদিকে, অক্সফাম-এর রিপোর্ট অনুযায়ী বিশ্বের শীর্ষ ৬টি তেল কোম্পানি এই বছর প্রায় ৯৪ বিলিয়ন ডলার মুনাফা লুটবে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও অস্ত্র ব্যবসায়ী:

তেলের বিকল্প হিসেবে সৌর ও বায়ু শক্তির চাহিদা বাড়ছে। আবার যুদ্ধের ডামাডোলে বিশ্বজুড়ে সমরাস্ত্র কেনাবেচা ২.৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ট্রাম্পের দুই মাস আগের ‘নিশ্চিত বিজয়’ এখন এক দীর্ঘস্থায়ী চোরাবালিতে পরিণত হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধে ইরান যদি আত্মসমর্পণ না করে, তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই ঝুঁকি আমেরিকার ইতিহাসের অন্যতম বড় কৌশলগত ভুল হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে।

শিক্ষামূলক কার্যক্রমই প্রাধান্য পাবে, কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রম নয় – আজিজুল বারী হেলাল এমপি

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। আধুনিক এই ভার্চুয়াল যুগে প্রবেশ করতে হলেও প্রথমে আমাদের পুঁথিগত শিক্ষায় সমৃদ্ধ হতে হবে। কারণ বই-ই আমাদের সঠিক জ্ঞান, মূল্যবোধ ও চিন্তাশক্তি গড়তে হবে। শুধু পরীক্ষার জন্য নয়, জীবনের জন্য শেখাই প্রকৃত শিক্ষা আর সেই শিক্ষার সবচেয়ে বড় মাধ্যম হচ্ছে বই। তাই সকল শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হবে জ্ঞান, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনের পবিত্র কেন্দ্র। সেখানে শিক্ষামূলক কার্যক্রমই প্রাধান্য পাবে, কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রম নয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সর্বদা সার্বজনীন রাখতে হবে, যেখানে ধর্ম, বর্ণ, দলমত নির্বিশেষে সবার অধিকার সমানভাবে নিশ্চিত থাকবে।

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের বাংলাদেশের নির্মাতা। তোমাদের মধ্য থেকেই গড়ে উঠবে দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব। তাই এখন থেকেই নিজেদের সঠিকভাবে গড়ে তোলার চেষ্টা করতে হবে। নিয়মিত পড়াশোনা, শৃঙ্খলা, পরিশ্রম এবং নৈতিকতার সমন্বয়েই একজন সত্যিকারের মানুষ তৈরি হয়। তাই তোমাদের মাদক, সন্ত্রাস ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে থেকে নিজেদের লক্ষ্য স্থির রেখে এগিয়ে চলতে হবে, তাহলেই তোমাদের কাছে সফলতা অবশ্যই ধরা দেবে। তোমরাই একদিন সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দেশের উন্নয়ন, মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং একটি সমৃদ্ধ জাতি গঠনের দায়িত্ব তোমাদের কাঁধেই বর্তাবে। তাই দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি ভালো মানুষ হওয়াটাই জীবনের সবচেয়ে বড় সাফল্য এই চেতনাই তোমাদের সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

এসময় তিনি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, আপনারা আমাকে ভোটের মাধ্যমে যে সম্মান ও ভালোবাসা দিয়েছেন, তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। এই ভালোবাসা ও আস্থার প্রতিদান দিতে আমি সবসময় আপনাদের পাশে থাকতে চাই। আপনাদের উন্নয়ন, এলাকার অগ্রগতি এবং মানুষের কল্যাণেই আমার সকল প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। আপনাদের সহযোগিতা ও দোয়া থাকলে আমি ভবিষ্যতেও আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করে যেতে পারবো।

তিনি গত ১৭ এপ্রিল সকালে রূপসা উপজেলার নৈহাটী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠান, এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা, পুরষ্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি বক্তৃতা করেন- রূপসা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস এ আনোয়ার উল কুদ্দুস, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান।

নৈহাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সঞ্জিব সরকারের সভাপত্বিত্বে ও অত্র বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি, খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোল্যা খায়রুল ইসলামের পরিচালনায় আমন্ত্রিত অতিথির বক্তৃতা করেন- খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এনামুল হক সজল,রূপসা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক আতাউর রহমান রুনু, বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হারুন অর রশীদ, খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য আনিসুর রহমান বিশ্বাস, আরিফুর রহমান আরিফ, মোল্যা রিয়াজুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বিকাশ মিত্র, বিএনপি নেতা মহিউদ্দিন মিন্টু, দিদারুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে সন্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, প্রকৌশলী সুখেন রায়,মোঃ শরিফুল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা হেলাল,মোঃ মোজাফফর হোসেন,লিয়াকত আলী।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ আতাউর রহমান ফকির, প্রধান শিক্ষক হায়দার আলী,উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক রয়েল আজম,রবিউল ইসলাম রবি,মিকাইল বিশ্বাস, এ্যাড মোস্তাফিজুর রহমান,শিক্ষক তাপস ভট্টাচার্য,মোঃ হযরত আলী, মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম, সেহেলি নাসরিন,সুচিত্রা দাস, মোঃ জামাল উদ্দীন, উত্তম কুমার চ্যাটার্জী, সৌমেন দেবনাথ, সরজিত মন্ডল, প্রবীর দেবনাথ, আমেনা পারভিন,খুলনা জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক তানভির আহম্মেদ সুমন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা  আসাদুজ্জামান বিপ্লব, জাহিদুল ইসলাম রবি,  জেলা স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা রেজাউল ইসলাম রেজা, নয়ন মোড়ল,যুবদল নেতা শাহজামান প্রিন্স, বশির হায়দার পল্টু, রাজু দাস, মিকাইল হোসেন,অন্তর হোসেন মাসুম,মো: রয়েল,রহিমা আক্তার নয়ন প্রমূখ।

এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতেই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠান লগ্ম থেকে যারা অবদান রেখেছেন এবং প্রয়াত হয়েছেন তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় একমিনিট নীরবতা পালন করে দোয়া মোনাজাত করা হয়। এরপর এমপি আজিজুল বারী হেলাল তেরোখাদা উপজেলায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি সরকার দেশকে মাদক-সন্ত্রাস-দূর্নীতি মুক্ত করতে বদ্ধ পরিকর—- আজিজুল বারি হেলাল এমপি

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা, খুলনা//

খুলনা-৪ আসনে নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য আজিজুল বারি হেলাল বলেছেন মাদক, সন্ত্রাস দূর্নীতি প্রতিরোধে বর্তমান সরকার দৃড় পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। মব সন্ত্রাস করে পরের জমি দখল, চাঁদাবাজি করে যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনী পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে। এদেশের মানুষ যাতে সুখী, সমৃদ্ধ ও নিরাপদে বসবাস করতে পারে তার যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। তিনি বলেন নির্বাচন পর পরবর্তী সময়ে এক স্বার্থান্বেষী মহল দেশে বিশৃঙ্খলা এবং অরাজকতা সৃষ্টির লক্ষ্যে অশুভ পায়তারা করছে। তাদের এ অশুভ কর্মকান্ড দমনে নব গঠিত বিএনপি সরকার কঠোর হস্তে দমন করবে। মাদক সম্পর্কে তিনি বলেন খুলনা-৪ আসন এলাকায় মাদক ক্রয় বিক্রয় বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে রয়েছে প্রশাসন। মাদক ক্রয় বিক্রেতা বা সন্ত্রাসী ব্যক্তি কোনো দলের হতে পারে না। এ অশুভ কাজে যারাই সহযোগিতা বা আশ্রয় প্রদান করবে তাদের বিরুদ্ধেও বিএনপি সরকার পদক্ষেপ গ্রহন করবে। তিনি সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য বলেন প্রজাতন্ত্রের কাজ সুষ্ঠু দূর্নীতিমুক্ত এবং জনবান্ধন করতে যত রকমের পদক্ষেপ গ্রহন করা দরকার তা সবই বর্তমান সরকার ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করবে। এ কারনে সকল কর্মকর্তাকে দল মতের উর্ধ্বে থেকে দূর্নীতিকে প্রশ্রয় না দিয়ে দেশের ভঙ্গুর অবকাঠামোগত উন্নয়নে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি গত ২৬ ফেব্রুয়ারী দুপুরে রূপসা উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

এরপূর্বে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেছেন।

 

সভায় সভাপতিত্ব করেন রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতা।

এসময় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক মীর,প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ড. আহসান হাবীব প্রামাণিক, কৃষি কর্মকর্তা তরুন কুমার বালা, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মাজেদুল হক কাউসার, মৎস্য কর্মকর্তা জ্যোতি কনা দাস, উপজেলা প্রকৌশলী শোভন সরকার, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএ আনোয়ার উল কুদ্দস, নির্বাচন কর্মকর্তা আঃ সাত্তার, শিক্ষা কর্মকর্তা মুহা: আবুল কাশেম, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক ইকবাল আজিজ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ মোঃ বোরহান উদ্দীন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোঃ রাসেল, সমাজসেবা কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম তরফদার, হিসাব রক্ষন কর্মকর্তা মদন কুমার দাস, সহকারী প্রোগ্রামার ইমরান হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, পল্লী বিদ্যুৎ এজিএম এম হালিম খান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ বজলুর রহমান, খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মো. আশরাফুজ্জামান, সমবায় কর্মকর্তা মো. ফরিদ আহম্মেদ, আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ, কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অজিত সরকার, রূপসা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক  মোল্যা সাইফুর রহমান,রূপসা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা লবিলুল ইসলাম, ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আছাফুর রহমান, জিয়াউল ইসলাম বিশ্বাস, মাসুম বিল্লাহ, ইলিয়াছুর রহমান, আজিজুল ইসলাম নন্দু, বীরমুক্তিযোদ্ধা হাসান মাহমুদ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

 

এছাড়া নেতাকর্মীদের মধ্য উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক জুলফিকার আলী জুলু, মোল্যা খায়রুল ইসলাম, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক আতাউর রহমান রুনু, জেলা বিএনপির সদস্য আনিসুজ্জামান বিশ্বাস, আরিফুর রহমান, মোল্যা রিয়াজুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বিকাশ মিত্র, যুগ্ম আহবায়ক আবুল কালাম গোলদার, হুমায়ূন কবীর, বিএনপি নেতা এসএম আঃ মালেক, খান আনোয়ার হোসেন, মহিউদ্দিন মিন্টু, মিকাইল বিশ্বাস, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রেজাউল ইসলাম রেজা, যুব মহিলা দল নেত্রী শারমিন আক্তার আখি, খন্দকার শরিফুল ইসলাম, সৈয়দ নিয়ামত আলী, বাদশা জমাদ্দার, জিএম আসাদুজ্জামান, আসাদুজ্জামান বিপ্লব, মাসুম বিল্লাহ, মুন্না সরদার, খান আলিম হাসান, মাসুদ খান, সাইফুল ইসলাম পাইক, ফিরোজ মাহমুদ, জাহিদুল ইসলাম রবি, আরিফ মোল্যা,  মিশকাত মোল্যা, মোকাররম হোসেন, শাহ জামান প্রিন্স, তরিকুল ইসলাম রিপন, সরদার শিহাবুল ইসলাম, ইসরাইল বাবু, এসএম আবু সাঈদ, খায়রুল আলম খোকন, কামরুজ্জামান নান্টু, জহিরুল হক শারাদ, বিউটি পারভিন, মাঈনুল হাসান, ওলিয়ার রহমান, হাফিজুর রহমান, ফরহাদ হোসেন, জাহিদ হোসেন, আকতার শেখ, শাহাজাদা আলমগীর, ফারুক আহম্মেদ, সফর কাজী, ইব্রাহিম শেখ, গোলাম রসুল, জাহিদুর রহমান, মুস্তাহিন শেখ প্রমূখ।

রূপসায় জাতীয়তাবাদী দলের পোলিং এজেন্ট প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

//এম মুরশীদ আলী//

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে জাতীয়তাবাদী দল (ধানের শীষ) প্রতীক এর পক্ষে ভোট কেন্দ্রে নারী ও পুরুষ পোলিং এজেন্ট নিয়োগ প্রশিক্ষণ কর্মশালা গত ৭ ফেব্রুয়ারি সকালে রূপসা উপজেলা সদর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নৈহাটি, টিএসবি ও ঘাটভোগ ইউনিয়নের কর্মীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খান জুলফিকার আলি জুলু।

প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে খুলনা-৪ আসনের এজেন্ট প্রশিক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক জিএম কামরুজ্জামান টুকুর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- কর্মসূচি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক শেখ আঃ রশিদ, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য আরিফুর রহমান আরিফ, নাজমুস সাকিব পিন্টু, মোল্যা রিয়াজুল ইসলাম, আছাফুর রহমান।

প্রশিক্ষণে বক্তারা বলেন- ভোটকেন্দ্রে জনগণের ভোটাধিকার রক্ষায় পোলিং এজেন্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ও সজাগ থাকতে হবে। ভোটকেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা, ভোটারদের সহযোগিতা করা এবং যেকোনো অনিয়ম প্রতিরোধে পোলিং এজেন্টদের সজাগ থাকতে হবে। জনসাধারণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সদস্য এম এ সালাম ও উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মুন্না সরদারের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক শেখ মোঃ আবু সাঈদ, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বিকাশ মিত্র, জেলা মহিলাদল নেত্রী শাহানাজ ইসলাম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রয়েল আজম, ঘাটভোগ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এসএম আঃ মালেক, নৈহাটি ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মহিউদ্দিন মিন্টু, টিএসবি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক খান আনোয়ার হোসেন, সাবেক সদস্য সচিব আজিজুর রহমান, নৈহাটি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব দিদারুল ইসলাম, ঘাটভোগ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মিকাইল বিশ্বাস, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বাচ্চু, বিএনপি নেতা জাহিদুল ইসলাম রবি, ফ.ম. মনিরুল ইসলাম, সৈয়দ নিয়ামত আলী, সৈয়দ মাহমুদ আলী, বাদশা জমাদ্দার, সাবেক ছাত্রনেতা খান আলিম হাসান, মহিতোষ ভট্টাচার্য, আজিজুর রহমান, যুব মহিলা দল নেত্রী শারমিন আক্তার আঁখি, মহিলা দল নেত্রী মনিরা বেগম, বিএনপি নেতা সাজ্জাত হোসেন, স.ম. হাসিবুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা নাঈম আহম্মেদ, সাবেক ছাত্রনেত জিএম হিরোক, আবুল কাশেম প্রমুখ।

স্বাস্থ্যসেবায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে  … রূপসায় ধানের শীষের প্রার্থী

//এম মুরশীদ আলী //

খুলনা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল বলেন- বিএনপি সরকার গঠন করলে স্বাস্থ্য সেবায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। যাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সঠিক চিকিৎসাসেবা পায়, সে লক্ষ্যে পর্যাপ্ত চিকিৎসকের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি আধুনিক মানের চিকিৎসা সরঞ্জামের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে কোন মানুষ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হয়। ওষুধ ব্যবসায়ীরা বিনা টোলে কার্টুন নিয়ে রূপসা ঘাট দিয়ে যাতায়াত করতে পারেন, সে বিষয়েও গুরুত্বসহকারে দেখা হবে। গত ৩১ জানুয়ারি দুপুরে রূপসা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি, রূপসা উপজেলা শাখার আয়োজনে পল্লী চিকিৎসক ও ওষুধ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি, রূপসা উপজেলা শাখার সভাপতি শাহজামান প্রিন্সের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক কামরুজ্জামান টুকু, নির্বাহী সদস্য মোল্লা রিয়াজুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোল্লা সাইফুর রহমান, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শেখ আবু সাইদ এবং রূপসা প্রেসক্লাবের সভাপতি তরিকুল ইসলাম ডালিম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক বিকাশ মিত্র, যুগ্ম-আহ্বায়ক শেখ রয়েল আজম, রবিউল ইসলাম রবি, নৈহাটী বিএনপির সার্চ কমিটির সদস্য এস এম মহিউদ্দিন মিন্টু, দিদারুল ইসলাম, মিকাইল বিশ্বাস, মো. বাবু মোল্লা, কবির শেখ, আমিরুল ইসলাম তারেক, সাইফুল্লাহ হোসাইন তুহিন, আবু মুছা, নিজাম উদ্দিন টিটো, আ. হালিম মোড়ল, অন্তর হোসেন মাসুম, মাফুজুর রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আসাদুল ইসলাম বিপ্লব, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক মুন্না সরদার, যুগ্ম-আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম রিমন, সাবেক ছাত্রনেতা খান আলিম হাসান, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক এস এম মিজানুর রহমান, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জাকারিয়া, সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ, উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক শাহ আলম ভূঁইয়া, রূপসা কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল নাঈম, উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব সোহাগ শিকদার, সাবেক ইউপি সদস্য সাজ্জাদ হোসেন, বসির হায়দার পল্টু, যুবদল নেতা দেলোয়ার হোসেন, বিএনপি নেতা মো. বাবুল হোসেন, শ্রমিক দল নেতা মো. লাভলু শেখ, আতাহার গাজী, নৈহাটী কৃষক দলের সদস্য সচিব ফারুক শেখ, সাবেক ছাত্রনেতা সাজ্জাদ হোসেন লিপন, বিএনপি নেতা ইবাদুল ইসলাম প্রমুখ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ সালের ১২ ই ফেব্রুয়ারী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ সালের ১২ ই ফেব্রুয়ারী  ব্রহস্পতিবার…..

এইমাত্র তফশির ঘোষণা করলেন মাননীয় প্রধান নির্বাচন কমিশনার…….

রূপসায় জামায়াতের যুব সম্মেলন ও নির্বাচনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

//এম মুরশীদ আলী//

রূপসায় জামায়াতের যুব সম্মেলন ও নির্বাচনী সমাবেশ গত ৬ ডিসেম্বর বিকালে টিএসবি ইউনিয়ন কাজদিয়া বাজার  এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াতে ইসলামী টিএসবি ইউনিয়ন যুব বিভাগের আয়োজনে এ যুব সম্মেলন ও নির্বাচনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

যুব সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা কবিরুল ইসলাম।

রূপসায় জামায়াতের যুব সম্মেলন ও নির্বাচনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- রূপসা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ও নির্বাচনী সদস্য সচিব হাবিবুল্লাহ ইমন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সেক্রেটারি মো. নাজিম উদ্দিন, থানা তারবিয়াত সেক্রেটারি হাফেজ মো. জাহাঙ্গীর ফকির, টিএসবি ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক আসাদুজ্জামান, সেক্রেটারি হাফেজ মাওঃ গোলাম রসুল।

টিএসবি ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি মো. শাফিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মো. দিদার বাদশার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন- মাওঃ ইবরাহীম খলিল ফারুকী, হারুন অর রশিদ, মাওঃ আব্দুল গফ্ফার, তামিম বাদশা, মুন্সি মনিরুজ্জামান, মো. বিল্লাল হোসেন, আল যোবায়ের, হাফেজ বিল্লাল, হাফেজ কাজী নেয়ামত আলী, হাফেজ হেদায়েত উল্লাহ, হাফেজ সাইফুল ইসলাম, জুম্মান আনসারী, মোঃ ইসমাইল প্রমুখ।

৫ দফা দাবীতে রূপসায় জামায়াত ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা// 

আগামী ফেব্রুয়ারিতে জুলাই সনদের ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচন সহ ৫ দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রূপসায় গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিকালে উপজেলা সদর কাজদিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- রূপসা উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আমির মাওলানা লবিবুল ইসলাম।

উপজেলা সেক্রেটারি হাবিবুল্লাহ ইমন এর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের খুলনা জেলা সেক্রেটারি মো. নাজিম উদ্দিন, উপজেলা শুরা কর্মপরিষদ সদস্য মো. আনোয়ার আলী, রূপসা উপজেলা যুব ও ছাত্র সভাপতি অধ্যাপক মো. গিয়াস উদ্দিন, উপজেলা উলামা সেক্রেটারী মাওঃ মো. মমতাজুল ইসলাম, উপজেলা তারবিয়্যাত সেক্রেটারি হাফেজ মো. জাহাঙ্গীর ফকির, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন রূপসা উপজেলার সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির উপজেলা সভাপতি মো. আল-আমিন, মো. মুশফিকুর রহমান, উপজেলা শিবির সেক্রেটার মো. তানিমুল ইসলাম শ্রাবণ, রূপসা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর অফিস সেক্রেটারি মো. সেলিম রেজা, এম আল হেলাল মুন্সী, উপজেলা শ্রমিক সহ-সভাপতি মো. আবুল খায়ের, মো. নাসির উদ্দিন, উপজেলা শ্রমিক সেক্রেটারি মোঃ ফিরোজ শেখ। রূপসা উপজেলা ইউনিট সদস্য হাফেজ মো. সাইফুল ইসলাম ও মাওঃ মো. হেদায়েতুল্লাহ, আইচগাতী ইউনিয়ন আমির মাওঃ মো. হেকমত আলী শেখ, শ্রীফলতলা ইউনিয়ন আমির মোল্লা সেলিম আজাদ, নৈহাটি ইউনিয়ন আমির মাওঃ মো.  মহিউদ্দিন, টিএসবি ইউনিয়ন আমির অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামান, ঘাটভোগ ইউনিয়ন সভাপতি মো. নাসিম সরদার, আইচগাতি ইউনিয়ন সেক্রেটারি মো. সিরাজুল ইসলাম, শ্রীফলতলা ইউনিয়ন সেক্রেটারি মো. আব্দুল কাদের, নৈহাটি ইউনিয়ন সেক্রেটারি মো. আজিজুল হক, ঘাটভোগ ইউনিয়ন সহ সভাপতি মো. জাহিদুল ইসলাম, সেক্রেটারি মো. আল আমিন, রূপসা উপজেলা জামায়াত ইসলামী অমুসলিম শাখা সভাপতি সদানন্দ বৈরাগী।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- টিএসবি ইউনিয়ন সেক্রেটারি হাফেজ মাওঃ মো. গোলাম রসুল, উপজেলা জামায়াত ইসলামী অমুসলিম শাখা সেক্রেটারি বিজয় কৃষ্ণ মজুমদার, ইউনিয়ন কর্মপরিষদ টিম সদস্য মাওঃ আবুল কালাম, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র আন্দোলন জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শরিফুল ইসলাম, ডাঃ রফিকুল ইসলাম, মো. মুজাহিদুল ইসলাম, মো. আবুল বাশার বাদশা, মোঃ জামিরুল, মো. শাহ আলম, মাওঃ মো. নুরুল আমিন, ডাঃ মো. ইখতিয়ার মৃধা, মোঃ আঃ মান্নান, নৈহাটি ইউনিয়নের সহ সেক্রেটারি ক্বারী মাওঃ মামুনুর রশিদ, মাওঃ মো. অলিউল্লাহ, শুরা কর্মপরিষদ সদস্য মো. শাহজাহান হাওলাদার, টিএসবি ইউনিয়ন শ্রমিক সভাপতি মো. আবুল বাশার, নৈহাটি ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম, হারুন-অর-রশিদ, ডাঃ মো. সাইফুল ইসলাম, মাওঃ নজরুল ইসলাম, মো. রকিব উদ্দিন রশিদ, মো. শাফিয়ার রহমান, মাওঃ মো. ইব্রাহিম খলিল ফারুকী, মো. মনিরুল ইসলাম, হাফেজ মো. নেয়ামত কাজী, মাওঃ আব্দুল গফফার, মো. আলমগীর ফকির, মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, মো. লিটন শেখ, মো. মুজিবুর রহমান, মাওঃ আইয়ুব আলী গাজী, মাওঃ নূর মোহাম্মদ, মো. মাইনুল ইসলাম, মো. রফিকুল ইসলাম, আবু ইউসুফ, আজিবর রহমান, হাফিজুর রহমান, হাবিবুল্লাহ হাবিব, নজরুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা আজিম উদ্দিন, খাজা মহিউদ্দিন লাভলু,আফজাল হোসেন, হাফেজ আব্দুল জলিল, আলী হায়দার আসলাম, আরমান হোসেন রাজ, মাওঃ মেহেদী হাসান, মো. রমজান আলী,  আসলাম শেখ, ডাক্তার আসলাম শেখ, ইঞ্জিনিয়ার  জাহিদুর রহমান, আবু দাউদ শেখ, আব্দুস সালাম মল্লিক, রেজওয়ান কবির, মোজাফফর হোসেন, সাব্বির শেখ, জিয়া বিশ্বাস, রফিকুল ইসলাম, হাকিম শেখ, পিয়াল হাসান, সুজন শেখ, রানা, আরিফ, আলাউদ্দিন, বুলবুল, মারুফ শেখ, বাকিবিল্লাহ, মাওলানা জসিম উদ্দিন, হাফেজ মাওঃ মোজাম্মেল হোসেন, আরিফ মল্লিক, সাইদুল ইসলাম, মাসুম, শিক্ষক মো. হাসান, আজিজুল ইসলাম মিঠু, সোহাগ, জুম্মান শেখ, মো. আমানুল্লাহ ও স্থানীয় বিভিন্ন দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ।

বিক্ষোভ মিছিলটি উপজেলা থেকে শুরু হয়ে নতুনহাট বাজারে গিয়ে পথসভার মধ্যে দিয়ে শেষ হয়।