//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//
গড়বো সমাজ,গড়বো দেশ – স্বেচ্ছাসেবী বাংলাদেশ এই মূল মন্ত্র ধারণ করে, সারা বিশ্ব যখন কোভিডে আক্রান্ত তখন এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি মানবতার কল্যাণে এগিয়ে আসেন। করোনার সময় জীবনের ঝুকি নিয়ে বিভিন্ন সহযোগিতা করেছেন ফাউন্ডেশনটি।
বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত ডাঃ খাঁন শফিকুল ইসলাম (ডিকেএস) ফাউন্ডেশন একটি সেবা মূলক প্রতিষ্ঠান।
তার ই ধারাবাহিকতায়, তারই অঙ্গ প্রতিষ্ঠান দৈনিক সুবর্ণ নিউজ। সুবর্ণ নাগরিক( প্রতিবন্ধী)দের গণমাধ্যম হিসেবে কাজ করছে। রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নের অঙ্কিত নামের সুবর্ণ নাগরিক (প্রতিবন্ধী) বয়স ৯ বছর। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা নিয়ে পৃথিবীতে আসেন । অত্যন্ত গরিব ঘরে জন্ম নেয় এই শিশুটি।পিতা দিনমজুর পরিবারের সদস্য সংখ্যা পাঁচজন। এত বড় সংসারে একার আয় দিয়ে কোনমতেই কেটে যায় তাদের জীবন।
অঙ্কিতের মা বলেন, এক সময় আমাদের সবই ছিল গোয়ালভরা গরু,ঘেরে মাছ। আজ আমাদের তেমন কিছু নেই,সবকিছুই বিক্রি করে দিয়েছে এই ছেলের পিছনে চিকিৎসা করার জন্য।
আজ আমরা নিঃস্ব প্রায়। ঋণে জর্জরিত হয়েছি, বিভিন্ন এনজিও থেকে লোন নিয়ে আজ দুর্বি সহ জীবন কাটছে আমাদের। আমার একমাত্র ছেলে সন্তান সে আবার প্রতিবন্ধী তাকে একটি গাড়ি কিনে দেওয়ার মত কোন সমর্থই আমার ছিল না।
ডাঃ খান শফিকুল ইসলাম কে বললে তিনি আমার ছেলেকে একটি গাড়ির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। আমরা অত্যন্ত খুশি এখন যদি আমার ছেলেটি হাঁটতে পারে তাহলে আমাদের আনন্দের আর সীমা থাকবে না।
অঙ্কিতের বাবা বলেন, আমি খুব খুশি হয়েছি, আমার ছেলে গাড়িটি পেয়ে দেখছি একা একা হাঁটার চেষ্টা করছে।এর আগে অনেকে ডাক্তার বলছেন ছেলেকে একটা গাড়ি কিনে দেওয়ার জন্য কিন্তু আমার সেই সমর্থক ছিল না।এই ছেলের পিছনে সবকিছুই আমি শেষ করে দিয়েছি। আমি আল্লাহর কাছে দোয়া করি যে প্রতিষ্ঠান আমার ছেলেকে একটি গাড়ি দিয়েছে। এ প্রতিষ্ঠান যেন সারা জীবন আমাদের মত গরিব মানুষের পাশে থাকতে পারে।
ডাঃ খান মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, ডিকেএস ফাউন্ডেশন একটি আত্ম মানবতার কল্যাণে নিবেদিত প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানটি সুবর্ণ নাগরিক (প্রতিবন্ধী) দের কল্যাণে কাজ করে। আর যা কিছু আমরা প্রদান করি। তা সকলের সার্বিক সহযোগিতার মাধ্যমে। আমি অত্যন্ত খুশি এমন একটি ছেলেকে একটি গাড়ি উপহার দিতে পেরে। ভবিষ্যতে যেন আমরা এই সকল অসহায় মানুষের পাশে থাকতে পারি। আমি সমাজের সকল বিত্তবান ও সম্পাদশালী সকলকে আহ্বান জানাবো, আসুন আমরা সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই। মানবতার কল্যাণে কাজ করি।

