মধুপুরে জবর-দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ

মধুপুরে জবর-দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ

 

মধুপুরে জবর-দখল করে  টাঙ্গাইলের মধুপুরে আদালতের আদেশ অমান্য করে স্হাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। মামলার অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, মামলার বাদী আঃ মান্নান পিতা মৃত ওয়াহেদ আলী সাং পুন্ডুরা থানা মধুপুর বোয়ালী গ্রামের বিবাদী জাহাঙ্গীর গংদের সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ জমি জমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।

 

বিরেধের জের ধরে জাহাঙ্গীর গং সম্প্রতি মধুপুর থানাধীন বোয়ালী মৌজার আদালত পাড়া সেগুন বাগান এলাকার ১৭৪ নং খতিয়ানের ৩২৮ দাগের ৫ শতাংশ ভূমিতে বিবাদীগন জোর পুর্বক বেকু দ্বারা খনন কাজ শুরু করে। এ সময় বাদী আঃ মান্নান বাধা দিলে বিবাদীগন মামলার বাদীকে অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ করে তাদের উপর হামলা করতে ঔধ্যত হয়।

 

এ সময় তারা নানাবিধ হুমকী দিলে আব্দুল মান্নান চলে যায়। পরবর্তীতে জমির বিষয়ে টাঙ্গাইল আদালতে ফৌজদারি কাঃ বিঃ ১৪৪ ধারার বিধান মতে জাহাঙ্গীর হোসেন পিতা তালেব আলী, আঃ ছাত্তার পিতা কাজীম উদ্দিন, শাহনাজ পারভীন স্বামী জাহাঙ্গীর, কেরামত আলী পিতা মৃত নবাব আলী সাং বোয়ালী এদের বিরুদ্ধে আদালতে একটি অভিযোগ দাখিল করে। দাখিলকৃত অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রেখে স্ব-স্ব অবস্হানে থাকার নির্দেশ প্রদান করেন আদালত। এবং যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে তাদেরকে আগামী ২২ জুন আদালতে হাজির হয়ে কারন দর্শানোর আদেশ করেন আদালত।

 

কিন্তু তারা সে আদেশ অমান্য করে উক্ত ভুমিতে পাঁকা স্থাপনা নির্মাণ করিতেছে বলে অভিযোগ করেন মামলার বাদী         আঃ মান্নান।

 

মামলার সূত্রে জানা যায় ঘটনাটি মধুপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। এব্যাপারে মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক বিবাদীগনকে কাজ না করার জন্য নিষেধ করা হয়েছে এবং তদন্ত পুর্বক প্রতিবেদন বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

এব্যাপারে বিবাদী জাহাঙ্গীর হোসেন এর সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান আদালতের রায় নিয়েই আমি কাজ করিতেছি।

 

//আব্দুল হামিদ, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি//

Dainik Biswa

স্বাস্থ্যবিধি মেনে নির্ধারিত স্থানে পশুর হাট বসবে: এলজিআরডি মন্ত্রী

 

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *