//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//
খুলনা- ৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূশের্দী বলেছেন,
বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাহান্নর একুশে ফেব্রুয়ারির রক্তিম প্রেরণাময় পথ বেয়ে নানান আন্দোলন ও সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালে এক রক্তাক্ত মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছিল স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ।
আসুন, আজ থেকে আমরা সব ভেদাভেদ ও রাজনৈতিক সংকীর্ণতা পরিহার করে ভাষা শহীদদের দেখিয়ে দেয়া পথ ধরে ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধের অবিনাশী চেতনায় বাংলাদেশকে গড়ে তোলার শপথ গ্রহণ করি।

একুশের চেতনা ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে ধারণ করে আওয়ামী লীগ সরকার দেশের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী দল-মত নির্বিশেষে একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে কাজ করা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান।
আসুন দল-মত নির্বিশেষে একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে কাজ করি এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখি। সবাই মিলে একটি অসাম্প্রদায়িক, ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলি। প্রতিষ্ঠা করি জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ।
তিনি আরো বলেন, অমর একুশে আমাদের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, বাঙালি জাতীয়তাবাদ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতীক। একুশের চেতনা ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে ধারণ করে আওয়ামী লীগ সরকার দেশের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে রোল মডেল।
বিশ্বের ২৫ কোটি মানুষের ভাষা বাংলাকে জাতিসংঘের অন্যতম সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতিদানের উদ্যোগ নিয়েছি আমরা।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দাবি উত্থাপন করেছি। বিশ্বের সকল ভাষা সংক্রান্ত গবেষণা এবং ভাষা সংরক্ষণের জন্য আমরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেছি।
শেখ হাসিনা বলেন, মহান একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালির জীবনে শোক, শক্তি ও গৌরবের প্রতীক। ১৯৫২ সালের এ দিনে ভাষার মর্যাদা রক্ষা করতে প্রাণ দিয়েছিলেন রফিক, শফিক, সালাম, বরকত ও জব্বারসহ আরও অনেকে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহান একুশে ফেব্রুয়ারির সেই রক্তস্নাত গৌরবের সুর বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে আজ বিশ্বের ১৯৩টি দেশের মানুষের প্রাণে অনুরণিত হচ্ছে।
আজ সারা বিশ্বের সব নাগরিকের সত্য ও ন্যায়ের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রেরণার উৎস আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
রূপসা উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ২১ফেব্রুয়ারী সকাল ১০টায় অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে চিত্র অঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কোহিনুর জাহান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বাদশা, সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ জুবায়ের, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: শেখ শফিকুল ইসলাম।
এসময় আরো বক্তৃতা করেন কৃষি কর্মকর্তা মো: ফরিদুজ্জামান,প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার মজুমদার, সমাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়া জামান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মনোয়ারা খানম, সমবায় কর্মকর্তা প্রশান্ত ব্যানার্জি, শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ আ: রব, নির্বাচন কর্মকর্তা মোল্লা নাসির আহমেদ, আইসিটি কর্মকর্তা মো:রেজাউল করিম, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক ইকবাল আজিজ, প্রকৌশলী এস এম ওয়াহিদুজ্জামান,
যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ বজলুর রহমান,
সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা,থানার সেকেন্ড অফিসার এস আই আবুল কাইয়ুম,
মুক্তিযোদ্ধা আ: মজিদ ফকির, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মোতালেব হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল ইসলাম, সংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবিব, এমডি রকিব উদ্দিন, ফরিদ শেখ সহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান,মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষার্থী ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

