বাঙ্গালির অস্তিস্ব ও চেতনার সঙ্গে রবী ঠাকুর ওতপ্রোতভাবে মিশে আছেন: বিভাগীয় কমিশনার

বাঙ্গালির অস্তিস্ব ও চেতনার সঙ্গে রবী ঠাকুর ওতপ্রোতভাবে মিশে আছেন: বিভাগীয় কমিশনার

//আঃ রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. ইসমাইল হোসেন বলেছেন, বাঙ্গালির অস্তিস্ব ও চেতনার সঙ্গে রবী ঠাকুর ওতপ্রোতভাবে মিশে আছেন। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে রবীন্দ্রনাথের গান হয়ে উঠেছিল প্রেরণার উৎস।  গীতাঞ্জলি কাব্যের জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়ে সারা বিশে^ বাংলা ভাষার মর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছেন রবী ঠাকুর।

তিনি আরো বলেন, বাংলা সাহিত্যকে তিনি দিয়ে গেছেন এক নতুন মাত্রা। তার গান বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। মানুষ্যত্বের বিকাশ ও মানব মুক্তি ছিল তার জীবনবোধের প্রধানতম দিক।  বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশে রবীন্দ্রনাথের রয়েছে অসামান্য অবদান।

অনুষ্টানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার। তিনি তার বক্তৃতায় বলেন, নিজের গল্প, কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প ও অসংখ্য গানের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যকে পরিপূর্ণতা দান করেছেন রবীন্দ্রনাথ। বিশ্বের দরবারে বাঙালিদের মাথা উঁচু করে দাঁড়াতেও শিখিয়েছেন কবিগুরু। যার কারণে বাঙালির অস্তিত্বে মিশে আছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। গল্পে, উপন্যাসে, কবিতায়, সুরে ও বিচিত্র গানের বাণীতে, অসাধারণ সব দার্শনিক চিন্তাসমৃদ্ধ প্রবন্ধে, সমাজ ও রাষ্ট্রনীতি সংলগ্ন গভীর জীবনবাদী চিন্তা জাগানিয়া লেখায় এমনকি চিত্রকলায়ও রবীন্দ্রনাথ চিরনবীন। ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১তম জয়ন্তীতে খুলনার রূপসায়  তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার প্রথম দিনে রবিবার সকাল ১০টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একথা বলেন।

রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নের পিঠাভোগ গ্রামে কবির পূর্ব পুরুষের আদি ভিটায় আলোচনা সভা ও সাংক্তৃতিক অনুষ্টানের বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচীব অসীম কুমার দে, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহাবুব হাসান, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দন বাদশা, জেলা অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেড পুলক কুমার দে,শিক্ষাবীদ ও রবীন্দ্র গবেষক সুশান্ত সরকার।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাছনিম। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ফরিদুজ্জামান ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন এর পরিচালনায় বক্তৃতা করেন সহকারী কমিশনার ভূমি মো. সাজ্জাদ হোসেন, থানার অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, অধ্যক্ষ ফ ম আ. সালাম, ভাইচ চেয়ারম্যান ফারজানা আফরোজ মনা, মৎস্য কর্মকর্তা বাপি কুমার দাস, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার মজুমদার, শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ আ. রব, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আইরিন পারভিন, পিআইও আরিফ হোসেন, প্রকৌশলী এস এম ওয়াজিদুজ্জামান, নির্বাচন কর্মকর্তা মোল্লা নাসির আহমেদ, সমাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়া জামান, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক আজিজ, আইিসিটি কর্মকর্তা রেজাউল করিম, সহবারী শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা,  ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল ও মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, আওয়ামীলীগ নেতা আ. মজিদ ফকির, সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, এস এম হাবিব, আল মামুন সরকার সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

English Dainikbiswa

হাইমচরে মা দিবস পালিত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *