বাংলাদেশ পুলিশের গর্ব পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

এবার বন্দরনগরী চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জনবান্ধব পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ। এর আগে তিনি গাজীপুরের পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বুধবার (৩ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপ-সচিব ধনঞ্জয় কুমার দাসের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। তার আগে ঘুষ, দুর্নীতি মুক্ত, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব পুলিশ উপহার দিয়ে খুলনা থেকে গাজীপুরের পুলিশ সুপার হয়েছিলেন এসএম শফিউল্লাহ। গাজীপুর ও খুলনা জেলায় দায়িত্ব পালন করার সময় জনবান্ধব পুলিশ গড়তে নানান পদক্ষেপ নেন তিনি।

এছাড়া মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর অবস্থানে বদলে যায় গাজীপুর জেলার চিত্র। এছাড়া পুলিশের অভ্যন্তরীণ ঘুষ লেনদেন, বদলি বাণিজ্য, ও অবৈধ পরিবহন থেকে চাঁদা আদায় পুরোপুরি বন্ধ করে সাড়া ফেলে দেন মানবিক এই পুলিশ সুপার।
পুলিশ সুপার এস.এম. শফিউল্লাহ সততা, নিষ্ঠা, ও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ দমন, মাদক নির্মূল, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি প্রতিরোধ এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন ও সার্বিক আইন শৃংঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ‘‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম-সেবা)’’ এ ভূষিত হন। এছাড়া গাজীপুর জেলায় দায়িত্ব পালন কালে ৮ বার ঢাকা রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার নির্বাচিত হন তিনি।

ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে আয়োজিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় অপরাধ নিয়ন্তণ ও আইন শৃংঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার ক্ষেএে আবদান রাখায় ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি তাকে ৮ বার ঢাকা রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার নির্বাচিত করে পদক দেন। পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ পুলিশের অভ্যন্তরের দুর্নীতি বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেন। বিশেষ করে মাদক স্পট থেকে টাকা আদায় বন্ধ, অবৈধ পরিবহন থেকে সকল প্রকার চাঁদাবাজি বন্ধ সহ থানায় মামলা রেকর্ড ও জিডি করতে সাধারণ মানুষের যাতে কোন প্রকার অর্থ দিতে না হয় সেজন্য নেন নানান উদ্যোগ। থানাগুলোতে নাগরিক সেবা সহজীকরণ, বিশেষ করে নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের দ্রুত সেবা দিতে নানান উদ্যোগে বদলে গেছে থানা গুলোর চিত্র।
১৯৭০ সালের ১৫ মার্চ গোপালগঞ্জ জেলার সদর থানার ঘড়ইগাতি গ্রামে জম্নগ্রহণ করেন পুলিশ সুপার এস.এম. শফিউল্লাহ। তার পিতা মরহুম শেখ আব্দুল হাকিম একজন সৎ, দক্ষ, আদর্শবান পুলিশ অফিসার ছিলেন। পুলিশ বাবার এই সন্তান এখন পুলিশ বিভাগের গর্ব। নিজ কর্মস্থলে গরীবের পুলিশ নামে পরিচিতি পেয়েছেন তিনি। চলাফেরা করেন খুব সাদামাটাভাবে।গরীব দু:খী সবার জন্য সর্বদা দরজা খোলা থাকে তার। তার সাথে দেখা করতে কারোর অনুমতি লাগে না। এস.এম. শফিউল্লাহ্ ২৪ তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে ২০০৫ সালের ০২ জুলাই এএসপি হিসেবে যোগদান করেন। তিনি এএসপি হিসেবে ১ম আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, মহালছড়ি, খাগড়াছড়ি, ডিএমপি, ঢাকা, সিআইডি, ঢাকা যশোর জেলায় ক-সার্কেল, নারায়ণগঞ্জ জেলার বি-সার্কেলে দক্ষতার সাথে কর্তব্য পালন করেন। তিনি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ), খুলনা হিসেবে প্রায় ৬ বছর ও পুলিশ সুপার হিসাবে আড়াই বছর দায়িত্ব পালন করেন। এস.এম. শফিউল্লাহ্ দেশ-বিদেশে অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তিনি ইতিপূর্বে অনন্য সাধারণ কৃতিত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ “আইজিপি গুড সার্ভিস ব্যাজ” অর্জন করেন তিনি। অপরাধের বিরুদ্ধে তাঁর অবিরাম সংগ্রাম। কর্মসূত্রে যে সকল জেলাতে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন সেখানে অল্প কিছু দিনের মধ্যেই তিনি আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছেন। তার সাহসী ভূমিকার কারণে খুব সহজেই তিনি জনমনে ঠাঁই করে নিয়েছেন।

খুলনার রূপসায় গলায় রশি দিয়ে গৃহবধুর আত্নহত‍্যা

//আ: রাজ্জ্ক শেখ, খুলনা ব্যুরো//
রূপসায় পূজা বিশ্বাস (২০) নামে এক গৃহবধু গলায় রশি দিয়ে আত্নহত‍্যা করেছে।
সে আইচগাতি ইউনিয়নের দেয়াড়া এলাকার তপন বিশ্বাস এর মেয়ে।

পুলিশ জানায়, নৈহাটি ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের সমীর শিকদার ছেলে তাপস শিকদারের সাথে
পূজা বিশ্বাসের এক বছর আগে বিবাহ হয়।

আজ সোমবার ২৫ জুলাই দুপুরে স্বামীর বাড়ির লোকজনের সাথে মনোমালিন্যের কারণে স্বামীর বসতঘরের ফ্যানের সাথে ওড়না পেচিয়ে পূজা আত্নহত‍্যা করে।

ঘটনার খবর পেয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং তিনি বলেন, পূজা নামে এক গৃহবধু নিজ ঘরে আত্নহত‍্যা করার অভিযোগ পেয়েছি।
তার লাশ উদ্বার করে ময়নাতদন্তের জন‍্য ব‍্যবস্থা নেওয়া হয়েছে
এ ব‍্যাপারে রূপসা থানার অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে যার নং-১২

রূপসায় ২হাজার কেজি চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ -১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

//আ: রাজ্জাক শেখ,খুলনা//

রূপসার টোল প্লাজা এলাকা থেকে চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ করার দায়ে ২হাজার কেজি চিংড়ি জব্দ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে এ কাজে জড়িত থাকার জন্য তাদেরকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) সন্ধার পর হতে রাত ১২ টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে চিংড়ি জব্দ সহ জরিমানা করা হয়।

খুলনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়দেব পালের দিকনির্দেশনায় দেশী বিদেশী ভোক্তা পর্যায়ে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণের লক্ষে রূপসার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, রূপসা মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র ও  র‍্যাব-৬ এর নেতৃত্ব কর্তৃক যৌথ অভিযান পরিচালনা করে অপদ্রব মিশ্রিত চিংড়ি জব্দ ও বিনষ্ট করা হয়।

অভিযান কালে উপস্থিত ছিলেন FIQC Inspector জনাব মাসুদুর রহমান, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা জনাব লিয়াকত আলী সহ কর্মকর্তা প্রমূখ।

শ্রমিক লীগ নেতার জীবননাশের হুমকির প্রতিবাদে রূপসায় মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা//

খুলনা জেলা শ্রমীকলীগের  সদস‍্য সচীব মোল্লা শহিদুল ইসলাম ও যুগ্ম সম্পাদক সোলায়মান হোসেন দুলালকে জীবন নাশের হুমকির প্রতিবাদে রূপসা উপজেলা জাতীয় শ্রমীকলীগের  আয়োজনে মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ ১৫জুলাই বিকালে রূপসা ঘাট এলাকায় অনুষ্টিত হয়।

উপজেলা শ্রমীকলীগের  আহবায়ক মো: মফিজুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে ও সদস‍্য সচীব আশরাফ আলী রাজ এর পরিচালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তৃতা করেন উপজেলা শ্রমিক লীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য এস এম সোহেল হোসেন লিটন, সিদ্দিক শেখ, কামরুল শেখ, বিল্লাহ শেখ, সোহেল উদ্দিন রাজা, আবুল হোসেন, রিপন শেখ, কবির শেখ, সাবেক উপজেলা শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি তারেক আহমেদ টিপু, নৈহাটি ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতি মোঃ জাহিদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি সোহেল শেখ, মোঃ আল-আমিন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলিম শেখ, টিএসবি ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সদস্য সচিব সেলিম বাবু, ঘাটভোগ ইউনিয়নের আহবায়ক সকোর শেখ, যুগ্ম-আহবায়ক মামুন শেখ ।

আরো উপস্থিত ছিলেন কৃষক লীগ নেতা মোঃ নাসির উদ্দিন, মুজিবর শেখ, আনোয়ার শেখ, ইউনুস শেখ, আরিফ শেখ, বিল্লাল শেখ, রাসেল শেখ, সুজন কাজী, নাজমুল শেখ, সাইফুল ইসলাম পাক্কু, নাঈম হাসান বাবু, রিপন শেখ, কামরুল খান,আনোয়ার শেখ, বাবুল শিকদার, আবু বকার শেখ, আবুল কালাম, শংকর দে,হাবিবুর রহমান,কৃষ্ণ দে, শংকর দে প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা শ্রমীক নেতাদের জীবননাশের হুমকির তীব্র নিন্দা ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন।

খুলনার রূপসায় কিশোরী ‘মীম’ হত্যায় ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন

//আ: রাজ্জাক শেখ//

খুলনার  রূপসায় কিশোরী মিম  হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ আয়োজনে  মানববন্ধন  ৩০ জুন দুপুরে  রূপসা উপজেলা পরিষদের সামনে অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় বক্তৃতা করেন  উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার কাজী ইয়াহিয়া, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, জেলা মৎস্যজীবি লীগ সদস্য মুসা লস্কর, মুক্তিযোদ্ধা মুনছুর আলী বিশ্বাস,  বজলুর রশিদ আজদ, সন্তোষ চিন্তাপাত্র, জলিল শিকদার, জগলু শিকদার, আব্দুস সাত্তার মোল্লা, আ: সবুর মোল্লা, ইন্তাজ ফকির, সালেক আহমেদ মোল্লা, শেখ আব্দুল মালেক, মোহাম্মদ আলী, আকবর মোল্লা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের সভাপতি সরদার রাকিবুজ্জামান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের সভাপতি মো. রউফ সিকদার ও শেখ রহমত আলী টিপু সহ বিভিন্ন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকগণ  শত শত নারী-পুরুষ অংশ গ্রহন করে।

মানববন্ধন শেষে মুক্তিযোদ্ধাগণ স্মারকলিপি দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে ।

উল্লেখ‍্য,  কিশোরী মীম গত ১৮ জুন বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর পরবর্তীতে  ২০ জুন সন্ধ্যায় বাড়ির পাশ্ববর্তী পান বরজের পাশে  অর্ধগলিত লাশ উদ্বার করে পুলিশ। এই ঘটনায় নিহতের পিতা সারাজুল ইসলাম মন্টু ফকির বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন।

খুলনার মুনজীর মাষ্টার হত্যায় ২ আসামির যাবজ্জীবন

খুলনা ব্যুরো :

দীর্ঘ ১৭ বছর পর শিক্ষক মুনজীর মাষ্টার হত্যা মামলা রায়ে ২ আসামি আনুয়ার ও আশ্রাফকে যাবজ্জীবন করাদন্ড ও ৫০ হাজার জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।

এ হত্যাকান্ডের বিস্ফোরক অংশে ওই দুই আসামিকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন-  খানজাহান আলী থানাধীন গিলাতলা কলোনীর মো. সরোয়ার হোসেন ওরফে সানোয়ারের ছেলে আনুয়ার হোসেন ও একই এলাকার মো. গোলাম জিলানী মল্লিকের ছেলে মো. আশ্রাফ আলী।

অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষ এ মামলার ৬ জন আসামির বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ প্রমান করতে না পারায় আদালত বাদশা শেখ, সোহেল, রুবেল, মেজবাহ উদ্দিন মুকুল, আহাদ ও একেন্দার ওরফে এসকেনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন।

আদালত সূত্র জানায়, ২০০৫ সালের ১২ সেপ্টেম্বর রাত ৮ টার দিকে মুনজীর মাষ্টার মাত্তমডাঙ্গা যুব সংঘের ভেতরে গিয়ে অন্যান্য সদস্যদের সাথে কথা বলতে থাকেন। রাত সোয়া ৯ টার দিকে প্রধান ফটক দিয়ে কয়েকজন সন্ত্রাসী যুব সংঘের ভেতরে প্রবেশ  তাকে লক্ষ্য করে বোমা নিক্ষেপ করেতাকে হত্যা করে। পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির কতিপয় নেতা মুনজীর মাষ্টারের কাছে চাঁদা দাবি করে। দাবিকৃত চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার ওপর ক্ষিপ্ত হয় পূর্ব বাংলার কিছু নেতা। তাকে হত্যার করারও হুমকি দেয় ওই নেতারা।

একই বছরের ১২ ডিসেম্বর বোমা ও ২০০৬ সালের ৩০ জুন মুনজীর মাষ্টার হত্যাকান্ডের ঘটনায় মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ১২ জন আসামির নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে দাউদ, মঈন ও নেয়ামুল ইসলাম কুটি ক্রসফায়ারে নিহত হয়। অপরদিকে এ মামলার অপর আসামি আরিফুর রহমানকে রাজনৈতিক বিবেচনায় মামলা থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়।

স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপসায় আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত

// আ: রাজ্জাক শেখ//

স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন  উপলক্ষে খুলনার রূপসা উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়নের মিল্কি দেয়াডা  ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আয়োজনে এক আনন্দ মিছিল ও আলোচনা সভা ২৫জুন বিকালে অনুষ্ঠিত হয়। ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য আলহাজ্ব শেখ মো: আনিসুর রহমান মিঠুর নেতৃত্বে  এক মিছিল ইউনিয়নের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মিল্কি দেয়াড়া বাজার মোড় এলাকায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সভায় বক্তৃতা করেন জেলা কৃষক লীগের সদস্য মোশারফ হোসেন কুটি,ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ আসলাম শেখ,ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ রিপন,  উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদ খান রাসেল, ইউপি সদস্য মিরাজ মল্লিক, আবুল বাশার, আবুল কালাম আজাদ, রুহুল আমিন।

এ সময়  শহীদুল ইসলাম, মোঃ রফিকুল ইসলাম, আকাশ ঢালী,  বাবু,শামীম ওসমান, রিপন, নূরনবী, বাবু কাজী, মিজান মোড়ল, সোহাগ হোসেন, আরিফ, সজল খান, আনোয়ার হোসেন, শুকুর, হাসান, সোহেল, নুরজাহান  শিউলি. রেশমা, আসমা,রোজিনাসহ শত শত নারী পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।

রাত পোহালেই উদ্বোধন স্বপ্নের সেতু পদ্মা, দুর্ভোগ কমবে খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল

//আ. রাজ্জাক শেখ//

পদ্মা সেতু চালু হলে খুলনা থেকে রাজধানীতে যেতে সময় কম লাগবে। ফেরিঘাটে আর অপেক্ষা করতে হবে না ঘণ্টার পর ঘণ্টা। ফলে সেই দুর্ভোগও আর থাকবে না। রপ্তানিকারকরা আগ্রহী হবে মোংলা বন্দরের প্রতি। ফলে আরও গতিশীল হবে বন্দরটি। আর এর সুবিধা পাবেন খুলনার চিংড়ি ও পাটশিল্প রপ্তানিকারকরা। এ ছাড়া খুলনা, মোংলা ও আশপাশে গড়ে উঠবে নতুন নতুন শিল্পকারখানা।
বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ উজ জামান জানান, খুলনার মানুষ এখন সড়কপথে দৌলতদিয়া অথবা মাওয়া ঘাট দিয়ে বাসে রাজধানীতে যান। কিন্তু ফেরির জন্য ঘাটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। খুলনা থেকে রাজধানীতে যেতে সময় লাগে ৭ থেকে ১০ ঘণ্টা। ঈদের সময়, শীতকালে কুয়াশায় কিংবা বৈরী আবহাওয়া থাকলে ফেরিঘাটের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। খুলনা থেকে ট্রেনে ঢাকায় যেতেও প্রায় ১০ ঘণ্টা সময় লাগে। তিনি জানান, পদ্মা সেতু চালু হলে খুলনা থেকে বাসে ঢাকায় যেতে সময় লাগবে মাত্র চার ঘণ্টা। এর ফলে সময় কমার পাশাপাশি খুলনার মানুষের দুর্ভোগও কমে যাবে। এ ছাড়া খুলনা থেকে মাঝে মধ্যে গুর“তর রোগী অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়ার ক্ষেত্রে যে বিড়ম্বনা ছিল, তা আর থাকবে না।
আশরাফ উজ জামান বলেন, খুলনার বিভিন্ন উপজেলা থেকে সবজি ঢাকায় পাঠাতে অনেক দেরি হতো। অনেক সময় রাস্তায় ট্রাকেই সবজি নষ্ট হয়ে যেত। সেই সমস্যাও নিরসন হবে।
বিভিন্ন পরিবহন কাউন্টারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খুলনা থেকে বেশিরভাগ বাস এখন যশোর ও দৌলতদিয়া হয়ে ঢাকায় যায়। মাওয়া দিয়ে ঢাকায় যাওয়া বাসের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম।
খুলনা মোটর বাস মালিক সমিতির সভাপতি আবদুল গফফার বিশ্বাস জানান, পদ্মা সেতু চালু হলে খুলনার বেশিরভাগ মানুষই এই রুটে ঢাকায় যাওয়া-আসা করবে। সে কারণে মাওয়া রুটে বাসের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। দৌলতদিয়া হয়ে ঢাকা রুটে খুলনা থেকে বাসের সংখ্যা কমে যাবে।
মোংলা বন্দর সূত্রে জানা গেছে, সরাসরি সড়ক যোগাযোগ না থাকায় আগে মোংলা বন্দরের প্রতি রাজধানীর গার্মেন্টস মালিকরা আগ্রহী হতো না। এ ছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন পণ্য আমদানিকারকরাও চট্টগ্রাম বন্দরের প্রতি ঝুঁকত।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মুসা জানান, পদ্মা সেতু চালুর পর রাজধানীর সঙ্গে মোংলার দূরত্ব কমে যাবে, যোগাযোগ সহজ ও সময় সাশ্রয় হবে। তখন রাজধানীর আমদানি-রপ্তানিকারকরা এই বন্দরের প্রতি আগ্রহী হবে। মোংলা বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বাড়বে। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, পদ্মা সেতু চালুর পর মোংলা বন্দরে কাজের ক্ষেত্রে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সে জন্য এরই মধ্যে বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ক্রেনসহ আধুনিক বেশ কয়েকটি যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছে। নতুন করে জেটি তৈরি ও পশুর চ্যানেল ড্রেজিং করা হচ্ছে। ড্রেজিং সম্পন্ন হলে ৯ মিটার গভীরতার জাহাজ এই বন্দরের জেটি পর্যন্ত আসতে পারবে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০২০-২১ অর্থবছরে মোংলা বন্দরে বিদেশি জাহাজ আসে ৯৭০টি। চলতি অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত ৭৭৬টি জাহাজ এসেছে। শিগগিরই এই সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হবে বলে তাঁরা আশা করছেন।
মোংলা বন্দর ব্যবহারকারী সমন্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, পদ্মা সেতু চালুর পর মোংলা বন্দর আরও গতিশীল হলে খুলনা অঞ্চলের অর্থনীতিও গতিশীল হবে। মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।
বাংলাদেশ জুট অ্যাসোসিয়েশনের (বিজেএ) সভাপতি শেখ সৈয়দ আলী জানান, বর্তমানে তাঁরা কাঁচা পাট বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে বিদেশে রপ্তানি করেন। কিন্তু ফেরিঘাটের সমস্যার কারণে খুলনা থেকে কাঁচা পাট চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে প্রায় ৪৮ ঘণ্টা সময় লেগে যায়। পদ্মা সেতু চালু হলে সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি দুর্ভোগও কমবে।

বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি হুমায়ূন কবীর জানান, তাঁরাও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে খুলনা থেকে হিমায়িত চিংড়ি চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে বিদেশে রপ্তানি করেন। পদ্মা সেতু চালুর পর চট্টগ্রাম বন্দরে পাঠাতে আগের বিড়ম্বনাগুলো নিরসন হবে।

খুলনা চেম্বার অব কমার্সের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস জানান, পদ্মা সেতু চালুর পর খুলনা, মোংলা ও আশপাশের এলাকায় নতুন নতুন শিল্পকারখানা গড়ে উঠবে।

রূপসায় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আয়োজনে কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

//আ: রাজ্জাক শেখ//

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের  ৭৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদীর পক্ষ থেকে আইচগাতি  ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আয়োজনে রাতে মিলকী দেয়াড়া আমতলা খেয়াঘাট আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে আলোচনা সভা ও কেক কাটা অনুষ্টান অনুষ্ঠিত হয়।

রূপসায় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আয়োজনে কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য আলহাজ্ব  মো: শেখ আনিসুর রহমান মিঠু’র সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন রূপসা উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক  মাহমুদ খান রাসেল,  ৫নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মোঃ মিরাজ মল্লিক, আওয়ামী লীগ নেতা,পল্টু খান, শহিদুল ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ,রুহুল আমিন,আজাহার উদ্দিন,কুদ্দুস খান,মিজান মড়ল, যুবলীগ নেতা,মহিউদ্দিন খান প্রিতম,রাফু খান,শামিম,হাসান,শুকুর,নুরনবি,বাবু প্রমূখ।

খুলনার রূপসায় মীম হত্যায় আদালতে ২ আসামীর স্বীকারোক্তি

 //রূপসা প্রতিনিধি//

রূপসায় কিশোরী মীম হত্যার ঘটনায় আটক ২আসামী আদালতকে ১৬৪ ধারায়  স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করেছে।

তারা বলেছেন, পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে তাকে হত‍্যা করা হয়।

হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আসামী প্রেমিক হোসেন এবং রবিউল ইসলাম ঘটনার সাথে নিজেদের থাকার কথা স্বীকার করে ২২ জুন সন্ধ্যায় বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ নাজমুল কবিরের আদালতে জবানবন্দী দিয়েছেন।

তবে কি কারণে তাকে হত্যা করা হয় সে সম্পর্কে এখনও আসামীরা মুখ খুলছেনা।

মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই দীপক কুমার বিশ্বাস জানান, পুলিশের হাতে আটক আসামীদ্বয় এ জবানবন্দী প্রদান করেছে।

ধারণা করা হচ্ছে হত্যাকারীদের কোন গোপন রহস্য মীম জানতো অথবা কোন গোপন বিষয় দেখে ফেলেছিলো সেই কারণে তাকে  হত্যা করে লাশ গুম করার চেষ্টা করা হয়েছিল।

মামলার এজাহারের বাইরে আসামী রফিক মোল্লাকে ঘটনার পর পুলিশ আটক করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। ঘটনার সাথে রফিক মোল্লা এবং কাইয়ুম  কতটা সম্পৃক্ততা আছে তা উদঘাটনের জন্য  আসামীদ্বয়কে  জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। এখনো পর্যন্ত তার ফলাফল আসেনি।

থানা পুলিশের ওসি সরদার মোশাররফ হোসেন জানান,  লাশ উদ্ধারের পর পুলিশ তাৎক্ষনিকভাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এজাহারভুক্ত ৩ আসামীসহ পুলিশের তদন্তে আসা  রফিক মোল্লাকেও আটক করা হয়।

উল্লেখ্য গত ১৮ জুন সন্ধ্যায় গোয়ালবাড়ির চর গ্রামের সিরাজুল ইসলাম ওরফে মন্টু ফকিরের কন্যা কিশোরী মীমকে  গলায় ফাস দিয়ে হত‍্যা করে বাড়ি থেকে  প্রায় ৪ শত গজ দুরে একটি জঙ্গলে ফেলে রাখে। দুই দিন পর পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। এঘটনায় কিশোরীর পিতা বাদী হয়ে  থানায় মামলা দায়ের করেন। যার নং-১৬।

আসামী হোসেনের সাথে মীম এর দীর্ঘ দিন প্রেমের সম্পর্ক ছিল। যা এলাকাবাসী বলছে।

Daily World News

পদ্মা এই সেতুতে দৈনিক চলবে ৭৫ হাজার যানবাহন