খুলনার মুনজীর মাষ্টার হত্যায় ২ আসামির যাবজ্জীবন

খুলনার মুনজীর মাষ্টার হত্যায় ২ আসামির যাবজ্জীবন

খুলনা ব্যুরো :

দীর্ঘ ১৭ বছর পর শিক্ষক মুনজীর মাষ্টার হত্যা মামলা রায়ে ২ আসামি আনুয়ার ও আশ্রাফকে যাবজ্জীবন করাদন্ড ও ৫০ হাজার জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।

এ হত্যাকান্ডের বিস্ফোরক অংশে ওই দুই আসামিকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন-  খানজাহান আলী থানাধীন গিলাতলা কলোনীর মো. সরোয়ার হোসেন ওরফে সানোয়ারের ছেলে আনুয়ার হোসেন ও একই এলাকার মো. গোলাম জিলানী মল্লিকের ছেলে মো. আশ্রাফ আলী।

অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষ এ মামলার ৬ জন আসামির বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ প্রমান করতে না পারায় আদালত বাদশা শেখ, সোহেল, রুবেল, মেজবাহ উদ্দিন মুকুল, আহাদ ও একেন্দার ওরফে এসকেনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন।

আদালত সূত্র জানায়, ২০০৫ সালের ১২ সেপ্টেম্বর রাত ৮ টার দিকে মুনজীর মাষ্টার মাত্তমডাঙ্গা যুব সংঘের ভেতরে গিয়ে অন্যান্য সদস্যদের সাথে কথা বলতে থাকেন। রাত সোয়া ৯ টার দিকে প্রধান ফটক দিয়ে কয়েকজন সন্ত্রাসী যুব সংঘের ভেতরে প্রবেশ  তাকে লক্ষ্য করে বোমা নিক্ষেপ করেতাকে হত্যা করে। পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির কতিপয় নেতা মুনজীর মাষ্টারের কাছে চাঁদা দাবি করে। দাবিকৃত চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার ওপর ক্ষিপ্ত হয় পূর্ব বাংলার কিছু নেতা। তাকে হত্যার করারও হুমকি দেয় ওই নেতারা।

একই বছরের ১২ ডিসেম্বর বোমা ও ২০০৬ সালের ৩০ জুন মুনজীর মাষ্টার হত্যাকান্ডের ঘটনায় মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ১২ জন আসামির নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে দাউদ, মঈন ও নেয়ামুল ইসলাম কুটি ক্রসফায়ারে নিহত হয়। অপরদিকে এ মামলার অপর আসামি আরিফুর রহমানকে রাজনৈতিক বিবেচনায় মামলা থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *