ফেইসবুকের প্রেমের টানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যুবক তালতলীতে এসে আটক

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা//

ফেইসবুকে প্রেমের টানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে বরগুনার তালতলীতে এসে গ্রেফতার হয়েছেন আল আবির মৃধা।

ফেইসবুকে যোগাযোগ তারপর প্রেম সেই প্রেমের টানে প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার তুলাই শিমুল এলাকার মনিরুজ্জামান মৃধার পুত্র আল আবির মৃধা ছুটে আসেন বরগুনার তালতলীতে।এসে জানতে পারেন তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন ফেসবুকে যে নামের আইডির সাথে কথা বলছেন তিনি,সেই নামের নারী বিবাহিত এবং এ বিষয়ে ওই গৃহবধূ কিছুই জানে না।

আজ বুধবার (২৭ মার্চ) দুপুরে জিজ্ঞাসাবাদের পর আল আবিরকে মায়ের জিম্মায় দিয়ে দেওয়া হয়। এর আগে মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) দুপুরে উপজেলার নয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার কলেজ পড়ুয়া এক যুবকের সাথে বরগুনার তালতলী উপজেলার নায়াপাড়া এলাকার এক কিশোরীর (ফেইসবুক আইডি অনুসারে) সাথে ফেসবুকে পরিচয় হয়। আলাপের মাধ্যমে দুজনের মধ্যে বাড়তে থাকে ঘনিষ্ঠটা। এরপর প্রেমের টানে বান্ধবীকে এক নজর দেখতে ছুটে আসেন তালতলীতে।

ভুক্তভোগী প্রেমিক আল আবির মৃধা বলেন, ফেসবুকের একটি গ্রুপ থেকে আরিফা ইসলামের সাথে পরিচয় এর পর ফেসবুকের মেসেঞ্জার এর মাধ্যমে তার সাথে বেশ কয়েকবার কথা ও মেসেজে নিয়মিত যোগাযোগ হতো। তার ফেসবুক আইডির নাম ছিল (আরিফা ইসলাম) সে আমাকে আসতে বলেছে আমি এই এলাকায় এসেছি তার সাথে দেখা করতে। আমি এসে জানতে পারি ওটা একটি ফেক আইডি ছিলো। রাতে আমাকে আশ্রয় দিয়েছিলো স্থানীয়রা। পরের দিন সকালে পুলিশ আমাকে আটক করে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ সাগর বলেন,রাতে ওই ছেলে এই এলাকায় এসেছে তার প্রেমিকাকে দেখার জন্য। পরে আমরা বিষয়টি শুনে তাকে বলেছি, তিনি যে মেয়ের জন্য এসেছেন সেই মেয়ে বিবাহিত এবং এখানে থাকে না শ্বশুর বাড়ী থাকে।

ওই গৃহবধুর শ্বশুর আবুল মিয়া জানান, কে বা কারা ফেসবুকে আমার ছেলের স্ত্রীর ছবি নাম ব্যবহার করে ওই ছেলের সাথে কথা বলেছে। আমর ছেলের বউ এ ব্যাপারে কিছুই জানি না।

ভুক্তভোগী আল আবি মৃধার মা খোরশেদা বেগম বলেন, আমার ছেলের তালতলীতে এসে ফেসবুকে ফেইক আইডির প্রতারণা শিকার হয়েছে। আমি খবর শুনে এসেছি। আমার ছেলে সুস্থ ও স্বাভাবিক আছে আমার কোন অভিযোগ নেই।

তালতলী থানার (ওসি) শহিদুল ইসলাম খান জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলা থেকে এক যুবক এসেছেন তার প্রেমিকার সাথে দেখা করতে। এ নিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয়রা  বিষয়টি থানা পুলিশকে জানালে ঘটনাস্থল থেকে ওই যুবককে পুলিশি হেফাজতে থানায় নিয়ে আসা হয়। তিনি আরও জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া উপজেলার ওই যুবকের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। তার মা ও বোনের নিজ জিম্মায় আলআবি মৃধাকে দেওয়া হয়েছে। তাদের কোনো অভিযোগ নেই।

Daily World News

তরমুজ চাষে বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

তরমুজ চাষে বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা//

আবহাওয়া অনুকূল থাকায় বরগুনার আমতলী উপজেলায় তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে।তবে গত বছর অতি বৃষ্টি,ঝড়,জলোচ্ছ্বাসসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে তরমুজ চাষে লোকসান গুনতে হয়েছিল চাষিদের। তাই গত বছরের তুলনায় এ বছর আবাদ কম হয়েছে। এবার ফলন ভালো এবং দামও বেড়েছে ২ থেকে ৩ গুণ। ইতোমধ্যে  ক্ষেতের তরমুজ পরিপক্ক ও ভালো সাইজের হ‌ওয়ায় বিক্রি শুরু হয়েছে। বছরের শুরুতে বেশি দামে বিক্রি করতে পেরে খুশি কৃষকরা। তাই উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে বেশ লাভবান হবেন বলে জানান কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, আমতলী উপজেলায় ৪ হাজার ৫’শ ৯০ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। যা গতবছরের তুলনায় ১ হাজার ৭’শ ৫৫ হেক্টর কম।

সরেজমিনে বিভিন্ন খেত ঘুরে দেখা গেছে, গুলিশাখালী ইউনিয়নের আঙুলকাটা গ্রামের মিজানুর খাঁনের খেত থেকে তরমুজ সংগ্রহ করে ট্রাকে বোঝাই করা হচ্ছে। এসব তরমুজ নারায়ণগঞ্জে যাবে বলে জানান তরমুজ পাইকার সাইফুল।

মিজানুর খাঁন বলেন, সাত-আট বছর ধরে তরমুজ চাষ করছি। এবছর আগাম জাতের তরমুজ চাষ করেছি। মাশাল্লাহ এবছর ফলনও ভালো হয়েছে। গত বছর তরমুজ চাষ করে লোকসানে পড়তে হয়েছিল। এ বছর ছয় একর জমিতে তরমুজের আবাদ করেছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ভালো ফলন হয়েছে এবং বেশ লাভ হবে। ছয় একর জমিতে সাত লাখ টাকা খরচ হয়েছে। সার, কীটনাশকের দাম বেশি হওয়ায় খরচ একটু বেশি হয়েছে।

হলদীয়া ইউনিয়নের পূর্বচিলা ঘুঘুমারি গ্রামের শাহাবুদ্দিন হাওলাদার জানান, চলতি মৌসুমে তিনি ৩২ একর জমিতে তরমুজের আবাদ করেছেন। গত ১৫ বছর যাবত তিনি তরমুজ চাষ করে আসছেন। এ বছর অর্ধেকের কম জায়গার তরমুজ ইতোমধ্যে বিক্রি করেছেন ৫০ লাখ ২০ হাজার টাকায়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় তরমুজের সাইজ বড় হয়েছে বিধায় ভালো দাম পেয়েছেন। একেকটা তরমুজ ১৪/১৫ কেজি পর্যন্ত হয়েছে। বাকি যে তরমুজ খেতে আছে সেটার দাম কিছুটা নিম্নমুখী বলে জানান শাহাবুদ্দিন।এছাড়া ও একই গ্রামের শাহাবুদ্দিন ,রুহুল আমিন ,মিজানুর,দাদান আকন ,দুলাল চকিদার সবাই বেশ খুশি তরমুজের ভালো ফলনে।

আঠারগাছিয়া ইউনিয়নের সোনাখালী গ্রামের কৃষক জাহাঙ্গীর হাওলাদার বলেন, তরমুজ আবাদ করে গত বছর লোকসান গুনলেও এবার লাভের মুখ দেখবো। একই গ্রামের কৃষক হানিফ বলেন, গত বছর তরমুজ চাষ করে লোকসান গুনতে হয়েছে। স্ত্রীর গহনা বিক্রি করে ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছে। লোকসানের ভয়ে এ বছর তরমুজ আবাদ করিনী। গত বছর তিনি ১৮ লাখ টাকা ব্যয় করে ১৭ একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন। অতিবৃষ্টির কারণে সব তরমুজ ক্ষেতেই নষ্ট হয়ে গেছে। বিক্রি করে মাত্র এক লাখ টাকা পেয়েছিলেন। তিনি বলেন, এবার লোকসানের ভয়ে তরমুজ চাষ করিনি।

তবে,বাজারে তরমুজের দামে ক্ষুব্ধ স্থানীয় ক্রেতারা। মাঝারি সাইজের একটি তরমুজ ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা এবং বড় সাইজের একটি তরমুজ ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য তরমুজ কেনা অসম্ভব হয়ে উঠেছে। জসিম নামে এক ক্রেতা বলেন, রোজার সময় তরমুজের বেশ চাহিদা। তবে এবার তরমুজের যে দাম তাতে কিনে খাওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়। দাম কমলে পরিবারের সবাইকে নিয়ে খাব।

আড়তদার হারুন অর রশিদ বলেন, এ বছর বাজারে তরমুজ কম। আর যা আছে, তাও চলে যাচ্ছে বিভিন্ন জেলায়। কৃষকদের কাছ থেকেও কিনতে হচ্ছে বেশি দামে। কাজেই কম দামে তরমুজ বিক্রি করার সুযোগ নেই।

আমতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ঈছা বলেন, যেসব চাষি আগাম জাতের তরমুজ চাষ করেছেন, তারা  গত সপ্তাহ থেকে তরমুজ তুলতে শুরু করেছেন। দুই সপ্তাহ পর থেকে পুরোদমে তরমুজ তোলা শুরু হবে। তরমুজ চাষে খরচ কম লাভ বেশি। এ কারণে এখানকার কৃষকেরা তরমুজ চাষে আগ্রহী বেশি। কৃষি কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে কৃষকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন ও কৃষকদের বিভিন্ন সহায়তা করা হয় বলে জানান তিনি।

Daily World News

তালতলীতে ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদ আমতলী উপজেলা শাখার সন্মেলন অনুষ্ঠিত

রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত

পায়রায় বড়শীতে ধরা পড়লো বিশাল আকৃতির কোরাল মাছ

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার তালতলী সাগর মোহনার পায়রায় ধরা পরেছে সাড়ে আট কেজি ওজনের কোরাল মাছ।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে তিনটায় পায়রা নদীর তেতুলবাড়িয়া এলাকায় এ মাছটি ধরা পড়ে।

তালতলী উপজেলার ৬ নং নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের জেলে সাগর রাতের জোয়ারে পায়রা নদীতে মাছ ধরতে গেলে বড়শীতে ধরা পরে বিশাল আকৃতির কোরাল মাছটি। পরে তালতলী বাজারে জমাদ্দার ফিস আড়ৎ এ বিক্রি করতে আসলে খোলা ডাকে এক হাজার টাকা কেজি দরে স্হানীয় মাছ বাজারের মাছ ব্যবসায়ী আল আমিন হাওলাদার মাছটি বিক্রয়ের কিনে নেয়।

এ ব্যাপারে মাছ বিক্রেতা আল আমিন বলেন,নদীর বড়শীতে ধরা পরা মাছের দাম একটু বাড়তি হয়। এর কারণে হিসেবে বলেন,বড়শীর মাছ দীর্ঘক্ষণ সতেজ থাকে এবং ফ্রিজে রাখলেও গুনগত মান ভালো থাকে।আল আমিন মাছটি ক্রয়ের পরপরই ৮৮০০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন।

খুলনায় অভিভাবকদের অজান্তেই শিশু-কিশোররা কিশোর গ্যাংয়ে জড়িয়ে পড়ছে: জেলা প্রশাসক

//আঃ রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির  সভা  মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীনের সভাপতিত্বে তাঁর সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) সুশান্ত সরকার জানান, পিতামাতা ও অভিভাবকদের তাদের সন্তানদের প্রতি খেয়াল রাখার বিষয়ে যত্নশীল হওয়া উচিত। সন্তানরা কোথায় যায়, কাদের সাথে মেশে এ বিষয়টি নিয়মিত নজরদারি করা প্রয়োজন। অভিভাবকদের অজান্তেই শিশু-কিশোররা অনেক সময় কিশোর গ্যাং এর সাথে জড়িয়ে পড়ে। চুরির ঘটনা তদন্ত করতে গেলে দেখা যায়, চুরির পেছনে অনেক সময় মাদক ও জুয়ায় অর্থের যোগানের বিষয়টি জড়িত থাকে।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার রুবাইয়াত সানজিদ হোসেন সভায় জানান, নগরীর ফুটপাত থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ অভিযান চলমান রয়েছে। এছাড়া মাদক ও কিশোর গ্যাং এর বিরুদ্ধে অভিযান এবং তরুন-কিশোরদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক মোটিভেশনাল কার্যক্রম অব্যাহত আছে। নগরীতে যানজট নিয়ন্ত্রণে অবৈধ ইজিবাইক ও ইঞ্জিন চালিত রিক্সা বন্ধে পুলিশের গৃহীত উদ্যোগের ফলে নগরীর যানজট পরিস্থিতির বহুলাংশের উন্নতি হয়েছে। চুরি বন্ধে স্থাপনা সমূহে সিসি ক্যামেরা স্থাপন বিশেষ ভূমিকা পালন করতে পারে।

ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ শেখ মোহাম্মদ কামাল হোসেন সভায় জানান, অনেক সময় বিভিন্ন অসুখের জন্য সাধারণ মানুষ ওষুধের দোকান থেকে এন্টিবায়োটিকের মতো ওষুধ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কিনে নিজে নিজেই সেবন করেন। আবার অনেক সময় ওষুধের দোকনদাররাও ডাক্তার না হয়ে রোগীদের নানা ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করেন। এগুলো বন্ধে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া দরকার। দেশের মানুষের মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তিতে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো গুরুপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

সভায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার দপ্তরের উপপরিচালক মোঃ ইউসুপ আলী, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাজমুল হুসেইন খাঁন, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম নজরুল ইসলাম, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 সোনার সাইকেল !

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার স্বর্ণকার হিউ পাওয়ার। এই স্বর্ণকারের জীবনের উদ্দেশ্যই হলো বিলাসবহুল সোনার গহনা তৈরি করা। তবে পাওয়ার যে জিনিসটা নিয়ে গর্ব করেন সেটি হলো-পাহাড়ে চালানোর উপযোগী একটি সাইকেল।

২৪ ক্যারেটের খাঁটি সোনা দিয়ে এটি বানাতে তার খরচ হয়েছে চার কোটি টাকার মতো। আভিজাত্য বাড়াতে তিনি সাইকেলের চেইন, স্পোক ও পেডেলগুলোও মূল্যবান ধাতু দিয়ে মুড়িয়েছেন।

সব মিলিয়ে সাইকেলের দামটা সাধ্যাতীত মনে হলেও শিগগিরই এটি বেঁচে দিতে পারবেন বলে আশাবাদী তিনি।

বিভিন্ন লিঙ্গ// ট্রান্সজেন্ডার , হিজড়া, নন বাইনারি কারা? এলজিবিটিকিউআইএ+ দিয়ে কী বোঝায়?

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক //

ট্রান্সজেন্ডার, হিজড়া, নন বাইনারি এসব শব্দ দিয়ে কাদের বোঝায়? এলজিবিটিকিউআইএ+ দিয়েই বা কী বোঝানো হয়? সে বিষয়ে জানার আগে লিঙ্গ এবং জেন্ডারের পার্থক্য এবং এর সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা জানা প্রয়োজন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, লিঙ্গ বা সেক্স বলতে একজন মানুষের জৈবিক এবং শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যকে বোঝায়।

সাধারণত ক্রোমোজোম, ব্যক্তির প্রজনন অঙ্গ, হরমোনের ধরন প্রভৃতির ভিত্তিতে সেক্স নির্ধারিত হয়।

স্ত্রী লিঙ্গের শরীরে জরায়ু, এক্সএক্স ক্রোমোজোম এবং উচ্চ মাত্রায় এস্ট্রোজেন হরমোন থাকে। পুরুষ লিঙ্গের শরীরে জননাঙ্গ, এক্সওয়াই ক্রোমোজোম, উচ্চ মাত্রায় টেস্টোস্টেরন হরমোন থাকে।

এসবের প্রভাবে নারী পুরুষের বাহ্যিক গড়নেও ভিন্নতা দেখা দেয়।

অন্যদিকে, জেন্ডার বলতে ব্যক্তি নিজেকে মানসিকভাবে যে লিঙ্গের কাতারে অনুভব করে তা বোঝায়।

জেন্ডার কোনো ব্যক্তির লিঙ্গ বৈশিষ্ট্য দ্বারা নির্ধারিত হয় না। সে নিজেকে কী ভাবে সেটার ওপর নির্ভর করে।

জেন্ডার পরিচয় এবং যৌন অভিমুখিতা

জেন্ডার আইডেন্টিটি (জেন্ডার পরিচয়) এবং সেক্সুয়াল ওরিয়েন্টেশন (যৌন অভিমুখিতা) নিয়ে প্রায়শই বিভ্রান্তি দেখা দেয়।

হিউম্যান রাইটস ক্যাম্পেইনের তথ্য মতে, জেন্ডার আইডেন্টিটি হলো ব্যক্তি নিজেকে যে লিঙ্গের অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করেন এবং নিজেকে কী হিসেবে পরিচয় দেন। এটি তার লিঙ্গের সাথে মিলতে পারে আবার নাও মিলতে পারে।

সেক্সুয়াল ওরিয়েন্টেশন হলো ব্যক্তি কার প্রতি সহজাত, রোমান্টিক, যৌন আকর্ষণ বোধ করছেন। এটি একজন মানুষের খুব ব্যক্তিগত বিষয়।

জেন্ডার আইডেন্টিটি এবং সেক্সুয়াল ওরিয়েন্টেশন নানা ধরনের হয়ে থাকে।

সাধারণত পুরুষরা নারীর প্রতি এবং নারীরা পুরুষের প্রতি আকর্ষণ বোধ করেন। এই যৌন অভিমুখিতাকে স্ট্রেইট বা বাংলায় বিপরীতকামিতা বলা হয়। অর্থাৎ বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ।

‌আবার সমকামী অর্থাৎ লেসবিয়ান (নারীর প্রতি নারীর আকর্ষণ), গে (পুরুষের প্রতি পুরুষের আকর্ষণ), বাইসেক্সুয়াল বা উভকামী (নারী পুরুষ উভয়ের প্রতি যৌন আকর্ষণ) ইত্যাদিও বিভিন্ন ধরনের সেক্সুয়াল ওরিয়েন্টেশন।

সিসজেন্ডার

যখন কোনো ব্যক্তি যে লিঙ্গ নিয়ে জন্মেছে সে অনুযায়ী নিজের জেন্ডার ধারণ করেন, তখন তাকে সিসজেন্ডার বলা হয়।

অর্থাৎ, পুরুষাঙ্গ নিয়ে জন্মগ্রহণ করা ব্যক্তি যখন নিজেকে পুরুষ পরিচয়ে কিংবা নারীর যৌনাঙ্গ নিয়ে জন্ম নেয়া কেউ যদি নিজের পরিচয় নারী দেয় তাহলে তারা সিসজেন্ডারের অন্তর্ভুক্ত।

একে বাইনারি জেন্ডার পরিচয়ও বলা হয়।

জেন্ডার বাইনারি ধারণায় বিশ্বাস করা হয় যে বিশ্বে শুধুমাত্র দুটি জেন্ডার রয়েছে। একটি নারী এবং আরেকটি পুরুষ।

তবে বাস্তবে জেন্ডারের ধারণা আরও অনেক বিস্তৃত। একে স্পেকট্রাম বলা হয়। স্পেকট্রামের বাংলা অর্থ বর্ণালি বা অনেক রঙের পাশাপাশি অবস্থান।

এর মাধ্যমে বিভিন্ন জেন্ডারের মানুষদের সহঅবস্থানকে প্রতীকী হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

ট্রান্সজেন্ডার বা রূপান্তরিত লিঙ্গ

সিসজেন্ডারের ঠিক উল্টোটাই ট্রান্সজেন্ডার। অর্থাৎ কেউ যদি জন্মসূত্রে যে লিঙ্গ পেয়েছে তার পরিচয় না দিয়ে ভিন্ন পরিচয় দেয় তাহলে তাকে ট্রান্সজেন্ডার বলা হয়।

যেমন- ট্রান্সজেন্ডার নারী এমন একজন যিনি বর্তমানে নিজেকে নারী হিসাবে পরিচয় দিলেও তিনি জন্মেছেন পুরুষ লিঙ্গ নিয়ে।

তার মুখে দাড়ি, কণ্ঠ মোটা এং শারীরিক গড়ন পুরুষের মতো হলেও তিনি নিজেকে নারী পরিচয় দিয়ে থাকেন। কারণ পুরুষের লিঙ্গ ও বৈশিষ্ট্য থাকলেও তিনি নিজেকে পুরুষ মনে করেন না।

তারা নারীদের মতো বেশ ধরেন, আচার-আচরণ মেয়েলি হয়। এক কথায় পুরুষের কোনো বৈশিষ্ট্য তাদের মধ্যে পাওয়া যায় না।

একইভাবে ট্রান্সজেন্ডার পুরুষ এমন একজন যিনি বর্তমানে পুরুষ পরিচয় দিলেও তিনি জন্মেছেন নারীর লিঙ্গ নিয়ে।

তাদের শারীরিক গড়ন নারীদের মতো হলেও আচরণে কোনো নারীসুলভ বিষয় থাকে না।

ট্রান্সজেন্ডার নারী এবং ট্রান্সজেন্ডার পুরুষদের যৌন অভিমুখিতা, বিপরীতকামী, সমকামী, উভকামী হতে পারে।

ইন্টারসেক্স, হিজড়া, তৃতীয় লিঙ্গ

অন্যদিকে ইন্টারসেক্স বা উভলিঙ্গের মানুষদের জননাঙ্গ পুরুষ বা স্ত্রী লিঙ্গের চাইতে ভিন্ন হয়।

তাদের ক্রোমোজোম পুরুষ বা নারীর মতো থাকতে পারে তবে তাদের হরমোন ক্ষরণের মাত্রায় ভিন্নতা থাকতে দেখা গিয়েছে।

ইন্টারসেক্স মানুষ অনেক সময় ইন্টারসেক্স, ট্রান্সজেন্ডার, নন বাইনারি কিংবা বাইনারি অর্থাৎ নারী বা পুরুষ হিসেবে নিজের জেন্ডার পরিচয় দিতে পারে।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোয় ইন্টারসেক্স বা ট্রান্সজেন্ডারদের হিজড়া বলা হয়। হিজড়া হলো যারা পুরুষ হয়ে জন্ম নিলেও কিংবা পুরুষের মতো গড়ন হলেও তাদের আচার আচরণ নারীদের মতো।

দক্ষিণ এশিয়ায় এ ধরনের মানুষ আলাদা সম্প্রদায় করে থাকে। যারা সম্পূর্ণ আলাদাভাবে ভিন্ন সংস্কৃতিতে বেড়ে ওঠে।

বেশিরভাগ হিজড়ারা নিজেদেরকে তৃতীয় লিঙ্গ বলেও মনে করে।

নন বাইনারি বা জেন্ডার ফ্লুইড

নন বাইনারির মধ্যে বেশ কয়েকটি জেন্ডার পরিচয় রয়েছে। যেমন: জেন্ডার নিউট্রাল, জেন্ডার ফ্লুইড, জেন্ডার কুয়ের, জেন্ডার ডাইভার্স, এজেন্ডার, বাইজেন্ডার, প্যানজেন্ডার, জেন্ডার ফ্লাক্স, ওমনি জেন্ডার, ডেমি জেন্ডার ইত্যাদি।

তবে একটি দল হিসেবে তারা নিজেদের সাধারণত নন বাইনারি বলে উল্লেখ করে থাকে।

যদি কোনো ব্যক্তি মনে করেন যে তিনি পুরুষ কিংবা নারী কোনোটাই নয়, তখন তিনি নন-বাইনারি বা জেন্ডার নিউট্রাল হিসেবে পরিচিত হবেন।

তারা নিজেদেরকে কোনো জেন্ডার বাইনারির মধ্যে ফেলেন না অর্থাৎ তিনি নারী বা পুরুষ কোনো লিঙ্গেই নিজেকে পুরোপুরি বা আংশিক অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন না।

তাদের মতে, লিঙ্গ পরিচয়ের কোনো ধারণাই তাদের জন্য প্রয়োজ্য নয়।

জেন্ডার ফ্লুইড হলো যখন কোনো ব্যক্তি নিজেকে কোনো সুনির্দিষ্ট একটি জেন্ডারের অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করেন না কিংবা কোনো একটি লিঙ্গ পরিচয়ে নির্দিষ্ট থাকেন না।

জেন্ডার কুয়েরভুক্ত মানুষও জেন্ডারের কোনো ক্যাটাগরিকেই স্বীকার করেন না এবং তারা লিঙ্গ পরিচয়ের ক্ষেত্রে ফ্লুইডিটি বা পরিবর্তনশীলতাকে ধারণ করে।

জেন্ডার ফ্লুইড বা জেন্ডার কুয়েরভুক্তরা কখনও কখনও নিজেকে নারী, কখনও বা নিজেকে পুরুষ মনে করেন। কখনও নারী ও পুরুষ দুটোই মনে করেন। আবার কখনও কোনোটিই মনে করেন না।

অর্থাৎ অনেক সময় তারা একটি নির্দিষ্ট লিঙ্গের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেন না, লিঙ্গ পরিচয় সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হতে থাকে।

আবার একইসাথে নিজেকে সব লিঙ্গের অন্তর্ভুক্ত বলেও অনুভব করতে পারেন।

এর অর্থ হলো তারা পুরুষ এবং নারী উভয় লিঙ্গের অংশ কিংবা ভিন্ন লিঙ্গ বা কোনো লিঙ্গের নয় এমন অনুভব করে থাকে।

জেন্ডার নন কনফর্মিং

কোন ব্যক্তি যদি জেন্ডারের তথাকথিত গৎবাঁধা ধারণায় বিশ্বাসী না হন বা নির্দিষ্ট জেন্ডারের ভূমিকা মেনে না চলেন তাহলে তিনি জেন্ডার নন কনফর্মিং হতে পারেন।

এটি সেইসব মানুষদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় যারা তাদের জৈবিক লিঙ্গ অনুযায়ী আচরণ করেন না এবং তারা সুনির্দিষ্টভাবে কোনো ক্যাটাগরিতেও পড়েন না।

জেন্ডার নন কনফর্মিং মানুষেরা ট্রান্সজেন্ডার হতে পারে আবার নাও হতে পারে।

এলজিবিটিকিউআইএ রিসোর্স সেন্টারের মতে, এ ধরণের মানুষ লিঙ্গ পরিচয়ের পরিবর্তে লিঙ্গ অভিব্যক্তি বোঝাতে জেন্ডার নন কনফর্মিং শব্দটি ব্যবহার করে।

তারা সাধারণত এমন সব ‘পুরুষালি’ বা ‘মেয়েলি’ বেশভূষা এবং আচরণ বেছে নেয় যা সমাজ স্বীকৃত নয়।

অর্থাৎ জন্মের সময় নির্ধারিত নারী বা পুরুষ লিঙ্গের উপর ভিত্তি করে তাদের যেমন আচরণ বা বেশভূষা হওয়া উচিত সমাজ বা অন্য মানুষের সে সংক্রান্ত ধারণা তারা পরোয়া করে না।  সূত্র: বিবিসি

Daily World News

১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশর বিজয় দিবস হলেও মিরপুর স্বাধীন হয় ৪৫ দিন পর… ৩১জানুয়ারী, কেন…?

জর্ডানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা করা ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স কারা- ইরান বি জরিত…?

বিকাশ সরকারের ফ্যামিলিসহ হত্যা করল

যশোর নওয়াপাড়ার চালের বাজারে চলছে অস্থিরতা!

//মো: শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি//

 যশোরের শিল্প ও বাণিজ্য নগরী হিসাবে খ্যাত নওয়াপাড়ায় চালের বাজারে চলছে অস্থিরতা। গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে চালের দাম বেড়েছে ব্যাপক হারে। চালের বাজারে খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, শিল্প শহর নওয়াপাড়াতে রয়েছে ১৫ থেকে ২০টি বড় ধরণের আড়ৎ। এসব আড়তে চালের মজুদ রয়েছে পর্যাপ্ত। এছাড়া বাজারে ১০০ থেকে ১৫০টি রয়েছে খুচরা বেচাকেনার দোকান।

পাইকারি দোকানে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে চালের দাম বেড়েছে ব্যাপক হারে। যার মধ্যে মোটা চাল কেজি প্রতি বেড়েছে ৩টাকা। এই চালের দাম ছিল কেজি প্রতি ৪৪টাকা, বর্তমান দর ৪৭টাকা। স্বর্ণা চালের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ৪টাকা। স্বর্ণা চালের দাম ছিল ৪৪টাকা, বর্তমান বাজার দর ৪৮টাকা। বালাম চালের (২৮হিসেবে পরিচিত) দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ৫টাকা। বালাম চালের দাম ছিল ৪৭টাকা, বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৫২টাকায়। বাসমতি চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ২টাকা। বাসমতি চালের দাম ছিল ৬৮টাকা, বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৭০টাকায়। মিনিকেট চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৬টাকা। মিনিকেট চালের কেজিপ্রতি দাম ছিল ৫২টাকা, বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৫৮টাকায়। বাজারে চালের দাম বাড়ার বিষয়ে মুখ খুলতে চাচ্ছেন না আড়তদাররা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন চাল ব্যবসায়ী জানান, নওয়াপাড়া শহরে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় যশোরের শার্শার মেসার্স গোল্ড অটো রাইচ মিলের উৎপাদিত চাল। এই মিল থেকে নওয়াপাড়ার চারজন আড়তদার মেসার্স সুশান্ত কৃষ্ণ রায়, মেসার্স সমীর সাহা অ্যান্ড ব্রাদার্স, মেসার্স কল্পনা টেডার্স এবং মেসার্স বাচ্চু অ্যান্ড ব্রাদার্স সব ধরণের বিপুল পরিমাণ চাল কিনে তা বাজারে বিক্রি করে আসছেন। জানাগেছে,এই চার আড়তদারদের মাঝে সরাসরি মেসার্স গোল্ড অটো রাইচ মিল থেকে নিজ খরচে (যাতায়াত খরচ) চাল সরবরাহ করা হয়। অপরদিকে বাজারের অন্য ব্যবসায়ীরা মিল রেটে শার্শার ওই গোল্ড অটো রাইচ মিল থেকে চাল কিনে আনতে হয়।

যার কারণে এই চারটি আড়ৎ থেকে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা চড়া দামে চাল কিনে তা ক্রেতাদের মাঝে সরবরাহ করে থাকেন। এককভাবে এই চারটি প্রতিষ্ঠানের আড়তদারগণ আড়তে পর্যাপ্ত পরিমাণ চাল মজুদ করেএকচেটিয়াভাবে চালের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। অপর একজন চাল ব্যবসায়ী জানান, একটি ট্রাকে ৮০০বস্তা চাল কিনে আনতে সব ব্যবসায়ী পারেন না,

তাই এই চারজন আড়তদার ট্রাক ভর্তি করে মেসার্স গোল্ড অটো রাইচ মিল থেকে চাল এনে তা বাজারে সরবরাহ করছেন দেদারছে। তিনি আরও জানান, নওয়াপাড়া শহরের বেশ কয়েকজন ব্যক্তি এবং কিছু অসাধু ব্যবসায়ী চালের দাম কম থাকার সময়ে বিপুল পরিমাণ চাল কম দামে কিনে অবৈধভাবে নিজ বাড়িতে বা গুদামে মজুদ করে রাখেন। যার ফলে অনেক সময় বাজারে চালের সংকট দেখা দেয়। চালের দাম বাড়ার কারণ কী? জানতে চাইলে একজন চাল ব্যবসায়ী জানান, মেমো দেখে চাল বেচাকেনা করি।

বেশি দামে কেনার ফলে বেশি দামে বিক্রি করি। দাম বাড়ার বিষয়টি তিনি কৌশলে এড়িয়ে যান। বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে মোটা ও স্বর্ণা চালের বেচাকেনা হয় সবচেয়ে বেশি।

দু:স্থ ও গরীব পেশার মানুষেরা এই চাল কেনেন বেশি। চালের দাম বেশি হওয়ায় গরীব শ্রেণির মানুষ চাল কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন। বাজারে চালের দাম বাড়ার বিষয়ে আড়তদার মেসার্স সমীর সাহা অ্যান্ড ব্রাদার্সের মালিক সমীর সাহা জানান, বাজারে ধানের দাম বাড়তি, সেই তুলনায় চালের দামতো কম। অপর আড়তদার মেসার্স সুশান্ত কৃষ্ণ রায়ের মালিক সুশান্ত কৃষ্ণ রায় জানান, মিল থেকে যেভাবে কেনা, সেভাবেই বিক্রি করছি।

তবে চালের দাম কমের দিকে যাচ্ছে। বাজারে চাল কিনতে আসা ধোপাদি গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম বাচ্চু জানান, চালের দাম বাড়ার বিষয়টি সরকারি প্রশাসনের খতিয়ে দেখা উচিৎ। তাছাড়া চালের বাজারে নজরদারি বাড়িয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়ে অসাধু ব্যক্তি এবং ব্যবসায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানান তিনি।

Daily World News

জর্ডানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা করা ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স কারা- ইরান বি জরিত…?

বিকাশ সরকারের ফ্যামিলিসহ হত্যা করল

সেতু নির্মাণে স্পেন প্রতিনিধি দলের সাথে সালাম মূর্শেদী এমপির বৈঠক

পছন্দের রং  থেকে জেনে আপনি বা সে কোন প্রকৃতির মানুষ

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক //

কিছুদিন আগে আপনার পছন্দের রং ছিল হলুদ। এরপর আপনার পছন্দের রং হয়ে গেল ধূসর। আর এখন কালো। তবে সাদা আর সবুজও ভালো লাগে। একজন কালার সাইকোলজিস্ট কেবল এটুকু তথ্য থেকেই আপনার সম্পর্কে অনেক কিছু বলে দিতে পারবেন। কেননা, রঙের সঙ্গে মানুষের ব্যক্তিত্বের গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

রঙের মনস্তত্ব

সময়ের সঙ্গে ক্রমে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে কালার সাইকোলজি বা রং–মনস্তত্ব। এর সারমর্ম হলো—আপনার পছন্দের রং থেকে আপনার ব্যক্তিত্ব সম্বন্ধে ধারণা করা যায়।

মনস্তাত্ত্বিকরাও মতপ্রকাশ করেছেন, রং দিয়ে যায় চেনা। রং নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা ও জরিপের ভেতর দিয়ে রঙের এই মনস্তত্ত্বের ধারণা হয়েছে আরও স্বচ্ছ। প্রতিটি রঙের রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্য। তাই প্রতিটি রং আমাদের মস্তিষ্কে ভিন্ন উদ্দীপনা আর অনুভূতি সৃষ্টি করে। বড় পর্দার চরিত্রগুলোর কস্টিউম ডিজাইনে পোশাকের রং দিয়ে ব্যক্তির চরিত্র নির্মাণ করা হয়। মিসর ও চীনে চিকিৎসার জন্য রং ব্যবহার করা হতো, যাকে আজকের যুগে বলা হয় ‘ক্রোমোথেরাপি’।

ভেরি ওয়েল মাইন্ড ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ২০২০ সালের একটা গবেষণার উল্লেখ আছে। ৩০টি দেশের ৪ হাজার ৫৯৮ জনের ওপর একটা জরিপ পরিচালনা করে রঙের সঙ্গে ব্যক্তিত্বের সম্পর্ক নিয়ে কিছু সিদ্ধান্তে আসেন গবেষকেরা। এই যেমন, ৫১ শতাংশ মানুষ মনে করেন, শোকের সঙ্গে কালোর সংযোগ আছে। সাদা হলো উপশম, মুক্তি, শান্তির রং। নীলও প্রশান্তিদায়ক।

৫২ শতাংশ মানুষ মনে করেন, হলুদ আশা আর আনন্দের রং। ৬৮ শতাংশ মানুষ মনে করেন, লালের সঙ্গে ভালোবাসার গভীর সংযোগ রয়েছে। ৩৪ শতাংশ ‘ভোট’ পেয়ে এরপরের ভালোবাসার রং হলো গোলাপি। এদিকে জরিপে অংশ নেওয়া ৩৬ শতাংশ জানিয়েছেন, বাদামি রং বিরক্তিকর!

কালার সাইকোলজি বা রঙের মনস্তত্ত্বের একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, রঙের সঙ্গে ব্যক্তিত্বের সম্পর্ক। রং কীভাবে মানুষের মেজাজ, আবেগ, অনুভূতির ওপর প্রভাব বিস্তার করে, এ ব্যাপারে দীর্ঘকাল ধরেই গবেষণা করে আসছেন শিল্পী, স্থপতি আর মনস্তাত্ত্বিকেরা।

এটা ঠিক যেকোনো ব্যক্তির ওপর রঙের প্রভাবটা অনেকটা ব্যক্তিগত ও এই ব্যক্তির পরিবেশের সঙ্গেও সম্পর্কিত; অর্থাৎ সব রঙের প্রভাব সবার ওপর সমান নয়। এই যেমন পশ্চিমা বিশ্বে সাদা উৎসবের রং। বিয়ের পোশাক সাধারণত সাদা বা সাদার বিভিন্ন শেড, যেমন অফ হোয়াইট, আইস হোয়াইট-জাতীয় রঙের হয়। দক্ষিণ এশিয়ায় সাদা আর কালো উভয়ই শোকের রং হিসেবে জনপ্রিয়।

সাধারণভাবে কোন রঙের কেমন প্রভাব, জেনে নিন

প্রশান্তির নীল

নারী-পুরুষ উভয়ের পছন্দের তালিকার শীর্ষে নীল। ৫৭ শতাংশ পুরুষ আর ৩৫ শতাংশ নারীর পছন্দের শীর্ষে রয়েছে এই রং। সাধারণত শান্ত প্রকৃতির, শান্তিপ্রিয় মানুষদের প্রিয় রঙের তালিকায় প্রথমেই থাকে নীল। নীল রং যাঁদের পছন্দ, তাঁরা খুব সহজেই কোনো কিছুতে বিশ্বাস করেন। আর সহজে বিশ্বাস হারান না। আবার আকাশের রং নীল হওয়ায় সমুদ্রেও এই রঙের আভা পাওয়া যায়। ফলে যাঁদের নীল রং প্রিয়, তাঁরা সহজেই একাত্মতা ও শান্তি খুঁজে নিতে পারেন।

তাঁরা সাধারণত বিশ্বাসী হন। যেকোনো মানুষের বিশ্বাস অর্জনে তাঁদের তেমন বেগ পেতে হয় না। অন্যদিকে তাঁদের চিন্তার গভীরতাটাও সমুদ্রের মতো।

আপনার প্রিয় রং কি লাল?

যাঁদের প্রিয় রং লাল, তাঁরা সাহসী, দৃঢ় ও আত্মবিশ্বাসী হন। তাঁরা গভীরভাবে ভালোবাসতে জানেন। যাঁদের পছন্দের রং লাল, তাঁরা দ্রুত অন্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন, আবেদনময়ী ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী।

গোলাপি’ মন যাঁদের…

যাঁদের প্রিয় রং গোলাপি, তাঁরা মানুষ হিসেবে আবেগপ্রবণ, নরম প্রকৃতির হন। সংবেদনশীল, কল্পনাপ্রবণ, শিশুতোষ মনের অধিকারী। তাঁরাও ভালোবাসতে ভালোবাসেন। উচ্চাকাঙ্ক্ষী বা বৈষয়িক নন। জীবনের জয়-পরাজয় নিয়ে বিশেষ ভাবেন না। বাস্তবের দুনিয়া থেকে পালিয়ে তাঁরা বরং গোলাপির আড়ালে পালিয়ে বাঁচতে চান।

সবুজ আর নিরাপত্তা অনেকটা সমার্থক 

আপনার প্রিয় রং যদি সবুজ হয়, এর মানে আপনি ‘সেফ গেম’ খেলার ওস্তাদ। জীবনে স্থিরতা, নিরাপত্তাই আপনাদের প্রথম চাওয়া। ‘সেফ জোন’ থেকে বের হতে চান না। সম্পর্ক, বিনিয়োগ ও সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে সব সময় নিরাপত্তা খোঁজেন। অনেকে আবার হন প্রকৃতিপ্রেমী। সবুজপ্রেমীরা নিজেদের সামাজিক ইমেজ নিয়েও বেশ সচেতন।

শুভ্রতার প্রতীক সাদা

সাদা যাঁদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে, তাঁরা সাধারণত সহজ, সরল, নির্ভেজাল মানুষ। তাঁরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা পছন্দ করেন।

কালো আভিজাত্যের প্রতীক

সময়ের সঙ্গে পছন্দের রং হিসেবে জনপ্রিয়তা বাড়ছে কালোর। এর পেছনে রয়েছে কালোর অভিজাত লুক। কালো রং যাঁদের পছন্দ, তাঁরা আরও ক্ষমতা চান, চান সবকিছুতে নিজের নিয়ন্ত্রণ। অনেকে অন্তর্মুখী। নিজেকে কালোর ভেতরে আড়াল করতে চান। নিজেকে রহস্যময় ব্যক্তিত্বের অধিকারী হিসেবে উপস্থাপন করতে চান। অনেকে আবার ভোগেন ‘সুপিরিওরিটি কমপ্লেক্সে’।

আশাবাদীদের পছন্দের রং হলুদ

আশাবাদী মানুষদের প্রিয় তিন রঙের একটি হলুদ। নিজেদের নিয়ে সব সময় খুশি থাকতে ভালোবাসেন তাঁরা। অন্যের মনোযোগ পেতে চান। হুটহাট বড় সিদ্ধান্ত নেন।

কমলা রং যাঁদের পছন্দ

তাঁরা সাধারণত বন্ধুত্বপূর্ণ, রোমাঞ্চপ্রিয় আর কিছুটা নাটুকে প্রকৃতির হন। তাঁদের কাছে সম্পর্কের মূল্য কম। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার চেয়ে বরং এক সম্পর্ক থেকে আরেক সম্পর্কে সুইচ করতে অধিক আগ্রহী। ‘মিলেনিয়াল’ (যাঁদের জন্ম ১৯৮১ থেকে ১৯৯৭ সালের মধ্যে) ও  ‘জেন জি’য়ের (যাঁদের জন্ম ১৯৯৮ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে) কল্যাণে কমলা এখন ফ্যাশনের ট্রেন্ডে!

নারীদের পছন্দ বেগুনি

নীলের পর নারীদের অন্যতম পছন্দের রং বেগুনি। যাঁরা বেগুনি রঙ ভালোবাসেন তাঁরা আবেগপ্রবণ আর অনুভূতিশীল হন। স্বাধীনচেতা। তাঁদের অনেকে আবার ‘সুপিরিওরিটি কমপ্লেক্সে’ ভোগেন।

মরে যাচ্ছে ভৈরব নদ / হুমকির মুখে পড়বে নওয়াপাড়া নদীবন্দর/ কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাবে সরকার/ পথে বসবে ব্যবসায়ীরা/ বেকার হবে লাখো মানুষ

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি//

দক্ষিণাঞ্চলের ব্যস্ততম শিল্প ও বাণিজ্য নগরী নওয়াপাড়া বন্দরের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই শঙ্কার মূল-কারণ হলো ভৈরব নদ। নদের তলদেশে ক্রমে ক্রমে পলি জমে ভরাট হয়ে আসছে। দুই তীরেই চর জাগতে শুরু করেছে। অপরিকল্পিত ব্রীজ নির্মাণ ও ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা অবৈধভাবে দখল হওয়ায় এ ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্য মূল দায়ী বলে সচেতন মহল ও নদী বন্দর কর্তৃপক্ষ দাবি করছেন।

মরে যাচ্ছে ভৈরব নদ / হুমকির মুখে পড়বে নওয়াপাড়া নদীবন্দর/ কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাবে সরকার/ পথে বসবে ব্যবসায়ীরা/ বেকার হবে লাখো মানুষ

এছাড়া অব্যাহত দখল ও দূষণ অপরিকল্পিত ড্রেজিং অপরিকল্পিত ঘাট নির্মাণের কারণে থমকে যাচ্ছে নদীর স্বাভাবিক স্রোত ধারা অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে অচিরেই পায়ে হেঁটে পার হওয়া যাবে নাওয়াপাড়ার এই ভৈরব নদের উপর দিয়ে,তেমনটি ঘটলে অকার্যকর হয়ে পড়বে নওয়াপাড়া নদীবন্দর। বেকার হয়ে পড়বে হাজার হাজার হ্যান্ডলিং শ্রমিকসহ লাখো মানুষ। পথে বসবে শতশত ব্যবসায়ী। কেবল হ্যান্ডলিং শ্রমিক ও ব্যবসায়ী নয়,পরোক্ষভাবে নদীবন্দরের সঙ্গে যুক্ত মোটর শ্রমিক ও ব্রোকার্স ইউনিয়নের শ্রমিকেরাও চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। সেই সাথে নদী বন্দর অচল হলে সরকার হারাবে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব।

এসব আশঙ্কা থেকে ভৈরব নদ বাঁচাতে কার্যকর ভূূমিকা গ্রহণের দাবি উঠেছে। যদিও বছরের পর বছর ধরে এ দাবীতে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রাম চললেও অজ্ঞাত কারণে তা মাঝপথে গিয়ে থেমে যায়। পাশাপাশি অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধেও অদ্যোবধি কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় হতাশ হয়ে পড়েছে স্থানীয় সচেতন মহল। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নওয়াপাড়া নদীবন্দরের ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় অর্ধকিলোমিটার জুড়ে নদীর দুই-তৃতীয়ংশে চর জমে ভরাট হয়ে গেছে। এছাড়াও নদীবন্দরের নওয়াপাড়া জুট মিল সংলগ্ন এলাকা, বেঙ্গল খেয়াঘাট থেকে নওয়াপাড়া গ্লোবঘাট, তালতলা ঘাটসংলগ্ন এলাকায় অধিক পলি জমে ভরাট হয়ে গেছে। ফলে নদীতে ছোট বড় কার্গো- জাহাজ চলাচলে চরম বিড়ম্বনা দেখা দিয়েছে। বিআই, ডব্লিউটিএ সূত্র জানায়, গত ২০২১ সালের ২৪ জুলাই থেকে বিআই, ডব্লিউটিএ প্রকৌশল (সংস্কার) বিভাগের আওতায় ভৈরব নদ সংস্কার তথা ড্রেজিং শুরু হয়। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ এই ড্রেজিংয়ে বন্দরের তেমন কোনো উপকার হয়নি।

নওয়াপাড়া হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ফাল্গুন মন্ডল বলেন, ভৈরব নদ ঘিরে হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন, মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন ও ব্রোকার্স ইউনিয়নের ৪০ হাজারের অধিক শ্রমিক ও তাদের পরিবার প্রত্যক্ষভাবে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। তাছাড়া রয়েছে নদ নির্ভর শতশত ব্যবসায়ী ও তাদের পরিরার কিন্তু বিআই, ডব্লিউটিএ(BIWTA) বন্দরের ক্ষেত্রে বরাবরই চরম উদাসীনতার পরিচয় দিয়ে আসছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। যদিও বিআই, ডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ বরাবরই দাবি করে আসছে, অপরিকল্পিত ব্রিজ নির্মাণের কারণে বেহাল দশায় পড়েছে ভৈরব নদ। তাছাড়া বন্দর এলাকায় ড্রেজিং করে মাটি বালু ফেলার জায়গা সংকটে বিড়ম্বনা পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় ব্যাপকহারে চর জাগলেও মাটি বালু ফেলার জায়গা না পাওয়ায় ড্রেজিং সম্পন্ন করা যাচ্ছেনা। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান নোয়াপাড়া গ্রুপের সেলস্ অ্যান্ড মার্কেটিং হেড মিজানুর রহমান জনি বলেন, নদীর তলদেশ পলি জমে ভরাট হয়ে আসছে। দু’তীরেই চর জাগতে শুরু করেছে। শিল্প-বাণিজ্য ও বন্দর নগরীর স্পন্দন ভৈরব নদের প্রাণ যায় যায় অবস্থা। খননটা যদি বন্দরের মতো করে উপযোগী করে তৈরি করা না হয়‌ তাহলে এ মোকামে ব্যবসা-বাণিজ্য হুমকির মুখে পড়বে। নওয়াপাড়া সার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুল গণি সরদার বলেন, এই মোকামে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পণ্য নিয়ে প্রতিদিন ছোট বড় অনেক জাহাজ আসে।

নদে সার, গম, ভূট্টা, সিমেন্ট, ভূষিমাল ও কয়লা নিয়ে জাহাজ নোঙর করে। ড্রেজার আছে, কিন্তু তারা যে কী করেন তা সার ব্যবসায়ী সমিতির দৃষ্টিতে নেই। ঠিকমতো ড্রেজিং না হওয়ায় এই বন্দরের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই ভৈরব নদকে রক্ষার দাবী জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন শিল্প ও বাণিজ্যিক নগরীর ন‌ওয়াপাড়ার লাখ লাখ মানুষ ।

শুভ সকাল আজকের রাশিফল// বুধবার

//দৈনিক বিশ্ব//

অর্থ, প্রেম, যশ- কেমন কাটবে আপনার আজকের দিন? রইল আপনার দৈনিক রাশিফল। এক নজরে দেখে নিন এই প্রতিবেদনে ।

মেষ– শত্রুর কোপ থেকে মুক্তিলাভ। ধর্মীয় কাজে দান করতে হতে পারে। পারিবারিক বিরোধ অনেক দূর পর্যন্ত যাবে। সকালের দিকে কোনও ক্ষতি হতে পারে। ব্যবসার নিয়ে চিন্তা বৃদ্ধি। বন্ধুদের কাছ থেকে সাহায্য পেতে পারেন। পেটের কষ্ট থাকবে। কর্মচারীর জন্য ব্যবসা বাড়ানোর সুযোগ আসতে পারে। অতিরিক্ত হঠকারিতার জন্য শরীরে আঘাত লাগতে পারে। পাওনা আদায় নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

বৃষ – কীটপতঙ্গ থেকে একটু সাবধান থাকুন। সংসারে ব্যয়সঙ্কোচ করার ব্যাপারে আলোচনা। শত্রুর কারণে মনে ভয় বাড়তে পারে। ব্যবসার ক্ষেত্রে বুদ্ধির পরিচয় দিতে হবে। কোনও নামী সংস্থায় কাজের ব্যাপারে আলোচনা। ক্রোধ সম্বরণ করতে হবে। সম্পত্তির ব্যাপারে মা-বাবার সঙ্গে বিবাদ। আইনি কাজের জন্য খরচ বৃদ্ধি পাবে। বাড়ির বাইরে কারও সঙ্গে বিবাদ হতে পারে। কর্মস্থানে আপনাকে কারও কথামতো চলতে হতে পারে। আত্মীয়দের কাছ থেকে আপনি তেমন কোনও সাহায্য পাবেন না। বেশি কথা বলায় সংসারে বিবাদ হতে পারে। সন্তানদের সঙ্গে বিশেষ আলোচনা হতে পারে।

মিথুন- সকালের দিকে শরীরে আঘাত লাগতে পারে। প্রেমের ব্যাপারে শান্তি পেতে পারেন। চিকিৎসার জন্য খরচ বৃদ্ধি পাবে। সন্তানের লেখাপড়া নিয়ে চিন্তা বৃদ্ধি পেতে পারে। পেটের সমস্যা হতে পারে। বন্ধুদের কাছ থেকে ভালবাসা পেতে পারেন। ব্যবসায় ক্ষতি নিয়ে চিন্তা বাড়বে। বাড়তি খরচের জন্য স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ হতে পারে। বুদ্ধিভ্রংশ হতে পারে। পিতার শরীর নিয়ে চিন্তা বৃদ্ধি পেতে পারে। লোকে দুর্বলতার সুযোগ নিতে পারে।

কর্কট – কোনও আশা ভঙ্গ হতে পারে। দূরে কোথাও ভ্রমণের আলোচনা হতে পারে। সামাজিক কাজের জন্য সুনাম বাড়তে পারে। উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশযাত্রার যোগ। কোনও আত্মীয়ের জন্য দুশ্চিন্তা। কর্মস্থানে অশান্তি বৃদ্ধি পাবে। একা থাকতে ভাল লাগবে। জমি-বাড়ি কেনার প্রস্তাব আসতে পারে। সংসারে অতিথির কারণে ব্যয় বাড়তে পারে। কাউকে কটুকথা বলার জন্য অনুতাপ হতে পারে। লিভারের সমস্যা বাড়তে পারে। ব্যবসায় ভাল সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার সম্ভাবনা।

সিংহ – অতিরিক্ত কথা বলার জন্য বাড়িতে বিবাদ। শরীরে কষ্ট বাড়তে পারে। ব্যবসায় শুভ পরিবর্তনের যোগ। কোনও আত্মীয়ের বাড়িতে ভ্রমণ হতে পারে। প্রেমে আঘাত পেতে পারেন। খেলাধুলায় সাফল্য আসতে পারে। বিবাহের শুভ যোগাযোগ হতে পারে। ব্যবসায় আয় বৃদ্ধি পাবে। বাড়তি খরচের জন্য চিন্তা বাড়তে পারে। শেয়ারে বিনিয়োগের ব্যাপারে সাবধান থাকুন। পড়াশোনার জন্য সুনাম পেতে পারেন। প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিবাদে না যাওয়াই ভাল হবে। সন্তানের জন্য বাড়তি খরচ হতে পারে।

কন্যা – প্রেমে বিরহ দেখা দিতে পারে। বন্ধুদের কাছ থেকে সাহায্য পাবেন। ব্যবসায় কারও সঙ্গে বিবাদ হতে পারে। সম্পত্তির ব্যাপারে অশান্তি হতে পারে। সন্তানদের নিয়ে অশান্তি হতে পারে। রক্তচাপ বাড়তে পারে। পূজাপাঠের জন্য খরচ বাড়তে পারে। অর্থকষ্ট বাড়তে পারে। সংসারের জন্য অনেক করেও বদনাম হতে পারে। মাথার যন্ত্রণা হতে পারে। স্ত্রীর সঙ্গে তর্ক হতে পারে।

তুলা – মনের মতো পরিবেশ পেতে পারেন। দাম্পত্য জীবন ভাল কাটতে পারে। কর্মস্থানের পরিবর্তন হতে পারে। বাড়তি খরচের যোগ। বন্ধুদের নিয়ে বাড়িতে অশান্তি হতে পারে। বাড়িতে কোনও খারাপ খবর আসার সম্ভাবনা। মাথার যন্ত্রণা হতে পারে। দুপুরের পরে কারও প্রতি আপনার ব্যবহার খারাপ হতে পারে। ব্যবসায় বাড়তি লাভের আশা না করাই ভাল হবে। প্রিয়জনের কাছ থেকে আঘাত পেতে পারেন। বন্ধুদের সঙ্গে অর্থব্যয়। বাড়তি কথা অশান্তি ডেকে আনতে পারে।

বৃশ্চিক – সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলুন। ব্যবসায় ভাল লাভের সময়। বন্ধুদের দিক থেকে খারাপ কিছু ঘটতে পারে। স্ত্রীর সঙ্গে তর্ক হওয়ায় ক্ষতি হতে পারে। বাড়তি খরচের জন্য গুরুজনের সঙ্গে অশান্তি। ব্যবসার কাজে চাপ বৃদ্ধি। প্রেমে আঘাত পেতে পারেন। সন্তানের জন্য খরচ বাড়তে পারে। অতিরিক্ত পরিশ্রমে ক্রোধ বৃদ্ধি পেতে পারে। প্রতিবেশীরা আপনাকে সাহায্যের জন্য ডাকতে পারেন। বন্ধুদের জন্য কর্মে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। পারিবারিক ভ্রমণের সম্ভাবনা।

ধনু – জেদের কারণে কোনও ক্ষতি হতে পারে। সম্পত্তির ব্যাপারে কোনও আত্মীয়ের সঙ্গে বিবাদ হতে পারে। পশুপাখি নিয়ে আনন্দ পেতে পারেন। ব্যয় বাড়তে পারে। ব্যবসায় ভাল সুযোগ কাজে লাগান। চিকিৎসার জন্য খরচ ও চিন্তা বৃদ্ধি। শরীরের ক্ষমতা অনুযায়ী কাজ করুন। সংসারে ঝামেলার জন্য পরিবেশ আয়ত্তে থাকবে না। নতুন কাজের যোগাযোগ হতে পারে। মাথার যন্ত্রণা বৃদ্ধি।

মকর – অভিনয়ের প্রতি অনুরাগ বাড়তে পারে। আয়ের দিক দিয়ে দিনটি ভাল। বন্ধুদের জন্য কোনও শুভকাজ সম্ভব হবে। ব্যবসায় নতুন ব্যবস্থা নিতে হতে পারে। কারও চিকিৎসার জন্য খরচ বৃদ্ধি পাবে। চাকরির স্থানে তর্ক হতে পারে। ব্যবসার ব্যাপারে চিন্তা কমবে। প্রেমের জন্য বাড়িতে বিবাদ। আর্থিক চাপ বাড়তে পারে। নিজের বুদ্ধির অপপ্রয়োগ না করলে সাফল্য লাভ করবেন। কর্মক্ষেত্রে আপনাকে প্রচুর হিংসার মুখে পড়তে হবে। বিজ্ঞানচর্চার জন্য উপযুক্ত সময়।

কুম্ভ – শুভ কাজে বাধা পাওয়ায় মনঃকষ্ট। নতুন চাকরির জন্য চেষ্টা করতে পারেন। সন্তানের ব্যাপারে চাপ বাড়তে পারে। পেটের কষ্ট বাড়তে পারে। কাজের সুফল পেতে পারেন। বাড়িতে কোনও ভুল কাজ করার জন্য অনুতাপ। ধর্ম নিয়ে আসক্তি বাড়তে পারে। ব্যবসায় ফল মধ্যম। পরিশ্রম হবে প্রচুর। বাইরের লোকের জন্য স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি হতে পারে। প্রেমের ব্যাপারে চাপ বৃদ্ধি।

মীন – রাজনীতির লোকেদের জন্য ভাল খবর আসতে পারে। সারা দিন ব্যস্ত থাকতে হবে। অযথা অশান্তি ঘটতে পারে। প্রিয়জনের জন্য মনঃকষ্ট। বাড়তি খরচের ব্যাপারে চিন্তা বাড়তে পারে। অতিরিক্ত কথা বলার জন্য কর্মস্থানে বিবাদ। ব্যবসায় লোকের সঙ্গে তর্ক। সন্তানের জন্য দুশ্চিন্তা। প্রিয়জনের ক্ষতি হতে পারে। পেটের সমস্যা বৃদ্ধি। দুপুরের পরে ব্যবসা ভাল চললেও প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাবে। চাকরির ক্ষেত্রে প্রচুর পরিশ্রম করতে হবে। পড়াশোনার জন্য খরচ বৃদ্ধি।

Daily World News

কচুয়ায় নির্বাচনী পথ সভায় শেখ তন্ময়- বিএনপি ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি করে, আমরা ধর্ম নিরপেক্ষ রাজনীতি করি