জায়েদ খানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন।। বাড়ি ও ক্লিনিক দখলের অভিযোগ 

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক জায়েদ খানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।

তার বিরুদ্ধে এবার বাড়ি ও ক্লিনিক দখলের অভিযোগ উঠেছে।

সিনেমার শুটিংয়ের কথা বলে হিন্দু পরিবারের বাড়ি ও ক্লিনিক দখল করেছেন জায়েদ খান, এমন অভিযোগ করেছেন পিরোজপুরের সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ গীতা রানী মজুমদার।

জায়েদ খানকে ভূমিদস্যু উল্লেখ করে গীতা রানী ও তার মেয়ে অনন্যার অভিযোগ, সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বিভিন্ন কক্ষে ঢুকে যাবতীয় অর্থ সম্পদ লুটপাট করেন। বর্তমানে তারা পিরোজপুরের সেই বাড়িতে উঠতে না পেরে ঢাকায় অবস্থান করছেন।

রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এসব অভিযোগ জানান গীতা রানী মজুমদার।

মানববন্ধনে লিখিত বক্তব্যে গীতা রানী বলেন, ‘আমার স্বামী ডা. বিজয় কৃষ্ণ হাওলাদার পিরোজপুর জেলা সদরের মাছিমপুর বাইপাস সড়কের পাশে ডায়াগন‌স্টিক সেন্টার আছে। স্বামী সারা জীবনের উপার্জিত অর্থ ও পরিশ্রমে ৪০ শয্যা বিশিষ্ট সার্জিকেয়ার ক্লিনিক অ‌্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি পরিচালনা করে আসছেন। ২০১৬ সালের ২১ মার্চে গভীর রাতে সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে ওবায়দুল হক পিন্টু, জহিরুল হক মনু ওরফে জায়েদ খান এবং শহীদুল হক মিন্টু আমাদের ভবনে আসেন।  ৫ম তলায় আমরা যেখানে থাকি সেখানে ‌’অন্তরজ্বালা’ সিনেমা শুটিংয়ের কথা বলে জায়েদ খান ও তার ভাইয়েরা আমাদের বিভিন্ন কক্ষে অনধিকার প্রবেশ করে। সেখানে আমাদের সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বিভিন্ন কক্ষে ঢুকে যাবতীয় অর্থ সম্পদ লুটপাট করে। অন্যদিকে আমাদের সার্জিকেয়ার ক্লিনিক অ‌্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার জোর করে দখল করে। আমার স্বামীকে আমাদের ক্লিনিকের অ‌্যাম্বুলেন্সে তুলে গুমের উদ্দেশ্যে ঝাটকাঠী গ্রামের এক পুরাতন ভবনে আটক রাখে। পরে তাকে ঝিনাইদহ জেলায় রেললাইনে নির্যাতন করে ফেলে দিয়ে আসে।’

এই ঘটনার চারদিন পর (২৬ মার্চ) পিরোজপুর সদর থানায় এজাহার দায়ের করেন গীতা রানী। যার নাম্বার ২২/৭২।

গীতা রানী বলেন, ‘এতে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে জায়েদ খান গং আমাকে ও আমার কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে পিস্তল দেখিয়ে ভারতে চলে যেতে হুমকি দেয়। না গেলে আমাদের খুন করা হবে বলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। পরে বিদ্যুৎ ও পানি সংযোগ লাইন কেটে দেয়।’

গীতা রানী মজুমদার আরও বলেন, এসব ঘটনায় ২০১৮ সালের ১৫ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্টমন্ত্রী ও আইজিপি বরাবর বিচার চেয়ে আবেদন করি। বিষয়টি গণমাধ্যমের নজরে আসলে পত্রিকায় রিপোর্ট প্রকাশ হলে স্বপ্রণোদিত হয়ে মহামান্য হাইকোর্ট আমাদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেন। আমরা এসময় ঢাকায় অবস্থান করি। ঢাকা থেকে পিরোজপুর বাসায় ফিরে দেখি আমাদের ঘর-বাড়ি ভাংচুর করে জায়েদ খান গং সবকিছু ডাকাতি করে নিয়ে গে‌ছে। এ বিষয়ে ২০১৮ সালের ৬ জুন পিরোজপুর সদর থানায় আরেকটা মামলা দায়ের করি, যার নাম্বার ১৮৫/০৮।

গীতা রানী মজুমদারের মেয়ে অন্যান্য হাওলদার বলেন, ‘উনি (জায়েদ খান) এখনও আমাদের বিরক্ত করছেন। কোন আত্মীয় স্বজনকে আমাদের বাড়িতে আসতে দেন না। খারাপ আচরণ করে। তাই আজকে প্রতিকার চেয়ে এই মানববন্ধন।’

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

চাঁদপুরের ফরক্কাবাদ ডিগ্রী কলেজের সন্তোষজনক ফলাফলে প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি সুজিত রায় নন্দীর অভিন্দন 

 

চাঁদপুর হাইমচরে ওহাবীয়া এতিমখানার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

//মোঃ হোসেন গাজী, চাঁদপুর//

হাইমচর উপজেলার ৬ নং চরভৈরবী ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলে অসহায়, হতদরিদ্র ও এতিমদের আশ্রয়স্থল ‘চরভৈরবী ওহাবীয়া এতিমখানা’র বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে। মূল তথ্য গোপন করে মনগড়া মিথ্যা ও বানোয়াট বক্তব্য সাজিয়ে এতিমদের আশ্রয়স্থলে থাবা বসিয়েছে কিছু স্বার্থান্বেষী।

এতিমখানা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়রা জানান, আমাদের এতিমখানায় এতিম, হতদরিদ্র ও অসহায় শিক্ষার্থী, ম্যানেজার, শিক্ষক, বাবুর্চিসহ অর্ধশতাধিক জনবল রয়েছে। এলাকাবাসীর সহযোগিতা ও সরকারি বিভিন্ন অনুদানে এতিমখানাটি সচল রাখতে হিমসিম খেতে হচ্ছে। তবুও নিজেদের প্রচেষ্টায় এতিমদের আশ্রয়স্থলটি আমরা টিকিয়ে রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার লক্ষে কিছু স্বার্থান্বেষী প্রতি বছর-ই কয়েকবার হানা দেয় এতিমদের এ আশ্রয়স্থলে।

বিভিন্ন বিষয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করে। এবছরও একই নিয়মে তারা অপপ্রচার চালাচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরভৈরবী ওহাবীয়া এতিমখানার হাজিরা খাতা অনুযায়ী ৭০ জন এতিম, হতদরিদ্র ও অসহায় শিক্ষার্থীর তালিকা রয়েছে। করোনা মহামারিতে ১৫ জন ছুটিতে রয়েছে। ৫/৭ জন পড়াশোনার পাশাপাশি সেলাই কাজসহ বিভিন্ন দক্ষতা অর্জনে ঢাকা ও বিভিন্ন জেলায় অবস্থান করছে। এতিমখানায় ম্যানেজার শিক্ষক ও স্টাফসহ নিয়মিত ৫০ জনের উপস্থিতি রয়েছে।

এতিমখানার ম্যানেজার মোঃ আবু তাহের জানান, দৈনিক ৩ বেলা খাবার, পোষাক পরিচ্ছেদ ও আনুষঙ্গিক খরচসহ প্রতি জন এতিমের যে পরিমাণ খরচ হয় সরকারি অনুদানে তা পূরণ করা সম্ভব হয় না। স্থানীয় দানশীল ব্যক্তিদের সহায়তা নিয়ে এতিমখানা চালাতে প্রতিমাসেই হিমসিম খেতে হয় আমাদের। এর মধ্যেই মূল তথ্য গোপন করে কিছু স্বার্থান্বেষী এতিমখানাটির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায়।

এতিমখানার শিক্ষক মাওলানা কামরুল হাসান বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তাই এতিমখানার হতদরিদ্র ও অসহায় শিক্ষার্থীরা ছুটি নিয়ে বাড়িতে আছে কিছু দিনের জন্য। ছুটি শেষে কেউ আসে আবার কেউ যায়। তবে নিয়মিত ৪০/৪৫ জন এতিম, হতদরিদ্র ও অসহায় শিক্ষার্থী এখানে থাকে, খাওয়া দাওয়া করে। এদের যাবতীয় খরচ এই এতিমখানা থেকেই সরবরাহ করা হয়।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

হাইমচরে সরকারি প্রকল্পের খাল খননে বাঁধা, পুনরুদ্ধারে কৃষকদের মানববন্ধন

পাঁচ ভাইকে চাপা দেওয়া সাইফুলের লাইসেন্স ছিল না, ছিল আত্মগোপনে: র‍্যাব

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে সাব রেজিষ্টারের কাজী নিয়োগে দুর্নীতি: কোটে মামলা

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলের সাব রেজিষ্টারের কাজী নিয়োগে দুর্নীতির  অনিয়মের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করেছে পৌর মেয়র। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অন্তবতীকালিন নিষেধাজ্ঞা  জারি করেছে আদালত। জানা গেছে রবিবার ( ২ জানুয়ারী) সাবরেজিষ্টার শফি আকরামুজ্জামান বিজ্ঞ আদালতে জবাব দাখিল করেন।

মামলা সূত্রে জানাযায়, রাণীশংকৈল উপজেলার বাচোর ইউনিয়নে নিকাহ রেজিষ্টার পদটি শূন্য থাকায় ১জন ও পৌরসভায় ২জন কাজী  নিয়োগ হওয়ার কথা । কিন্তু গেজেট অনুযায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু না করেই নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব সাবরেজিষ্টার শফি আকরামুজ্জামান দুর্নীতির আশ্রয় গ্রহণ করে গোপনে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। গেজেটে প্রার্থীর  বয়স ৩৫ বছর উল্লেখ থাকলেও গোপন বিজ্ঞপ্তিতে ৪০ বছর উল্লেখ করেছে। নিয়োগ কমিটির উপদেষ্ঠাদের দপ্তরের বিজ্ঞপ্তির নোটিশ দেওয়ার নিয়ম থাকলেও তা তিনি করেননি। নিয়োগ কমিটির উপদেষ্ঠা ইউএনও’র কার্যালয়ে রেজুলেশন দেখানো হলেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল সুলতান জুলকার নাইন স্টিভের স্বাক্ষর নেই রেজুলেশনে। তাছাড়া সেই রেজুলেশনে আরেক উপদেষ্ঠা পৌর মেয়র মোস্তাফিজুর রহমানেরও স্বাক্ষর নেই সেখানে।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়া না করায় কমিটির উপদেষ্ঠা পৌরমেয়র মোস্তাফিজুর রহমান দেওয়ানী কার্যবিধি ৩৯ অর্ডার ১রুল ও ১৫১ ধারামতে ঠাকুরগাঁও সহকারি জজ আদালতে অস্তবর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার চেয়ে মামলা করেন। বিজ্ঞ আদালত ২ দিনের মধ্যে কারণ দর্শনোর জন্য সাব রেজিঃ কে নিদের্শ প্রদান করেন। কিন্তু চতুর সাব রেজিঃ সন্তোষজনক জবাব দাখিল না করে সময়ের আবেদন করেন। ২ জানুয়ারী জবাব দাখিলের জন্য আবারো তারিখ নির্ধারণ করেন।

এদিকে নিকাহ রেজিষ্টার নিয়োগে অনেক প্রর্থী মোটা অংকের অর্থ প্রদান করেছেন মর্মে এলাকায় গুঞ্জন উঠেছে। এ ব্যাপারে মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমার পৌরসভায় নিকাহ রেজিষ্টার নিয়োগ হবে দুর্নীতির আশ্রয়ে এবং অনিয়মভাবে তা মেনে নেওয়ার মতো নয়। তাই আমি আদালতের আশ্রয় নিয়েছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির স্টিভ বলেন, আমার অফিসে নিয়োগ কমিটির সভা দেখানো হলো অথচ আমার স্বাক্ষর নেই, বিষয়টি বুঝে নেন। যে কোন অনিয়ম আল্লাহ সহ্য করবেনা, মেয়রকে সয়ং আল্লাহ আমার হয়ে আদালতে পাঠিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব সাবরেজিষ্টার শফি আকরামুজ্জামান বিপ্লব মুঠোফোনে বলেন, যেহেতু কোটে মামলা হয়েছে এটির নিয়ম অনিয়মের বিষয়টি কোট বুঝবে।

মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি, প্রয়োজনে ক্লাস বন্ধ: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

হঠাৎ দেশে কেন এত করোনা সংক্রমন বাড়ল…

আমদানি করা আপেলের কার্টুনে সাড়ে ৫ কোটি টাকার সিগারেট

সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আপেল ঘোষণা দিয়ে সিগারেট আমদানি করেছে কোতয়ালী এলাকার ফলমন্ডীর ফল আমদানিকারক মারহাবা ফ্রেশ ফ্রুটস। এ সময় ২২ লাখ ১৯ হাজার শলাকা সিগারেট জব্দ করে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। যার মূল্য ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। সিগারেটের চালানটি চট্টগ্রাম বন্দর থেকে খালাস হয়ে গেলে ৫ কোটি ৩০ লাখ টাকার রাজস্ব হারাতো সরকার।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের এআইআর শাখার ডেপুটি কমিশনার শরফুদ্দীন মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, কন্টেইনারে রক্ষিত ১ হাজার ১২০টি ফ্রেস আপেলের কার্টন শতভাগ কায়িক পরীক্ষা শেষে ৭৫৪টি কার্টনের মধ্যে আপেলের নিচে ইনার কার্টনে লুকায়িত অবস্থায় বিভিন্ন ব্রান্ডের বিদেশি সিগারেট পাওয়া যায়। এতে তিন ব্র্যান্ডের মোট ২২ লাখ ১৯ হাজার শলাকা সিগারেট রয়েছে।

এক হাজার ১২০টি ফ্রেস আপেলের চালানে ৩৬৬ কার্টনে শুধুই ফ্রেস আপেল পাওয়া গেছে। অবশিষ্ট ৭৫৪টি কার্টনের মধ্যে আপেলের নিচে লুকায়িত অবস্থায় সিগারেট পাওয়া যায়। ২২ লাখ ১৯ হাজার শলাকা সিগারেটের মধ্যে মন্ড ৬ লাখ ৯১ হাজার ৪৮০ শলাকা, ইজি ১৪ লাখ ৮ হাজার ৭২০ হাজার, ওরিস ১ লাখ ১৮ হাজার ৮০০ শলাকা রয়েছে। যার আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।

এআইআর শাখার ডেপুটি কমিশনার শরফুদ্দীন মিয়া বলেন, জব্দ করা সিগারেটের দাম ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। এভাবে অবৈধ উপায়ে সিগারেট এনে প্রায় ৫ কোটি ৩০ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেয়ার চেষ্টা করেছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান। এ ব্যাপারে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশে সিগারেট শর্ত সাপেক্ষে আমদানি করতে হয়। এটির ওপর আমদানি মূল্যের চেয়ে প্রায় পাঁচ গুণ শুল্ক আরোপ হয়। সে অনুযায়ী জব্দ হওয়া সিগারেটের আমদানি মূল্য দাঁড়ায় প্রায় সাড়ে ছয় কোটি টাকা।

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

২২.৫০.০০.০০০ টি পাসওয়ার্ড চুরি! নিজেরটা কি সুরক্ষিত ? চেক করুন…

সিগারেটের জাল স্ট্যাম্প আমদানি।। বাপ্পু এন্টা: এরপর এবার আরাফাত এন্টারপ্রাইজ

মাত্র আটদিনের ব্যবধানে ফের সিগারেটের জাল স্ট্যাম্প জব্দ করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। কাগজ আমদানির ঘোষণা দিয়ে অবৈধভাবে আনা ১২০ কোটি টাকার নকল সিগারেট স্ট্যাম্প আমদানি করেছে চট্টগ্রামভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘আরাফাত এন্টারপ্রাইজ’।

বুধবার এ তথ্য জানিয়েছেন চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের এআইআর শাখার ডেপুটি কমিশনার শরফুদ্দীন মিয়া।

সূত্র জানায়, জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক কার্যালয়ের (ইউএনওডিসি) সহায়তায় মূলত অবৈধ পণ্য ও মাদকদ্রব্য শনাক্ত করতে চট্টগ্রাম বন্দরে পিসিইউ স্থাপন করা হয়।

চট্টগ্রাম কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, নগরের জুবিলী রোডের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আরাফাত এন্টারপ্রাইজ চীন থেকে এ-ফোর সাইজের ৮০ জিএসএম কাগজের ঘোষণায় দেয়। তবে মিথ্যে ঘোষণা দিয়ে এ-ফোর কাগজের ভেতর ১২০ কার্টন সিগারেটের জাল স্ট্যাম্প আমদানি করে। যার মধ্যে নিম্নমানের ১ কোটি ৪১ লাখ ৭৫ হাজার পিস এবং মধ্যমমানের ২০ লাখ ১৫ হাজার পিস হালকা সবুজ ও খয়েরি রংয়ের জাল স্ট্যাম্প পাওয়া যায়। এতে হালকা সবুজ রংয়ের স্ট্যাস্পের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৬৩ থেকে ১০১ টাকা। অপরদিকে হালকা খয়েরি রংয়ের স্ট্যাম্পের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৩৯ থেকে ৬২ টাকা। এ জাল স্ট্যাম্পগুলো ১ কোটি ৬২ লাখ সিগারেটের প্যাকেটে ব্যবহার করা যেতো।

এআইআর শাখার ডেপুটি কমিশনার শরফুদ্দীন মিয়া জানান, আরাফাত এন্টারপ্রাইজের কন্টেইনারটির ভেতরে সিগারেট ট্যাক্স স্ট্যাম্প লুকানো ছিল। স্ট্যাম্পগুলোর চালান প্রবেশ করলে সরকার প্রায় ১২০ কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হতো।

তিনি জানান, রপ্তানিকারক ও আমদানিকারক নথি ও ট্রেডিং তথ্য বিশ্লেষণ করে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের পোর্ট কন্ট্রোল ইউনিট (পিসিইউ) এ ২টি চালানের জালিয়াতি চিহ্নিত করেছে।

এর আগে গত মঙ্গলবার চীন থেকে আর্ট পেপারের ভেতর লুকিয়ে আনা ৩ কোটি ১৯ লাখ ৮০ হাজার পিস সিগারেটের জাল স্ট্যাম্প জব্দ করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস। ৯০ থেকে ১৪৩ কোটি টাকা শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করেছিল বাপ্পু এন্টারপ্রাইজ নামে চট্টগ্রামের একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

আধুনিক চক্ষু চিকিৎসা প্রদানের লক্ষ্যে গ্রামীণ আই কেয়ার সেন্টার’র উদ্বোধন

 

কলকাতা-দিল্লির টর্চার সেলের সন্ধান জানাল র‌্যাব

ইউরোপ-অষ্ট্রেলিয়ার পাঠানোর কথা বলে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানবপাচার হতো ভারতে। তারপর সেখানকার কলকাতা ও দিল্লির টর্চার সেলে চলত অকথ্য নির্যাতন। সেই নির্যাতনের ভিডিও ভিকটিমদের আত্মীয়দের কাছে পাঠিয়ে আদায় করা হতো লাখ লাখ টাকা। এমন সংঘবদ্ধ মানবপাচার চক্রের মূলহোতাসহ তিনজনকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়েনের (র‌্যাব) সদস্যরা।

রাজধানীর মিরপুর থেকে আটকদের কাছ থেকে নকল পাসপোর্ট, ভিসা ও দলিল দস্তাবেজ জব্দ করা হয়। সোমবার রাতে রাজধানীর পল্ল­বী ও উত্তরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে র‌্যাব-৪ এর একটি দল।

আটকরা হলেন- চক্রের মূলহোতা মলি­ক রেজাউল হক ওরফে সেলিম (৬২), তার দুই সহযোগী মো. বুলবুল আহমেদ মলি­ক (৫৫) ও নিরঞ্জন পাল (৫১)।

কলকাতা-দিল্লির টর্চার সেলের সন্ধান জানাল র‌্যাব

 

আটকরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিদেশ যেতে ইচ্ছুক মানুষজনকে টার্গেট করে তাদের অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখাত। এ প্রলোভনে যারা রাজি হতো তাদের কাছ থেকে ১২-১৫ লাখ টাকা করে নিত। পরে চক্রটি প্রবাসে যেতে ইচ্ছুকদের বলত, বাংলাদেশ থেকে ভিসা পাওয়া জটিল, তাই তাদের ভারতে নিয়ে খুব সহজে কাঙ্ক্ষিত দেশে পাঠাবে। কারণ হিসেবে ভারত থেকে ভিসা পাওয়া সহজ বলে ভিকটিমদের জানায় চক্রটি।

তারা আরও জানায়, ভারতে নিয়ে গিয়ে ভিকটিমদের প্রথমে সেইফ হাউসে রাখা হতো। তারপর তাদের ওপর চলত অমানবিক নির্যাতন। এসব নির্যাতন চিত্রের ভিডিওধারণ করে বাংলাদেশে থাকা ভিকটিমদের পরিবারকে পাঠাত চক্রটি। পরিবারকে তারা এসব ভিডিও দেখিয়ে বলত, ১২-১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ না দিলে ভিকটিমকে মেরে ফেলবে। পরে ভিকটিমদের পরিবারগুলো প্রিয়জনকে বাঁচাতে সর্বস্ব বিক্রি করে চক্রটির সদস্যদের হাতে টাকা তুলে দিত।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে অবস্থিত র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেল হক।

মোজাম্মেল হক বলেন, গত বছরের নভেম্বর মাসে অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে জাহাঙ্গীর নামে এক ব্যক্তিকে ভারত পাচার করে দেয় চক্রটি। পাচার হয়ে যাওয়ার পর বেশ কিছুদিন ভারতের কলকাতায় আটক থাকেন জাহাঙ্গীর। আটক অবস্থায় কলকাতার টর্চার সেলে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়। পরে নির্যাতনের এসব ভিডিও দেখিয়ে দেশে থাকা তার পরিবারকে চাপ দিয়ে অর্থ আদায় করে পাচারকারী চক্রটি। দেশে এসে ভিকটিম জাহাঙ্গীর চক্রটির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আমাদের কাছে। তার দেওয়া তথ্য ও অভিযোগ যাচাই করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই চক্রের মূলহোতাসহ তিনজনকে গতকাল (সোমবার) রাতে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে নকল পাসপোর্ট, পাসপোর্টের কপি, নকল ভিসা, আবেদনপত্র, বায়োডাটা, ছবি, মোবাইল, মোবাইল সিম একং নগদ টাকাসহ মানবপাচার সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র জব্দ করা হয়।

তিনি বলেন, এ চক্রের মূলহোতা মলি­ক রেজাউল হক সেলিম ও তার সহযোগী বুলবুল আহমেদ মলি­ক এবং নিরঞ্জন পালসহ তাদের সহযোগী হিসেবে দেশে আরও ৫-৭ জন সদস্য রয়েছে। তাছাড়া ভারতেও তাদের বেশ কয়েকজন সহযোগী রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কলকাতার রাজিব খান, মানিক ও দিলি­র রবিন সিংদের নাম পাওয়া গেছে। বিগত কয়েক বছর ধরে এই চক্রটি সক্রিয়ভাবে মানব পাচারের করে আসছে। চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিদেশে গমন প্রত্যাশী নিরীহ মানুষকে টার্গেট করে। তাদের অস্ট্রেলিয়া এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে (যেমন- পর্তুগাল, নেদারল্যান্ড, রোমানিয়া, গ্রিস, ফ্রান্স এবং মালটা) উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাদের পাঠানোর কথা বলে ভারতে পাচার করে দিত।

অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের দেশগুলোতে ভারত থেকে ভিসা পাওয়া সহজ, এ কথা বুঝিয়ে তাদের বৈধ এবং অবৈধ পথে ভারতে পাচার করে দেয়। তবে পাচারের পর ভিকটিমদের আর ওইসব দেশে পাঠানোর কোনো ব্যবস্থা নেয় না চক্রটি। তারা ভিকটিমদের সে দেশে আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনসহ মেরে ফেলার হুমকি ও তা ভিডিও করে তাদের পরিবারের সদস্যদের দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ মুক্তিপণ হিসেবে আদায় করে আসছিল।

র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক বলেন, কলকাতা থেকে ভিকটিমদের নেওয়া হতো দিল্লির একটি টর্চার সেলে। পরে কলকাতার টর্চার সেলের দায়িত্বে থাকত ভারতীয় নাগরিক রাজিব খান ও মানিক এবং দিল্লি­র টর্চার সেলের দায়িত্বে থাকত রবিন সিং। পরে ওইসব টর্চার সেলে ভিকটিমদের ওপর চলত অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। এসব নির্যাতনের ভিডিওধারণ করে প্রত্যেকটি টর্চার সেলের দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ চক্রটির মূলহোতার কাছে পাঠানো হতো। পরে মূলহোতা মলি­ক তার সহযোগীদের মাধ্যমে ভিডিও ভিকটিমদের পরিবারের কাছে পাঠাত। ভিকটিমদের পরিবারগুলো যে পর্যন্ত তাদের মুক্তির জন্য ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ না দিত সেই পর্যন্ত তাদের ওপর অমানসিক নির্যাতন চলতেই থাকত। এই চক্রটি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বেশ কয়েকটি এলাকায় সক্রিয় রয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা আরও জানায়, ভিকটিমদের ফেনী, কুমিল্লা, নবাবগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর এবং ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগ্রহ করে ইউরোপে উন্নত চাকরি দেওয়ার নামে বৈধ এবং অবৈধ পথে পার্শ্ববর্তী দেশে পাচার করে। এ চক্রের অন্যান্য হোতাদের আটকে র‌্যাব-৪ এর অভিযান চলমান রয়েছে। আটকদের বিরুদ্ধে মানবপাচার আইনে রূপনগর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সূত্র: যুগান্তর

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

জগন্নাথপুরে দেয়ালে দেয়ালে পোস্টার, বাদ যায়নি কোন ফাঁকা জায়গা

ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি: ৫০০ টাকার টিকিট ৮৫০ টাকা

নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ডোমার থেকে ঢাকার ৫০০ টাকার টিকিট ৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী সাধারণ যাত্রী ও এলাকাবাসীর দাবী কালোবাজারীদের সাথে স্টেসনের বুকিং সহকারী পরোক্ষভাবে জড়িত।

লিপন ইসলাম নামের এক যাত্রী বলেন নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের  টিকিট কাউন্টার ও অনলাইনে বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেও টিকিট সংগ্রহ করতে পারিনি। তাই বাধ্য হয়েছি ১৭০০টাকা দিয়ে ২টা টিকিট কিনতে।

ডোমার রেল স্টেশনের বরাদ্দ করা আসন সংখ্যার তুলনায় যাত্রীর চাপ অনেক বেশি। চাহিদার তুলনায় কম আসন থাকায় যাত্রীদের বাধ্য করে অতিরিক্ত দামে টিকিট কিনতে।

স্টেশন মার্কেটের বিভিন্ন দোকানদার সুত্রে জানা গেছে কালোবাজারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য স্টেশন মাস্টারদের একাধীকবার অভিযোগ দেয়া হলেও তারা কার্যকরী কোনো পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। কালোবাজারিরা স্টেশনের বুকিং সহকারীর সহযোগীতায় টিকিট সংগ্রহ করে চড়া দামে সাধারণ যাত্রীদের কাছে বিক্রি করছেন বলে জানান এলাকাবাসী। তাঁদের দৌরাত্ম্যের কারণে যাত্রীরা জিম্মি।

ট্রেনের যাত্রীদের বড় একটি অংশ অনলাইন সুবিধার বাইরে। বেশীরভাগ সময় অগ্রিম টিকিট এর জন্য কাউন্টারে যোগাযোগ করেও টিকিট পাওয়া না যাওয়ায় বাধ্য হয়ে বেশি দামে কালোবাজারে টিকিট কাটতে হয়। ডোমার স্টেশন সহ চিলাহাটি, নীলফামারী, সৈয়দপুর ও পার্বতীপুর স্টেশন এর নীলসাগর ট্রেনের টিকিট কালোবাজারির কাছে মজুদ থাকে বলে অভিযোগ করেছেন একাধীক যাত্রী।

শুক্রবার সন্ধ্যায় নাজমুল হক নামের ঢাকাগামী এক যাত্রী বলেন, স্টেশন কাউন্টারে ডোমার থেকে ঢাকা যাত্রার টিকিট পাওয়া না গেলেও কালোবাজারিদের কাছে চড়া দামে ডোমার স্টেশনের পর্যাপ্ত টিকিট পাওয়া যায়।

হাবিবুর রহমান নামের অপর এক যাত্রী বলেন, ভাগ্য ভালো থাকলে অনলাইনে টিকিট পাওয়া যায়, তবে সেটা কঠিন ব্যাপার। অনলাইনে টিকিট ছাড়ার এক বা দুই মিনিটের মধ্যে সব টিকিট শেষ হয়ে যায়! কেউ কেউ সিট বরাদ্দ পেয়ে টাকা পরিশোধ করতে গিয়ে দেখে টিকিট বিক্রি শেষ!

কালোবাজারিচক্র অনলাইনে সক্রিয় হয়ে একযোগে টিকিট কেটে নেয় বলে অভিযোগ যাত্রীদের।

ডোমার রেল স্টেশনমাস্টার মোসাদ্দেক আলী সংবাদকর্মীকে বলেন, কালোবাজারি কখনো আমাদের চোখে পড়েনি তাই কর্তৃপক্ষ এই ব্যাপারে ইতিপূর্বে কোনো পদক্ষেপ গ্রহন করেনি।

তিনি আরোও বলেন আসন বৃদ্ধি পেলে আমরা আশাবাদী  কালোবাজারি কমে যাবে আর কালোবাজারি যেই হোক না কেন তাদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত শাস্তির দাবী জানান।

টিকিট কালোবাজারির ব্যাপারে ডোমার থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন রেলস্টেশন জিআরপি পুলিশের অধীন। তারা চাইলে অবশ্যই তাদের সহযোগিতা করব।

এ ব্যাপারে সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।

 //নীলফামারী প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে “অনলাইন টিভি ক্লাব” ইউকে’র আলোচনা সভা

৭০০০ একর জমি ক্রয়ের অভিযোগ রাজারবাগ দরবার শরীফের পীরের বিরুদ্ধে: দুদক

রাজারবাগ দরবার শরীফের পীর দিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে তিন সদস্যের দল গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদক সচিব ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদক সচিব বলেন, রাজারবাগ দরবার শরীফের পীরের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে ধর্মের নামে ধোকা দিয়ে বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সাত হাজার একর জমি ক্রয় ও দখলসহ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এর পরিপ্রেক্ষিতে দুদক তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি দল গঠন করে এর কার্যক্রম শুরু করেছে। অনুসন্ধান দলকে আদালতের আদেশে অনুসারে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

৮ নভেম্বর উচ্চ আদালতের আদেশে কমিশন পীরের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়। এরও আগে ১৯ সপ্টেম্বর রাজারবাগ দরবার শরীফের সব সম্পদের তথ্য খুঁজতে দুদককে, জঙ্গি সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখতে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটকে এবং উচ্চ আদালতে রিটকারী আটজনের বিরুদ্ধে করা হয়রানিমূলক মামলার বিষয়ে তদন্ত করতে পুলিশের অপরাধ ও তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) আদেশ দেন হাইকোর্ট।

ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন দিল্লুর রহমান। ২৬ অক্টোবর হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। আদালত পীরের বিরুদ্ধে তদন্ত স্থগিত চেয়ে করা আবেদন খারিজ করে দেন। এতে দিল্লুর রহমানের তদন্ত করতে কোনো বাধা থাকলো না বলে জানান আইনজীবীরা।

রাজারবাগ দরবার শরীফের পীর দিল্লুর রহমান ও তার অনুগতরা বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আর এসব মামলার উদ্দেশ্য সাত হাজার একর জমি ও রাবার বাগান দখল। বিষয়টি দেশের সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ালে মামলাগুলো স্থগিত করে পীরের বিরুদ্ধে তদন্তের আদেশ দেন হাইকোর্ট। সূত্র: যুগান্তর

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বাংলদেশে হবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের প্রতারণার ৫০০ কোটি টাকার সন্ধান

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান জানিয়েছেন ই-কমার্স প্রতারণায় জড়িত ৩৩টি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫০০ কোটি টাকার সন্ধান পাওয়ার কথা  ।

ই-কমার্স প্রতারণা তদন্তে সরকার গঠিত ১৫ সদস্যের কমিটির গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে তৃতীয় বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান কমিটির সমন্বয়ক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।

এ সময় কমিটির অন্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। ই-কমার্সে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং ভোক্তার অধিকার সুরক্ষায় গত ১৮ অক্টোবর কমিটি তাদের প্রথম বৈঠক করে।

কমিটির সমন্বয়ক জানান, গত ১ নভেম্বর রাষ্ট্রীয় তিন গোয়েন্দা সংস্থা প্রতারণায় জড়িত ৩৩টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের পৃথক তিনটি তালিকা জমা দেয় কমিটির কাছে। তালিকা পাওয়ার পর প্রতারণায় জড়িত এসব প্রতিষ্ঠানের কত টাকা কোথায় আছে তা জানতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফিন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) কাছে তথ্য চায় কমিটি। সেই আলোকে তারা তাদের প্রতিবেদন দিয়েছে। ওই প্রতিবেদনে অভিযুক্ত ৩৩ প্রতিষ্ঠানে ৫০০ কোটি টাকার সন্ধান মেলার কথা বলা হয়েছে।

এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, এসব টাকা কিভাবে গ্রাহকদের ফেরত দেওয়া যায়, সে বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের কাছে পরামর্শ চাওয়া হয়েছে। কারণ এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। বুধবার (আজ) এই প্রতিবেদন মন্ত্রিপরিষদে উপস্থাপন করা হবে।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বাধ্যতামূলক নিবন্ধন করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা ই-কমার্স ব্যবসা করবে তাদের বাধ্যতামূলক নিবন্ধন করতে হবে। খুব শিগগির এটি অনলাইনেই করা যাবে। এ জন্য এটুআই একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করছে। এ ছাড়া গ্রাহকদের অভিযোগ শুনতে একটি অভিযোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রও গড়ে তোলা হচ্ছে। পাশাপাশি ডাকঘর লজিস্টিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমও তৈরি করা হচ্ছে।

বৈঠক সূত্র জানায়, নিবন্ধনের জন্য ইউনিক বিজনেস আইডি, সেন্ট্রাল লগ ইন ট্র্যাকিং সিস্টেম, কমপ্লেইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম তৈরি এবং গত ১ জুলাই থেকে এ পর্যন্ত এসক্রো সার্ভিসে আটকে পড়া টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে এই কাজ শেষ করা হবে। সূত্র: কালের কণ্ঠ

//অনলাইন নিউজ//

দৈনিক বিশ্ব

বাগেরহাটের রামপালে মামলা করে বিপাকে ভুক্তভোগী ও তার পরিবার

 

বরিশালে অন্ধ বোনের জমি দখলের চেষ্টায় ভাই, অন্ধ সংগঠনের নাম ভাঙ্গীয়ে

 

রুখে দাঁড়াও অন্ধের জমি দখলকারীদের বিরুদ্ধে”

বরিশালে অন্ধ প্রতিবন্ধী ভিক্ষুক ও অসহায় নারীর বসতবাড়িসহ জমি জোরপূর্বক ভোগ দখলের চেষ্টায় মরিয়া হয়ে উঠছে আপন বড় ভাই নুরু সিকদার ওরফে (নুরা) নগরীর ৪নং ওয়ার্ড আমানতগঞ্জ ঝাপ কলোনিতে সরকারি জমিতে বসবাস করে আসছেন অন্ধ প্রতিবন্ধী ভিক্ষুক ও অসহায় নারী যুমবীলা(৪৫) জন্ম থেকে অন্ধ।

মা বাবার রেখে যাওয়া জমিতে বোনের সাথে বসবাস করে আসছেন। যুমবীলার বড় ভাই মো.নুরু সিকদার ওরফে (নুরা) সাবেক সিটি কর্পোরেশনের ইলেকট্রনিক শাখার ফোরম্যান,নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থায়ী প্রভাবশালীদের নিয়ে মরিয়া হয়ে অন্ধের জমি দখলের জন্যে চেষ্টা চালাচ্ছে।

ভুক্তভোগী যুমবীলা বলেন, আমার ভাই নুরু অন্ধ সংস্থার নাম বলে,পলাশপুরের স্থানীয় নেতাদের নিয়ে আমার থাকার ঘর ও জমি দখলের চেষ্টা করেন।

আমি জমি না দেওয়ার কথা বললে আমার প্রতিবন্ধী ভাতা নিয়ে যায়, এক বছর ধরে কোনো টাকা পাইতে আছি না। আমাকে বারবার সাক্ষর দিয়ে বই নিতে বলে আমি সাক্ষরের বিষয় জিজ্ঞেস করলে বলেন। তুমি মরলে তোমার জমিতে অন্ধ মাদ্রাসা তৈরি করবো।

যুমবীলা বলেন, আমার জমি তোমাদের দিলে আমার ছোটো ভাই তার ছেলে মেয়ে,যাবে কোথায়। এ কথা বলায় ক্ষীপ্ত হয়ে আমাদের কাছে বিভিন্ন লোকজনের মাধ্যমে হুমকি দিয়ে আসছেন।
গত বছরও জমি দখল করতে না পারায়, কাউনিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন আমার ভাই নুরু।

অভিযুক্তর কাছে একাধিকবার ফোন দিলেও সংযোগ বিচ্ছিন্ন পাওয়া যায়।

স্থানীয়রা বলেন, একজন অন্ধ-প্রতিবন্ধী ভিক্ষুক ও অসহায় বৃদ্ধার জমির রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমরা সাহায্য চাই। অন্ধ প্রতিবন্ধীর প্রতি ন্যায় প্রতিষ্ঠার স্বার্থে ওই সমস্ত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির আহবান জানান।

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল প্রতিনিধি //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

১লা নভেম্বর ‘দস্যুমুক্ত সুন্দরবন দিবস’ রামপালে আত্মসমর্পণকৃত দস্যুদের হাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তুলে দিবেন পুনর্বাসন সামগ্রী