ড. বেনজীর আহমেদ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডব পরিদর্শন করেন

 

আজ ০১ এপ্রিল -২০২১ রোজ বৃহস্পতিবার ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম ( বার) ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতে ইসলামের তান্ডবের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, ‘ ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীকে স্পষ্ট করে বলতে চাই,১৮ কোটি বাংলাদেশী আপনাদের সঙ্গে রয়েছে। এক সঙ্গে আমরা ভয়কে অতিক্রম করতে পারব। কোনো বিশেষ গোষ্ঠী কোনো একটি অঞ্চলকে উপদ্রুত এলাকা হিসাবে পরিনত করবে- এটা হতে দেবো না। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইজিপি মহোদয়ের বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা পরিদর্শনকালে এন্টি টেরিজম ইউনিট সোয়াট টিম সাথে ছিল।

 //বিশেষ প্রতিনিধি, স্বীকৃতি বিশ্বাস//

অগ্নিকান্ডে বিপর্যস্ত সীতা পাগলের আশ্রম পরিদর্শনে আসলেন এমপি বীরেন শিকদার।।ক্ষতি পূরণের আশ্বাস

 

মহম্মদপুর উপজেলার বাবুখালী ইউনিয়নের পাড়ুয়ারকুল গ্রামে সীতা পাগলের আশ্রমে গত ২৮/৩/২১ইং তারিখে দুর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ মন্দির পরিদর্শন করলেন মাগুরা-২ আসনের মাননীয় আংসদ  জননেতা ড. শ্রী বীরেন শিকদার মহোদয়।

সাথে ছিলেন মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব রামানন্দ পাল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জনাব এ্যাডঃ আব্দুল মান্নান, সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল সিদ্দিকী লিটন, মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব তারক বিশ্বাস, বাবুখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর সাজ্জাদ আলী, বিনোদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শিকদার মিজানুর রহমান, দীঘা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আছাদুজ্জামান,মহম্মদপুর উপজেলা পূজা উৎযাপন পরিষদের সেক্রেটারি বাবু কানু তেওয়ারি, মহম্মদপুর হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাবু জগন্নাথ শাহা, সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান স্বপ্না রানী বিশ্বাস, বীরেন শিকদার আদর্শ স্কুলএন্ড কলেজ এর অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান মিলন, রাজাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাকিরুল ইসলাম খান (শাকিল) সহ অন্যান্য স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। মাননীয় সাংসদ সার্বিক সহযোগীতার আশ্বাস দেন ।

 

// সুজন মাহমুদ, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি //

কেউ পার পাবে না কেয়ামতের দিন….

 

হায়রে আমার স্বাধীন বাংলাদেশ হায়রে কত কথা বলে এদেশের মানুষ এখনো বন্ধ হলো না ফতোয়া বাজদের ফতোয়া দেওয়া ||

কথায় বলে কাফের মুশরিক মোনাফেক না জানি এরা কত ধর্মপ্রাণ মুসলমান! তলে তলে অনেকেই ধর্ম লয়ে করে ব্যবসা ||

দ্বীনের নবী কত কষ্ট করে ইসলামের আলো সারা বিশ্বের মানুষের মাঝে জ্বালিয়েছেন তায়েফ নগরীতে ইসলাম প্রচারে গিয়ে কত পাথরের আঘাত তিনি সহ্য করেছেন ||

সেই দ্বীনের নবীর উম্মত গর্বে আমাদের বুক যায় ভরে বিবি খাদিজার অঢেল সম্পদ বিলিয়েছেন এই দ্বীপে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ||

আবুবক্কর ছিদ্দিক (রা) তাঁর সমস্ত সম্পদ বিলিয়ে দিয়েছেন দ্বীন ইসলামের খেদমতে দ্বীনের নবী পেটে পাথর বেঁধে ক্ষুধার জ্বালা সয়েছেন শুধু উম্মতের জন্য ||

মা ফাতিমার দুই নয়ন ইমাম হাসান ও হোসেন এই ইসলামের খেদমতে জীবন করিছেন দান যহর কহরে তাঁরাই দুই ভাই জান্নাতুল ফেরদৌস এ সর্দার||

ইসলাম পবিত্র ধর্ম আল্লাহর দেওয়া বিধান ভুলেও ভাই তুমি পবিত্র এ ধর্ম লয়ে জীবিকার উপজীব্য করিবে না ভাই কাল কিয়ামতের ময়দানে পার পাবে না কেউ তাই সবাই সাবধান ||

দ্বীন ইসলাম নহে কোনো ব্যক্তি গোষ্ঠীর ধর্ম ইসলাম সকল বর্ণ সকল জাতির চলার ধর্ম ||

আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সারা বাংলাদেশের সকল মুসলমান ভাই বোনদের অনুরোধ করেছেন, নামাজ পড়ে কোরান পড়ে দোয়া করে সারা বিশ্বের ও বাংলাদেশের জমিন থেকে যেন করোনা নামক মহামারীর উটিয়ে নেন, এবং আল্লাহ যেন আমাদের মত গরীব রাষ্টকে সকল বিপদ রক্ষা করেন।

সংগ্রহে, প্রচারে: স্টাফ রিপোর্টার: মোঃ ইকবাল মোরশেদ

বঙ্গবন্ধু ফুফু বাড়ি নড়াইলে আসতেন।। সেই গ্রামের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চান জেলা প্রশাসক।।

 

বঙ্গবন্ধু ফুফু বাড়িতে আসতেন নড়াইলের সেই কামাল প্রতাপের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চান জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান।

আজ বুধবার (৩১শে মার্চ) দুপুরে নবাগত জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান বঙ্গবন্ধুর ফুফু বাড়ি ও বঙ্গবন্ধুর বাল্যকালে স্মৃতি বিজড়িত খেলার মাঠ পরিদর্শনে যান। সেখানে বঙ্গবন্ধুর আত্মীয় কাজী পরিবারের খোজখবর নেন এবং সাংবাদিকদের জানান, বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী পালনের জন্য জেলা প্রশাসন যে প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিলেন তারই অংশ হিসাবে কামাল প্রতাপ গ্রামে যাওয়ার যেসব রাস্তা এবং বঙ্গবন্ধু যে মাঠে ফুটবল খেলেছেন সেই মাঠের জন্য যা যা সংস্কার করা দরকার তা করা হবে।

ফুফু বাড়িতে ঘুরতে নড়াইলে আসতেন বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রীর নিকট সেই গ্রামের উন্নয়ন দাবি  শিরোনামে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রতিবেদন হওয়ার পরে নড়াইলের সাবেক জেলা প্রশাসক আনজুমানারা বেগম সেই কামাল প্রতাপ গ্রামের উন্নয়নের দায়িত্ব নিয়েছিলেন।

এ সময় জেলা প্রশাসক এর সাথে ছিলেন সহকারী কমিশনার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আছিফ উদ্দিন মিয়া,শিবু দাস, মোঃ আনিসুর রহমান। আরো উপস্থিত ছিলেন, বঙ্গবন্ধুর আত্মীয় কাজী হাফিজুল করিম শিল্পী, তিতু কাজী,এস এম নাজিরুল ইসলাম পলাশ,খন্দকার সাইফুল ইসলাম প্রমূখ।

উল্লেখ্য গতবছর বিভিন্ন পত্রিকা টেলিভিশনে নিউজ হয় যে গ্রামে বঙ্গবন্ধু বেড়াতে আসতেন বঙ্গবন্ধুর ফুফু বাড়ি নড়াইলের কামাল প্রতাপ গ্রামে উন্নয়নে ছোয়া লাগেনি এবং সংস্কার ও হয়নি বঙ্গবন্ধুর ফুটবল খেলার মাঠ। ১৯২১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের (বঙ্গবন্ধুর পিতা শেখ লুৎফর রহমানের আপন মামাতো বোন) মামাতো ফুফু শেখ হায়াতুন্নেছার কামাল প্রতাপ গ্রামের কাজী আবুল হায়াত এর সাথে বিবাহ হয়।

শেখ হায়াতুন্নেছা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার শেখ আব্দুল হকের কনিষ্ঠা কন্যা। তিনি নিজের ইচ্ছায় শেষ বয়সে ছোট মেয়ে বাগেরহাটের পৌরসভা এলাকার নূরজাহান বেগম রানীর বাসায় ছিলেন। নূরজাহান বেগম রানীর মেয়ে ফরিদা আক্তার বানু লুসির স্বামী অধ্যাপক মীর সাখাওয়াত আলী দাররু বাগেরহাট-২ আসনে ৩ বার আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ছিলেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯০ সালের ডিসেম্বর মাসে বাগেরহাটে রাজনৈতিক সফরকালে অসুস্থ্য শেখ হায়াতুন্নেছাকে দেখতে গিয়েছিলেন।

শেখ হায়াতুন্নেছা ২০০১ সালের ৪ঠা জানুয়ারী মৃত্যূবরণ করলে বাগেরহাটের খানজাহান আলী মাজারের কবরস্থানে সমাহিত করা হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ফুফু বাড়ি নড়াইলের কামাল প্রতাপ গ্রামে আসা যাওয়া ছিল। কিন্তু বর্তমানে দেখা যায় সেই কামাল প্রতাপ গ্রামে যাওয়ার জন্য তিন দিকের রাস্তাই এখনো কাচা এবং কিছু অংশ ইটের সলিং যার অবস্থা ও বেহাল।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ফুফু শেখ হায়াতুন্নেছার ছোট দৌহিত্র কাজী হাফিজুল করিম শিল্পী বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমাদের গ্রামবাসীর দাবি যেহেতু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই গ্রামে এসেছিলেন এবং স্কুলমাঠে ফুটবল খেলেছিলেন সেহেতু খেলার মাঠটি খেলার উপযোগি করে বঙ্গবন্ধুর নামে নামকরন করে স্টেডিয়াম করা হোক এবং খেলার মাঠ ও গ্রামে আসার রাস্তাগুলি পাকাকরণ করা হোক।

কামাল প্রতাপ গ্রামের বৃদ্ধ মুন্সি হাদিউজ্জামান এ ব্যাপারে  বলেন, ১৯৫১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের সাথে কামাল প্রতাপ স্কুলমাঠে ফুটবল খেলেছেন। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৩/৪ বার আমাদের কামাল প্রতাপ গ্রামে এসেছেন। তবে একবার এসে এক নাগাড়ে ৪দিন ছিলেন।

বীরমুক্তিযোদ্ধা কাজী হাফিজুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ফুফু বাড়ি আমাদের গ্রামে হওয়ায় মাঝে মাঝে বেড়াতে আসতেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ফুফু শেখ হায়াতুন্নেছার পাশের বাড়ির বৃদ্ধা মোছাঃ লতিফা আক্তার জানান, আমার শশুর বঙ্গবন্ধুর ফুফু হায়াতুন্নেছাকে বিয়ে দিয়ে এনেছিলেন এই গ্রামে। তিনি খুবই ভালো মানুষ ছিলেন।

তিনি আরো জানান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শেখ হায়াতুন্নেছার বাড়িতে বেড়াতে এসেছেন। কামাল প্রতাপ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিশ্বজিত বাবু বলেন, বঙ্গবন্ধু এই স্কুলমাঠে ফুটবল খেলেছেন অথচ বর্তমানে খেলার মাঠটি খানা খন্দে খেলার অনুপযোগী।

আমরা চাই যেহেতু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই মাঠে ফুটবল খেলেছেন সেহেতু মাঠটি সংস্কার করে বঙ্গবন্ধুর নামে নামকরণ করা হোক। আরো জানা যায় কামাল প্রতাপ গ্রামের বঙ্গবন্ধুর ফুফু শেখ হায়াতুন্নেছার ছেলে কাজী নূরুল ঈমান (সইয়ুব) ও কাজী নুরুজ্জামান (আইয়ুব) কাজী সামছুজ্জামান (ছানু) এর সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব ছিল।

যে কারণে যখন বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলাসহ যে কোন রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের খবর কাজী নুরুজ্জামান আইয়ুব সন্ধার পরে স্কুটার করে এসে রেনু বুজির কাছে বলে যেতেন।

তখন কাজী নুরুজ্জামান আইয়ুব ডিএসবি দারোগা ছিলেন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থাকা অবস্থায় মারা যান। কাজী নূরূল ঈমান (সইয়ুব) কামাল প্রতাপ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসাবে অবসর নিয়ে ২০১৩ সালে মারা যান।বর্তমান প্রধান মন্ত্রী তখন আইয়ুব কাকা সইয়ুব কাকা বলে ডাকতেন চিনতেন।

  রিপোর্টার মোঃ খাইরুল ইসলাম চৌধুরী//

ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচি’-এর পরিচালকের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো আজ

 

ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচির অবদান বাংলাদেশের সার্বজনীন শিক্ষার আলোক বর্তিকা হিসাবে  অনস্বীকার্য। ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচি বয়স্ক শিক্ষা কার্যক্রম দিয়ে শুরু হলেও পরবর্তীতে ননফরমাল ও ফরমাল প্রাথমিক শিক্ষা, মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যক্রমসহ গণকেন্দ্র লাইব্রেরির মতো কার্যক্রম প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শুরু করে হাওড়,বাওড়,হিল ও সমূদ্র তীরবর্তী দুর্গম এলাকায় পৌঁছে গেছে।

এছাড়াও করোনার এই মহামারীর সময় দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা যখন সংসদ টিভি, রেডিও নির্ভর ছিল সেই সময় ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচির কার্যক্রম নতুন নতুন উদ্যোগ নেয়।

তার মধ্যে ছিল ফোন কল,হোম ভিজিট, মা ও শিশু পাঠশালা,রিমেডিয়াল ক্লাস,পিবিএল( প্রজেক্ট বেজ লার্নিং),সিএলজি ( চাইল্ড বেজ লার্নিং গ্রুপ),মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক,শিক্ষিকাদের জন্য অনলাইনে প্রশিক্ষণ যা বর্তমান প্রেক্ষাপটে ছিল খুবই যুগোপযোগী।

আর ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচির এই শিক্ষা বিপ্লবের ধারক এবং বাহক আর কেউ নয় তিনি ড. শফিকুল ইসলাম, পরিচালক,ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচি। আজ ৩১মার্চ-২০২১ রোজ বুধবার সকাল ১০:০০ ঘটিকায় ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচির শিক্ষক,লাইব্রেরিয়ানসহ সকল স্তরের কর্মীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হল ভার্চুয়াল বিদায় অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচির বর্তমানে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক, কর্মসূচি প্রধান, কর্মসূচি ব্যবস্থাপকসহ সর্বস্তরের কর্মীরা অংশ গ্রহন করেন এবং বিদায়ী পরিচালকের কর্মময় জীবনের নানা দিক তুলে ধরেন।

ড. শফিকুল ইসলাম ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচির সমন্বয়কারী হিসাবে ১৯৯৫ সালে ও পরবর্তীতে পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব গ্রহন করে অদ্যাবধি সুন্দর সুচারুভাবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৮৫ সালে হাঙ্গেরিয়ান অ্যাকাডেমি অফ সাইন্সেস থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৭ সালে ব্র্যাকে যোগদানের পূর্বে সেন্টার ফর ইনটিগ্রেটেড রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফর এশিয়া এন্ড প্যাসিফিক( সিরডাপ)- এ সহযোগী গবেষক হিসাবে কাজ করেছেন।

ব্র্যাকে যোগদানের পর বিভিন্ন বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি ব্র্যাকের মূল্যায়ন ও গবেষণা বিভাগের জ্যেষ্ঠ গভেষক হিসাবে এবং অবলোকন বিভাগের কর্মসূচি সমন্বয়কারী হিসাবে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৭-৯৮ সাল পর্যন্ত তিনি ইউনিসেফ – পাকিস্তানে কর্মরত ছিলেন। সে সময় তিনি পাকিস্তানের উত্তর- পশ্চিম প্রদেশের উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের পরামর্শক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০১- ২০০২ সাল পর্যন্ত তিনি সিডার কর্মকর্তা হিসাবে বাংলাদেশ সরকারের উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর বিশেষ দায়িত্ব পালন করেন। ড. শফিকুল ইসলাম সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ের কমিটির পাশাপাশি এডুকেশন ফর অল( ইএফএ) – এর কান্ট্রি রিভিউ কমিটির সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

বৃহস্পতিবার থেকে চলবে ট্রেন। ফাঁকা থাকবে অর্ধেক আসন ।।

 

করোনা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার বিভিন্ন জনগুরুত্বমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছেন।

করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার কারণে যাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে আগামী বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) থেকে সব ট্রেনে ৫০ শতাংশ যাত্রী পরিবহন করা হবে।

যার অর্ধেক কাউন্টারে ও বাকি অর্ধেক অনলাইনে বিক্রি করা হবে। মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। রেলওয়ের বিজ্ঞপ্তিতে যাত্রীদের উদ্দেশে কিছু নির্দেশনাও দেওয়া হয়। যার মধ্যে রয়েছে- ট্রেনে ভ্রমনিচ্ছুক যাত্রীদের নিজ নিজ টিকিট নিশ্চিত করেই কেবল ট্রেনে ভ্রমণের জন্য অনুরোধ করা হলো।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, বিশেষ প্রয়োজন ব্যতীত রেল ভ্রমণ করবেন না, টিকিটবিহীন কোনো যাত্রী স্টেশনে প্রবেশ বা ট্রেনে ভ্রমণ করতে পারবেন না। । অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। মাস্ক ব্যতীত কোনো যাত্রীতে স্টেশনে প্রবেশ বা ট্রেনে ভ্রমণ করতে দেওয়া হবে না।

 সুমাইয়া আক্তার শিখা।।

 

প্রদর্শিত হলো বঙ্গবন্ধুর সর্ববৃহৎ বৃহ মানব লোগো

 পলাশ চন্দ্র দাস: বরিশাল সংবাদদাতা ।।

মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৪টায় বরিশাল  নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে এক লাখ ৬০ হাজার স্কয়ার ফিট জায়গা জুড়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর সর্ববৃহৎ লোগো মানব প্রদর্শণী করা হয়েছে।

এতে ৯ হাজার ৪০৮ জন মানুষ বঙ্গবন্ধুর লোগো প্রদর্শণীতে অংশ নেয়। আয়োজকদের দাবি- এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ মানব লোগো। মানব লোগো প্রদর্শনের জন্য গত একমাস ধরে প্রস্তুতি চলছিল।

বঙ্গবন্ধু উদ্যানে আজ প্রদর্শণ করা হয় বঙ্গবন্ধুর লোগো প্রায় ২ লাখ স্কয়ার ফিট আয়তনের ঐতিহ্যবাহী বঙ্গবন্ধু উদ্যানের এক লাখ ৬০ হাজার স্কয়ার ফিট জায়গা জুড়ে বঙ্গবন্ধুর লোগো প্রদর্শন করে ৯ হাজার ৪০৮ জন মানুষ।

তাদের সহায়তার জন্য মাঠের চারপাশে প্রস্তুত রাখা হয়েছে আরও ২ হাজার ৫৯২ জন ব্যক্তিকে। বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী লোগোতে মুজিব শতবর্ষ, একশত এবং বঙ্গবন্ধুর চেহারা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই লোগোতে। প্রতিটি ১৬ বর্গফুটের প্রিন্ট করা ৯ হাজার ৪০৮টি পিভিসি কাঠের ফ্রেমে যুক্ত করে প্রদর্শনের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয় এই লোগো। এক হাজার ৩৫০ ফিট দৈর্ঘ্য এবং এক হাজার ৮০০ ফিট প্রস্থ বিশিষ্ট মানব লোগোতে বঙ্গবন্ধুর চশমার ফ্রেম করা হয়েছে ২ হাজার ৪০০ স্কয়ার ফিট জুড়ে।

এছাড়া বঙ্গবন্ধুর বাম গালের তিলক করা হয়েছে ৪৮ স্কয়ার ফিট এবং মুজিব কোট করা হয়েছে এক হাজার ৯২০ স্কয়ার ফিট জায়গা জুড়ে। এই প্রদর্শনীতে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র নাম এবং সিটি কর্পোরেশনের শ্লোগান ‘আমরাই গড়ব আগামীর বরিশাল যুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে শুরু হয় প্রদর্শণীর মহড়া।

তবে বিকেল ৪টায় মূল মানব লোগো প্রদর্শণের করা হয়। বরিশালে বঙ্গবন্ধু লোগোর প্রকল্প প্রকৌশলী মো. শাহাদাত হোসেন বলেন। গত এক মাস ধরে প্রায় এক হাজার শ্রমিক বরিশাল নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে বঙ্গবন্ধু লোগো প্রস্তুত করা হয়েছে। বরিশালে বঙ্গবন্ধুর সর্ববৃহৎ লোগো মানব প্রদর্শনী গিনেস ওয়ার্ল্ড বুকে স্থান করে নিতে পারবে বলে আশা করছেন তারা। বঙ্গবন্ধুর সর্ববৃহৎ লোগো মানব প্রদর্শণীতে সময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি এ্যাডঃ তালুকদার মো. ইউনুস, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু। মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আনিস, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাডঃ একেএম জাহাঙ্গীর। সিটি কর্পোরেশনের ১নং প্যানেল মেয়র গাজী নঈমুল হোসেন লিটু, ২ নং প্যানেল মেয়র এ্যাডঃ রফিকুল ইসলাম খোকনসহ ওয়ার্ড কাউন্সিলর বৃন্দ।

জেলা ও মহানগর আ.লীগের নেতৃবৃন্দ, জেলা ও মহানগর শ্রমিকলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ, মহানগর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি-সম্পাদক বৃন্দ এবং বিভিন্ন উপজেলার আওয়ামী লীগ

স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করলো চাঁদপুর জেলার ষাটনলের যুব সমাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তরের ১নং ষাটনল ইউনিয়নের যুব সমাজের উদ্যোগে পালন করা হলো মহান স্বাধীনতা দিবস। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর মাহেদ্রক্ষণে দিবসটি উপলক্ষে বড় ষাটনল যুব সমাজ কর্তৃক আয়োজিত বঙ্গবন্ধু টিভি কাপ ডিগ বল টুর্নামেন্ট২০২১ইং এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ষাটনল রঙ্গুখাঁর কান্দি পূর্ব লালপুর দক্ষিণ পাড়ার মধ্যে ১৯নং উত্তর ষাটনল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে গত ২৬ মার্চ শুক্রবার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়

এই খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উক্ত খেলা শুভ উদ্বোধনসহ চ্যাম্পিয়ন রানারআপ টিমের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন বঙ্গবন্ধুর আর্দশের সৈনিক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ সমাজসেবক, তারুণ্যের উজ্জীবিত প্রাণ ষাটনলবাসীর প্রিয় মুখ আসন্ন ষাটনল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নৌকা মার্কা মনোনয়ন প্রত্যাশী মো. ফেরদাউস আলম সরকার। প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব সমাজের উদ্দেশে ফেরদাউস আলম সরকার বলেন, স্বাধীনতার শক্তিতে উজ্জীবিত হয়ে ন্যায় সত্যের পথে অবিচল থেকে তোমাদের জীবন গড়ার সময় এখনই। সময় পরিবার, সমাজ রাষ্ট্রের জন্য কল্যাণকর মানুষ হয়ে উন্নত আধুনিক ষাটনল গড়তে যুবকদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান তিনি

উল্লেখ্য, মো. ফেরদাউস আলম সরকার ষাটনল ইউনিয়নের সিংহ পুরুষ খ্যাত অন্যায়ের সঙ্গে আপসহীন আওয়ামী লীগ নেতা মহরুম সোলায়মান আহম্মেদ (রেনু) সরকারের সুযোগ্য সন্তান। অন্যায় অপরাধমুক্ত সমাজ গড়তে খেলাধুলার প্রয়োজনীয়তার উল্লেখ করে তিনি অনুষ্ঠানে আগত এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ খেলার টিম ম্যানেজমেন্ট পরিচালনা পরিষদের সকল সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান

বিশিষ্ট সমাজ সেবক জর্জ মিয়া প্রধান এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১নং ষাটনল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান দেওয়ান মো. গুলজার আলম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সমাজ সেবক এনামুল হক (বাবুল) , মো. আশ্রাফুল ইসলাম (নান্নু), ইউপি সদস্য মো. শাহজাহান তাতী, সাবেক মেম্বার মো. মনির হোসেন, সাবেক মেম্বার মো. নাছির উদ্দিন, সাবেক মেম্বার মো. শহিদুল্লাহ মো. জহিরুল ইসলাম মুন্সি মো.শাহজালাল প্রধান ছাড়াও সম্মানিত অতিথি হিসেবে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মো. মোতালেব হোসেন সম্রাট, মো মিজানুর রহমান (প্রফেসর কালীপুর স্কুল কলেজ) মো.জসিম দেওয়ান, মো.মনির হোসেন, মো. মালেক প্রধান, মো. শাহআলম, মো.আবুল খায়ের, মো.শুক্কুর আলী, মো.খবির হোসেন, মো. আলী আক্কাস, জাহাঙ্গীর আলম, সোলায়মান প্রধান আলআমিন প্রধান প্রমুখ

“ক্লান্ত মেঘের” মাষ্ক বিতরন

মোঃ খাইরুল ইসলাম চৌধুরী, নড়াইল প্রতিনিধিঃ

বঙ্গবন্ধর জন্ম শতবর্ষ স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২৭ শে মার্চ নড়াইল জেলার কালিয়াতে সেবা মূলক সংগঠনক্লান্ত মেঘএর উদ্যোগ্যে আদর্শ সম্মিলণী উচ্চ বিদ্যাপীঠ, খাশিয়াল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ছাত্রছাত্রীদের মাঝে মাষ্ক বিতরন করা হয়। বিতরনের সময় উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি সরকার অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ, আরও উপস্থিত ছিলেন ক্লান্ত মেঘের সকল সদস্য। এসময় ক্লান্ত মেঘের প্রতিষ্ঠাতা আদর্শ সম্মিলণী উচ্চ বিদ্যাপীঠ এর ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক কাজী আরিফুল ইসলামের সঙ্গে কথা হলে ক্লান্ত মেঘের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেনঃ তিনি বলে গ্রাম অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্দকতার জন্য শিক্ষাক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ে, তাদের এগিয়ে নেওয়ার জন্য সরকারের পাশাপাশি সমাজের সচেতন নাগরিকদের কাজ করা উচিৎ। সেই উদেশ্যকে সামনে রেখে এগিয়ে চলা

বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কারাবাস

ডেস্ক রিপোর্ট ।।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদর মোদি গত ২৬ মার্চ-২০২১ রোজ শুক্রবার বাংলাদেশে আসেন ০২ দিনের সরকারি সফরে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী তাঁর দেওয়া ভাষনে বলেছেন, ” বাংলাদেশের স্বাধীনতা জন্য সত্যাগ্রহ করে জেলে গিয়েছিলেন। ”
তাঁর এই ভাষণকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গসহ সমগ্র ভারতের মানুষ হতবাক হয়ে গিয়েছেন এবং তাঁর এই কথাকে মিথ্যায় রূপ দেওয়ার চেষ্টা দুই বাংলাতে সমানভাবে প্রত্যয়ীমান।

কিন্তু ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই কথা এবং সত্যাগ্রহ আন্দোলনের ঘটনা সম্পূর্ণ সত্য। তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী।প্রথমাবস্থায় তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি।তাই ভারতের জনসংঘ ইন্দিরা গান্ধী এবং পাকিস্তানের বিরোধীতায় দিল্লিতে ধর্ণায় বসেন। সেই ধর্ণায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদর মোদি উপস্থিত ছিলেন এবং কিছু সময়ের জন্য জেলে যান।
পরবর্তীতে ইজরায়েল ও রাশিয়া ইন্দিরা গান্ধীর সাথে কথা বলে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বুঝাতে সক্ষম হয়।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর কথার আলোকে কিছু তথ্য প্রমান সংযুক্ত।
তথ্য সংগ্রহেঃ সন্দ্বীপ রায়( কানু), দিল্লি।