মুক্তিযোদ্ধার ক্ষেতের মুগডালে চোরের থাবা// অবশেষে চোর শনাক্ত

মুক্তিযোদ্ধার ক্ষেতের মুগডালে চোরের থাবা// অবশেষে চোর শনাক্ত

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

তালতলীর গাববাড়িয়ায় মুক্তিযোদ্ধা আঃ গনি তালুকদারের ক্ষেতে মরিচ ও মুগ ডাল রাতের আধারে কে বা কারা চুরি করে নিয়ে যায়। অবশেষে ক্যাম্প পুলিশের উপস্থিতিতে চোর সনাক্ত করা হয়।

বরগুনার তালতলী উপজেলার গাববাড়িয়া গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আঃ গনি তালুকদারের ১১বিঘা জমিতে মুগ ডাল ও ৪ শতক জমিতে মরিচ রোপন করা হয়। সময়মতো পাঁকা ফসল ঘরে তোলার আগেই প্রতি রাতের অন্ধকারে ফসলসহ গাছ উপড়ে ফেলে স্হানীয় সংঘবদ্ধ চোরচক্র। এভাবে কয়েক দিনের  ৩ শতক জমির ক্ষেতের মরিচসহ গাছ উপড়ে নিয়ে যায়।

বিষয়টি তালতলী থানা পুলিশের  এসআই মোঃ নজরুল ইসলামকে জানালে তিনি ৬ মে সকালে ঘটনা দেখতে সঙ্গে যাদব বাবুকে নিয়ে মরিচ ক্ষেত দেখতে আসেন। একদিন যেতে না যেতেই গতকাল ৭ মে ভোরে ৭/৮ জন চোরকে মুগ ডাল তুলতে দেখেন মুক্তিযোদ্ধা আঃ গনি তালুকদারের ছেলে মোঃ নাসির তালুকদার।

এ বিষয়ে এস আই মোঃ নজরুল ইসলামকে জানালে তিনি তাৎক্ষনিক সরেজমিনে যান এবং চোরদের ডাল তুলতে দেখেন।চিহ্নিত চোররা হলো ছালাম খা, ইলিয়াছ খা, আব্বাস খাসহ ৬/৭ জন মহিলা চুরির কাজে ছিল। চোরদের মধ্যে ইলিয়াছ খা ডাকাতি মামলার ১০ বছর সাজাপ্রাপ্ত ফেরারি আসামী। যার মামলা নং- ৩৩/২০০২। বরগুনা সহকারী দায়রা জজ, ২য় আদালত।

একই গ্রামের আঃ রশিদ হাওলাদারকে জমি সংক্রান্ত জের ধরে ধারালো দা দিয়ে দিবালোকে কুপিয়ে খুন করে এবং চাঞ্চল্যকর সংখ্যালঘু ১৪ পরিবারকে নির্যাতনের পর দেশ ত্যাগ গডফাদার এই ইলিয়াচ খা। ছালাম খা সন্ত্রাসী মামলার আসামী মামলা নং- জিআর-২১৯/১৮। পুলিশ দেখে এরা ক্ষেত থেকে পালিয়ে যায়।

English Dainikbiswa

বরগুনার আমতলীতে রাতের খাবার খেয়ে ৩ পরিবারের ১১জন অজ্ঞান

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *