গজারিয়া থানা পুলিশের দিনভর চেষ্টার ফলে গতকাল ৩মে রাতে ভাবেরচর এলাকায় হারিয়ে যাওয়া শিশু হৃদয় আজ (০৪ মে) মঙ্গলবার বিকেলে ফিরে গেল তার আপন পরিবারে।
এ বিষয়ে গজারিয়া থানার তদন্তকারি কর্মকর্তা (উপ-পরিদর্শক) সবুজ বলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ইপিজেড এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রউফ ও রোকসানা বেগমের পরিবারের সন্তান শিশু হৃদয় (১০) গত সোমবার ০৩ মে নিজের প্রিয় সাইকেল চালিয়ে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে লুকিয়ে কুমিল্লায় নানা বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
যাওয়ার পথে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়া অংশের ভবেরচর এলাকায় এসে পথ হারিয়ে দিশে হারা হয়ে পড়ে শিশু ছেলে হৃদয়। মানবতা এখনো পৃথিবীতে টিকে আছে বহাল তবিয়ৎতে।তাইতো গজারিয়া উপজেলার এক সাদা মনের বাসিন্দা এক নারী এগিয়ে আসলেন হৃদয় কে সাহায্য করতে।তিনি হলেন উপজেলার কলসের কান্দি গ্রামের সোনিয়া আক্তার(৩৮)।
সোনিয়া জানায়, হতবিহৃবল শিশুটিকে দেখতে পেয়ে তার ঠিকানা জানতে চাইলে শিশুটি শুধু বাবা-মায়ের নাম ও তার ঠিকানা শুধু ইপিজেড শব্দ ছাড়া আর কিছু জানাতে না পারছিল না।গজারিয়া উপজেলা প্বার্শবতি থানা গুলোতে অনেক গুলো ই.পি.জেড রয়েছে।সঠিক ই.পি.জেড এ তার ঠিকানা স্থীর করতে ব্যার্থ হওয়ায় সোনিয়া শিশুটিকে নিয়ে স্বরনাপন্য হন গজারিয়া থানার পুলিশের কাছে।
এ বিষয়ে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ও.সি-অপারেশন) মুক্তার হোসেন বলেন, গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ও.সি) রইচ উদ্দিন স্যারের সরাসরি দিক নিদের্শনায় তদন্তকারি কর্মকর্তা (এস.আই) সবুজ ও আমাদের তার চৌকস দায়িত্ববোধ ও আন্তরিকতায় সারা দিনের ঐক্যান্তিক প্রচেষ্টায় শিশু হৃদয়ের পরিচয় শনাক্ত করতে সক্ষম হই।শিশুটিকে তার পরিবারে হস্তান্তর করি।
পুলিশ জনগণের বন্ধু।গজারিয়া থানা পুলিশ কর্তব্যবোধে সচেতন ও স্বাবলম্বী।
সৈয়দ মোঃ শাকিল। গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ।

