নিজস্ব প্রতিবেদক ::বরিশাল//
বরিশাল নগরীর কাউনিয়া থানাধীন ৫ নং ওয়ার্ড পলাশপুর ৭ নং গুচ্ছ গ্রাম এলাকায় ১০ বছরের এক শিশুকে মাদ্রাসা পরিচালক মনিরের বিরুদ্ধে ধর্ষনের অভিযোগ পাওয়া যায়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,গত(১৪ জুন)মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১০ঘটিকা সময় জামেয়া আরাবীয়া হালিমা খাতুন হাফেজি ও কওমী মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপ্যাল।
হাফেজ মাওঃ মুফতী মনির খানকে (১০) বছরের এক শিশু রাতের খাবার দিতে গেলে তাকে জোর পূর্বক ধর্ষনের চেষ্টা করে। ভুক্তভোগী (১০) জানান,
এসময় (১০) বছরের মেয়ের ডাক চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ঘটনা স্থালে ছুটে আসেন। স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে,মাদ্রাসার ছাঁদ থেকে লাভ দিয়ে পালিয়ে যায় মনির। (১০) বছরের মেয়ের ছোটো ভাই)(৮) বলেন,রাতে আমার বোনের সাথে কি যেনো হুজুরের সাথে হইছে,আমি শুনছি কিছুই দেখি নাই।
আমাদেরকে পুলিশ এসে থানায় নিয়ে যায়,আমাদের পরিবারকে বিষয়টি জানালে আমার নানা,ও নানী চলে আসেন।
অভিযুক্ত হাফেজ মাওঃ মুফতী মনির খানকে মুঠোফোনে কল দিলেও,অপরদীক থেকে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। পরবর্তীতে মনির খানের বড় ভাই, মামুন ফোন দিয়ে যোগাযোগ করিয়া দিলে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
মেয়ের নানা আলতাফ হোসেন হাওলাদার ও নানী বলেন, আমরা শুনছি আমার নাতি ও নাতনিকে থানায় নিয়ে গেছে। এইয়া শুনে আমরা, ঝালকাঠি জেলার,কাঁঠালিয়া থানাধীন গ্রাম থেকে রাতেই ছুটে আসেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,জামেয়া আরাবীয়া হালিমা খাতুন হাফেজি ও কওমী মাদ্রাসায় এ-র আগেও বলৎকারের ঘটনা ঘটছে।তার জন্য এক শিক্ষক জেল হাজতে আছেন।আমরা চাই যাঁরা শিক্ষার নামে ব্যবসা,নোংরামী করবে। আর আমাদের ঘনবসতি এলাকার মান ক্ষুণ্ণ হবে তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। না হলে আমাদের যুবসমাজটা ধ্বংসের দিকে চলে যাবে।
আইনজীবীর সহকারী মেহেদী হাসান (তামিম) বলেন,যদি কোন ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে-
(খ) ধর্ষণের চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক দশ বছর বা অন্যূন পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
এবিষয়ে কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান মুকুলকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও সংযোগ বিচ্ছিন্ন পাওয়া যায়।

