সর্বাত্মক লকডাউন ১৪ এপ্রিল – ২১ এপ্রিল-২০২১ পর্যন্ত:  সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি

সর্বাত্মক লকডাউন ১৪ এপ্রিল – ২১ এপ্রিল-২০২১ পর্যন্ত: সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি

 

করোনার বৈশ্বিক মহামারী টর্ণেডোর গতিতে ছড়িয়ে পড়ায় সর্বাত্মক লকডাউন কার্যকরের জন্য আজ ১২ এপ্রিল -২০২১ রোজ সোমবার কিছুক্ষণ আগে একটি সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়ঃ

পূর্বের জারিকৃত লকডাউনের বিধিনিষেধের সাথে কিছু কিছু নতুন বিষয় সংযুক্ত হয়েছেঃ

১. সব সরকারি – আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, বেসরকারি অফিস ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। প্রতিষ্ঠানের সব কর্মকর্তা- কর্মচারীরা নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন তবে বিমান সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসগুলো নিষেধাজ্ঞার আওতা মুক্ত থাকবে।

২. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৩. সব ধরনের পরিবহন ( সড়ক, নৌ,অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না।

৪.শিল্প কলকারখানাসমূহ স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ পূর্বক নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে।তবে শ্রমিকদের নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের পরিবহনে আনা নেওয়া নিশ্চিত করতে হবে।

৫. আইন- শৃঙ্খলা ও জরুরি পরিষেবা যেমন – কৃষি উপকরণ ( সার,বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি) খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিট-১৯ টীকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/ জ্বালানি, ফায়ারসার্ভিস, বন্দরগুলোর ( স্থল,নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ইন্টারনেট ( সরকারি – বেসরকারি), গণমাধ্যম ( প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা,ডাক সেবাসমূহসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ,তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে।

৬ অতি জরুরী প্রয়োজন ( ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রবাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন ও সৎকার ইত্যাদি) কোনভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। তবে টীকাকার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টীকা গ্রহনের জন্য যাতায়াত করা যাবে,

৭. খাবার দোকান ও হোটেল – রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা এবং রাত ১২ টা থেকে ভোর ৬ টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয় ও সরবরাহ করা যাবে। শপিং মলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে।

৮. কাঁচাবাজার ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রবাদি সকাল ০৯ টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত উন্মুক্তস্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়- বিক্রয় করা যাবে। বাজার কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

০৯. বোরো ধান কাটার জরুরি প্রয়োজনে কৃষি শ্রমিক পরিবহনে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন সমন্বয় করবে।

১০. সারাদেশের জেলা ও মাঠ প্রশাসন উল্লেখিত নির্দেশনা বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করবে এবং আাইনশৃঙ্খলা বাহিনী টহল নিয়মিত জোরদার করবে।

১১. স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন।

১২. স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জুমা ও তারাবির নামাজে জমায়েত বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা জারি করবে।

১৩. উপরোক্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/ বিভাগ প্রয়োজনে সম্পূরক নির্দেশনা জারি করতে পারবে।

//স্বীকৃতি বিশ্বাস//

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *