জমে উঠেছে শীতের কাপড়ের কেনা বেচা

জমে উঠেছে শীতের কাপড়ের কেনা বেচা

//পলাশ চন্দ্র দাস//

হেমন্তের বিদায়ে উকি দিচ্ছে শীত ৬ ঋতুর বাংলায় গ্রীষ্ম,বর্ষা,শরৎ ও হেমন্তের দাপট কে আটকে দিয়ে আশ্বিন কে বিদায় জানিয়ে  কার্তিকের সঙ্গেপূর্ণাঙ্গ শক্তিহিমেল হাওয়া নিয়ে  চলে এলো শীত। শীতের এই  হিমেল হাওয়াকে দমাতে বসে নেই ফুতপাতের বসা গরম কাপড়ের বিক্রেতা ও ক্রেতারা।

শীতের এই হিমেল হাওয়ায় নিজেকে একটু গরম উষ্ণতা দিতে গরম কাপড়ের জন্য ছুটে শীতের কাপড়ের দোকানে ভিড় জমাচ্ছে ফুতপাতে বসে থাকা সাশ্রয়ী মুল্যয়ের শীতের কাপড়ের দোকানে।রবিবার বরিশাল নগরীর  কয়েকটি মার্কেট ঘুরে দেখা যায় এমন দৃশ্য এদিকে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সামনে ফুটপাতে বসা মার্কেটে  শীতের কাপড় কিনতে  আসা বিলকিস আক্তার নামে এক নারী জানায়  এবছর একটু আগাম শীত অনুভূত হচ্ছে আর হিমেল হাওয়া ও বৈতে শুরু করেছে তবে শীতের নিবারণের জন্য আমি আমার বাচ্চার জন্য একটু আগাম শীতের কাপড় কিন্তে আসলাম কিন্তু গত বছরের তুলনায় দাম এবার বেশি নিচ্ছে দোকানিরা।

শীতের কাপড় নিতে আসা  মিঠুন দাস নামে আরো একজন জানান যে গত বছরের তুলনায় এবার শীতের কাপড়ের দাম অনেক বেশি যা হাতের নাগালের বাহিরে কারন আমরা অন্যের বাড়িতে খেটে খাওয়া মানুষ এত বেশি দাম দিয়ে শীতের কাপড় কেনার মতো আমাদের তেমন সামর্থ্য  নেই তবুও কিন্তু কিনতে হবে কারন বাড়িতে বৃদ্ধ মা বাবা আছে তাদের শীত নিবারনের জন্য দাম বেশি হলে ও কিন্তে হবে।

এদিকে ফুতপাতে  শীতের কাপড় নিয়ে বসা নাম না বলা একজন দোকান দার বলেন এবছর একটু দাম বেশিই হবে শীতের কাপড়ের কারন আমাদের কেরিন খরচ বেশি তাই দাম ও একটু বেশি কারণ আমাদের  দু এক টাকা তো লাভ নিতেই হবে নাহলে আমরা বাচবো কেমন করে শুধু ফুতপাতের দোকান নয় শীত নিবারনের অন্যতম  ল্যাপতোশপের দোকানের মালিকরা ও একই কথা বলে এছাড়া ও তারা আরো বলেন এবার ল্যাপতোশকের চাহিদা ও একটু  কম কারন বাজারে এখন  কম দামের একধরনের কম্বল আসায়  মানুষ এখন আর ল্যাপতোশক বেশি নিতে চায় না  কেরিন খরচ বাড়ায় এগুলোর ও দাম এখন বেশি বেড়ে গেছে  এজন্য  আমরা দোকানে বেচা কেনা নিয়ে দুচিন্তায় পড়ে আছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *