//সুজন মাহমুদ, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি //
গতকাল ১২/০৪/২০২৩ ইং বুধবার বিকাল সাড়ে ৩ ঘটিকার দিকে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলাধীন পলাশবাড়িয়া ইউনিয়নের কালিশংকরপুর গ্রামে অন্তত ৩০ টি বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট হওয়ার খবর পাওয়া যায়।
সরেজমিনে গিয়ে তথ্য অনুসন্ধানে দেখা যায় মানুষের হিংস্রতা কত ভয়ানক হতে পারে।

উক্ত গ্রামের হাফেজ মাওলানা মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন,আচমকা আমাদের বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট শুরু করে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ গোলজার হোসেন সমর্থিত লোকজন।এসময় আমার বাড়িঘর ভাংচুর করে এবং জমি কিনেছি তার টাকা দিয়ে রেজিস্ট্রি করার জন্য ৫ লক্ষ ৫০ হাজার নগদ টাকা ঘরে রেখেছিলাম,সেই টাকা গুলো তারা নিয়ে গেছে।তিনি অভিযোগ করে বলেন,আমি স্থানীয় একটি হাফেজী মাদ্রাসা ও এতিম খানার প্রধান শিক্ষক কিন্তু আরিফুল হত্যাকাণ্ডের পর থেকে প্রাণ সংশয়ে মাদ্রাসায় পর্যন্ত যেতে পারছি না।
ওইসময় আমার বাড়ি সহ মিরাজ,সিরাজ,ইখতিয়ার ওরফে ভাদু,মিজানুর আব্দুল্লাহ, জাহিদুল,কিবির,কামাল,আলামিন, রাজু,তোহিদ,মিরাজুল,মিলন মোল্যা,লিটন মোল্লা, রাজীব মোল্লা, বাবু মোল্লা, হানিফ মোল্লা, আহাদ মোল্লা, ইলিয়াস, মাখম মোল্লা, সাবু মোল্লা, নাসিরুদ্দিন, শামীম, হামিম,রামিম,রিপন সহ আরও কয়েকজনের বাড়িঘরে ভাংচুর ও লুটপাট তান্ডব চালায় সন্ত্রাসীরা।এসময় পুলিশ কিছু করতে পারেনি বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা,ভাংচুর ও লুটপাটের শেষের দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।
কয়েকদিন পূর্বে উক্ত গ্রামে আরিফুল নামের এক ব্যক্তি খুন হওয়ার কারনে প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে ভাংচুর ও লুটপাট হয়েছে বলে জানা গেছে।
আজ বৃহস্পতিবার সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে পরবর্তী অনাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এই ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেফতার করে আজ বৃহস্পতিবার মাগুরার বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মহম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব অসিত কুমার রায়।

