চট্টগ্রাম ব্যুরো :
স্বাধীনতার ৫০ তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্টানে যোগদানের উদ্দেশ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলে হেফাজতে ইসলামীর কর্মী ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষে চারজন নিহত হওয়ার ঘটনায় হাটহাজারীতে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
শনিবার সকাল থেকে চট্টগ্রাম – খাগড়াছড়ি সড়ক অবরোধ করে সেখানে বিপুল সংখ্যক মাদরাসা ছাত্র অবস্থান করছে। অপ্রীতিকর যে কোন ঘটনা এড়াতে র্যাব ও পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। গতকাল (শুক্রবার) রাতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ব্যারিষ্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের মধ্যস্থতায় পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে হেফাজতে ইসলামীর নেতাদের মধ্যে বৈঠক হলেও সমস্যার কোন সমাধান হয় নি।
আজ (শনিবার) সকাল থেকে সংসদ সদস্য ব্যারিষ্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন এবং জেলা পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হকসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা হাটহাজারী থানায় অবস্থান করছেন।
স্থানীয় সাংবাদিকরা জানান, হাটহাজারী বাজারের অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্টান বন্ধ রয়েছে। থানা ভবনের দক্ষিনে বাসস্ট্যান্ড রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়েছে প্রচুর সংখ্যক র্যাব ও পুলিশ। সেখান থেকে থানা ও আশপাশ এলাকায় অবস্থান নিয়েছে বিজিবি সদস্যরা। অন্যদিকে হাটহাজারী মাদরাসার দক্ষিনে চট্টগ্রাম-নাজির হাট -খাগড়াছড়ি সড়কে বাঁশ ও টিনের ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা অবরোধ করে রেখেছেন মাদরাসা ছাত্র ও হেফাজত কর্মীরা।
সংসদ সদস্য ব্যারিষ্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ জানান, আমি দুই পক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসেছি। মাদরাসার ছাত্রদের পক্ষ থেকে ৫টি দাবী জানানো হয়েছে। দাবী গুলো হলো, নিহত চার জনের সঠিক ভাবে ময়না তদন্- করতে হবে, তাদের দাফন- জানাযায় বাধা দেয়া যাবে না, আহতদের সুচিকিৎসার ব্যাবস্’া করতে হবে, গুলির ঘটনায় দায়ী পুলিশের বিরোদ্ধে সুষ্টু তদন্ত করে শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। তিনি বলেন, আমরা সব দাবী মেনে নিয়েছি। তবু মাদরাসা ছাত্ররা কেন অবরোধ তুলে নিচ্ছে না, জানি না।

