যশোরের সীমান্তবর্তী ২ টি উপজেলায় করোনা সংক্রমণ সর্বোচ্চ

যশোরের সীমান্তবর্তী ২ টি উপজেলায় করোনা সংক্রমণ সর্বোচ্চ

 

যশোরের সীমান্তবর্তী ২ টি উপজেলা বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আজ পর্যন্ত আমদানি রপ্তানি সচল আছে। এছাড়া ভারত থেকে বিশেষ অনুমোদন নিয়ে বহু লোক করোনাকালীন সময়ে দেশে প্রবেশ করছে।দেশে প্রবেশকারী এই সকল লোকদের স্থানীয় হোটেলসহ যশোর খুলনার বিভিন্ন হোটেলে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

 

অনেক ক্ষেত্রে কোয়ারেন্টাইনে থাকা লোকজন বিধিনিষেধ তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন বাজার দোকানপাটে ঘোরাঘুরি করছে।ফলে ঘোরাঘুরি করা লোকদের করাও যদি করোনার অতি সংক্রমশালী ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ডেল্টা থাকে তাহলে জনগণের মধ্যে ডেনামাইটের বিধ্বংসী গতিতে ছড়িয়েছে। এছাড়াও ভারত ও বাংলাদেশের সীমানা প্রচীর না থাকায় অবৈধ পথে বেনাপোল ও শার্শার সীমান্তবর্তী গ্রাম দিয়ে ভারত বাংলাদেশের লোক যাতায়ত করছে।

 

ফলে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা যশোরের বেনাপোল ও শার্শা উপজেলা সমূহ করোনার হটস্পটে পরিণত হয়েছে। আজ ১৮ জুন-২০২১ রোজ শনিবার উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে প্রাপ্ত তথ্য জানা যায় গত ৩ দিন শার্শা ও বেনাপোলের ৭৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৫২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয়েছে।সনাক্তের হার প্রায় ৭০ শতাংশ। এছাড়াও আজ পর্যন্ত উপজেলায় ৬২১ জন কোনা রোগী পাওয়া গিয়েছে।

 

এরপরও সরকার ও স্থানীয় করোনা প্রতিরোধ কমিটি ঘোষিত জন ভিত্তিক লকডাউন মানা,মাস্ক ব্যবহার করা,জনসমাগম এড়িয়ে চলাসহ করোনার বিরুদ্ধে টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণের উদাসীনতা নিষ্ঠুরভাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে। আর এভাবে চলতে থাকলে বাংলাদেশই এক সময় করোনায় সংক্রমণে ভারতকেও পিছনে ফেলবে।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

Dainik Biswa

আজ খুলনা করোনা হাসপাতালে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *