//ডুমুরিয়া সংবাদদাতা//
ডুমুরিয়া বাজারের একটি মৎস্য ডিপোতে চিংড়ী মাছে অপদ্রব্য (জেলি)পুশ করার অপরাধে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ৭ জন কে জেল- জরিমানা করা হয়েছে। ১২ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবদুল ওয়াদুদ এর নেতৃত্বে এ আদালত পরিচালিত হয়।
আদালত ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে,মৎস অধিদপ্তরের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসাবে ডুমুরিয়া বাজারের ট্রলার ঘাট নামক স্হানে জনৈক নুর ইসলাম নামে এক মৎস্য ব্যবসায়ীর ডিপোতে গলদা চিংড়ি মাছে অপদ্রব্য পুশ করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়।
এ সময় ডিপো মালিক নুর কৌশলে পালিয়ে যায়। তার সহযোগি ডুমুরিয়া গ্রামের লিটু হালদার ও হুসাইন গাজীকে ভোক্তা অধিকার আইনে প্রত্যেক কে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ডাদেশ দেয়া হয়। এছাড়া চিংড়ি তে অপদ্রব্য পুষ কাজে নিয়োজিত নারী শ্রমিক ডুমুরিয়া গ্রামের আসমা বেগম,পাপিয়া বেগম,বৃষ্টি খাতুন,পারভীন বেগম ও শাহানারা বেগম প্রত্যেক কে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে তিন দিনের জেল আদেশ দেয়া হয়। অপর দিকে পলাতক ডিপো মালিক নুর ইসলামের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুুতি চলছিল বলে জানা গেছে।
এ সময় অপদ্রব্য পুশকৃত ১২০ কেজি গলদা চিংড়ি জব্দ করে তা বিনষ্ট করা হয় এবং অপদ্রব্য পুষ কাজে কেমিক্যাল ও অন্যান সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়। আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়দেব পাল,সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবু বক্কার সিদ্দিক, থানা পুলিশের এস,আই মোঃ হাচানসহ অন্যান কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
মঙ্গল গ্রহ এলন মাস্কের প্রধান লক্ষ্য নয়- রোগজিন

