//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি//
যশোরের সদর উপজেলার কাশিমপুর ইউনিয়নের আলোচিত (ভুয়া পদাধিকারী) সরকারি ১৩ আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্র ছায়ায় দীর্ঘদিন বাল্যবিবাহ পড়ানো সহকারি কাজী হাফেজ মাওলানা শহিদুল ইসলাম (৫০) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শহিদুল ইসলাম যশোর সদর উপজেলার কাশিমপুর ইউনিয়নের কাশিমপুর গ্রামের মোল্লাপাড়ার মৃত মানিক মোল্লার ছেলে।
মঙ্গলবার (১৪ই মার্চ) বিকাল পাঁচটার সময় যশোর সদর উপজেলার কাশিমপুর বাজার থেকে তাকে পুলিশ গ্রেফতার করে বলে জানা যায় ।
মামলার বাদি সূত্রে জানা যায়, শহিদুল ইসলাম কাশিমপুর ইউনিয়নের রেজিস্টার কাজী আব্দুল্ হাই সিদ্দিকী র সহকারি কাজী পরিচয় দিয়ে বাল্য বিয়ের কাজ করে বেড়ান দীর্ঘদিন। শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে একাধিক বাল্যবিবাহ পড়ানো এবং মিথ্যা নিকাহ নামা প্রদানের অভিযোগ ও রয়েছে। অঞ্জলি নামের এক ১৩ বছরের মেয়ের বাল্য বিবাহের অনুসন্ধানে ২০২০ সালের ১৬ই মে বাদিসহ তিন সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী বাল্যবিবাহের নিউজ সংগ্রহ করতে কাশিমপুরে যায়।
আসামী শহিদুল ইসলাম তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে আসামী শহিদুল সহ তাদের উপর হামলা করেন।সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীরা ৯৯৯ এ কল করলে পুলিশ এসে সাংবাদিকদের উদ্ধার করেন। এরপর শহিদুল ইসলাম বাঁচার জন্য সাংবাদিকদের নামে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। সাংবাদিকরা পরে বিষয়টি নিয়ে আরো গভীর তদন্তে গেলে একপর্যায়ে শহিদুল ইসলাম তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন দিয়ে সাংবাদিক শামসুর রহমান নিরবকে মারপিট খুন যখমসহ প্রাণনাশের হুমকি দেয়। তখন সাংবাদিক শামসুর রহমান নিরব যশোর কোতয়ালী থানায় একটি জিডি করেন।
এ বিষয়ে কোতয়ালী থানার এসআই মিজান জানান, আসামী শহিদুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে কোর্টের একটি ওয়ারেন্ট ছিল। ওয়ারেন্টে আসামীর পিতার নাম ভুল থাকায় আসামী প্রকাশ্যে ঘুরিয়া বেড়াচ্ছিল। পরে উদ্বর্তন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে ও কাগজপত্র যাচাই-বাছাই সহ বাদির শনাক্ত মতে আমি আসামী শহিদুল ইসলামককে গ্রেফতার করি। তিনি আরো জানান আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে কোর্টে পাঠানো হবে বলে জানান।

