//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//
পার্লামেন্ট বিলুপ্ত করে দেওয়ায় উত্তর আফ্রিকার দেশ তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট কায়েস সাঈদের সমালোচনা করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। এর জেরে দেশটিতে আঙ্কারার রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রচার করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কায়েস সাঈদ দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওসমান জারদানিকে বলেন, তিনি ‘তিউনিসিয়া নিয়ে যে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ’ প্রত্যাখ্যান করছেন। যদিও এতে সরাসরি এরদোগানের কথা উল্লেখ করা হয়নি। খবর আল জাজিরার।
গত বছরের জুলাইয়ে সাঈদ তিউনিসিয়ার ক্ষমতা দখল করেন। এর প্রায় ৮ মাস পর গত সপ্তাহে পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়েছেন। দেশটিতে আরব বসন্তের মাধ্যমে ২০১১ সালে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা শুরু হয়েছিল।
পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার পর সোমবার এরদোগান সাঈদের তীব্র সমালোচনা করেন। তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্টের সর্বশেষ পদক্ষেপকে ‘তিউনিসিয়ার জনগণের ইচ্ছার প্রতি আঘাত’ ও ‘গণতন্ত্রের ওপর দাগ’ বলে মন্তব্য করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট।
তিউনিসিয়ায় ভেঙে যাওয়া সংসদে আন নাহদার আধিপত্য ছিল। দলটি এরদোগানের একেপি পার্টির ঘনিষ্ঠ মিত্র ও সাঈদের শত্রু।
মঙ্গলবার তিউনিসিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতি দেয়। এতে এরদোগানের মন্তব্যের জন্য ‘বিস্ময়’ প্রকাশ করা হয়। এ বক্তব্যকে অভিহিত করা হয় তিউনিসিয়ার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অগ্রহণযোগ্য হস্তক্ষেপ’ হিসেবে।
বুধবার সকালে তিউনিসিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জারদানি তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলুর টেলিফোনে কথা বলেন এবং তুরস্কের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেন।
ক্ষমতা দখলের জন্য পশ্চিমা দেশ ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের তীব্র সমালোচনার মধ্যে রয়েছেন প্রেসিডেন্ট সাঈদ। জাইন আল আবেদিন বেন আলীর পতনের মধ্য দিয়ে দেশটিতে গণতন্ত্রের সূত্রপাত হয়েছিল, যা সাঈদের ক্ষমতা দখলের মাধ্যমে সমাপ্তি ঘটতে পারে—এমন শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ভারতের সবচেয়ে ধনী হয়েও সোনার অলঙ্কার পরেন না নীতা আম্বানি, কেন…?
টানা ৫০ বার ফেল।। এরপর Google এ ১.১০ কোটি টাকা প্যাকেজের চাকরি

