//বিশেষ প্রতিনিধি//
লাকসামের বহুল আলোচিত সুরক্ষা সিটির শিবির ক্যাডার ভুট্টো কি বিদেশে পালিয়ে গেছে ? এনিয়ে শতশত বিনিযোগকারীর মাঝে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা। সবাই নিয়ে খোঁজ খবর নিতে সুরক্ষা সিটিতে প্রতিদিন ভিড় জমাচ্ছেন। কিন্তু কেউ সঠিক তথ্য দিতে পারছেন না।
গত ৩ অক্টোবর সোসাল মিডিয়ার মাধ্যমে আসাদুজ্জামান ভুট্টোর বিদেশে যাওয়ার খবর প্রচারিত হয়। দেখাযায় অট্টো হাসির মাধ্যমে সবাইকে বিদায় জানাচ্ছেন তিনি। এর পর থেকে বৃহত্তর লাকসামে সুরক্ষা সিটির প্রায় ৩০০০ বিনোগকারীর ঘুম হারাম হয়ে গেছে। তারা বুঝে উঠতে পারছেনা কিভাবে বিনোগকৃত অর্থ ফেরত পাবে ?
লাকসাম বাইপাসে বিশ্বমানের একটি হাসপাতাল ও শপিং কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠার শ্লোগান দেন ভুট্টো। আকাশ কুসুম স্বপ্ন দেখিয়ে প্রায় ৩ হাজার শেয়ার হোল্ডারের কাছ থেকে ৩০ কোটি টাকা।
ইতিমধ্যে সুরক্ষা সিটির দোকান ও বিভিন্ন বিক্রি হয়ে গেছে। হাসপাতালটি নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখালেও সম্প্রতি এর কার্যক্রম বন্ধ করে মাসিক আড়াই লক্ষ টাকার ভাড়া দিয়েছে। যা শান্তা হাসপাতাল-২ নামে পরিচিতি লাভ করেছে। কমিউনিটি সেন্টারটিও ভাড়া দিয়েছেন।
এসব কারনে বিনিয়োগকারীরা হাবুডুবু খেততেন শুরু করে। শুরু হয় খোজ খবর নেওয়ার কার্যক্রম। একপর্যায়ে থলের বিড়াল বেড়িয়ে পড়ে সুরক্ষা সিটি ও আসাদুজ্জামান ভূট্টোর।
বিনিয়োগকৃত টাকা কোথায় আছে? সম্পদ কোথায়? এর কোন কুলকিনারা খুজে পাচ্ছে না তারা।
এদিকে সুরক্ষা সিটির প্রবেশ পথ ও প্রধান সড়কের পাশে জায়গায় মালিকানা নিয়ে সরকারের সাথে মামলা চলমান। উক্ত খাস জায়গায় অবৈধভাবে ইমারত নির্মান করায় এসিল্যান্ডের পক্ষে থেকে এলএসটি মামলা চলমান।
জানা গেছে, এই খাস জায়গা এখন হাতছাড়া হলেও মূল ভবনটি হুমকির মুখে পড়বে। যা বিনিয়োগকারীদের উৎকন্ঠার অন্যতম কারন।
সোস্যাল মিডিয়া ও পত্রপত্রিকায় এনিয়ে লেখালেখি চলমান থাকায় প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসাদুজ্জামান ভূট্টোর হটাৎ বিদেশে চলে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের হাহুতাশ এখন চরম পর্যায়ে।
তার পালিয়ে যাওয়ার গুজবে বিনিয়োগকারীরা এখন চরম উদ্বেগ ও উৎকন্ঠায় রয়েছে।
প্রধানমত্রী শেখ হাসিনা যতদিন আছেন এদেশে কোন অশুভ শক্তির জায়গা হবে না: সালাম মূশের্দী এমপি

