//এম মুরশীদ আলী//
রূপসায় সাংবাদিকের ছেলে কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ডেকে নিয়ে ১ রাত গুম এবং পারের দিন কুপিয়ে জখম করে এক জাসাস নেতা। তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের।
অভিযোগ পত্রে উল্লেখ- সাংবাদিক মো. বাবর হোসেন বাকী, জাতীয় দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় রূপসা প্রতিনিধি এবং রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক। তিনি বলেন- আমার ছেলে আব্দুল্লাহ যোবায়ের খুলনা প্রকৌশলী কলেজে অধ্যায়নরত। তাকে আনন্দনগর গ্ৰামের জাসাস নেতা শাহজালাল লস্কর, গত ৮ সেপ্টেম্বর মোবাইলে ডেকে নিয়ে রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষ নিজের বসত ঘরে ঘুমিয়ে রাখে। ঐসময় ছেলের কাছে ২টি দামি মোবাইল ফোন ছিল। যার একটি হলো অপ্পো ফেক্সজিড, মূল্য- ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা, আর একটি অপ্পো মোবাইল আনুমানিক মূল্য ২০ হাজার টাকা সহ নগদ অর্থ কেড়ে নেয়। এর
পরের দিন গত ৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৯ টায় দিকে ঘরে আটকিয়ে পরিকল্পিত ভাবে গলায় চাপাটি ধরে হত্যার ভয় দেখিয়ে স্বীকারোক্তি হিসেবে ভিডিও ধারণ করে এবং চোর সাব্যস্ত করে বলে আমি যা বলবো তাই স্বীকার করবি। ঐ সময় শেখানো কথা বলতে ছেলে অস্বীকৃতি জানালে তার পায়ে কুপিয়ে জখম সহ মারপিটে করে রাস্তার পাশে ফেলে যায়। রোডে চলাচলরত অজ্ঞাত এক ভ্যান চালক তুলে নিয়ে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা জন্য ভর্তি করেন। ঘটনার পরবর্তীতে শাহজালাল লস্কর আমার মোবাইলে ভয়েস কল পাঠায় যে ছেলে তার কাছে আছে কিন্তু মারপিটের বিষয়ে জানতে পায় হাসপাতাল সূত্রে।
তিনি আরো উল্লেখ করেন- জাসাস নেতা শাহজালাল লস্কর দল থেকে বহিষ্কৃত। সে
আমার ছেলেকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে শিক্ষা জীবনটি নষ্ট করছে জানতে পেয়ে তাৎক্ষণিক খুলনা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, খুলনা জেলা পরিষদ প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পীর কাছে নালিশ করি। পরবর্তীতে তিনি শাহজালাল লস্করকে ডেকে শাসায় যে, আর কখনো সাংবাদিকের ছেলে আব্দুল্লাহ যোবায়েরকে ডাকবি না। তোর নামে এরকম নালিশ অনেকেই করছে সাবধান হয়ে যা।
ঐ রাগের প্রতিশোধ নিতে আজ শাহজালাল লস্কর সহ তার গুন্ডা বাহিনী আমার ছেলেকে হত্যার চেষ্টায় মারপিট করেছে। আমি এর প্রতিকার চাই। আর কোনো শিক্ষা জীবন নষ্ট করতে না পারে।
এব্যাপারে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার নিশাত তাছনিম জানান- পেশেন্ট এখানে রক্তাক্ত অবস্থায় পায়ের হাঁটুর নিচে ধারালো কিছুর কুপে রক্তাক্ত এবং ছেলা-ফোলা অবস্থায় আসে। তার খতটা বেশ গভীর ছিল, তাকে একটি এক্সরে করাতে বলা হয়েছে। রিপোর্ট আসলে বিস্তারিত বোঝা যাবে।

