বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত হলো খুলনার রূপসায়

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

‘তামাকমুক্ত সমাজ গড়ি, সুস্থ বাংলাদেশ গড়ি’। এ প্রতিপাদ্য সঙ্গে নিয়ে রূপসা উপজেলা প্রশাসন আয়োজনে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসের এক র‍্যালি শেষে আলোচনা সভা গত ৭ জুলাই সকাল সাড়ে ১১ টায় অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

তামাকমুক্ত করনীয় বিষয়ে বিশদ আলোচনা করেন (সভার সভাপতি) উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইফতেখারুল ইসলাম শামীম। তিনি বলেন- দেশে তামাকজনিত রোগে বছরে প্রচুর মানুষের মৃত্যু এবং পঙ্গুত্বের ঘটনা ঘটেছে। মানব জীবন রক্ষায় ১৯৮৯ সাল থেকে বিশ্বে দিবসটি উদযাপিত হয়ে আসছে। প্রতিবছর এ দিনে  দিবসটি পালনের মাধ্যমে আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় মানব জীবনে স্বাস্থ্য, অর্থনীতি ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ব্যাপারে।

পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপান নিষিদ্ধ এবং পাবলিক পরিবহনে সতর্কতামূলক নোটিস প্রদর্শন এবং তামাকজাত দ্রব্য প্যাকেটে স্বাস্থ্য সতর্কবাণী দেওয়া থাকে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানসমূহের আশপাশ ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় নিষিদ্ধ।  তাছাড়া ১৮ বছরের নিচে অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুর কাছে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যঝুঁকি রক্ষায় সরকারের পাশাপাশি মিডিয়া ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা এগিয়ে আসলে তামাকমুক্ত দেশ গড়া সম্ভব হবে।

এসময় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তরুণ কুমার বালা, রূপসা থানা (ওসি তদন্ত)) আব্দুর সবুর খান, মেডিকেল অফিসার মো. আল আমিন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. বুরহান উদ্দীন।

আলোচনা সভায় আরও বক্তৃতা করেন- উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোল্লা সাইফুর রহমান, সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক,

ইউআরসি ইনসট্রাক্টর এহতেশামুল হক, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মুহা: আবুল কাশেম, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. বজলুর রশীদ, সমাজসেবা কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম তরফদার, অধ্যক্ষ মো. আতাহার আলী ফকির, রূপসা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা মো. মোশাররফ হোসেন, সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমা আক্তার, ইউপি সদস্য সফিকুল ইসলাম, শিক্ষক সাবানা, মোছাঃ নাসরিন খাতুন, কমল চন্দ্র সানা প্রমুখ।

তামাকমুক্ত দিবসটি যথাযথ পালনের লক্ষ্যে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে উপস্থিত সকলের মাঝে বিভিন্ন জাতের গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

খুলনার রূপসায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

“উন্নত পল্লী সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”। এ প্রতিপাদ্য নিয়ে গত ৬ জুলাই জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালন উপলক্ষে রূপসা উপজেলায় এক র‍্যালি শেষে আলোচনা সভা অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে উপস্থিত সকলের মাঝে বিভিন্ন জাতের গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

খুলনার রূপসায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইফতেখারুল ইসলাম শামীম।

আলোচনা সভায় রূপসা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক ইকবাল আজিজের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তরুন কুমার বালা, রূপসা থানা ওসি আবদুর রাজজাক মীর, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জ্যোতি কনা দাস, ব্র্যাক বাংলাদেশ ডিভিশনাল ম্যানেজার মো. আবু সাঈদ এবং জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তফা উল বারী লাভলু।

ফিল্ড অফিসার কৃষ্ণ গোপাল সেনের সঞ্চালনায়  বক্তব্য রাখেন- উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ বোরহান উদ্দিন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, সমবায় কর্মকর্তা জান্নাতুল ইসলাম রুমি, সমাজসেবা কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম তরফদার, ইউসিসিএ লিমিটেডের চেয়ারম্যান হাসিবুর রহমান বাবুল লস্কর, সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তা নুরুর রহমান, সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার বিশ্বাস, সাবেক চেয়ারম্যান গোপাল চন্দ্র মন্ডল, সাংবাদিক তরুন চক্রবর্তী বিষ্ণু, রিশাদুল ইসলাম ও ইউসুফ শেখ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা পল্লী উন্নয়নের গুরুত্ব, গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালীকরণ এবং টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সরকারি উন্নয়ন কোনো ধরনের দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না ……রূপসায় আজিজুল বারী

//এম মুরশীদ আলী//

এম মুরশীদ আলী : “উন্নত পল্লী সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”। এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে আগামী ৬ জুলাই জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস সফল করার লক্ষ্যে গত ৩ জুলাই বিকেলে রূপসা উপজেলার মডেল মসজিদ মিলনায়তনে কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কৃষি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস কে আজিজুল বারী হেলাল। তিনি বললেন-  বিএনপির তথ্য সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন দেশের কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে হলে কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমাতে হবে। এছাড়া সহজ শর্তে ঋণ নিশ্চিত করা, কৃষি সহায়তা প্রকৃত কৃষকের হাতে পৌঁছে দিতে হবে। কৃষকদের বাদ দিয়ে দেশের উন্নয়ন কল্পনা করা যায় না। মাঠের কৃষক ভালো থাকলে দেশের অর্থনীতিও শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়াবে। কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার, বীজ, কৃষি উপকরণ, ঋণসহ সরকারি সহায়তা যেন কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা প্রভাবশালীর হাতে না গিয়ে প্রকৃত কৃষকের কাছে পৌঁছায়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। কৃষকের অধিকার রক্ষার পাশাপাশি উৎপাদন বৃদ্ধিতে স্থানীয়ভাবে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি বলেন, বিএনপি এমন একটি সংগঠন যাদের নেতা-কর্মীর জনগণের জবাবদিহিতায় বিশ্বাসি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার জনগণের প্রতিটি টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করবে। সকলকে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের উর্ধ্বে থেকে মানুষের আস্থা অর্জন করতে হবে সেবার মাধ্যমে। সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে কোনো ধরনের দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। রাস্তা-ঘাট, সেচব্যবস্থা ও অন্যান্য উন্নয়ন কাজ নির্ধারিত সিডিউল অনুযায়ী সম্পন্ন করতে হবে। কোথাও অনিয়ম বা নিম্নমানের কাজ হলে তা বন্ধের ব্যবস্থা নিতে হবে। জনগণের অর্থের অপচয় কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তিন বলেন কৃষকদের কথা চিন্তা করে পল্লী উন্নয়ন বোর্ড  বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। সমবায়ের মাধ্যমে কৃষকদের ঋণ প্রদান ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার সেই উদ্যোগ আজও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। পরিবেশ দূষণ হয় এমন কোনো কাজ করা যাবে না। পল্লী কৃষি, উন্নয়ন ও পরিবেশের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখেই এগিয়ে যেতে হবে। বর্তমান সরকার দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। প্রতিটি শিক্ষার্থীকে একটি করে গাছ লাগাতে হবে এবং পরিবারের প্রতিটি সন্তানের নামে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ করতে হবে।  কৃষি ও পরিবেশ একে অপরের পরিপূরক। পরিবেশ রক্ষা ছাড়া টেকসই কৃষি সম্ভব নয়। তাই বৃক্ষরোপণে কৃষকসহ সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত হতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাখেন রূপসা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, রূপসা থানা ওসি আবদুর রাজ্জাক মীর, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক খান জুলফিকার আলি জুলু, মোল্যা খায়রুল ইসলাম, রূপসা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান, সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক আতাউর রহমান রুনু।

কৃষক সমাবেশে স্বাগত বক্তৃতা করেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার তারেক ইকবাল আজিজ।

রূপসা ইউসিসিএ লিমিটেডের সভাপতি হাসিবুর রহমান বাবুল লস্করের সভাপতিত্বে এবং ফিল্ড অফিসার কৃষ্ণ গোপাল সেনের সঞ্চালনায় বিএনপি নেতা মহিউদ্দিন মিন্টু, সমবায়ী এ্যাডঃ সুশীল কুমার পাল, তাইজুল শেখ, ধিমান দাস, অমেলা শিকদার প্রমূখ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) প্রদীপ কুমার বিশ্বাস, খুলনা জেলা আরিফুর রহমান আরিফ, মোল্যা রিয়াজুল ইসলাম, আছাফুর রহমান,জেলা মহিলাদল নেত্রী শাহানাজ ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বিকাশ মিত্র, বিএনপি নেতা হুমায়ূন কবীর, এসএম সবুর রাজীব,এসএম আঃ মালেক, মিকাইল বিশ্বাস, দিদারুল ইসলাম, আজিজুল ইসলাম নন্দু, মনিরা বেগম, শারমিন আক্তার আঁখি, খন্দকার শরিফুল ইসলাম, রেজাউল ইসলাম রেজা, শামীম হাসান, সরদার শিহাব, ফিরোজ মাহমুদ, মহিতোষ ভট্টাচার্য, আমিনুল ইসলাম তারেক, জহিরুল হক শারাদ, তরিকুল ইসলাম রিপন, মনিশংকর রায়, এসএম আবু সাঈদ, নাঈম আহম্মেদ, মঞ্জু শিকারি, জাহাঙ্গীর হোসেন, ওমর ফারুক প্রমূখ।

সভা শেষে ২০০ জন কৃষকের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করেন এমপি।

রূপসায় ইয়াদ আলী সড়কটিকে টেকসই সড়ক নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম ; চরম ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে জনতা

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

বর্তমান সরকারের টেকসই সড়ক নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম দেখে সহ্য করতে পারছে না স্থানীয় জনতা। ১ কোটি ১২ লক্ষ ২৭ হাজার টাকায় ইয়াদ আলী সড়কের ১ কিলো ৩০ মিটার পর্যন্ত নির্মাণ হচ্ছে।

এ কাজে নিম্নমানের আমা ইটের গাঁথুনিতে ৬টা বালুর সাথে ১টা সিমেন্ট মিশ্রণ করে রাস্তার গাইড ওয়াল নির্মাণের মধ্যে ওয়াল হেলে যাওয়া এবং ইটের গাঁথুনি খুলে যাওয়ার ফলে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

ফারজানা এন্টারপ্রাইজ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি রূপসা বাগমারা রব ঠিকাদারের মোড় থেকে মদনার খাল পর্যন্ত রাস্তাটির নির্মাণ কাজে ফাঁকি দিয়ে মোটা অংকের টাকা লাভের আশায় রাস্তার গাইডওয়াল গাঁথুনিতে নিম্নমানের বালুর পাশাপাশি সিমেন্ট কম দেওয়া এবং নিম্নমানের আমা ইট ব্যবহার করার ফলে, বিভিন্ন স্থান থেকে ইট খুলে পড়ে যাচ্ছে। এতে স্থানীয়রা চরমভাবে অসন্তোষ হয়েছে।

ত্রুটিপূর্ণ কাজ নিয়ে স্থানীয় ছাত্রনেতা সাজ্জাদ হোসেন লিপন সহ একাধিক নারী-পুরুষরা বলেন- সরকারি অর্থে নির্মিত সড়কের কাজটি সঠিক নিয়মে সম্পন্ন করতে হবে। চলমান কাজটি শেষ হওয়ার আগেই বিভিন্ন স্থানের ইট খুলে পড়ে যাচ্ছে। এ কাজের মান নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, জনগণের করের টাকায় নির্মিত সড়কের কাজে কোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি মেনে নেওয়া যায় না। ভবিষ্যতে এ সড়কটি টেকসই হবে কি-না, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এলাকাবাসী।

 

রূপসায় ইয়াদ আলী সড়কটিকে টেকসই সড়ক নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম ; চরম ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে জনতা

চলমান কাজের লেবার সরদার ও রাজমিস্ত্রী বলেন- এ রাস্তার সাইড ওয়ালের গাঁথুনি বালু মোটামোটি এবং ৬টা বলুর সাথে ১টা সিমেন্ট মিশ্রণ করে দিতে বলেছেন ঠিকাদার। আর ইটের মানতো দেখতেই পাচ্ছেন। তাদের কথায় ১নং ও দেড় নং ইটের দেখা না মিল্লেও ৩/৪ নং ইট দ্বারা সাইড ওয়াল নির্মিত সেটা দৃশ্যমান হয়েছে।

সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (SAE) আবু সালেহ মুসা আশিক কাজটি দেখা শোনার দায়িত্বে আছে। তিনি মুঠোফোনের মাধ্যমে জানান, বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে মাত্র ৩ বার সাইড পরিদর্শন গিয়েছিলেন এবং ইটের মান খারাপ পেয়ে সে ইট ফেরত পাঠানো হয়ে ছিল। এর মধ্যে ৮% এর মত বিলও উঠিয়েছে ঠিকাদার।

উপজেলা প্রকৌশলী শোভন সরকার বলেন- রূপসায় (KDRIDP প্রকল্প) খুলনা বিভাগ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের কাজটি পেয়েছে ফারজানা এন্টারপ্রাইজ। সাইডের কাজটি প্রতিনিয়ত তদারকির দায়িত্বে অফিসের (SAE) আশিকে দেওয়া আছে। আমি সদ্য ফকিরহাট উপজেলায় বদলী হয়েছি। তার পরও জুন মাসের কারনে দুই উপজেলায় ডিউটি করতে হচ্ছে। ঠিকাদার সরকারি কাজে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করছে জানতে পেয়েছি। আমি পরিদর্শনে যাব এবং ইষ্টিমেট অনুযায়ী কাজ না করলে তার সমুদয় বিল পাস হবে না।

…… চলবে

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে রূপসায় দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

//এম মুরশীদ আলী,  খুলনা//

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, নির্ভুল ও জনবান্ধব কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার জন্য করণীয় শীর্ষক কর্মশালা গত ১৭ জুন দিনব্যাপী

উপজেলা অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি ও মুখ্য আলোচক হিসেবে বিশদ আলোচনা করেন স্থানীয় সরকার খুলনার উপ-পরিচালক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন- শিশু জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন করতে হবে। এ কারণে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন টার্গেট দেওয়া থাকে যে, এক মাসের মধ্যে কতজন জন্মগ্ৰহন করেছেন এবং কতজন মৃত্যুবরণ করেছে তা নিবন্ধন করাটাই টার্গেট পূরণ হবে। এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কাজ গতিসম্পন্ন ভাবে চালিয়ে যেতে হবে। পাশাপাশি বাল্যবিবাহ রোধে ইউনিয়ন পরিষদ সংশ্লিষ্ট সকলকে কাজ করতে হবে। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন শুধু একটি প্রশাসনিক কার্যক্রম নয়, এটি একজন নাগরিকের রাষ্ট্রীয় পরিচয়ের ভিত্তি। একটি শিশুর জন্মের পর নির্ধারিত সময়ে সঠিক হালনাগাদ নিবন্ধন তথ্য সরকারের পরিকল্পনা প্রণয়ন জনসেবা প্রদান এবং জাতীয় তথ্যভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি, নিবন্ধক, প্রশাসন ও সাধারণ জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সকলকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে শতভাগ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন নিশ্চিত করতে হবে।

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে রূপসায় দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

রূপসা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতা। এসময় তিনি জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে বিদ্যমান সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন এবং সেবার মানোন্নয়নে সকলের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন- রূপসা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাঈদুর রহমান, সহকারী প্রোগ্রামার ইমরান হোসেন, ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলাম নন্দু, ইলিয়াজ হোসেন, জিয়াউল ইসলাম গাজী, মাসুম বিল্লাহ, ইউপি সদস্য ফিরোজ মাহমুদ, ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা সৌমিক রায়, প্রদীপ কুমার সাহা, মোঃ শামীমুজ্জামান, শেখ আলমগীর হোসেন, মোঃ নাছির উদ্দীন প্রমুখ। কর্মশালায় বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

কর্মশালা শেষে উপস্থিত সকলের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করেন প্রধান অতিথি।

রূপসায় বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী প্রদর্শনীতে এমপি হেলাল

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

রূপসায় এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (EESS) এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর আয়োজনে মেধা বিজ্ঞান উদ্যোগ ও উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বিজ্ঞান প্রকল্প শুরু ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী কর্মসূচি গত ১২ জুন (শুক্রবার) দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিজ্ঞান প্রদর্শনীযে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস কে আজিজুল বারী হেলাল। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বর্তমান বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তনশীল। এই পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হলে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। কেবল বইয়ের পড়াশোনায় সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান, গবেষণাধর্মী মানসিকতা এবং উদ্ভাবনী চিন্তা গড়ে তুলতে হবে। আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, উদ্যোক্তা ও নেতৃত্বদানকারী শক্তি। তাই তাদের মেধা বিকাশের জন্য প্রয়োজন সঠিক দিকনির্দেশনা, আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা এবং সুযোগ-সুবিধা। সরকার ও সমাজের সকল স্তরের মানুষ যদি একসাথে কাজ করে, তাহলে রূপসা উপজেলা শুধু নয়, পুরো দেশই একটি প্রযুক্তিনির্ভর ও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে।

এছাড়াও তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ছোট ছোট উদ্ভাবনী ধারণাও ভবিষ্যতে বড় পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে। তাই ভয় না পেয়ে নতুন কিছু চিন্তা করতে হবে, প্রশ্ন করতে হবে এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নিজের দক্ষতা বাড়াতে হবে। বিজ্ঞানই পারে একটি জাতিকে এগিয়ে নিতে এবং আত্মনির্ভরশীল করতে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতা। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন রূপসা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস. এ. আনোয়ারুল কুদ্দুস।

মাধ্যমিক একাডেমিক সুপারভাইজার নিত্যানন্দ মণ্ডলের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক মীর, খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, জেলা বিএনপির সদস্য শেখ আব্দুর রশিদ, রূপসা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান, সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রুনু, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শেখ আবু সাঈদ।

উপস্থিত ছিলেন- অধ্যক্ষ হিল্লোল মুখার্জি, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন, খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য আনিসুর রহমান বিশ্বাস, আরিফুর রহমান আরিফ, আছাফুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বিকাশ মিত্র, সমাজসেবক জাকির হোসেন জমাদ্দার, বিএনপি নেতা কবীর শেখ, রয়েল আজম, রবিউল ইসলাম রবি, জিয়াউল ইসলাম বিশ্বাস, ইলিয়াজ হোসেন, খান আনোয়ার হোসেন, মহিউদ্দিন মিন্টু, শরিফুল ইসলাম বকুল, মিকাইল বিশ্বাস, আজিজুর রহমান, দিদারুল ইসলাম, এছাড়াও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মোট ১৫টি স্টলে তাদের নতুন নতুন উদ্ভাবনী বিজ্ঞান প্রকল্প ও আইডিয়া প্রদর্শন করে। এতে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিনির্ভর চিন্তার প্রকাশ ঘটে।

রূপসাকে আধুনিক ও উন্নত উপজেলায় পরিণত করতে চান – এমপি আজিজুল বারী হেলাল

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় কৃষি গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং মাঠপর্যায়ে কৃষকদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। কৃষিকে লাভজনক ও টেকসই খাতে পরিণত করতে পারলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি উদ্বৃত্ত কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব হবে। বিএনপি সরকার সবসময় কৃষিবান্ধব সরকার। কৃষকের উন্নয়ন, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। তাই কৃষকের জীবনযাত্রা উন্নয়ন, উৎপাদন ব্যয় হ্রাস এবং কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। কৃষি খাতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে এবং গবেষণার ফলাফল মাঠপর্যায়ে পৌঁছে দিতে হবে। কৃষককে শুধু উৎপাদন নয়, বাজারজাতকরণ ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে। তাহলেই কৃষি হবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে হবে। যার ওপর যে দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে, তা সততা, নিষ্ঠা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে পালন করতে হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা অবহেলার স্থান নেই। জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করাই হবে সকলের প্রধান লক্ষ্য। আমরা এমন একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ সমানভাবে উন্নয়নের সুফল ভোগ করবে।

তিনি আরও বলেন, রূপসাকে আমরা একটি শান্তিপূর্ণ, আধুনিক ও উন্নত উপজেলায় পরিণত করতে চাই। কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়নের মাধ্যমে রূপসাকে দেশের অন্যতম মডেল উপজেলায় রূপান্তর করা হবে। উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে সরকার ও জনগণকে একযোগে কাজ করতে হবে। রূপসা হবে শান্তির, উন্নয়নের এবং সম্ভাবনার রূপসা। গত ১২ জুন (শুক্রবার) সকালে রূপসা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে “প্রোগ্রাম অব এগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) অর্থাৎ বাংলাদেশে পুষ্টি উন্নয়ন, উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও সহনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি ও গ্রামীণ রূপান্তর কর্মসূচি (পার্টনার) প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা রিকতা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পার্টনার প্রোগ্রামের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার মো. মোছাদ্দেক হোসেন, খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) সুবীর কুমার বিশ্বাস, খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, রূপসা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান, সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রুনু, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শেখ আবু সাঈদ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তরুণ কুমার বালা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা সুজিত কুমার মণ্ডল।

এ সময় উপস্থিত উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জ্যোতি কণা দাস, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা পপি সাহা ও মো. হাসিবুর শেখ, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাঈদুর রহমান, সহকারী প্রোগ্রামার ইমরান হোসেন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ বজলুর রহমান, সমাজসেবা কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম তরফদার, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মুহা. আবুল কাশেম, উপজেলা রিসোর্স ইন্সট্রাক্টর এহতেশামুল হক, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, অধ্যক্ষ হিল্লোল মুখার্জি, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন, খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য আনিসুর রহমান বিশ্বাস, আরিফুর রহমান আরিফ, আসাফুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বিকাশ মিত্র, সমাজসেবক জাকির হোসেন জমাদ্দার, বিএনপি নেতা কবীর শেখ, রয়েল আজম, রবিউল ইসলাম রবি, জিয়াউল ইসলাম বিশ্বাস, ইলিয়াজ হোসেন, খান আনোয়ার হোসেন, মহিউদ্দিন মিন্টু, শরিফুল ইসলাম বকুল, মিকাইল বিশ্বাস, আজিজুর রহমান, দিদারুল ইসলাম, আরিফ মোল্যা, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বনি আমিন সোহাগ, সাবেক ছাত্রনেতা খান আলিম হাসান, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রেজাউল ইসলাম রেজা, মাসুদ খান, যুবদল নেতা মুন্না সরদার, শাহজামান প্রিন্স, তরিকুল ইসলাম রিপন, নয়ন মোড়ল, বিএনপি নেতা মহিতোষ ভট্টাচার্য, ফিরোজ মাহমুদ, শামীম হাসান, বাদশা জমাদ্দার, কামরুজ্জামান নান্টু, জহিরুল হক শারাদ, এসএম আবু সাঈদ, নাঈম ইসলাম, মোকাররম হোসেন, রহিমা আক্তার নয়ন, হাকিম কাজী, রাজু দাস, তপন দাস, সাইফুল মোল্যা প্রমুখ।

রূপসায় ‘মা জায়েদা-জান্নাত’ মানবকল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে ঈদ উপহার

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

নিজ এলাকার অসহায় মানুষের ঈদ কাটবে হাসিখুশিতে। এ উদ্দেশ্য নিয়ে ‘মা জায়েদা-জান্নাত’ মানবকল্যাণ সংস্থা রূপসা উপজেলা সদরে গত ২৭ মে ঈদ উপহার সামগ্রী ও অসুস্থদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করেছে।

ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি (সাংবাদিক) জিএম আসাদুজ্জামান।

মা জাহেদা জান্নাত সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এইচ এম মাসুদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা প্রদান করেন- (সাবেক ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান) এইচ এম কামরুল ইসলাম কচি, এইচ এম আজিজুল ইসলাম।

আব্দুল মজিদ শেখের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন- আবু দাউদ ডানিস, মো. আসেফ হাসান রিফাত, রেজোয়ান আহম্মেদ, মো. নজরুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

‘মা জায়েদা-জান্নাত’ মানবকল্যাণ সংস্থাটি অসুস্থদের মাঝে নগদ অর্থ প্রদান সহ ১৫০ জনের মাঝে সিমাই-চিনি, দুধ ও চাউল দিয়ে ঈদের স্বচ্ছতা খুশি করলেন। এর আগে নিজ এলাকায় দবির উদ্দিন হাফেজিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের খাবারের চাউল বিতরণ করেছে।

রূপসা (ইউ সি সি এ) লিমিটেড এ নির্বাচন সম্পন্ন- বাবুল লস্কর সভাপতি

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

রূপসা উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির নির্বাচনে ৯৬ জন ভোটার মধ্যে হাসিবুর রহমান বাবুল লস্কর ৬৭ ভোট পেয়ে সমবায় সমিতির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. শাহজাহান ফকির ২৭ ভোট পেয়ে পরাজিত হন।

গত ২০ মে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির নির্বাচন উৎসবমুখর, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৯৬ জন ভোটারের মধ্যে ৯৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এ নির্বাচনে সহ-সভাপতি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন মো. তাইজুল ইসলাম। ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ধীমান কুমার দাস। তাছাড়া সদস্য পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন বাসুদেব কর্মকার, শ্যামল কুমার পাল এবং ধীমান চন্দ্র মালাকার।

সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন তেরখাদা সমবায় অফিসার মো. মনজুরুল কবীর, পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জেলা সমবায় কার্যালয়ের প্রশিক্ষক রাধাকান্ত ঘোষ, রূপসা ইউসিসিএ লিমিটেডের হিসাব সহকারী রবিউল ইসলাম। নির্বাচন পরবর্তী বিকেল ৪ টায় বিআরডিবি কার্যালয়ে ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা সমবায় কর্মকর্তা সৈয়দ জসিম উদ্দিন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- খুলনা জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোস্তফা উল বারী লাভলু, উপজেলা পল্লী ইউনিয়ন কর্মকর্তা তারেক ইকবাল আজিজ, সরকারি পল্লী ইউনিয়ন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) প্রদীপ কুমার বিশ্বাস, জেলা বিএনপির সদস্য ও ভারপ্রাপ্ত ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আসাবুর রহমান, দৈনিক সময়ের খবরের মফস্বল সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বাবলু, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বিকাশ মিত্র, জেলা যুবদলের সদস্য তরিকুল ইসলাম রিপন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হুমায়ুন কবির, নৈহাটি ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক আহ্বায়ক মহিউদ্দিন মিন্টু, যুবদল নেতা মুন্না সরদার, খায়রুল আলম খোকন প্রমূখ।

রূপসায় উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

রূপসায় কারিতাস বাংলাদেশ খুলনা অঞ্চল আয়োজিত মানব পাচার হতে উদ্ধারপ্রাপ্ত নারী ও পুরুষদের জন্য আশ্বাস প্রকল্প (ফেজ-২) এর আওতায় “Provide Sensitization Session to Private and Public Institutions” শীর্ষক সরকারি ও বেসরকারি পরিষেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে উদ্বুদ্ধকরণ সভা গত ২০ মে সকালে উপজেলা মডেল মসজিদ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন- উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতা।

উদ্বুদ্ধকরণ সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জ্যোতি কনা দাস, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস এ আনোয়ারুল কুদ্দুস, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ বজলুর রহমান ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন। অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য রাখেন প্রকল্পের ব্যবস্থাপক প্রভাষ চন্দ্র বিশ্বাস।

সারভাইভারদের পুনঃএকত্রীকরণে কার্যকর সেবা প্রদানের লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেন প্রকল্পের ডেপুটি ম্যানেজার (এম অ্যান্ড ডি) আসিফ মল্লিক শুভ। এর পূর্বে অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রকল্পের কেস ম্যানেজার (সোশ্যাল সার্ভিস) লিমন রায়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ম্যানেজার মিলন কান্তি সরকার, ইসলামী রিলিফ বাংলাদেশ রূপসার মোঃ জাকারিয়া, প্রকল্পের সোশ্যাল মোবিলাইজার লাভিনিয় মুক্তা, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইলিয়াজ হোসেন প্রমুখ।

উক্ত প্রকল্পটি বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ের মাধ্যমে মানব পাচার থেকে উদ্ধারপ্রাপ্ত নারী ও পুরুষদের মর্যাদা পুনরুদ্ধার, সার্বিক কল্যাণ এবং আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনে সহায়তা করে আসছে। উদ্বুদ্ধকরণ সভায় সারভাইভারদের বিভিন্ন সমস্যা, বৈষম্য, নিরাপত্তা ও মানসিক সহায়তাসহ প্রয়োজনীয় সেবা প্রাপ্তির বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি তাদের জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সংগ্রামের গল্প উপস্থাপনের মাধ্যমে বর্তমান অবস্থা, সমস্যা ও চাহিদা সম্পর্কে তথ্য তুলে ধরা হয়। এই প্রতিষ্ঠানটি রূপসায় ৮৯ জন নারী ও পুরুষ সারভাইভারকে চিহ্নিত করে ৭৬ জনকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিভিন্নভাবে সহায়তা প্রদান করছে। সভায় মানব পাচার রোধে সচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক সহযোগিতা এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।