গাড়ি, ঘোড়া আর মান্ধাতা আমলের বন্দুক ছিল পুলিশ বাহিনীর অতীত সম্বল। কালের বিবর্তনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পুলিশ বাহিনীতে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগলেও বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী যেন সেই কুসংস্কারাচ্ছন্ন ধ্যান ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে পারছিল না।
কিন্তু সেই প্রাচীন ধ্যান ধারণা থেকে বের হয়ে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর বহরে সংযুক্ত হলো ১০ টি হেলিকপ্টার। পুলিশ বাহিনীর এই হেলিকপ্টার সংযোজনে বাংলাদেশী হিসাবে উন্নত হলো মম শির।
বুকটা উঁচিয়ে বলতে ইচ্ছে করে বাংলাদেশীরাও পারে তাদের পুলিশ বাহিনীকে উন্নয়নের চরম শিখরে উঠাতে। সারা দেশের পুলিশ বাহিনীর মধ্যে খুশির বন্যা বইছে।
বিপদ মুহূর্তে আর কারো কাছে হাত পাততে হবে না, জীবনের শেষ সময়ে সুচিকিৎসার জন্য নিজেদের হেলিকপ্টারে করে ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশেষায়িত পুলিশ হাসপাতালে যেতে পারবে।এই বিশ্বাস কাজ করছে সমগ্র পুলিশ বাহিনীতে। সৃজনশীল কাজ সর্বদা অমরত্ব পায়।কিন্তু তখন দেখা যায় সেই সৃজনশীল ব্যক্তিরা থাকেন না।
স্মৃতিময় হয়ে স্বর্ণযুগ স্মরণ করবে এই হেলিকপ্টার সংযোজনের উদ্যোগতা মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন, কামাল ও বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি জনাব বেনজির আহম্মদ- এর নাম।
//নিজস্ব প্রতিবেদক, স্বীকৃতি বিশ্বাস//
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী পালিত রাণীশংকৈলে

