করোনার বৈশ্বিক মহামারী পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও কালবৈশাখী ঝড়ের ন্যায় রাজধানীর ঢাকার সাথে পাল্লা দিয়ে প্রত্যন্ত গ্রামেরও ছড়িয়ে পড়ার উপক্রম হয়েছে। আর তাই সরকার ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল-২০২১ পর্যন্ত সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছে।
দেশব্যাপী লকডাউনের প্রথম দিন আজ। অনাঙ্ক্ষিতভাবে লকডাউনের প্রথম দিন পড়ে গেছে বাঙালির প্রাণের উন্মাদনার দিন পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ এবং সিয়াম সাধনার মাস, পবিত্র রমজানের প্রথম দিন।
বাঙালি উৎসব প্রিয় জাতি। যে কোন উৎসবে বাঙালির আনন্দ ও উচ্ছাসের কমতি থাকে না। কিন্তু করোনার এই দ্বিতীয় সুনামির কারণে গতবছরের ন্যায় এবারও উৎসব ও আনন্দ উদযাপন করতে পারছে না। আর তাই সকলের ন্যায় বাংলাদেশ পুলিশও সমব্যথিত হয়ে ” এসে যাবে ঠিক উচ্ছাসের দিন, নিয়ম মেনে চলুন আরো কিছু দিন”- এই স্লোগানকে সামনে রেখে আজ ১৪ এপ্রিল-২০২১ রোজ বুধবার সকাল থেকে সরকার ঘোষিত লকডাউন কার্যকরের জন্য কাজ করছে করোনার যুদ্ধের সম্মূখ সারির যুদ্ধা বাংলাদেশ পুলিশ। সরকারি বিধি-নিষেধ কঠোরভাবে কার্যকরের জন্য বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন টীম দেশের বিভাগ, জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানসহ প্রতিটি থানার প্রত্যন্ত গ্রামের নিবৃত পল্লীতেও টহলের মাধ্যমে জনগণকে ঘুর মুখী করতে কাজ করছে।
উদ্দেশ্য একটাই – জনগনকে করোনা মুক্ত রাখা ।

প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের প্রবেশ মুখে যেমন বসানো হয়েছে চেকপোস্ট তেমনি করোনার সংক্রমণ থেকে জনগণকে রক্ষা করার জন্য করা হচ্ছে সচেতনতামূলক মাইকিং। সেই সাথে পবিত্র রমজান উপলক্ষে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণেও কাজ করছে পুলিশের বিশেষ টীম।
আসুন সবাই বাংলাদেশ পুলিশের ন্যায় স্ব স্ব অবস্থান থেকে বৈশ্বিক মহামারী করোনা মোকাবেলায় নিজের পরিবার ও সমাজে বসবাসরত সকলকে সচেতন করি,স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে উদ্ধুদ্ধ করি,নিজে মাস্ক পরি, অন্যদের মাস্ক পরতে উদ্ধুদ্ধ করি। বিনাকারণে ঘরের বাইরে নিজে না যাই ও অন্যকেও বাইরে যাওয়া থেকে বিরত রাখি।আর যদি বিশেষ কোন জরুরি প্রয়োজনে যেতেই হয় তাহলে অবশ্যই মুভমেন্ট পাস নিয়ে,স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরে বাইরে যেতে বলি।
প্রত্যেকের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পারে করোনার এই মহামারী থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে।
//নিজস্ব প্রতিবেদক//

