ডুমুরিয়ার কালিকাপুর গ্রামের এক কৃষক কন্দাল ফসল মিষ্টি আলুর উৎপাদন করে আশার আলো দেখছেন

ডুমুরিয়ার কালিকাপুর গ্রামের এক কৃষক কন্দাল ফসল মিষ্টি আলুর উৎপাদন করে আশার আলো দেখছেন

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি ডুমুরিয়া //

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার কৃষকরা  দিন দিন কন্দাল ফসল উৎপাদনে ঝুকে পড়ছে। উৎপাদন খরচ কম, সল্প জমিতে অধিক  ফসল, এক জমিতে অধিক ফসল ফলানো  সম্ভব।

এক সময়ে এ ফসল গ্রামের ঘরে ঘরে চাষাবাদ হতো। জন সংখ‍্যার বৃদ্ধি ভিটে ডাঙ্গা জমির উপর জন বসতি বাড়ি এ সকল সংকটে কন্দাল জাতিয় ফসল চাষাবাদ কমতে থাকে। এর মধ‍্যে কৃষি মন্ত্রালয় গ্রামীন এ ফসলকে আধুনিক  ও প্রযুক্তি সমৃদ্ধি চাষাবাদের  ল‍ক্ষ‍্য নিয়ে কন্দাল ফসল উন্নযন প্রকল্পের মাধ‍্যমে  ব‍্যাপক হারে প্রদর্শনী, কৃষক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। উপজেলার শরাফপুর ইউনিয়নের কালিকাপুর ব্লকে কৃষক  অলিয়ার রহমান শেখ, প্রদর্শনী ২০ শতক  জমিতে মিষ্টি আলুর চাষ করে ৩০ মণ আলু পেয়েছে। এতে খরচ বাদে ১৮  হাজার টাকা লাভ পেয়েছে ।

এছাড়া পরবর্তী তে সে কাটিং সংরক্ষণ করে এবং নিজ উপজেলা সহ তালা উপজেলায় কাটিং বিক্রি করে২৫ হাজার ৫০০টাকা বিক্রি করেন। তাছাড়া ১৫-২০জন এলাকার কৃষককে  কাটিং সম্প্রসারণ করেছেন।

তিনি বলেন কৃষি অফিসের উপ সহকারী করুনা মন্ডলের মাধ‍্যমে মিষ্টি আলু চাষে উদ্বদ্ধ হয়ে সল্প পরিসরে  অল্প জমিতে চাষ করি।  সল্প খরচে ভাল ফলন ও ভাল দাম পেয়ে আমি খুশি। আমার দেখা দেখি অনেকে মেটে আলু চাষে আগ্রহ হচ্ছে।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা করুনা মন্ডল বলেন কৃষি আমাদের সম্পদ। কৃষকদের মুটিভিশন করে কন্দাল জাতীয় ফসল উৎপাদন করা সম্ভব। এতে কৃষক অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হবে। পাশাপাশি পুষ্টির চাহিদা পুরন করা সম্ভব।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ইনসাদ ইবনে আমিন বলেন এক সমযে গ্রামীন জনপদে ব‍্যাপকহারে মেটে আলুর চাষ হতো। কৃষকরা ঠিকমতো দাম না পাওয়ায় অন‍্য চাষে দিকে ঝুকে পড়ে।  কৃষি বান্ধব সরকার কন্দাল জাতীয় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকল্পের মাধ‍্যমে কৃষকদের উৎজ্জিবিত করেছে। এ চাষে কৃষকরা লাভবান হচ্ছে। এ বছর উপজেলায় ৭০ হেক্টর জমিতে মিষ্টি আলুর চাষ হয়েছে। মিষ্টি আলু ব‍্যানিজিক ভাবে চাষাবাদ করার জন‍্য কৃষকদের মোটিভেশন করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *