//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//
এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কৃষক সমিতির সভাপতি আমিনুল ইসলাম গোলাপ, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মানিক,ডুমুরিয়া উপজেলা জাতীয় কৃষক সমিতির সভাপতি এডভোকেট পুলিন বিহারী সরকার, সাধারণ সম্পাদক শেখ সেলিম আক্তার স্বপন সহ কৃষক নেতৃবন্দ।
স্মারক লিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে বাজেটে কৃষি খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির লক্ষ্যে থোক বরাদ্দ থেকে প্রদান করতে হবে)। বাজেটে কৃষি খাতে (কৃষি, খাদ্য এবং মৎস ও প্রাণীসম্পদ) বরাদ্দকৃত সকল অর্থ সঠিকভাবে ব্যয়ের নিশ্চয়তা দিতে হবে। কৃষি পণ্যের লাভজনক মূল্য প্রদান ও কৃষি উপকরনের মূল্য কমাতে হবে। (ব্যাংক ঋণের সুদ কমিয়ে সরল সুদে কৃষকদের ব্যাংক ঋণ দিতে হবে। এনজিও ঋণের সুদ কমাতে হবে। মহাজনের ঋণের অত্যাচার বন্ধ করতে হবে।
সরকারী হিসাবে আমাদের দেশে প্রায় ৫০ লক্ষ একর খাস জমি ও জলা আছে। তা অবিলম্বে গণতান্ত্রিক ভূ- সংস্কার নীতিমালার অধীনে এই জমির উপর ভূমিহীন কৃষক ও মৎস্যজীবীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। একই সঙ্গে সিলিং উদ্বৃত্ত জমি খাসের আওতায় আনতে হবে।
দেশের যে সকল নদী-বিল-হাওর আছে তা সংস্কার করতে হবে। যাতে ভূ-উপরস্থ পানি সেচ কাজে ব্যবহার করা যায়। ভূ-নিম্নস্থ পানির স্তর অনেক নিচে নেমে গেছে, তাই এই পানি সেচ কাজে ব্যবহারে উৎপাদন খরচ অনেক বেশি পড়ে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসন ও নদী ভরাট রোধে সরকারের ডেল্টা প্লান অনুযায়ী ভরাট নদীসমূহ খনন করে জোয়রের পানিতে আসা পলি ব্যবস্থাপনার জন্য TRM (Tidal Rivers Silt Management) প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে।
সারাদেশে পূর্ণ রেশনিং চালু করতে হবে, (খ) ৬০ বছর বয়সের কৃষক ও খেত মজুরদের জন্য জমা বিহীন পেনশন স্কিম চালু করতে হবে।বৃদ্ধ ভাতা, বিধবা ভাতা,প্রতিবন্ধী ভাতা, মাতৃকালীন ভাতাসহ সকল ভাতার পরিমাণ ও সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে।
পচনশীল কৃষি পণ্য রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সরকারের উদ্যোগে হিমাগর নির্মাণ করতে হবে। এবং অন্যান্য কৃষি পণ্য বছরব্যাপী সংরক্ষণের জন্য সরকারি সংরক্ষণাগারের পরিমান জেলা-উপজেলায় বাড়াতে হবে ।
মুজিব বর্ষ উপলক্ষে সরকার যে সমস্ত গৃহীনদের ঘর দিচ্ছে সেই বণ্টনে প্রচুর দুর্নীতি হচ্ছে, তা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। তাছাড়া ঘরের মানও সরকারি পরিকল্পনা মাফিক হচ্ছে না এই বিষয়টিও সরকারকে খতিয়ে দেখতে হবে ।

