//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//
খুলরার জেলার ডুমুরিয়া ও বটিয়াঘাটা উপজেলার শোলমারী নদীর সাথে সম্পর্কিত বিল ও আবাসিক এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসন শীর্ষক প্রকল্পের ওপর ২৮ ডিসেম্বর শনিবার বিকেলে এক গনশুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদের সম্প্রসারিত সম্মেলন কক্ষে বিকেল ৪ টায় অনুষ্ঠিত গণশুনানীতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সচিব আব্দুল্লাহ আল আরিফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, কৃষি মন্ত্রনালয়ের উপ-সচিব মাকসুদা ইয়াসমিন, বাপাউবো’র যশোর সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বিএম আব্দুল মোতিন, বিএডিসি খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জামাল ফারুক, খুলনা পওর-১ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাযকিয়া ও পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী ইশতিয়াক।
বক্তৃতা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) মোঃ আসাদুর রহমান, ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের এস এম জাহাঙ্গীর আলম, অধ্যাপক জিএম আমান উল্লাহ, সাংবাদিক কাজী আব্দুল্লাহ ও এম এ এরশাদ, ফুলতলা ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আবুল বাসার, রঘুনাথপুর ইউপি চেয়ারম্যান মনোজিৎ বালা, ইউপি চেয়ারম্যান গাজী হুমাউন কবির বুলু, এম জহুরুল হক, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সরদার আব্দুল মালেক, জামায়াত নেতা আবু ইউসুফ মোল্যা, ভুমি ও পানি কমিটির নেতা সেলিম আক্তার স্বপন, মুফতি আব্দুল কাইয়ুম জমাদ্দার, এড. আলমগীর হোসেন প্রমুখ।
৫০ কোটি টাকার প্রস্তাবিত প্রকল্পের প্রস্তাবিত ভৌত কাজ সমুহ হলো, শোলমারী নদী ও কাজিবাছা নদীর সংযোগ থেকে ভদ্রা নদী পর্যন্ত মোট ১৫.৫ কিলোমিটার ড্রেজিং, শোলমারী নদী সিস্টেমের সাথে সম্পর্কিত ২৪টি খাল পুনঃখনন, শোলমারী ১০ ভেন্ট রেগুলেটর দেশকুলে ২টি পাম্প স্থাপনসহ আপার শোলমারি নদীর ২.৮ কিলোমিটার খনন ও রামদিয়া ৯ ভেন্ট রেগুলেটরের দেশকুলে ৩টি পাম্প স্থাপনসহ সংযোগ খাল খনন।
উল্লেখ্য, গত বর্ষা মৌসুমে ডুমুরিয়াসহ বিলডাকাতিয়া এলাকায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। ২৭টি বিলসহ অন্তত ২০টি গ্রাম পানিতে তলিয়ে মাছ ও সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়।

