আইনের প্রতি শ্রদ্ধাহীনতার চরম বর্হিঃপ্রকাশ নয় কি…..!

আইনের প্রতি শ্রদ্ধাহীনতার চরম বর্হিঃপ্রকাশ নয় কি…..!

 

বাংলাদেশসহ সারা বিশ্ব যখন বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় সুনামি নিয়ন্ত্রণের জন্য হোমকোয়ারেন্টেন,আইসোলেশন,সামাজিক দূরত্ব ও মাস্ক ব্যবহারের জন্য জনগণকে সচেতন করার কাজে  দিশেহারা তখনও কিছু মানুষের পারিবারিক ও সামাজিক অসচেতনতা এবং দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাহীনতা বড়ই কষ্ট দায়ক।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যায় পারিবারিক ভ্রমনের ক্ষেত্রে দ্বিচক্রযান মোটরসাইকেলের বহুল ব্যবহার। একটি মোটর সাইকেলের ধারণ ক্ষমতা বা সীট ক্যাপাসিটি ০২ টি।পথে চলতে অহরহ চোখে পড়ে একটি পরিবারের সকল সদস্য ( কমপক্ষে ০৪ জন) একটি মোটর সাইকেলে যাতায়াত করেন।কিন্তু চলতি পথে যদি দুর্ঘটনা ঘটে তাহলে হয়তো এমনও হতে পারে একটি পরিবার শেষ হয়ে যেতে পারে। যা আমাদের সকলের বিবেচনায় আনা দরকার।

করোনার এই মহামারীও মধ্যে গতকালও দেখা যায় কিছু লোক একটি মোটর সাইকেলে করে বিকালে পারিবারিক ভ্রমনে বেরিয়েছে যাদের অধিকাংশ মাস্কছাড়া ও একটি মোটরসাইকেল পুরো পরিবার।যা পুলিশ প্রশাসনের দৃষ্টি গোচর হয়।লকডাউনের জন্য বিনা প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হওয়ার কথা থাকলেও এভাবে পারিবারিক ভ্রমন কতটা যুক্তি সংগত তা ভেবে দেখার জন্য পুলিশের নয় ব্যক্তি সচেতনতায় যথেষ্ট।

 

করোনাকালে বাংলাদেশ পুলিশ কতদিকে সামলাবে? একদিকে চোর-ডাকাত, ছিনতাইকারী, মাদক পাচারকারী, মোবাইল কোর্ট পরিচালনাসহ নিজেদের কিছু প্রশাসনিক কাজ তো আছেই।এরপরে নতুন করে শুরু হয়েছে করোনার উপদ্রব সাথে সাথে দেশের জনগণকে নিরাপদ ও সুস্থ রাখার জন্য গণসচেতনতা ও মাস্ক ব্যবহারসহ সামাজিক সচেতনতা।

 

তাই দেশের নাগরিক  হিসাবে সকলের নৈতিক দায়িত্ব সরকার ও সরকারের বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরকে সহযোগিতা করে করোনার এই মহামারী থেকে সোনার বাংলাকে রক্ষা করা।

// স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক//

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *