যশোরের ৩ উপজেলায় চলমান “ স্কুল ফিডিং ও মিড ডে মিল” প্রকল্পের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন । প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিছিয়ে পড়া, হতদরিদ্র শিশু শিক্ষার্থীদের শারীরিক পুষ্টি মান বজায় রাখা, সার্বজনীন শিক্ষাকে গতিশীল করার লক্ষ্যে শিশু শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধের লক্ষ্যে যশোর জেলার ৩ টি উপজেলায় “ স্কুল ফিডিং ও মিড ডে মিল” প্রকল্প চালু হয়।
যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, যশোর জেলার যশোর সদর, ঝিকরগাছা ও চৌগাছা উপজেলায় এ প্রকল্প চালু হয়।তিনটি উপজেলার মধ্যে যশোর সদর উপজেলার ২৫৬ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫৭৫৪৮ জন শিশু শিক্ষার্থী, ঝিকরগাছা উপজেলার ১৩৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৮২৯৩ জন শিশু শিক্ষার্থী ও চৌগাছা উপজেলার ১৩৯ বিদ্যালয়ের ২৮১০০ শিশু শিক্ষার্থী “ মিড ডে মিল” কর্মসূচির আওতায় থেকে উচ্চ পুষ্টি সম্পন্ন বিস্কুট খায়ানো হতো এবং একই সাথে ঝিকরগাছার ২০ বিদ্যালয়ের ৪২৫৪ শিশুকে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় পুষ্টি সম্পন্ন খিচুড়ি খাওয়ানো হতো।
সর্বসাকুল্যে ৫২৮ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ লক্ষ ১০ হাজার শিশু শিক্ষার্থী এই “ স্কুল ফিডিং ও মিড ডে মিল” কর্মসূচির সুবিধাভোগী ছিল। কিন্তু বৈশ্বিক মহামারী করোনা শুরু হওয়ায় গত ১৮ মার্চ থেকে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বন্ধ হয়ে যায় চলমান “স্কুল ফিডিং ও মিড ডে মিল” কর্মসূচি। শিশুদের পুষিহীনতার কথা বিবেচনা করে সরকার এই কর্মসূচি চালু করে।
কিন্তু প্রকল্পের মেয়াদ অনুযায়ী এ মাসেই “ স্কুল ফিডিং ও মিড ডে মিল ” কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা।আর এ কর্মসূচির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় হতাশা সৃষ্টি হয়েছে অভিভাবক ও শিশু শিক্ষার্থীদের মধ্যে। সুবিধাভোগীরা চলমান কর্মসূচির মেয়াদ বৃদ্ধির দাবি জানান।
আর এ “ স্কুল ফিডিং ও মিড ডে মিল ” কর্মসূচির সাথে সংশ্লিষ্টরা এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলছেন, প্রকল্পের মেয়াদ যদি বৃদ্ধি না করা হয় তাহলে অনেক শিক্ষার্থী ঝরে পড়বে ও বহু শিশু পুষ্টিহীনতার স্বীকার হবে।
তাই কর্মসূচিটি চালু রাখার জন্য অভিভাবক ও শিক্ষকগণ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
// নিজস্ব প্রতিনিধি //
বাংলাদেশ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এসােসিয়েশন এর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

