ফকিরহাটের ইউএন ও কর্তৃক সাবেক ভাইস চেয়ারম‍্যানকে লাঞ্চিত করার অভিযোগ

//খুলনা প্রতিনিধি//

ফকিরহাট উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো: মিজানুর রহমানকে থাপ্পর দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: মনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে। শুধু থাপ্পর নয়, জোরপূর্বক গাড়ির পিছনে উঠিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরিয়ে দেড় ঘন্টা পরে গাড়ি থেকে নামিয়ে দেওয়া হয় তাকে। বুধবার (১ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে খুলনা-মাওয়া মহাসড়কের কাঠালতলা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পরে আহত অবস্থায় ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় তাকে।

চোখ ও কানে গুরুত্বর আঘাত থাকায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। মো: মিজানুর রহমানের এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

আহত মো: মিজানুর রহমান ফকিরহাট উপজেলা পরিষদের দুই বারের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। ফকিরহাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন সাবেক এই ছাত্রলীগ নেতা।

কাঠালতলা এলাকায় থাকা একটি সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, খুলনা-মাওয়া মহাসড়ক দিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার গাড়িটি ফলতিতার দিকে যাচ্ছিল। মাত্র তিন সেকেন্ডের ব্যবধানে গাড়িটি ব্যাকে আসেন। তখন পার্শ্ব রাস্তা থেকে উঠে আসা মিজানুর রহমানের মোটরসাইকেলের সাথে ইউএন‘র গাড়িটির সামান্য ঘষা লাগে। প্রথমে গাড়ি চালক নিচে আসেন। পরে ইউএনও গাড়ি থেকে নামেন এবং মো: মিজানুর রহমানকে থাপ্পর দেন। পরে গাড়ির পিছনে উঠিয়ে নিয়ে চলে যান ইউএনও।

প্রত্যক্ষদর্শী জাহিদুল ইসলাম নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, প্রথমে গাড়ি চালক নেমে এসে মিজানুর রহমানকে ধমক দেয়। পরে ইউএনও গাড়ি থেকে নেমে মিজানুর রহমানকে থাপ্পর দেন।

আহত মো: মিজানুর রহমান বলেন, বেলা ১১টার দিকে বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল যোগে গরুর ফার্মে যাচ্ছিলাম। কাঠালতলা মোড় এলাকায় পৌছালে দ্রুত গতিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার গাড়িটি ব্যাকে (পিছনে) আসে। তখন ইউএনও‘র গাড়ির সাথে আমার মোটরসাইকেলের সামান্য ধাক্কা লাগে। সাথে সাথে ইউএনও‘র গাড়ি চালক এসে আমাকে গাড়িতে উঠতে বলে। গাড়িতে না উঠলে, ইউএনও গাড়ি থেকে নেমে এসে আমাকে থাপ্পর দেয়। ধাক্কা দিয়ে গাড়ির পেছনে ওঠায় এবং গালিগালাজ করে। গাড়িতে করে কয়েক কিলোমিটার নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে তিনি আমাকে ছেড়ে দেয়।

তিনি আরও বলেন, পরে আমি ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হই। চিকিৎসক আমাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নাক, গান গলা বিশেষজ্ঞ দেখানোর পরামর্শ দিয়েছেন। এই ঘটনায় বিচার চাওয়ার মত ভাষা নেই বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেন তিনি।

এদিকে উপজেলার প্রবীন রাজনীতিবিদ ও সাবেক জনপ্রতিনিধিকে মারধরের খবরে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ইউএনও‘র কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

ফকিরহাট উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি খান মোহাম্মাদ আরিফুল হক বলেন, একজন সাবেক জনপ্রতিনিধিকে মারধর করা কোন ভাবে মেনে নেওয়া যায় না। একজন ইউএনও‘র কাছ থেকে এমন আচরণ প্রত্যাশা করা যায় না। ইউএনও মো: মনোয়ার হোসেন শুধু তাকে মারধর করেনি, এর আগেও একাধিক নাগরিক তার হাতে লাঞ্চিত হয়েছে। তিনি যা করেছেন তা চাকরি বিধিমালা লঙ্ঘনের মত অপরাধ। ইউএনও-কে বহিস্কার পূর্বক আইনের আওতায় আনার দাবি জানান ছাত্রলীগের সাবেক এই নেতা।

ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক প্রত্যয় দাস বলেন, মো: মিজানুর রহমান বেশ অসুস্থ্য এবং মুখ-কান ফোলা থাকায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

থাপ্পর দেওয়ার বিষয়টি অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: মনোয়ার হোসেন বলেন, তাকে কথা বলার জন্য গাড়িতে ওঠানো হয়েছে। পরিচয় জানার পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এটা একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান বলেন, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মধ্যে একটি ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। বিষয়টি মীমাংসার জন্য উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

Daily World News

নাশকতার মামলায় বিএনপির ড. ফরিদসহ ১১ জনের উচ্চ আদালতে জামিন লাভ

বাংলাদেশের মানুষ একমাত্র বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছেই নিরাপদ: জেলা সভাপতি হারুনুর রশিদ

 

আ: রাজ্জাক শেখ:

খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশিদ বলেছেন,
দলের জন‍্য যারা প্রাণ দিয়েছেন তাদের কে শ্রদ্ধা জানায়। সরদার হারুন এর আদর্শকে ধারণ করে আমাদের পথ চলতে হবে। দলের দিবেদীত একজন মানুষ ছিলেন তিনি।

দেশ বিরোধী ও স্বাধীন বিরোধী একটি মহল প্রতিনিয়তই দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত করেই চলছে। তবে তারা সফল হবে না। কারণে, বাংলাদেশের মানুষ একমাত্র বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছেই নিরাপদ।

জননেত্রী শেখ হাসিনা সাধারণ মানুষকে নিয়ে ভাবেন। ‘গ্রাম হবে শহর’এই চিন্তা নিয়ে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে।

উন্নয়নের সবগুলো সূচক অর্জিত হওয়ার কারণে বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই স্বল্প উন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগসহ সব সূচকে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ছাড়িয়ে গেছে।

তিনি আরো বলেন, দেশের গণতন্ত্র, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশকে বাঁচাতে আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হবে। আগামী জাতীয় নির্বাচন ও আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনকে সামনে রেখে এখন থেকেই দলকে সুসংগঠিত ও স্মার্ট করে গড়ে তুলতে হবে।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে সবাইকে এক সাথে কাজ করতে হবে।

বৃস্পতিবার (২৩ফেব্রুয়ারী ) সকাল ১০টায় খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের সদস‍্য, রূপসা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার হারুনার রশিদের শাহাদাত বার্ষিকীতে শ‍্রদ্ধ‍া জানিয়ে নিজ বাড়িতে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন
সিটি মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক,মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ‍্যাড: সুজিত অধিকারী, খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস‍্য আলহাজ্ব আকতারুজ্জামান বাবু,
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান জামাল, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দীন বাদশা,জেলা কৃষকলীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম‍্যান অধ‍্যাপক আশরাফুজামান বাবুল, জেলা সদস‍্য ফ ম আ:সালাম, জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল,জামিল খান।

ইউপি চেয়ারম‍্যান মো: ইসহাক সরদার এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক অধ‍্যাপক ডা: শ্যামল কুমার দাস’র পরিচালনায় বক্তৃতা করেন
উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আইয়ুব মল্লিক বাবু, সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, মোল্লা আরিফুর রহমান, জেলা যুবলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ সদস‍্য চৌধুরী মো: রায়হান ফরিদ, সাধারণ সম্পাদক মো:মাহফুজুর রহমান, সাবেক ছাত্রনেতা শেখ শহিদুল আলম,

জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহবায়ক মো:মোতালেব হোসেন, ভাইস চেয়ারম‍্যান ফারহানা আফরোজ মনা,মো: ইমদাদুল ইসলাম, সরদার ফেরদৌস আহমেদ, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবিব, এমডি রকিব উদ্দীন, স ম জাহাঙ্গীর,নাসির হোসেন সজল,সাবিনা ইয়াসমিন, বাসুদেব রায় চোধুরী, ইউপি সদস‍্য আলম হাওলাদার, কামরুল সরদার, এমপির প্রধান সমন্বয়কারী যুবলীগ নেতা নোমান ওসমানী রিচি, সামসুল আলম বাবু,সরদার জসিম উদ্দীন, আবদুল্লাহ আল মামুন, মো: মঈন উদ্দীন, ফরিদ শেখ, রাবেয়া বেগম, ছাত্রলীগের আহবায়ক আশিকুজ্জামান তানভীর, নাজিম মোড়ল, জুয়েল সরদার প্রমূখ।

এছাড়া সকাল ৮টায় পুস্প মাল‍্য অর্পণ করেন সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক এবং খুলনা-৪আসনের সংসদ সদস‍্য আব্দুস সালাম মূশের্দীর পক্ষ থেকে পুস্পমাল‍্য অপর্ন করেন দলীয় নেতৃবৃন্দ।

আলোচনা শেষে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

উপ সচিব পরিচয়ে এমপির অফিসে প্রতারণায় আটক

//আ: রাজ্জাক শেখ//

উপ সচিব পরিচয়ে খুলনা-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আব্দুস সালাম মূর্শেদীর অফিসে প্রতারণার অভিযোগে এক প্রতারককে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে মো: দ্বীন ইসলাম হোসেন (২২) ওরফে সুমন নামে এক প্রতারক প্রধানমন্ত্রী বরাবর কিছু কাগজ-পত্র নিয়ে এমপি সালাম মূর্শেদীর অফিসে আসেন এবং নিজেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা পরিচয় দেন। তার পদবি জানতে চাইলে তিনি প্রথমে নিজেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরীর সহকারী হিসেবে পরিচয় দেন এবং তার পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে সেখানে দেখা যায় “উপ সচিব অর্থ ও উন্নয়ন, জন প্রসাশন মন্ত্রণালয়” লেখা।

তাৎক্ষণিক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায় এই নামে তাদের কোন কর্মকর্তা নেই। পরবর্তিতে ডিএমপির কলাবাগান থানার পুলিশের নিকট তাকে সোপর্দ করা হয়।

একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে হলে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে :সালাম মূশের্দী এমপি

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা- ৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূশের্দী বলেছেন,
বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাহান্নর একুশে ফেব্রুয়ারির রক্তিম প্রেরণাময় পথ বেয়ে নানান আন্দোলন ও সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালে এক রক্তাক্ত মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছিল স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ।
আসুন, আজ থেকে আমরা সব ভেদাভেদ ও রাজনৈতিক সংকীর্ণতা পরিহার করে ভাষা শহীদদের দেখিয়ে দেয়া পথ ধরে ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধের অবিনাশী চেতনায় বাংলাদেশকে গড়ে তোলার শপথ গ্রহণ করি।

একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে হলে সকলকে ঐক্যবদ্ধ
হতে হবে :সালাম মূশের্দী এমপি

একুশের চেতনা ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে ধারণ করে আওয়ামী লীগ সরকার দেশের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী দল-মত নির্বিশেষে একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে কাজ করা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান।

আসুন দল-মত নির্বিশেষে একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে কাজ করি এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখি। সবাই মিলে একটি অসাম্প্রদায়িক, ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলি। প্রতিষ্ঠা করি জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ।

তিনি আরো বলেন, অমর একুশে আমাদের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, বাঙালি জাতীয়তাবাদ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতীক। একুশের চেতনা ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে ধারণ করে আওয়ামী লীগ সরকার দেশের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে রোল মডেল।
বিশ্বের ২৫ কোটি মানুষের ভাষা বাংলাকে জাতিসংঘের অন্যতম সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতিদানের উদ্যোগ নিয়েছি আমরা।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দাবি উত্থাপন করেছি। বিশ্বের সকল ভাষা সংক্রান্ত গবেষণা এবং ভাষা সংরক্ষণের জন্য আমরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেছি।

শেখ হাসিনা বলেন, মহান একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালির জীবনে শোক, শক্তি ও গৌরবের প্রতীক। ১৯৫২ সালের এ দিনে ভাষার মর্যাদা রক্ষা করতে প্রাণ দিয়েছিলেন রফিক, শফিক, সালাম, বরকত ও জব্বারসহ আরও অনেকে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহান একুশে ফেব্রুয়ারির সেই রক্তস্নাত গৌরবের সুর বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে আজ বিশ্বের ১৯৩টি দেশের মানুষের প্রাণে অনুরণিত হচ্ছে।

আজ সারা বিশ্বের সব নাগরিকের সত্য ও ন্যায়ের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রেরণার উৎস আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

রূপসা উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ২১ফেব্রুয়ারী সকাল ১০টায় অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে চিত্র অঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কোহিনুর জাহান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বাদশা, সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ জুবায়ের, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: শেখ শফিকুল ইসলাম।

এসময় আরো বক্তৃতা করেন কৃষি কর্মকর্তা মো: ফরিদুজ্জামান,প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার মজুমদার, সমাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়া জামান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মনোয়ারা খানম, সমবায় কর্মকর্তা প্রশান্ত ব্যানার্জি, শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ আ: রব, নির্বাচন কর্মকর্তা মোল্লা নাসির আহমেদ, আইসিটি কর্মকর্তা মো:রেজাউল করিম, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক ইকবাল আজিজ, প্রকৌশলী এস এম ওয়াহিদুজ্জামান,
যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ বজলুর রহমান,
সহকারী মাধ‍্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা,থানার সেকেন্ড অফিসার এস আই আবুল কাইয়ুম,
মুক্তিযোদ্ধা আ: মজিদ ফকির, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মোতালেব হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল ইসলাম, সংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবিব, এমডি রকিব উদ্দিন, ফরিদ শেখ সহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান,মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষার্থী ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

খুলনার রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাব থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি দিলেন ১০ সদস্য

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিলেন ক্লাবের ১০জন সদস্য।গতকাল ১৯ ফেব্রুয়ারি তারা এ অব্যাহতি পত্র ক্লাবের দপ্তর সম্পাদকের নিকট হস্তান্তর করেন। অব্যাহতি প্রদানকারী সদস্যরা হলেন, ক্লাবের সহ-সভাপতি এইচ এম রোকন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক শেখ,কোষাধ্যক্ষ ফ ম আইয়ুব আলী, প্রচার সম্পাদক মোঃ মোশারেফ হোসেন, সদস্য নুর ইসলাম,মারুফ হোসেন, ইউসা মোল্লা, মোছা মোল্লা সবুজ, মামুন শেখ,কুরবান শেখ প্রমূখ।

খুলনায় ৫৪বছর পর হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা//
খুলনায় ১৯৭১ সালে আমিন উদ্দিন শেখ হত্যা মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জ‌রিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে খুলনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মীর শ‌ফিকুল আলম এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এনামুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আসা‌মিরা হলেন- আমজাদ মিনা ও সাবাজ হালদার। রায় ঘোষণার সময় আসা‌মিরা আদালতে উপ‌স্থিত ছি‌লেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ১৯৭১ সালের ১৯ অক্টোবর রাতে আসামী শাবাজ হালদার, আমজাদ মিনা ও জলিল হাওলাদারসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫/৬ জন হাতে রাইফেল, বন্দুক ও রামদাসহ ধারালো অস্ত্রের মুখে আমিন উদ্দিন শেখকে তার বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায়। তাকে তার বাড়ির অদূরে একটি পুকুর পাড়ে নিয়ে যায়। আসামীরা আমিন উদ্দিনের বুকে গুলি এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথা কেটে হত্যা করে। হত্যার পর মাথা পুকুরের পানিতে ফেলে দেয় এবং সেখান থেকে আসামীরা চলে যায়। পরে বাদীর ভাই, সাক্ষী ও ভাবী তার পিতার লাশ জড়িয়ে কান্নাকাটি করেন এবং তার পিতার খন্ডিত মাথা খোঁজাখুজি করেন। পরদিন সকালে পুকুরের পানি থেকে খন্ডিত মাথা দেখে খুলনায় বসবাসরত বাদীর বড় ভাই বর্তমানে মৃত শেখ নিজাম উদ্দিনকে সংবাদ দিলে বাদীর বড় ভাই খুলনা থানা পুলিশের সহায়তায় বাদীর পিতার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করেন। নিহত আমিন উদ্দিনের লাশ ১৯৭১ সালের ২০ অক্টোবর বিকেল ৩ টার দিকে তাদের চাঁদপুর গ্রামের পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করে। পরে তারা বাড়ি ছেড়ে চলে আসেন।

১৯৭১ সালের ১৭ ডিসেম্বর পরিবারের সকল সদস্যদের নিয়ে পুনরায় দেশ শত্রুমুক্ত হওয়ার পরদিন তাদের চাঁদপুর গ্রামের বসত বাড়ীতে ফিরে আসেন। বাদী ও তার পরিবারের সকল সদস্যদের জীবন নাশের হুমকির কারণে এবং পরিবেশ না থাকায় বাদী পরবর্তীতে কোন মামলা করতে পারেননি। সরকার নতুন করে আইনানুগভাবে সুযোগ প্রদান করায় নিহত আমিন উদ্দিনের ছেলে এ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আলী নিজে বাদী হয়ে তর পিতার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবি জানিয়ে আদালতে নালিশী দরখাস্ত দায়ের করেন। এ ঘটনায় রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আদালতের নির্দেশে এফ.আই.আর ফরম পূরণ করে মামলা রুজু করেন।

আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি শেখ এনামুল হক বলেন, ১৯৭১ সালের ১৯ অক্টোবর আমিন উদ্দিন হত্যাকান্ডের পর তার পরিবারের সদস্যদের জীবনের হুমকি থাকার কারণে তখন মামলা করতে পারেননি। পরবর্তীতে ২০১০ সালে নিহতের ছেলে এ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আলী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। এ মামলার তিন আসামীর মধ্যে জলিল হাওলাদার মৃত্যুবরণ করেছে। আজ সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আসামী শাবাজ হালদার ও আমজাদ মিনাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত।

ইন্তেকাল করলেন এমপি আব্দুস সালাম মূশের্দীর বোন- সম্পন্ন হলো দাফন

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা-৪আসনের সংসদ সদস‍্য আব্দুস সালাম মূশের্দীর বড় বোন মোছা: নুরুনাহার বেগম(৭৫) সোমবার রাতে  ঢাকার খিলগাঁও নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন। (ইন্নালিল্লাহি——–রাজিউন)।

মরহুমের জানাযার নামাজ  সোমবার রূপসার নৈহাটি মাধ‍্যমিক বিদ‍্যালয় মাঠে  আসর বাদ অনুষ্ঠিত হয়।

জানাযা নামাজে উপস্থিত ছিলেন  জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি  ও জেলা পরিষদ চেয়ারম‍্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশিদ,  সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, এমপি আব্দুস সালাম মূশের্দী, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এ‍্যাড: এম এম মুজিবুর রহমান, নিমাই চন্দ্র রায়, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শরফুদ্দীন বিশ্বাস বাচ্চু, কামরুজ্জামান জামাল, রূপসা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম‍্যান কামাল উদ্দীন বাদশা, দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি খান নজরুল ইসলাম, তেরখাদা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ শহিদুল ইসলাম, সরকারি কমিশনার ভূমি মোঃ সাজ্জাদ হোসেন,

থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, কৃষি কর্মকর্তা মো: ফরিদুজ্জামান, আইসিটি কর্মকর্তা রেজাউল করিম,

উপজেলা প্রকৌশলী   এস এম ওয়াহিদুজ্জামান, সহকারী মাধ‍্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম‍্যান অধ‍্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফ ম আব্দুস সালাম, জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, সাবেক সদস‍্য আ:মজিদ ফকির, তেরখাদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এফ এ অহিদুজ্জামান,সাধারণ সম্পাদক কে আলমগীর হোসেন, রূপসা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার আবুল কাশেম ডাবলু,  দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোল্লা আকরাম হোসেন, জাতীয় ক্রীড়া ব‍্যক্তীত্ব মিস্টার বাংলাদেশ আজাদ আবুল কালাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু,  আরিফুর রহমান মোল্লা জনাব আলী শেখ,  আইয়ুব মল্লিক বাবু,শাহজাহান কবীর প‍্যারিস, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো:  মোতালেব হোসেন,

ভাইস চেয়ারম‍্যান মো: শারাফাত হোসেন মুক্তি, রূপসা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল  ইসলাম,  তেরখাদা উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক রাজা মিয়া,ইউপি চেয়ারম‍্যান মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, মো:জাহাঙ্গীর  শেখ, কামাল হোসেন বুলবুল,শেখ বুলবুল আহমেদ, মফিজুল ইসলাম ঠান্ডু,মহাসিন শেখ,  ইসহাক সরদার, গাজী জিয়াউর রহমান, আকতার হোসেন খান, জেলা যুবলীগের সভাপতি চৌধুরী রায়হান ফরিদ, সাধারণ সম্পাদক মো:মাহফুজুর রহমান,

জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শেখ মোঃ আবু হানিফ, সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান রাসেল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পারভেজ হাওলাদার সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন,  ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সস্পাদক এস এম হাবিব,  এমডি রকিব উদ্দীন, স ম জাহাঙ্গীর, আকতার ফারুক,   গাজী মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ,  আ: গফুর খান, আসাদুজ্জামান খান রিয়াজ, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এবিএম কামরুজ্জামান,  মনিরুল ইসলাম, রুহুল আমি রবি, আব্দুল মান্নান শেখ, মো: নুরুজ্জামান, হারুন মোল্লা, বাছিতুল হাবিব প্রিন্স, আনিছুর রহমান, এমপির প্রধান সমন্বয়কারী যুবলীগ নেতা নোমান ওসমানী রিচি, ইউপি সদস‍্য আনিছুর রহমান মিঠু, ওয়াহিদুজ্জামান মিন্টু,  আলমগীর হোসেন শ্রাবন।,মনিরুল ইসলাম বুলু,  মনিরুল ইসলাম,  ইনতাজ মোল্লা, চয়নিকা খান, খায়রুনাচ্ছা বেবী, মাহমুদা বেগম, আইরিন বেগম, শেখ মাসুম, কামরুজ্জামান সোহেল, আরিফুজ্জামান অরুন, আজমল শেখ, মো: ইলিয়াজ শেখ,শেখ আসাদুজ্জামান, সাইফুল ইসলাম, নাজির শেখ, মামুন শেখ, ফরিদ শেখ, মামুন শেখ,মানিক,

যুবলীগ নেতা সামসুল আলম বাবু, মো: মঈন উদ্দীন, আবদুল্লা আল মামুন, বাদশা মিয়া, সরদার জসিম উদ্দীন,  হাবিবুর রহমান তারেক,তারেক আজিজ, আবুল কালাম আজাদ,  সাইফুল ইসলাম শাওন, সোহরাব হোসেন, জামিল মোরশেদ মাসুম, ইমন গাজী, মুছা মোল্লা সবুজ, আনিচুর রহমান মাসুম,ছাত্রলীগের হিমেল, রিয়াজ, কাজল, অঞ্জন, শেখ রাসেলসহ অনেকেই।

জানাযা নামাজে ইমামতি করেনমাওলানা আ: আওয়াল এছাড়া আরো  উপস্থিত ছিলেন  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কোহিনুর জাহান,  এমপি পত্নী শারমিন সালাম, ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, নাজমা খান,  চঞ্চল মিত্র, রিনা পারভিন, আজিজা সুলতানা,  আকলিমা খাতুন তুলি,  শারমিন সুলতানা রুনা, সুব্রত বাগচী, মাধরী সরকার,  মমতা হেনা জোসনা, জেসমিন বেগমসহ অসংখ‍্য নেতৃবৃন্দ।

ডিকেএস ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সুবর্ণ নাগরিককে গাড়ি উপহার, পরিবারের আনন্দ

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

গড়বো সমাজ,গড়বো দেশ – স্বেচ্ছাসেবী বাংলাদেশ এই মূল মন্ত্র ধারণ করে, সারা বিশ্ব যখন কোভিডে  আক্রান্ত তখন এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি মানবতার কল্যাণে এগিয়ে আসেন। করোনার সময় জীবনের ঝুকি নিয়ে বিভিন্ন সহযোগিতা করেছেন ফাউন্ডেশনটি।

বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত ডাঃ খাঁন শফিকুল ইসলাম (ডিকেএস) ফাউন্ডেশন একটি সেবা মূলক প্রতিষ্ঠান।

তার ই ধারাবাহিকতায়, তারই অঙ্গ প্রতিষ্ঠান দৈনিক সুবর্ণ নিউজ। সুবর্ণ নাগরিক( প্রতিবন্ধী)দের গণমাধ্যম হিসেবে কাজ করছে। রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নের  অঙ্কিত নামের  সুবর্ণ নাগরিক (প্রতিবন্ধী) বয়স ৯ বছর। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা নিয়ে পৃথিবীতে আসেন । অত্যন্ত গরিব ঘরে জন্ম  নেয় এই শিশুটি।পিতা দিনমজুর পরিবারের সদস্য সংখ্যা পাঁচজন।  এত বড় সংসারে একার আয় দিয়ে কোনমতেই কেটে যায় তাদের জীবন।

অঙ্কিতের মা বলেন, এক সময় আমাদের সবই ছিল গোয়ালভরা গরু,ঘেরে মাছ। আজ আমাদের তেমন কিছু নেই,সবকিছুই বিক্রি করে দিয়েছে এই ছেলের পিছনে চিকিৎসা করার জন্য।

আজ আমরা নিঃস্ব প্রায়। ঋণে জর্জরিত হয়েছি, বিভিন্ন এনজিও থেকে লোন নিয়ে আজ দুর্বি সহ জীবন কাটছে আমাদের।  আমার একমাত্র ছেলে সন্তান সে আবার প্রতিবন্ধী তাকে একটি গাড়ি কিনে দেওয়ার মত কোন সমর্থই আমার ছিল না।

ডাঃ খান শফিকুল ইসলাম কে বললে তিনি আমার ছেলেকে একটি গাড়ির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। আমরা অত্যন্ত খুশি এখন যদি আমার ছেলেটি হাঁটতে পারে তাহলে আমাদের আনন্দের আর সীমা থাকবে না।

অঙ্কিতের বাবা বলেন, আমি খুব খুশি হয়েছি, আমার ছেলে গাড়িটি পেয়ে দেখছি একা একা হাঁটার চেষ্টা করছে।এর আগে অনেকে ডাক্তার বলছেন  ছেলেকে একটা গাড়ি কিনে দেওয়ার জন্য  কিন্তু  আমার সেই সমর্থক ছিল না।এই ছেলের পিছনে সবকিছুই আমি শেষ করে দিয়েছি।  আমি  আল্লাহর কাছে দোয়া করি যে প্রতিষ্ঠান আমার ছেলেকে একটি গাড়ি দিয়েছে। এ প্রতিষ্ঠান যেন সারা জীবন আমাদের মত গরিব মানুষের পাশে থাকতে পারে।

ডাঃ খান মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, ডিকেএস ফাউন্ডেশন একটি আত্ম মানবতার কল্যাণে নিবেদিত প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানটি সুবর্ণ নাগরিক (প্রতিবন্ধী) দের কল্যাণে কাজ করে। আর যা কিছু আমরা প্রদান করি। তা সকলের সার্বিক সহযোগিতার মাধ্যমে। আমি অত্যন্ত খুশি এমন একটি ছেলেকে একটি গাড়ি উপহার দিতে পেরে। ভবিষ্যতে যেন আমরা এই সকল অসহায় মানুষের পাশে থাকতে পারি। আমি সমাজের সকল বিত্তবান ও সম্পাদশালী সকলকে আহ্বান জানাবো, আসুন আমরা  সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই। মানবতার কল্যাণে কাজ করি।

শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রেখে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়: খুলনায় গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা//
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রেখে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। দেশের বিশিষ্টজন নিয়ে একটা নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে।

সমাবেশে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের পূর্বশর্ত হিসেবে শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগ, অবৈধ সংসদ বাতিল, দল নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন এবং নতুন নির্বাচন কমিশনের অধীনে সবার অংশগ্রহণে জাতীয় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন,
বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে শ্মশানে পরিণত করেছে।
এ সরকার নির্বাচিত সরকার নয়। তাই সবকিছু লুট করে বিদেশে পাচার করে দিয়েছে। দেশের মানুষ অনেক কষ্টে আছে। শেখ হাসিনার ১০ টাকার চাল এখন ৭০ টাকা। চালসহ নিত্যপণ্যের দাম তিন থেকে পাঁচ গুণ বেড়ে গেছে। বিদ্যু, পেট্রল, গ্যাস, নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়ানো হয়েছে। দাম বাড়ার কারণে জনগণের পকেট থেকে টাকা নিয়ে কানাডার বেগমপাড়া ও লন্ডনে বাড়ি করছে তারা।
কেউ যদি মনে করে আগামী নির্বাচন আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর অধীনে হবে। আর বিএনপি তাতে যোগ দেবে, সেটি ভুল হবে।

দেশের মানুষ এখন ভালো নেই। জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বেড়েছে। প্রতিনিয়ত দ্রব্যমূল্য বাড়ছে। সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে।

নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রসঙ্গে শামসুজ্জামান দুদু বলেন, তেল, চাল এবং ডাল থেকে এমন কোনো নিত্যপণ্যের জিনিস নাই যেটা দাম একশো গুণ থেকে দুইশো গুণ বাড়ে নাই। এই দাম কমাতে হলে খালেদা জিয়ার সরকার দরকার। বিএনপির সরকারের দরকার।

খুলনায় বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সোয়া ১২ টা থেকে কেসিসি মার্কেটের সামনে সমাবেশ শুরু হয়। সবার শুরু থেকে বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে মিছিল সহকারে দলীয় নেতৃবৃন্দ আসতে শুরু করে।

খুলনা মহানগর বিএনপি সভাপতি শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে বিভাগীয় সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী ও শামসুজ্জামান দুদু, কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, বিভাগীয় সাংগঠনিক (ভারপ্রাপ্ত) সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, সহ প্রচার সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, সহ তথ্য সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল, সহ ধর্ম সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু প্রমুখ।
এছাড়া বক্তৃতা করেন মেহেরপুরের জাভেদ মাসুল মিল্টন, কুষ্টিয়ার ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন, সেচ্ছাসেবক দল বিএনপি মহানগর সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক তারিকুল ইসলাম জহীর, জেলা সভাপতি শেখ তৈয়েবুর রহমান, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক একরামুল হক হেলাল, কৃষক দল জেলা সভাপতি মোল্লা কবির হোসেন, শ্রমিক দল জেলা সভাপতি উজ্জ্বল কুমার সাহা, মহিলা দলের মহানগর সভাপতি আজিজা খানম এলিজা, কৃষক দলের মহানগর সভাপতি আক্তারুজ্জামান তালুকদার সজীব, জেলা মহিলা দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট তছলিমা খাতুন ছন্দা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি প্রমূখ।

রূপসায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সবজ্বি ক্ষেত কর্তন, লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি

//খুলনা ব্যুরো//

রূপসায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ২ ফেব্রুয়ারী গভীর রাতে উত্তর খাজাডাঙ্গা গ্রামের কৃষকের সবজ্বি ক্ষেত কর্তন করেছে একদল দূর্বৃত্ত। ভূক্তোভোগী কৃষক মাসুদ গোলদার ও জাকির গোলদারের জানায়, ২ফেব্রয়ারি গভীর রাতে কে বা কাহারা তাদের সবজ্বি ক্ষেতে প্রবেশ করে তিন শতাধিক উন্নত জাতের ফলনশীল শীম গাছ কর্তন করে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধন করেছে। তাছাড়া উক্ত ক্ষেতে অবস্থিত চাষাবাদের জন্য মাটির নীচ থেকে পানি উত্তোলনকারী পাম্প ও পাইপ ভেঙে বিনষ্ট করেছে। এতে উক্ত ব্লকের আওতাধীন ৬ থেকে ৭ একর জমির ধান চাষ হুমকিতে পড়েছে। ভূক্তোভোগী কৃষক এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ফরিদুজ্জামান বলেন সবজ্বি ক্ষেত বিনষ্টের ব্যাপারে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। দূর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করতে অভিযোগটি রূপসা থানা পুলিশ বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে। এব্যাপারে ভ্ক্তূভোগী কৃষক মোঃ মাসুদ ও জাকির জানান আমরা দূর্বৃত্তের হানায় সর্বশান্ত হয়ে পড়েছি। বারবার এক শ্রেণির মাদক সেবী উঠতি বয়সের ছেলেরা কাহারো সবজ্বি ক্ষেত বিনষ্ট, কাহার মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ সহ নানা ধরনের অপকর্ম তাদের নিত্যদিনের ব্যপার হয়ে দাড়িয়েছে। দুর্বৃত্তদের ক্ষতিসাধনের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে এলাকার কৃষক ও দিনমজুর শ্রেণীর মানুষেরা একারনে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট দূর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানাচ্ছি।