খুলনায় চাকরির প্রলোভনে তরুণ-তরুণীদের সাথে প্রতারণায় গ্রেফতার-৭

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা//

খুলনায় অগ্নি নামে একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ফেসবুকে ভুয়া বিজ্ঞাপন দিয়ে শত শত বেকার তরুণ-তরুণীদের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। ওই প্রতিষ্ঠানের নারীসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- অগ্নি কোম্পানির মূলহোতা অভয়নগরের উপজেলার সৈয়দ তানভীর আহম্মেদ (৩১), খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার সাহাবুদ্দিন (৪০), ঝালকাঠি রাজাপুরের সোহেল (২৮), মোল্লারহাট উপজেলার হাড়িদাহের রেজাউল করিম (৩০), সাতক্ষীরা শ্যামনগর উপজেলার জাদরপুরের জাহিনুর ইসলাম (২০), নগরীর বয়রার জহিরুল ইসলাম (২০) ও ঝালকাঠির রাজাপুরের এক নারী সদস্য।

রবিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে সদর দপ্তরে প্রেস ব্রিফিংয়ে র‌্যাব-৬ লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. সারোয়ার হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।

এসময় তিনি জানান, র‌্যাব-৬ গোয়েন্দা তৎপরতা এবং বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে
জানতে পারে খুলনা মহানগরীতে একটি প্রতারক চক্র ফেসবুকে চাকরির চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বেকার তরুণ-তরুণীকে ফাঁদে ফেলে তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে আসছিল।
প্রতারক চক্রটি বেশ কিছু তরুণ-তরুণীকে তাদের অফিসে আটকিয়ে রেখে জোরপূর্বক অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে। গত শনিবার রাত ৮টায় র‌্যাব-৬ খুলনার একটি আভিযানিক দল খুলনার সোনাডাঙ্গা হাফিজনগর এলাকায় এনএইচ টাওয়ারের ৬ তলায় অবস্থিত অগ্নি কোম্পানি লিমিটেডের অফিসে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে প্রতারক চক্রের মূলহোতাসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

একই সঙ্গে ভুক্তভোগীদেরও উদ্ধার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্য এবং আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, চক্রটি তরুণ-তরুণীদরে চাকরি দেওয়ার নাম করে তাদেরকে অফিসে ডেকে নানা ফাঁদে ফেলে টাকা আত্মসাৎ করতো এবং তাদেরকে অন্যদের ফাঁদে ফেলানোর কাজে বাধ্য করতো।

গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ১০টি মোবাইল ফোন, ৪টি ল্যাপটপ, ৪০টি ভর্তি ফরম, ৪৫টি অঙ্গীকার নামা, ১টি সিসি ক্যামেরার ডিভাইস, ৪টি রেজিস্টার, ৫৪ হাজার ২১০ টাকা উদ্ধার ও জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা প্রতারণার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। জব্দ করা আলামত ও আসামিদেরকে খুলনার সোনাডাঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলার কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আজ হাজার কিলোমিটারের ১০০ মহাসড়ক উদ্বোধন করলেন

//আ: রাজ্জাক শেখ//
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বুধবার (২১ ডিসেম্বর) সকালে গণভবন থেকে ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নকৃত দুই হাজার কিলোমিটার মহাসড়কের উদ্বোধন করেন।
তিনি খুলনা ও টাঙ্গাইল প্রান্তে যুক্ত হয়ে উন্নয়নকৃত মহাসড়কের ফলে উপকারভোগী কয়েকজনের সাথে কথা বলেন ও তাদের অভিব্যক্তি মনোযোগ দিয়ে শোনেন।
এ সময় খুলনা জেলা স্টেডিয়াম প্রান্ত থেকে জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল, সংসদ সদস্য মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু, বিভাগীয় কমিশনার মোঃ জিল্লুর রহমান চৌধুরী, পুলিশ কমিশনার মোঃ মাসুদুর রহমান ভূঞা, রেঞ্জ ডিআইজি মঈনুল হক, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ, জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীনসহ
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে খুলনা জেলা স্টেডিয়াম প্রান্তে জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০২০-২০৪১ এর আলোকে ২০২০-২৫ মেয়াদে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে, যার মাধ্যমে অনগ্রসর ও দুর্গম অঞ্চলের প্রান্তিক জনসাধারণকে অর্থনীতির মূলধারায় সংযুক্ত করার লক্ষ্যে সরকার দেশের মহাসড়ক নেটওয়ার্ককে গতিশীল করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এ যুগেই বাংলাদেশের মহাসড়কগুলো স্মার্ট হাইওয়ে হিসেবে নির্মিত হবে। দেশে আজ একসাথে ২০২১.৫৬ কিলোমিটার উন্নয়নকৃত মহাসড়ক উদ্বোধন করা হয়েছে। মোট ১৪,৯১৪.৯৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪৮টি উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়নকৃত মহাসড়কগুলোর মধ্যে খুলনা বিভাগে ৩৫২.২৬ কিলোমিটার, ঢাকা বিভাগে ৬৫৩.৬৬ কিলোমিটার, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৫৮.৯০ কিলোমিটার, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৪২.৪৮ কিলোমিটার, সিলেট বিভাগে ১০৬.১৮ কিলোমিটার, বরিশাল বিভাগে ১০৭.২৬ কিলোমিটার, রাজশাহী বিভাগে ১৯৬.৮৭ কিলোমিটার এবং রংপুর বিভাগে ২০৩.৯৫ কিলোমিটার মহাসড়কে উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
এর মধ্যে ১৪২.২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে খুলনা জেলার ২৯ কিলোমিটার উন্নয়নকৃত সড়ক অন্তর্ভূক্ত রয়েছে।
খুলনায় অনুষ্ঠান শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান বলেন, দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার অনন্য মাইলফলক পদ্মাসেতুর কারণে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ এখন সড়ক পথে প্রায় তিন ঘন্টায় রাজধানীতের পৌঁছাতে পারছে। দেশের সার্বিক উন্নয়নের পূর্বশর্তই হলো যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন।
এসময় সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, খুলনা জেলার উদ্বোধন হওয়া মহাসড়কটি ব্যবহার করে ভোমরা স্থল বন্দরের সাথে খুলনাসহ সারাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে। এই বন্দর দিয়ে এখন আমদানি ও রপ্তানি সহজ হবে।

খুলনার রূপসায় বোমা সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার- গ্রেফতার-৮

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনার রূপসার থানার অফিসার ইনচার্জ  সরদার মোশাররফ হোসেন ও ওসি তদন্ত মো:সিরাজুল ইসলাম সহ  একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে তেরখাদা উপজেলা বিএনপির সভাপতিসহ ৮জনকে  গ্রেফতার করেছে।

এব্যাপারে এসআই বাবলা দাস বাদী হয়ে রূপসা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। যার নং- ১৫, তাং-১৫/১২/২২।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ডিসেম্বর আনুমানিক বেলা আড়াইটার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে  জানতে পারে যে, রূপসা থানাধীন  ঘাটভোগ ইউনিয়নের আলাইপুর গ্রামস্ত হিরো ব্রিকস (ইট ভাটা) এর অফিস কক্ষের মধ্যে ৫০/৬০ জন বিএনপির ও জামাতের দুষ্কৃতিকারী নেতাকর্মীরা তাদের হেফাজতে বিস্ফোরক দ্রব্য বোমা রেখে জীবন ও সম্পত্তির সাধন করার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।

 বিষয়টি জানতে পেরে  পুলিশের একটি দল আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বেলা ৩টার সময় উক্ত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে  দুষ্কৃতিকারীগন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করে।

এসময় পুলিশ চৌধুরি কওছার আলী (৬৫) ই্উসুফ আলী শেখ (৬০) মোঃ হাবিবুর রহমান (৩৫)শেখ আজিজুর রহমান (৪৯)মোঃ মোস্তফা শেখ (৪৫)মোঃ এস্কেন্দার মোল্লা (৪৮)মোঃ আব্দুল মান্নান সরদার (৫৫) মোঃ জাহিদুল ইসলাম (৪২) সহ মোট ৮জন কে আটক করে এবং অজ্ঞাতনামীয় ৪০/৫০জন দুস্কৃতিকারী কৌশলে পালিয়ে যায়।

গ্রেফতারকৃত আসামিরা তেরখাদা উপজেলার বিএনপির ও জামাতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী বলে জানাযায়। এসময় গ্রেফতারকৃত আসামি ই্উসুফ আলী শেখের বাম হাতে থাকা একটি প্লাস্টিকের বাজার করা ব্যাগের মধ্যে হতে ৬টি বোমা সাদৃশ্য বস্তু যাহা প্রত্যেকটি লাল টেপ দ্বারা মোড়ানো অবস্থায় ঘটনাস্থলে হইতে উদ্বার করে বলে পুলিশ জানায়।

এছাড়া আসামিদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায় যে,অজ্ঞাতনামা আসামিরা সকলেই একে অপরের যোগ সাজোসে ও সহায়তায় উক্ত ব্যাগে ছয়টি বোমা আত্নঘাতি কার্য করিবার উদ্দেশ‍্যে  অন‍্যের জীবন ও সম্পত্তি ক্ষতি সাধনের জন্য নিজেদের হেফাজতে রেখেছে।

যার কারনে আসামীরা দি স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্ট ১৯৭৪ এর ১৫ (৩)/২৫-উ  তৎসহ ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক উপাদানাবলী আইনের ৩/৪(খ)/৫/৬ ধারার অপরাধ করিয়েছে।

এব্যাপারে রূপসা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। যার নং- ১৫, তাং-১৫/১২/২২।

এ ব্যাপারে থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন জানান, গোপন সংবাদের মাধ্যমে আমরা জানতে পেরে উক্ত  স্থানে উপস্থিত হয়ে সেখান  থেকে বোমা সাদৃশ্য ছয়টি বস্ত উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় আটজনকে গ্রেফতার করা হয়। এবং  অজ্ঞাতনামা ৪০-৫০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়।

খুলনার রূপসায় শহীদ বৃদ্ধিজীবী দিবস পালিত

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা//
শহীদ বৃদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রূপসা উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভা গত ১৪ ডিসেম্বর সকালে বিজয় মঞ্চে পুষ্পমাল্য অর্পন শেষে অফিসার্স ক্লাবে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালী যুক্ত হয়ে বক্তৃতা করেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী।

উপজেলা সহকারি কমিশনার( ভুমি )মোঃ সাজ্জাদ হোসেন এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দিন বাদশা,
উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ যোবায়ের, কৃষি কর্মকর্তা মো. ফরিদ উজ্জামান, রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ প্রদীপ কুমার মজুমদার।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়া জামান, নির্বাচন কর্মকর্তা মোল্লা নাসির আহম্মেদ,
উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ বজলুর রহমান, সমবায় কর্মকর্তা প্রশান্ত ব‍্যানার্জী,পল্লী বিদ্যুতের এজিএম হালিম খান,আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা আরিফা খাতুন, তথ‍্য আপা দিলশান আরা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম,পল্লি সঞ্চয় ব্যাংক কর্মকর্তা মুক্তা মন্ডল প্রমূখ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুরদর্শীতা ও নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে:সালাম মূর্শেদী এমপি

/আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সফল রাষ্ট্রনায়ক আখ্যা দিয়ে খুলনা-৪আসনের সংসদ সদস‍্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেছেন, তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই বাংলাদেশ আজ বৈষম্যহীন ও প্রগতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বে পরিচিতি পেয়েছে।

‘স্বাধীনতার পরবর্তীতে ৭১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বৈষম্যহীন সমাজ ও দেশ গঠনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। স্বাধীনতার সময় আমাদের দেশ অর্থনীতি, শিক্ষা, প্রযুক্তিগত, শিল্পায়ন থেকে শুরু করে সকল কিছুতেই পিছিয়ে ছিল। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুরদর্শীতা ও নেতৃত্বের কারণেই সেই অবস্থা থেকে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ‘২০০৮ সালে শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করলে, অনেকেই ব্যাঙ্গাত্মক কথাবার্তা বলেছিল। কিন্তু শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই দেশ অকল্পনীয় গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।

‘সংবিধানের চার মূলনীতির মূলমন্ত্র হচ্ছে প্রগতিশীলতা। বর্তমান প্রযুক্তির যুগে বৈষম্যহীন সমাজ বলতে কেবল অর্থনৈতিক বিষয় বুঝায় না। শিক্ষা থেকে শুরু করে কর্মক্ষেত্রসহ সকল পর্যায়ে নারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে। সকল পর্যায়ের বৈষম্য দূর করার জন্য শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার যে সকল কাজ করছে তা এখন দৃশ্যমান। দেশ হতে মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদ ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছি, আর প্রগতিশীল হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছি। প্রগতিশীলতা এবং শেখ হাসিনা একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। শেখ হাসিনার বাংলাদেশ এখন বিশ্বে অনুকরণীয়।’

তিনি আরো বলেন, “আমাদের দেশ উন্নয়নশীল দেশে উপনীত হয়েছে। মাথাপিছু আয় বেড়েছে, অর্থনৈতিক অগ্রগতিও দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। এর সাথে আমাদের ধনী-দরিদ্র্যের বৈষম্য হ্রাস করতে হবে। সম্পদের সুষম বণ্টন হলে ধনী-দরিদ্র্যের মাঝে সম্প্রীতি বৃদ্ধি পাবে এবং উন্নয়ন টেকসই হবে। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, মুসলমানসহ সকলে মিলেমিশে যেভাবে বাঙালিত্ব ও স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করেছিলাম, ঠিক তেমনি দেশের উন্নয়নের ভাগ সকলের মাঝে সুষমভাবে বণ্টন করতে হবে।

আজ (১৩ডিসেম্বর)মঙ্গলবার বিকালে রূপসা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে   উপজেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস ও  বিজয় দিবস সফল করার লক্ষ্যে রূপসা উপজেলা আওয়ামীলীগ এবং সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

রূপসা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ কামাল উদ্দীন বাদশার  সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন  জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য ফ.ম আঃ সালাম, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সদস‍্য আঃ মজিদ ফকির,উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান মোল্যা,মোরশেদুল আলম বাবু,খান শাহাজাহান কবীর প্যারিস, নজরুল ইসলাম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো: মোতালেব হোসেন,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম হাবিব,দপ্তর সম্পাদক আকতার ফারুক।

উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ইমদাদুল ইসলামের পরিচালনায় আরো বক্তৃতা করেন আওয়ামীলীগ নেতা সেলিম মোল্যা,প্রভাষক ওয়াহিদুজ্জামান, শ,ম জাহাঙ্গীর, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর শেখ,মোঃ কামাল হোসেন বুলবুল, আলহাজ্ব ইসহাক সরদার, মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান,আওয়ামীলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, মনিরুজ্জামান মনি, রবিউল ইসলাম বিশ্বাস,বিনয় কৃষ্ণ হালদার, আরিফুজ্জামান লিটন, সরদার মিজানুর রহমান, মুনীর হোসেন মোল্যা,  জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবিএম কামরুজ্জামান,আওয়ামীলীগ নেতা আল মামুন সরকার, রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস,আসাদ শেখ, রিনা পারভিন,উপজেলা স্বেচ্চাসেবকলীগ সভাপতি  রুহুল আমিন রবি, সাধারণ  সম্পাদক রাজীব দাস টাল্টু,কৃষকলীগ নেতা আঃ মান্নান শেখ,ওয়াহিদুজ্জামান আরমান মিয়া,যুব মহিলালীগের সভাপতি  আকলিমা খাতুন তুলি,  সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানা রুনা, প্রভাষক ওয়াহিদুজ্জামান, জেলা যুবলীগ নেতা হারুন মোল্যা, সাইফুল ইসলাম, ব্রজেন দাস, মোঃ ফরিদ শেখ, যুবলীগ নেতা বাদশা মিয়া,কামরুজ্জামান সোহেল, সাইদুর রহমান ছগির,এমপিরপ্রধান সমন্বয়ক ও যুবলীগ নেতা নোমান ওসমানী রিচি, সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের টিম লিডার যুবলীগ নেতা শামসুল আলম বাবু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মোঃ মইন উদ্দিন, যুবলীগ নেতা সুব্রত বাকচী,তাহিদ মোল্যা, সরদার জসীম উদ্দীন,শফিকুর রহমান ইমন,রবিউল ইসলাম, ফ,ম আইয়ুব আলী, আবুল কালাম আজাদ,এম শাহনেওয়াজ কবীর টিংকু,রতন মন্ডল,খায়রুজ্জামান সজল,সাইফুল ইসলাম শাওন, মোস্তাফিজুর রহমান হেলাল,আঃ করিম শেখ,ফ,ম, অহিদুল ইসলাম,জ্যাকি ইসলাম সজল,মারুফ খান,এহতেশামূল হক অপু,মহিউদ্দীন মানিক, আরিফুজ্জামান কাজল, নাজমুল হুদা অঞ্জন, রায়হান ফকিরসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ।

খুলনায় দুই বীরের মাজারে পুষ্প মাল্য অর্পণ জেলা প্রশাসকের

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা//

১৯৭১  সালের ১০ ডিসেম্বর জাতির দুই সূর্য সন্তান  বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন  ও বীর  বিক্রম মহিবুল্লাহ ঘাতকদের হাতে নির্মমভাবে নিহত হন।

দুই বীরের মৃত বার্ষিকী উপলক্ষে খুলনার পূর্ব রূপসা ঘাট এলাকায় মাজার চত্বরে বাংলাদেশ নৌবাহিনী, খুলনা জেলা প্রশাসক, বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন পাবলিক লাইব্রেরী ও উপজেলা প্রশাসন এর পক্ষ থেকে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও  আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

খুলনার জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফিন বেলা ১১ টায় মাজারে পুস্পমাল‍্য  অর্পণ শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে মাল‍্যদান করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন  স্থানীয় সরকারের উপ- পরিচালক মো: ইউসুফ আলী, জেলা প্রশাসক সার্বিক

মো: সাদিকুর রহমান খান, জেলা প্রশাসক শিক্ষা মুকুল কুমার মৈত্র,  জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সরদার মাহবুবুর রহমান, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন পাবলিক লাইব্রেরীর সভাপতি অধ‍্যাপক মোঃ আলমগীর কবির,  উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বাদশা, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মো: সাজ্জাদ হোসেন, আইসিটি কর্মকর্তা মো:রেজাউল করিম,সহকারী মাধ‍্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা,  ইউপি চেয়ারম‍্যান কামাল হোসেন বুলবুল, মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, মুক্তিযোদ্ধা কাজী ইয়াহিযা, বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন পাবলিক লাইব্রেরীর সাধারণ সম্পাদক এএইচ এম জামাল উদ্দীন, আওয়ামীলীগ নেতা আ:মজিদ ফকির,মো: মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আ:রাজ্জাক শেখ, সাংবাদিক আবুল কালাম বাবু, ইউপি সদস‍্য রিনা পারভীনসহ  অনেকেই।

খুলনার রূপসায় বোমা সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার ও বোমা ফাটানোর ঘটনায় গ্রেফতার ৭

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনার রূপসায়  থানা পুলিশ  গত ৬ডিসেম্বর  রা আনুমানিক ১০টা ৩০মিনিটের সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে নৈহাটি ইউনিয়নের আমদাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর মাঠের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে  যুব জাগরণী সংঘ এর পিছনে ফাঁকা জায়গায় ৫০-৬০ জন দুষ্কৃতকারীরা বোমা ফাটাইয়া ও তাহাদের হেফাজতে বিস্ফোরক দ্রব্য বোমা রাখিয়া জীবন ও সম্পত্তির সাধন করার উদ্দেশ্যে অবস্থান করিতেছে।

থানার এস আই কামরুজ্জামান বিষয়টি জানতে পেরে থানা অফিসার ইনচার্জ  সরদার মোশাররফ হোসেনকে কে অবহিত করিয়া আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন‍্য  সঙ্গী ও অফিসার নিয়ে রাত সাড়ে ১০ ঘটিকার সময় উক্ত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অবস্থানরত দুষ্কৃতিকারী গন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করে।

এসময় পুলিশ বাদশা জমাদার (৪৮)  মো: রিপন আকন (৪৩) সৈয়দ আবু হানিফ সোহাগ (৩৪)মোঃ শহিদুল ইসলাম (৫২) এস এম কামাল উদ্দিন (৪৮) জাহাঙ্গীর হালদার (৫১)ও  ইমরান মীরকে আটক করে এবং এজাহার নামীয় ৫০-৬০জন দুস্কৃতিকারী পালিয়ে যায়।

গ্রেফতারকৃত আসামি বাদশা জমাদ্দারের ডান হাতে থাকা মাঝারি সাইজের একটি প্লাস্টিকের বাজার করা ব্যাগের মধ্যে হতে ৫টি বোমা সাদৃশ্য বস্তু যাহা প্রত্যেকটি লাল টেপ দ্বারা মোড়ানো অবস্থায় এবং ঘটনাস্থল হইতে  বোমা বিস্ফোরিত দুইটি টিনের কৌটার অংশ বিশেষ উদ্বার করে।

এছাড়া আসামিদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায় যে তারা ও এজাহার নামীয় পলাতক আসামিরা এবং অজ্ঞাতনামা আসামিরা সকলেই একে অপরের যোগ সাজোসে ও সহায়তায় দুটি বোমা ফাটাইয়া এবং উক্ত ব্যাগে পাঁচটি বোমা অন্তঘার্তি কার্য করিবার উদ্দেশ‍্যে এবংঅন‍্যের জীবন ও সম্পত্তি ক্ষতি সাধনের জন‍্য  একে অপরের সহায়তায় নিজেদের হেফাজতে রাখিয়াছে। আসামিরা  অন‍্যের জিবন ও সম্পত্তির ক্ষতি সাধনের জন্য একে অপরের সহায়তা নিজেদের হেফাজতে রাখিয়া ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে বোমা ফাটাইয়া ও বোমা সদৃশ্য বস্তু নিজ  হেফাজতে রাখিয়া দি স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্ট ১৯৭৪ এর ১৫ (৩)/২৫-D

তৎসহ ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক উপাদানাবলী আইনের ৩/৪(খ)/৫/৬ ধারার অপরাধ করিয়েছে।

এব‍্যাপারে এসআই কামরুজ্জামান বাদী হয়ে রূপসা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। যার নং- ৬, তাং-৬/১২/২২।

এজাহার নামীয় আসামিরা হলেন বাদশা জমাদ্দার, রিপন আকন,সৈয়দ আবু হানিফ সোহাগ, মোঃ শহিদুল ইসলাম, এস এম কামাল উদ্দিন,জাহাঙ্গীর হালদার,ইমরান আলী মীর,  শাহাবুদ্দিন ইজারাদার, মাহমুদুল আলম লোটাস,  মো: আতাউর রহমান রুনু, রাঙ্গু সোহেল, রুবেল মীর, ইউনুস আলী শেখ, মিজানুর রহমান, বাবুল শেখ, আকতার শেখ, মালেক শেখ, সাইফুল পাইক, কবির  শেখ, শাহজালাল লস্কর, সহ অজ্ঞাত ৫০ ৬০ জন।

এ ব্যাপারে থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন বলেন, পুলিশের টহল গাড়ি গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পেরে আমরা আমদাবাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠের পশ্চিম দক্ষিণ করে সেখানে উপস্থিত হই এবং সেখান  থেকে  বোমা সদৃশ্য পাঁচটি বস্তু  উদ্ধার ও দুটি বোমা ফাটানো টিনের কৌটা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনার সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়। এবং ২২ জনের নামে এজাহার নামীয় ও অজ্ঞাতনামা ৫০-৬০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের  করা হয়।

রূপসায় আওয়ামীলীগ নেতা ও সাংবাদিক বাবুর চাচার মৃত্যু জানাজা সম্পন্ন

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

রূপসা উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি  সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবুর বড় চাচা কাজদিয়া নিবাসী সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী (৯২) শনিবার সকালে বার্ধক্য জনিত কারনে ইন্তেকাল করেছেন।

তার নামাজে জানাজা আজ ৩ ডিসেম্বর বাদ আসর কাজদিয়া ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু,কামরুজ্জামান জামাল,মহানগর বিএনপির আহবায়ক এ্যাডঃ শফিকুল আলম মনা,জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবু হোসেন বাবু,বিএনপি নেতা মোস্তফা উল বারি লাভলু,মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ ফকির, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান মোল্লা,খান শাহাজাহান কবীর প্যারিস, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান, জেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সরদার জাকির হোসেন,সাংগঠনিক সম্পাদক এবিএম কামরুজ্জামান, জেলা বিএনপি নেতা জিএম কামরুজ্জামান টুকু,  খুলনা চেম্বার এন্ড কমার্সের সদস্য মনিরুল ইসলাম মাসুম,ঘাটভোগ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পারভেজ হাওলাদার,যুবলীগ নেতা নোমান ওসমানী রিচি, প্যানেল চেয়ারম্যান আওরঙ্গজেব স্বর্ন, মহিউদ্দিন মিন্টু, সৈয়দ নান্টু, সমাজসেবক খান বজলার রহমান, কাজদিয়া বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইসলাম সরদার, থানার মোড় বাজার বণিক সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম,সমাজসেবক সৈয়দ মাহমুদ আলী, সাজ্জাদ সরদার, সমাজসেবক আজিবুল্লাহ শেখ, ফ,ম ওহিদুল ইসলাম,যুবলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান হেলাল,সৈয়দ লালন,  এম  শাহনেওয়াজ কবীর টিংকু,খায়রুজ্জামান সজল, সাইফুল ইসলাম শাওন, মহিউদ্দিন মানিক,ছাত্রনেতা আশিকুজ্জামান তানভির,আরিফুল ইসলাম কাজল, আলিম খান,জিএম হিরক,ড্যানিশ আরশাদ,নাহিদ শেখ,উজ্জল প্রমূখ।

জানাজা পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা কবীর হোসেন।

সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়ন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করতে বদ্ধপরিকর: সালাম মূর্শেদী এমপি

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা//
খুলনা- ৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুর সালাম মুর্শিদী বলেছেন,
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৯ (১) নম্বর অনুচ্ছেদে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিসহ দেশের সকল নাগরিকের সুযোগের সমতা নিশ্চিত করেছেন।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়ন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করতে বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছে। আগামীর বিশ্বকে প্রতিবন্ধী/বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য কল্যাণকর বিশ্ব হিসেবে গড়ে তুলবো, যেখানে নিত্য নতুন প্রযুক্তি-জ্ঞান উদ্ভাবনের মাধ্যমে এ ধরনের মানুষের জীবনযাত্রা সহজতর হবে।
আমরা ২০২০ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী বাস্তবায়নের ফলে ২০৪১ সালের বাংলাদেশ উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে উন্নীত হবে ইনশাল্লাহ।

তিনি আরো বলেন, দেশের প্রতিবন্ধী ও অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের ওয়ানস্টপ সার্ভিস প্রদানের লক্ষ্যে সরকার দেশের ৬৪টি জেলা ও ৩৯টি উপজেলায় মোট ১০৩টি প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র চালু করা হয়েছে।

প্রত্যন্ত এলাকার প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় থেরাপি- সংক্রান্ত সেবা পৌঁছানোর লক্ষ্যে ৪৫টি ভ্রাম্যমাণ মোবাইল রিহ্যাবিলিটেশন থেরাপি ভ্যানের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষার পথ অবারিত করতে সারাদেশে ৭৪টি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও ১২টি স্পেশাল স্কুল ফর চিলড্রেন উইথ অটিজম পরিচালিত হচ্ছে।

প্রতিবন্ধী ব্যক্তির ক্ষমতায়নের প্রতীক হিসেবে ঢাকার মিরপুরে প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৫ তলা বিশিষ্ট মাল্টিপারপাস প্রতিবন্ধী কমপ্লেক্স (সুবর্ণ ভবন) নির্মাণ করা হয়েছে।

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অনুপ্রাণিত করতে প্রায় ৪৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা জেলার অদূরে সাভারে একটি আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে।

আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস ও ২৪তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস- ২০২২ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) রূপসা উপজেলা প্রশাসন, সমাজসেবা কার্যালয় ও প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র আয়োজিত ৩১ তম আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস ২৪ তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভায় জুম কনফারেন্সের মাধ্যমে অফির্সর্সক্লাব মিলনায়তনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

রূপসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রূবাইয়া তাছনিম এর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তৃতা করেন উপজেলা সামাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়া জামান।

বিশেষ অতিথি বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দিন বাদশা,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, উপজেলা পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শেখ মোঃ শফিকুল ইসলাম।

এসময় বক্তৃতা করেন পল্লী বিদ্যুতের এজিএম হালিম খান,একাডেমিক সুপারভাইজার নিত্যানন্দ মন্ডল,যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেক বজলুর রহমান, প্রতিবন্ধী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য আব্দুল মজিদ ফকির, এস আই শেখ রাজু আহম্মেদ,আওয়ামীলীগ নেতা বিনয় কৃষ্ণ হালদার,প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা
ডা: খান মোঃ শফিকুল ইসলাম,আলমগীর হোসেন শ্রাবণ, আব্দুর রহমান,শিক্ষক রবিউল ইসলামসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণ” এখন মোংলা বন্দর, বন্দরের সক্ষমতা বেড়েছে কয়েকগুন”

/আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

“মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ৭২ তম বন্দর দিবস ১ ডিসেম্বর পালন করা হলো। মোংলা বন্দর বিশ্ব ঐতিহ্যের ধারক সুন্দরবনের পাদদেশে অবস্থিত।

১৯৫০ সালের এইদিনে  প্রতিষ্ঠা লাভ করে। একই বছর ১১ ডিসেম্বর পশুর নদীর জয়মনিরগোলে ‘‘দি সিটি অব লিয়নস’’ নামক ব্রিটিশ বাণিজ্যিক জাহাজ নোঙ্গরের মাধ্যমে এর কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৮৭ সালের পোর্ট অব চালনা অথরিটি এ্যাক্ট অনুসারে প্রথমে চালনা বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং পরবর্তীতে মোংলা পোর্ট অথরিটি নামে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর হিসেবে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের তথা বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ বন্দর ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলেছে। ২০০১ হতে ২০০৮ অর্থ বছর পর্যন্ত এ বন্দর নানামুখী প্রতিকুলতার কারণে লোকসানী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল। বিগত

২০০৭-২০০৮ অর্থ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ০৭টি জাহাজ ও সম্পূর্ণ অর্থ বছরে ৯৫টি জাহাজ আগমন করে এবং ২০০৪-২০০৫ অর্থ বছরে বন্দর ১১ কোটি টাকা লোকসান করে।

২০০৯ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহন করার পর থেকে মোংলা বন্দর উন্নয়নের জন্য সরকার অগ্রাধিকার ও বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে এবং বন্দরের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে কাজ শুরু করে। ফলে ক্রমান্বয়ে মোংলা বন্দর গতিশীল হতে থাকে, যার কারণে প্রতি বছর বিদেশী জাহাজ আগমনের রেকর্ড সৃষ্টি হচ্ছে।

প্রতি বছরের ন্যায় দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে বন্দর ভবনসহ মোংলা ও খুলনাস্থ বন্দর এলাকায় আলোকসজ্জা করা হয়। রাত ১২:০১ ঘটিকায় বন্দরে অবস্থানরত দেশী,

বিদেশী সকল জাহাজে একযোগ হুইসেল বাজানো হয়। বন্দরের অগ্রগতি কামনা করে মোংলা বন্দরের সকল মসজিদে দোয়া মাহফিল করা হয়। সকাল ৯ ঘটিকায় কবুতর ও বেলুন উড়িয়ে বন্দরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভ উদ্বোধন ও বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

এর পর অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা কেক কেটে দিবসের শুভ উদযাপন শুরু করেন। শুরুতেই অত্র বন্দরের উপর নির্মিত উন্নয়নমূলক ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।

পবিত্র কুরআন তেলওয়াত, গীতা ও বাইবেল পাঠ শেষে আলোচনা অনুষ্ঠানের শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব কালাচাঁদ সিংহ।

অনুষ্ঠানে সভাপতি মোঃ শাহীনুর আলম, পরিচালক (প্রশাসন), বিশেষ অতিথি কমডোর মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ তরফদার, সদস্য (হারবার ও মেরিন) ও প্রধানঅতিথি বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা বলেন“এক সময়ের লোকশানী বন্দর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় আসার সাথে সাথে বেশ কিছু প্রকল্প গ্রহণ করেন, যার ফল শ্রুতিতে মোংলা বন্দর এখন জাহাজ আগমনে নতুন নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করছে, বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক দূরদর্শিতায় অচিরেই মোংলা বন্দর শিপিং হাব এ রুপান্তর হবে।”

বন্দরের সেরা কৃতত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ বন্দরের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ক্রেস্ট ও সম্পাননা  প্রদান করা হয়।

এছাড়াও বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বন্দর ব্যবহারকারী ও সম্মানিত অতিথিদের মধ্যে কয়েকজনকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। অনেক চড়াই উত্তরাই পেরিয়ে আসা মোংলা বন্দর পদ্মাসেতু চালু হওয়ার সাথে

সাথেই বর্তমানে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণে পরিণত হয়েছে।

মোংলা বন্দরকে আরো আধুনিক ও বিশ্বমানের করে গড়ে তোলার জন্য বেশ কিছু প্রকল্প চলামান রয়েছে ও কিছু প্রকল্প ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য হাতে নেয়া হয়েছে।