রামপালে মুজিববর্ষের ঘর প্রদানে উপজেলা প্রশাসনের সংবাদ সম্মেলন

//এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি//

মুজিববর্ষে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না প্রধানমন্ত্রীর এই  নির্দেশনা বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় ২১ জুলাই ৩য় পর্যায়ের তৃতীয় ধাপের প্রকৃত ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সেই উপলক্ষ্যে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার “প্রেসক্লাব রামপাল” এর সাংবাদিকদের সাথে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার বিকেল ৫ টায় উপজেলা পরিষদ কনফারেন্স রুমে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কবির হোসেন এর লিখিত বক্তব্যে বলেন, “আশ্রয়ণের অধিকার,শেখ হাসিনার উপহার” এই স্লোগানে সারাদেশের ন্যায় আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সরাসরি তত্ত্বাবধানে রামপালে ৩য় পর্যায়ের তৃতীয় ধাপের ঘরগুলোর নির্মাণ কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। ২১ জুলাই সারা দেশের ন্যায় ৩য় পর্যায়ের তৃতীয় ধাপের বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় মোট ১০৫টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে কবুলিয়ত দলিল ও নামজারি খতিয়ানসহ নতুন ঘর হস্তান্তর করা হবে। ইতোপূর্বে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ১ম পর্যায়ে রামপালে ১০টি ,২য় পর্যায়ে ৪০ টি এবং ৩য় পর্যায়ের প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে ১২৫টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমিসহ গৃহ প্রদান করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য আরো ১০৩২ টি ঘর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

রামপাল উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রকৌশলী দপ্তর ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দপ্তরের সার্বিক সমন্বয়ে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য এই ঘর নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, তালিকা ভিত্তিক আবেদনকারীগণের প্রত্যেকের আলাদা সাক্ষাৎকার গ্রহণ ও সরেজমিন পরিদর্শণের মাধ্যমে যথাযথ উপকারভোগী বাছাই ও তাদের জন্য বন্দোবস্তকৃত ঘরে বসবাসের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও যুবলীগের সভাপতি নূরুল হক লিপন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সেখ সালাউদ্দিন দিপু, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মতিউর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ গোলজার হোসেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ জিয়াউল হক, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ সাহিনূর রহমানসহ স্থানীয় কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ।

রামপালের হাট-বাজারের বর্জ্য নদীতে পরিবেশ বিপর্যয়ের আশংকা

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপালে বর্জ্য ফেলার নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় যত্রতত্র প্লাস্টিকের ও জীবযন্তুর বর্জ্যসহ সকল প্রকার বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। হাট-বাজার গুলো নদী কেন্দ্রীক হওয়ায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে বর্জ্য নদীতেই ফেলা হচ্ছে। এতেকরে নদীর নাব্যতা হ্রাসসহ পরিবেশ বিপর্যয়ের আশংকা দেখা দিয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে উপজেলার পেড়িখালী বাজারের সকল বর্জ্য মোংলা ঘোষিয়াখালীর চ্যানেলে ফেলানো হয়। এছাড়াও ফয়লাহাট, ডাকরা বাজার, কালিগ্জ বাজার, গিলাতলা বাজার, ঝনঝনিয়া বাজার, চাকশ্রী বাজার, বেতকাটা বাজার, গোনা বাজার ও গৌরম্ভা বাজার গুলো নদী কেন্দ্রিক।

এ ছাড়াও স্থলভাগে বাজার রয়েছে ভাগা বাজার, শ্রীফলতলা বাজার, সন্নাসীর বাজার, বাবুর হাট। এসব বাজারের সম্পুর্ন বর্জ্য নদীতে ও খালে ফেলানো হয়ে থাকে। বিশেষ করে ফয়লাহাট ও গিলাতলা বাজারের বর্জ্য সরাসরি নদীতে ফেলায় মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। বাজারের ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে ময়লা ফেলার ডাম্পিং ব্যবস্থা না থাকায় ময়লা আবর্জনা নদী বা ডোবায় ফেলা হয়। তারা বলেন বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি থাকলেও বা এ ব্যাপারে সরকারি নির্দেশনা থাকলেও সেটিতে কারো নজর নেই।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)’র বাগেরহাট জেলা সদস্য এম, এ সবুর রানা’র কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বর্জ্য নদীতে ও খালে ফেলা হলে নদীর নাব্যতা হারাবে। এ ছাড়াও পরিবেশ দুষণ ও পরিবেশ বিপর্যয় দেখা দিবে। নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলতে হবে।

এ জন্যে তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের জোর হস্তক্ষেপসহ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন।

Daily World News

রামপালে জুনের বেতন পাননি প্রাথমিকের ৬ শতাধিক শিক্ষক

রামপালে জোয়ারের পানিতে বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত

রামপালে জুনের বেতন পাননি প্রাথমিকের ৬ শতাধিক শিক্ষক

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি||

বরাদ্দ নেই এমন দোহাই দিয়ে বেতন ছাড় না করায় মধ্যে জুলাইয়েও রামপালে প্রাথমিকের ৬ শতাধিক শিক্ষক ঈদ উল আজাহার আনন্দ উপভোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার এমন হটকারি সিদ্ধান্তে ক্ষুদ্ধ হয়েছেন শিক্ষকরা।

জানা গেছে রামপাল উপজলায় ১২৭ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে ৬ শতাধিক শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন।  শিক্ষকদের অভিযোগ গত জুন /২২ মাসের বেতন তারা তুলতে পারনেনি। ব্যাংকে গিয়ে খালি হাতে ফিরতে হয়েছে তাদের। বেশির ভাগ শিক্ষক বেতন না পেয়ে ঈদের আনন্দ থেকে বেশ খানিকটা বঞ্চিত হয়েছেন। নাম প্রকাশ না করে ৮/৯ জন শিক্ষক এ প্রতিনিধিকে বলেন জুন মাসের বেতন না পেয়ে অনেক শিক্ষক কোরবানি করতে পারেননি। অনেকে ধার করে কোরবানি করেছেন।

বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজলার শিক্ষকরা বেতন না পেলেও অন্যান্য উপজলার শিক্ষকরা সময় মতো জুনের বেতন পেয়েছেন বলে তারা জানান। শিক্ষকদের কথার সুত্র ধরে পার্শ্ববর্তী মোংলা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক মো. নুর ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা সময় মতো জুনের বেতন পেয়েছি।

শিক্ষকদের অভিযাগ বেতনের জন্য উপজলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগাযাগ করা হলে তাদের বলা হয় জুনের বেতনের বরাদ্দ আসেনি। একটি বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক বলেন সম্প্রতি পেড়িখালি এলাকায় একটি বিদ্যালয় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারা একটি মিটিং করার সময় বেতন না পাওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে উপজলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে বেতন ছাড় করার নির্দেশ দিলেও তিনি তাদের কথা রাখনেনি বলে ওই শিক্ষক অভিযাগ করেন।

তিনি আরও অভিযাগ করে বলেন কোরবানির ঈদের আগে শিক্ষকরা শিক্ষা অফিসে বেতনের জন্য বার বার ধর্ণা দিয়েও বেতন পাননি। এ কারণে এবার অনেক শিক্ষক কোরবানি করতে পারেননি। শিক্ষকরা বেতন না পাওয়ার জন্য উপজলা শিক্ষা অফিসার মতিয়ার রহমানক দায়ী করেন। এ বিষয় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার একজন সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন আমি যতদুর জানি কিছু শিক্ষকের ১৩ তম গ্রেড পাওয়ায় অতিরিক্ত টাকা খরচ হয়েছে।

এজন্যে কিছু টাকা ঘাটতি ছিল। তবে মুসলমান শিক্ষকদের ঈদের সময় বেতন দেয়া যেতা বলে তিনি মন্তব্য করেন। টিইও স্যার কেন দেননি তিনি সেটা ভালো বলতে পারবেন। তবে তিনি সর্বশেষ জানান বরাদ্দ এসেছে এখন শিক্ষকদের জুনের বেতন ব্যাংকে পাঠানো হবে। তারা আগামী সপ্তাহে বেতন হাতে পাবেন। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি মোবাইল ফোনে জানান বরাদ্দ ছিলনা তাই বেতন দেয়া যায়নি। এখন বরাদ্দ আসছে অনলাইনে।

এসময় অন্য উপজলার শিক্ষকরা বেতন পেলেও কেন রামপাল উপজেলার শিক্ষকরা বেতন পাননি সে প্রসঙ্গে জানতে চাইলে  তিনি বলেন তাদের বরাদ্দ ছিল তাই তারা দিতে পেরেছেন। বরাদ্দ এসে গেছে। এখন বেতন দিয়ে দেয়া হবে।

রামপালে জোয়ারের পানিতে বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

পূর্ণিমার জোয়ারের পানিতে বাগেরহাটের রামপাল উপজলার বিভিন্ন এলাকায় প্লাবিত হয়েছে। সাধারন মানুষ বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন। জানা গেছে মোংলা- ঘোষিয়াখালি বঙ্গবন্ধু নৌ চ্যানেলসহ দাউদখালি, বগুড়া, তেতুলিয়া নদীর পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে।

এর ফলে এসব নদীর দুই তীরের অনেক এলাকা জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যায়। অনেক এলাকায় গ্রামীন রাস্তা তলিয়ে যাওয়ায় চলাচলে দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারন মানুষ। বেশির ভাগ চিংড়ি ঘেরের বেড়ি বাঁধ ছুই ছুই করছে পানি। কিছু এলাকার চিংড়ি ঘের পানিতে তলিয়ে গেছে। কোন কোন নীচু এলাকায় বাড়ি ঘরের চারপাশে পানি উঠে যায়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে বাঁশতলী, ভোজপাতিয়া, হুড়কা, রামপাল সদর, রাজনগর, পেড়িখালি ইউনিয়নের অনেক এলাকা জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যায় বলে ওই সব এলাকার সাধারণ মানুষ ও জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন।

দাউদখালি নদীর পানি উপচে পড়ে ফয়লাহাট ও ঝনঝনিয়া বাজার, গিলাতলা বাজার তলিয়ে যায়। গতকাল বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক হাটের দিন বেলা ১১টার দিকে দেখা যায় বাজারের ড্রেনের মুখ খোলা থাকায় জোয়ারের পানিতে ফয়লা বাজারের অর্ধেকটা তলিয়ে যায়। এর ফলে বাজারের কাচা মালামাল পানিতে ভাসতে থাকে। দোকানদাররা বেচাকেনা বাদ রেখে মালামাল রক্ষায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন। ঝনঝনিয়া বাজারের পাশের একজন বাসিন্দা জানান দাউদখালি নদীর জোয়ারের পানিতে ঝনঝনিয়া বাজার সহ চলাচলের রাস্তা, মাঠ ও আশপাশের অনেক এলাকা তলিয়ে যায়। পশুর নদীর পানিতে গৌরম্ভা ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকায় জোয়ারের পানি উঠে যায়। মইদাড়া নদীর পানিতে রাজনগর ইউনিয়নের অনেক এলাকা জোয়ারের পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ‘র সদস্য এম, এ সবুর রানা বলেন পূর্ণিমার জোয়ার ও তীব্র মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে জোয়ারের পানি বেড়েছে।

এ ছাড়াও নদী খাল সংকুচিত হওয়ায় জোয়ারের পানি উপচে পড়ছে।

Daily World News

রুপসায় বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে এক যুবকের মৃত্যু

 বাগেরহাটের রামপালে গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু এলাকাবাসীর তদন্ত দাবী

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপালে ঈদের দিন রাতে মিরা বেগম (৪২) নামের এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। গত ১০ জুলাই রোববার রাতে উপজেলার ঝনঝনিয়া বড়বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ময়না তদন্ত ছাড়াই মরদেহ তড়িঘড়ি করে দাফন করায় তার মৃত্যু নিয়ে জনমনে রহস্যের সষ্টি হয়েছে। সরোজমিনে ওই গৃহবধুর মৃত্যু সর্ম্পকে প্রতিবেশি ও স্বজনদের সাথে কথা বলে জানা যায় ঝনঝনিয়া বড় বাড়ির বাসিন্দা মো. শাহিনুর রহমানের সাথে স্ত্রী মিরা বেগমের কোরবানির মাংশ বিতরণ ও বাবার বাড়ি বড়িতে যাওয়া না যাওয়া নিয়ে ঘটনার দিন আনুমানিক সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় কথা কাটাকাটি হয়। এরই জের ধরে শাহিন মিরা বেগমের উপর শারিরীক নির্যাতন চালান। এতে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। এক পর্যায় মিরা বেগম ওই রাতেই বাড়িতে মারা যান। প্রতিবেশিরা জানান এরপর মিরা বেগমকে গলায় দড়ি দিয়ে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা করেছে বলে শাহিন প্রচার চালায়। পরে লোকজন এসে মিরার ঝুলন্ত  মরদেহ নামিয়ে ওই রাতেই রামপাল উপজলা স্বাস্থ কেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

এ দিকে মৃত্যুর বিষয়টি থানায় না জানিয়ে গত সোমবার সকাল সাড়ে ৭ টায় তড়িঘড়ি করে উদ্যাগ নিয়ে মরদেহ দাফন করার ঘটনায় স্থানীয় লোকজনের মনে মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ দেখা দেয়। নাম প্রকাশ না করে বেশ কয়েকজন প্রতিবেশি জানান রোববার সন্ধ্যায় তাদের মধ্যে কোরবানীর মাংশ বিতরন নিয়ে পারিবারিক দ্বন্ধের সষ্টি হয়। এ নিয়ে শাহিন তার স্ত্রী মিরাকে মারধর করেন। এতে তার মৃত্যু হয়। শাহিন মৃত্যুর ঘটনা ধামাচাপা দিতে গলায় রশি দিয়ে মিরাকে ঝুলিয়ে রাখেন। প্রতিবেশিদের বেশির ভাগই মরদেহ দাফনের বিষয়টি জানেন না বল জানান। তারা আরো জানান শাহিনের তড়িঘড়ি করে দাফনের ব্যস্ততা ও তার আচার আচরণ দেখে আমাদের মনে সন্দেহ হয়েছে তার স্ত্রীর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি। তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ বিষয় শাহিনুর রহমানর কাছ জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার স্ত্রী অসুস্থ ছিল। অসুস্থ হয়েই তার মৃত্যু হয়েছে। আমার শশুর বাড়ির লোকজনের পীড়াপীড়িতে তড়িঘড়ি মাটি দেয়া হয়েছে। রামপাল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দীনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিভিন্নভাবে তথ্য পাওয়ার পর আমি শাহীনুর রহমান ও তার ছোট পুত্র আলিফ কে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করি। আলিফ জানায় মানুষের সাথে আমাদের শত্রুতার কারণে লোকজনে গুজব ছড়িয়েছে। তবে মিরা বেগমের স্বজনরা তার মৃত্যু নিয়ে কোন কথা বলতে চাননি।

উল্লখ্য, ইতাপুর্বে শাহিনুরের ১ম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর খুলনার দিঘলিয়া উপজলার দেয়াড়া গ্রামের মিরা বেগমকে বিয়ে করেন। মিরা বেগমের একটি পুত্র সন্তান স্নাতকে পড়াশুনা করেন। এলাকাবাসীর দাবী বিষয়টি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের জোর দাবী করেছেন।

বাগেরহাট রামপালে বিএনপি নেতা ফরিদুল ইসলামের ঈদ পুণর্মিলনী

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম বিএনপির নেতাদের সাথে এক ঈদ পুণর্মিলনী অনুষ্ঠান করেন। মঙ্গলবার দিনব্যাপী রামপাল ও মোংলা বিএনপি ও এর অঙ্গসহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা কর্মীদের সাথে ঈদ পুণর্মিলনী এবং মতবিনিময় সভা করেন। এর পূর্বে রামপাল উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আহবায়ক প্রার্থী মোস্তফা কামাল পাটোয়ারী হালিম এর আমন্ত্রণে ফয়লাস্থ কার্যালয়ে ঈদের দিন বিকাল ৪ টায় আলোচনা সভা শেষে তার বাড়িতে এক নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।

এ ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ও মোংলা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে নেতৃবৃন্দের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে বড়দিয়াস্থ কার্যালয়ে নেতা কর্মীদের সাথে সাংগঠনিক বিষয়ে খোঁজ খবর নেন এবং সুসংগঠিত থাকার উপর জোর দেন। এ সময় রামপালের আহবায়ক প্রার্থী মোস্তফা কামাল পাটোয়ারী, সাবেক দপ্তর সম্পাদক ও সদস্য সচিব প্রার্থী জাহিদুর রহমান, শেখ আব্দুল্লাহ আজমী, ফকির আবু জাফর, নুরুল্লাহ খোকন, শেখ মোতাহার হোসেন, আলতাপ হোসেন বাবু, মুজিবুর রহমান জোয়ার্দার, আমিনুল ইসলাম কুটি,  যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মাসুদুর রহমান পিয়াল, শাহাজালাল গাজী, সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কাজী ওজিয়ার রহমান, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলমগীর কবির বাচ্চু, ছাত্র দলের আহবায়ক মোল্লা তরিকুল ইসলাম সোভন প্রমুখ।

বাগেরহাটের রামপালে জমে উঠেনি পশুর হাট, চাহিদা ৫ হাজার ; প্রস্তুত ৬ হাজার

এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপালে নানা কারণে জমে উঠেনি পশুর হাট।  মোবাইল ফেসবুকে ছবিসহ কুরবানির পশুর ছবিসহ বিজ্ঞাপন, বাড়িতে গিয়ে পশু কেনাকাটা ও হাট বাজারে ইজারাদারদের দৌরাত্ম্যের কারণে এবার অনেকটা ক্রেতা শূন্য পশুর হাট-বাজার। রামপাল উপজেলার বড় পশুর হাট ফয়লাহাট।

এ ছাড়াও উপজেলার গিলাতলাসহ কিছু কিছু বাজারে সীমিত আকারে কিছু পশু বেচাকেনা হয়ে থাকে। ফায়লাহাট ঘুরে ক্রেতা ও ইজারাদারদের সাথে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। তারা জানান এ বছর হাটের ডাক বেশী। ক্রেতা উপস্থিতি মোটামুটি থাকলেও সেই তুলনায় বেচা বিক্রি খুবই কম। আর আজ একদিন পরই কুরবানী। শেষ দিনে হয়তো কিছু পশু কেনাকাটা হতে পারে বলে মত প্রকাশ করেছেন ফয়লাহাট বণিক সমিতির সভাপতি হাওলাদার আ. সালাম।

প্রতি বছর কুরবানী করেন এমন ব্যক্তিদের সাথে কথা হলে তারা জানান হাটে পশুর দামের সাথে ইজারাদারদের শুল্কের সমন্বয় নেই। অধিক শুল্কের কারণে এবার বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে মানুষ পশুর দরদাম করে পশু কিনছেন। এতে সময় ও দামে সাশ্রয় হচ্ছে। তবে দাম বেশী হাকা হচ্ছে বলে ক্রেতাদের অভিযোগ রয়েছে।

রামপাল সদরের পশু খামারী সজীব অধিকারী জানান এ বছর হটাৎ করে পশু খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় এক একটি পশু প্রস্তুত করতে অনেক খরচ পড়ে গেছে। সেই তুলনায় দাম পাচ্ছি না।

রামপাল উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাহিদুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি জানান এ বছর রামপালে কুরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ৪ হাজার ৮২৫ টি। প্রস্তুত রয়েছে ৫ হাজার ৭২০ টি। এর মধ্যে ষাড় ১ হাজার ৭৫৬ টি। বলদ ৪৫২ টি। মহিষ ২১১ টি। ছাগল ১ হাজার ৭৬৮ টি ও ভেড়া ৪৭৮ টি। ক্রেতাদের সুবিধার্থে হাট বাজার গুলোতে ৩ টি মেডিকেল টিম পর্যায়ক্রমে কাজ করছেন।

Daily World News

আমতলী থানার ওসি একেএম মিজানুর রহমান জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত

রামপালে উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এর জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন হুইল চেয়ার চেক বিতরণ

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি || “বছরব্যাপী ফলের চাষ, অর্থ পুষ্টি দুই ই আসে” এ প্রতিপাদ্যে রামপালে জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার বেলা ১১ টায় উপজেলার কৃষি অফিস চত্বরে এ মেলার উদ্বোধন করেন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এমপি।

এ সময় তার সাথে ছিলেন রামপাল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবীর হোসেন, রামপাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ সালাউদ্দিন দিপু, ভাইস চেয়ারম্যান নূরুল হক লিপন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হোসনেয়ারা মিলি, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা সুকান্ত কুমার পাল, ওসি মোহাম্মদ সামসুদ্দীন, কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণা রানী মন্ডল, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাহিদুর রহমান, উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা মো. গোলজার হোসেন, সমাজসেবা কর্মকর্তা শাহিনুর রহমান, সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোল্লা আ. রউফ, সাবেক গৌরম্ভা ইউপি চেয়ারম্যান গাজী গিয়াস উদ্দিন, সাবেক বাঁশতলী ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী, সাবেক উজলকুড় ইউপি চেয়ারম্যান গাজী আক্তারুজ্জামান, বাঁশতলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কুদরতি এনামুল বাশার বাচ্চু, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মনির আহমেদ প্রিন্স, ছাত্র লীগের সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

পরে কৃষি অফিসে এক আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে আবাসন প্রকল্পের নতুন ঘর পাওয়া ৫৪ জন দুস্তর মাঝে ফলদ বৃৃৃক্ষ ও কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়। এর পূর্বে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে ৫ জন প্রতিবন্ধীর মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ, ২০ জন দুস্ত অসুস্থ ব্যক্তিকে ৫০ হাজার করে টাকার চেক বিতরণ ও মহিলা বিষয়ক দপ্তর থেকে মৎস্যজীবি গ্রামের দুস্ত মহিলাদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করেন উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এমপি।

বাগেরহাটের রামপালে তরুনীকে গণধর্ষণ, র‍্যাবের অভিযানে মুলহোতাসহ ৮ আসামী গ্রেফতার

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি//

বাগেরহাটের রামপালে এক তরুনীকে গণধর্ষণের অ‌ভিযোগে মূলহোতাসহ ৮ আসামীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬। অাজ ৯ মে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ‌্য নি‌শ্চিত করেছেন সিও লেঃ কর্নেল মোহাম্মদ মোসতাক অাহমদ।

গ্রেফতারকৃতরা হলো, বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার

মোঃ আবুল কালাম আজাদ @ শুকুর (২৪), মোঃ আসলাম শেখ(২২), মোঃ জনি শেখ (১৮), মোঃ মারুফ বিল্লা(২২), মোঃ হাসান শেখ(২০), মোঃ রাসেল শেখ(২২), মোঃ হোসেন গাজী(১৮), মোঃ রাজু শেখ(২৪)।

র‌্যাব সিও জানান, ভিকটিম মোংলায় একটি গার্মেন্টসে শ্রমিক হিসেবে কাজ করে। গত ৮ মে সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় গার্মেন্টস থেকে বাড়ি ফেরার পথে ভাগায় তার বন্ধু হৃদয়(২০) এর সাথে দেখা হয়। ভাগা হতে তার বন্ধু হৃদয়ের সাথে চেয়ারম্যানের মোড় হেঁটে যাওয়ার সময় বাগেরহাট জেলার রামপাল থানাধীন একটি পরিত্যক্ত মাদ্রাসা মাঠে দেয়ালের পাশ দিয়ে যা‌চ্ছিলেন।

বাগেরহাটের রামপালে তরুনীকে গণধর্ষণ

এ সময় স্থানীয় মোঃ আবুল কালাম আজাদ @ শুকুর ও মোঃ আসলাম শেখ সহ তাদের সহযোগী ৭/৮ জন আসামীরা ভিকটিমকে টেনে হিচরে একটি পরিত্যক্ত মাদ্রাসা মাঠে নিয়ে যায়। তখন ভিকটিমের বন্ধু হৃদয়কে আসামীরা মারধর করে আটকে রাখে এবং আসামী মোঃ আবুল কালাম আজাদ @ শুকুর ও মোঃ আসলাম শেখ ভিকটিমেকে দেয়ালের আড়ালে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। তখন অন্যান্য আসামীরা ভিকটিমকে একের পর এক ধর্ষণ করতে অপেক্ষা করতে থাকে ও পাহাড়া দেয়। পরবর্তীতে ভিকটিম ডাক-চিৎকার করলে আসামীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে ভিকটিম ও তার বন্ধু বিষয়টি ভিকটিমের মাকে ফোন করে জানায়। ভিকটিমের মা তাৎক্ষণিক ঘটনাটি র‌্যাব-৬ এ অবহিত করে। উক্ত ঘটনার পর থেকে আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যা ব-৬ (সদর কোম্পানি) এর একটি আভিযানিক দলটি ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যহত রাখে।

এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-৬ (সদর কোম্পানি) এর একটি চৌকস আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে জানতে পারে যে, উক্ত গণধর্ষণ মামলার আসামীরা রামপাল থানা এলাকায় অবস্থান করছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ০৯ মে ২০২২ তারিখ ০০.৫০ ঘটিকার সময় সদর কোম্পানি, র‌্যাব-৬, খুলনার একটি চৌকস আভিযানিক দলটি বাগেরহাট জেলার রামপাল থানা এলাকায় একাধিক অভিযান করে আসামীদের গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উক্ত ঘটনার সাথে তারা জড়িত আছে মর্মে স্বীকার করে। আসামীদের বাগেরহাট জেলার রামপাল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

English Dainikbiswa

বরিশালে কোস্টগার্ডের অভিযানে বিপুল পরিমাণ রেনুপোনাসহ আটক

 

রামপালে ৩ টি ব্রীজের নির্মাণ কাজে ধীরগতি।। অব্যবস্থাপনার অভিযোগ

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপালে এলজিইডি’র অর্থায়নে প্রায় সাড়ে ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি ব্রীজের কাজ কিন্তু দীর্ঘ দিনেও শেষ হয়নি।

ঠিকমতো নজরদারীর অভাব ও অব্যাবস্থাপনার কারণে যথা সময়ে সম্ভব হয়নি বলে মনে করেন সচেতন মহল। এর মধ্যে বগুড়া নদীর উপরে নির্মিত ব্রীজের পাশে মই দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলাচল করছে মানুষ। বিকল্প সড়ক গুলো ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দীর্ঘ দিনেও ব্রীজগুলো যথা সময়ে নির্মাণ সম্পন্ন না হওয়ায় মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

ব্রীজ ৩ টির ৯৫ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবী করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এ বছরের জানুয়ারীর মধ্যে মানুষ চলাচলের জন্য ব্রীজগুলো উম্মুক্ত করে দেয়া সম্ভবনার কথা জানানো হলেও সেটি সম্ভব হয়নি। উপজেলা এলজিইডি অফিস তাগিদ দেওয়ার পরও কেন নির্মান কাজ সম্পন্ন হচ্ছে না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জানাগেছে উপজেলার ফায়লাহাট-চাকশ্রী সড়কের ফয়লা ব্রীজের নির্মাণ কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আইটি এন্ড জেই। তারা ২০১৮ সালের ১৬ অক্টোবরে ব্রীজের কাজ শুরু করেন। ব্রীজটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি ১০ লক্ষ ৪০ হাজার ১১০ টাকা। এটি ৩০ মিটার দৈর্ঘ্য। ওই ব্রীজের ডিজাইন সমস্যা, করোনার প্রকোপ ও অর্থ ছাড়ের জটিলতায় যথা সময়ে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়নি। তবে ইতিমধ্যে ওই ব্রীজের ৯৮ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে বলে রামপাল উপজেলা এলজিইডি অফিস জানায়। এটা আগামী জুনের মধ্যে জনসাধারণের জন্য উম্মুক্ত করে দেয়া সম্ভব হবে। বগুড়া খেয়াঘাট ব্রীজটির কাজ শুরু করে একই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আইটি এন্ড জেই। ৬০ মিটার দৈর্ঘ্যের ওই ব্রীজ টির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ কোটি ৯২ লক্ষ ৫১ হাজার ১৩৩ টাকা। এটাও করোনা, সীমানা সমস্যা ও অর্থ ছাড়ের জটিলতায় পিছিয়ে পড়ছে। ইতিমধ্যে ব্রীজটির ৯০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। এটি ডিসেম্বরের মধ্যে চলাচলের জন্য উম্মুক্ত করে দেয়ার কথা বলা হলেও সেটি সম্ভব হয়নি। এখও প্রায় জুন মাস পর্যন্ত লেগে যেতে পরে বলে জানানো হয়েছে। গৌরম্ভা ইউনিয়নের কন্যাডুবি খেয়াঘাটের ব্রীজটি ৪৮ মিটারের। এটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ কোটি ৪৩ লক্ষ ৯৯ হাজার ৯৯৩ টাকা। ২০১৮ সালের ৯ ডিসেম্বরে এম,এস মহিউদ্দিন আহমেদ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এটির কাজ শুরু করেন। ব্রীজটির ৯৫ ভাগ কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। এখন সংযোগ সড়কের কাজ চলছে। ২০২২ সালের জানুয়ারিতেই চলাচলের জন্য উম্মুক্ত করে দেয়ার কথা বলা হলেও তা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে উপজেলা এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো. গোলজার হোসেন জানান, তিনটি ব্রীজের একটিতে ডিজাইন সমস্যা হয়েছে। বগুড়া ব্রীজের সীমানা জটিলতায় মামলা হয়েছিল। এরপর আবার পল্লী বিদ্যুতের লাইন সংক্রান্ত সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত যাতে নির্মান কাজ শেষ করতে পারি। করোনার প্রকোপ ও অর্থ ছাড়ের জটিলতায়ও কিছুটা পিছিয়ে পড়লেও খুব  দ্রুততার সাথে কাজ এগিয়ে চলছে। এখন সংযোগ সড়কের কাজ চলছে। আশা করছি আগামী ২/১ মাসের মধ্যে সবগুলো ব্রীজ জনসাধারণের চলাচলের জন্য উম্মুক্ত করে দেয়া সম্ভব হবে বলে আশা করেন।

English Dainikbiswa

বাগেরহাটের কচুয়ায় জাতীয় পুষ্টি বিষয়ক সভা

তানাকা বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক মানুষটা মারা গেছেন