স্থগিত IPL: দেশে ফেরার আগে জস বাটলার নিজের ব্যাট উপহার দিলেন যশস্বীকে

 

আইপিএল স্থগিত হওয়ার পরের দিন গতকালই বুধবার (৫ মে) নিজেদের দেশে ফিরে এসেছেন ৮ ইংলিশ ক্রিকেটার। জনি বেয়ারস্টো, জস বাটলার, স্যাম বিলিংস, ক্রিস ওকস, মঈন আলি, জেসন রয়, স্যাম কারেন এবং টম কারেনরা আহমেদাবাদ থেকে হিথরোতে পৌঁছে গেছেন। ইংল্যান্ডে ফেরার আগে বাটলার তার রাজস্থান রয়্যালস টিমের তরুণ সতীর্থকে দুরন্ত এক উপহার দিয়ে এসেছেন। 

 

টি-২০ ক্রিকেটে বিশ্ববন্দিত নাম বাটলার। বিশ্বকাপ জয়ী উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান তার নিজের  ব্যাটটা দিয়েছেন যশস্বীকে। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের নায়ককে সেই ব্যাটের ওপর বাটলার লিখে দিয়েছেন, “নিজের প্রতিভা উপভোগ করো যশ, আমার শুভেচ্ছা রইল।” 

 

রাজস্থানের হয়ে এই মৌসুমে প্রথম চার ম্যাচ প্রথম একাদশে জায়গা পাননি যশস্বী। রাজস্থান চেষ্টা করছিল বেন স্টোকসের বদলে ওপেনিংয়ে মনন ভোহরাকে খেলিয়ে সেট করানোর। কিন্তু ভোহরা দাগ কাটতে না পারায় বাটলারের সঙ্গে যশস্বীকে ওপেন করায় রাজস্থান। শেষ তিন ম্যাচে যশস্বী ৬৬ রান করেন।

 

এবারের আইপিএল দেখেছিল বাটলারের তাণ্ডবলীলা। আইপিএল ক্যারিয়ারে প্রথম সেঞ্চুরির করেন তিনি। নয়াদিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে ৬৪ বলে ১২৪ রানের মারাকাটারি ইনিংস খেলেন ইংল্যান্ডের জস বাটলার। তার ব্যাটে ভর করেই এদিন রাজস্থান ২২০ রান তুলেছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে। এই ম্যাচ ৫৫ রানে জিতেছিলেন বাটলাররা।

 

অন্যদিকে, যে ৮ জন ইংলিশ ক্রিকেটার ইংল্যান্ড ফিরেছেন, তাদের সকলকেই সেই দেশের সরকারের বেঁধে দেওয়া হোটেল ১০ দিন নিভৃতবাস কাটিয়েই নিজের ঘরে ফিরতে হবে। তবে এখনও ভারতে ইয়ন মর্গ্যান, ক্রিস জর্ডান ও দাউদ মালানের মতো বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার রয়ে গেছেন। অবশ্যই তাদেরকেও দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করবে বিসিসিআই।

// অনলাইন ডেস্ক //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালে বঙ্গবন্ধু ৯ম বাংলাদেশ গেমস-২০২০

টানা তৃতীয়বার ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মমতা ব্যানার্জি

টানা তৃতীয়বারের মতো ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জি।

 

বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় ১১টা ২০ মিনিট) শপথ বাক্য পাঠ করেন তিনি। তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল।

 

এর আগে কালীঘাটের বাড়ি থেকে বের হয়ে ভাতিজা অভিষেক ব্যানার্জিকে সঙ্গে নিয়ে রাজভবনে পৌঁছান মমতা।

সদ্য অনুষ্ঠিত পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ২১৩ আসনের বিপুল জয় পায় মমতার দল তৃণমূল কংগ্রেস।

শপথ নিয়েই মমতা জানালেন, তার প্রথম কাজ হবে রাজ্যের কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলা করা। শপথ নেওয়ার পরে নবান্নে গিয়েই করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করবেন তিনি।

অনলাইন ডেস্ক।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

একদিনে বিশ্বে করোনায় মৃত্যু…

 

একপলকে কোন কোন তারকা প্রার্থী কোন দল থেকে জয়ী হয়েছে

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার এবার তারকা প্রার্থীর ছড়াছড়ি দুই বড় দলেই। তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির হয়ে অনেক প্রার্থীই ভোট করেন। কেউ তৃণমূল ছড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। আবার কেউ তৃণমূলে থেকেই ভোটে অংশ নেন। আজ রবিবার একে একে ফলাফলের ঘোষণা আসছে। এতে তৃণমূলের তারকা প্রার্থীদের জয়জয়কার হয়েছে।

তৃণমূল থেকে জয়ী

চিরঞ্জিত চক্রবর্তী : পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বারাসাত কেন্দ্র থেকে পর পর তিনবার জয়ী হয়ে হ্যাট্রিক করলেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ও তৃণমূল প্রার্থী চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। ২৩ হাজারেরও বেশি ভোটে জয়ী হয়েছেন এই তারকা প্রার্থী। চিরঞ্জিত এখন বারাসাত বিধানসভা আসনের তৃণমূলের বিধায়ক বা এমএলএ।

রাজ চক্রবর্তী : পরিচালক রাজ চক্রবর্তী তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে উত্তর চব্বিশ পরগণার বারাকপুরে এগিয়ে আছেন। ভোট গণনার শুরু পর থেকেই তার অবস্থান ভালো বলে জানা গেছে।

 

সোহম চক্রবর্তী: চণ্ডীপুর আসনে তৃণমূলের হয়ে জয়ী হয়েছেন অভিনেতা সোহম চক্রবর্তী। তবে পায়েল সরকারের আসনে চূড়ান্ত ফল পাওয়া যায়নি।

 

জুন মালিয়া: টালিউড অভিনেত্রী জুন মালিয়া গত মার্চে তৃণমূলে যোগ দেন। রাজনীতিতে নাম লেখিয়ে মেদেনিপুর আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেন এই অভিনেত্রী। আর বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরলেন জুন মালিয়া। এতে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিজেপির সমিত কুমার দাস।

 

লাভলী মৈত্র: টেলিভিশন অভিনেত্রী লাভলী মৈত্র সোনারপুর দক্ষিণ আসন থেকে বিজয়ী হয়েছেন। এতে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিজেপির অঞ্জনা বসু।

 

কাঞ্চন মল্লিক: টালিউডের কমেডিয়ান কাঞ্চন মল্লিক প্রথমবার রাজনীতিতে নাম লেখিয়েছেন। আর তৃণমূলে যোগ দিয়েই উত্তরপাড়ার টিকিট পেয়ে যান তিনি। সর্বশেষ বিজেপি প্রার্থী প্রাবাল ঘোষলকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন এই অভিনেতা।

 

অদিতি মুন্সি : রাজারহাট গোপালপুর বিধানসভা নির্বাচনে প্রথমবার ভোটে দাঁড়িয়ে জিতলেন তৃণমূল কংগ্রেসের তারকা প্রার্থী অদিতি মুন্সি। এই আসনে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন শমীক ভট্টাচার্য। অন্যদিকে, বাম-কংগ্রেস-ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের (আইএসএফ) তরফে এই কেন্দ্রে দাঁড়িয়েছেন সিপিআইএমের শুভজিৎ দাশগুপ্ত।

 

পায়েল সরকার : বেহালা পূর্বতে তৃণমূলের প্রার্থী রত্না চ্যাটার্জির সঙ্গে হেরেছেন বিজেপির প্রার্থী টালিউড অভিনেত্রী পায়েল সরকার। রবিবার ভোটের ফলাফলে দেখা গেছে, তৃণমূলের প্রার্থী ১৩ হাজার ৯৭৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ১২ হাজার ৬৪০ ভোট। এছাড়া চুঁচুড়ায় বিধানসভার ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী অজিত মজুমদারের সঙ্গে হেরে গিয়েছেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। ৫৭ হাজার ৮৯১ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী। অন্যদিকে লকেট চট্টোপাধ্যায় পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৮২৯ ভোট।

 

লকেট চট্টোপাধ্যায় : চুঁচুড়ায় বিধানসভার ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী অজিত মজুমদারের সঙ্গে হেরে গেছেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। রবিবার ভোটের ফলাফলে দেখা গেছে, ৫৭ হাজার ৮৯১ ভোট। অন্যদিকে লকেট চট্টোপাধ্যায় পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৮২৯ ভোট। লকেট তার রাজনৈতিক জীবনের শুরুর দিকে তৃণমূলে ছিলেন পরে বিজেপিতে যোগ দেন।

 

যশ দাশগুপ্ত : স্বাতী খন্দকার, আগেও দু’বার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। এবার তৃতীয়বারেও চণ্ডীতলায় জয়ের ধারা বজায় রাখলেন। তার বিপুল জয়ে হারলেন সিপিএমের হেভিওয়েট প্রার্থী মুহাম্মাদ সেলিম ও বিজেপির অভিনেতা প্রার্থী যশ দাশগুপ্ত। ভোট গণনার শুরু থেকেই যশ অনেক পিছিয়ে ছিলেন বলে জানা যায়। শেষে তিনি হেরেই যান।

 

রুদ্রনীল ঘোষ : ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে এবার বিজেপির প্রার্থী হয়ে বেশ আলোচনায় ছিলেন। তবে তৃণমূলের শক্তিশালী প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের কাছে বিপুল ভোটে হেরে গেছেন বিজেপির এই তারকা প্রার্থী। আজ ফল গণনার শুরু থেকেই পিছিয়ে ছিলেন রুদ্রনীল। উল্লেখ্য, বিজেপিতে যোগ দিয়ে সতীর্থদের সমালোচনার মুখে পড়েন এই অভিনেতা। এর আগে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। দল পাল্টেই গরম সুরে কথা বলা শুরু করেন। যা নিয়ে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়।

 

শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় : শ্রাবন্তী নির্বাচনে লজ্জাজনকভাবে বিশাল ব্যবধানে হেরে গেছেন। রবিবার বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর চেয়ে ১৫ হাজারেরও বেশি ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েছেন বিজেপির এ অভিনেত্রী। অথচ নির্বাচনী প্রচারণায় শ্রাবন্তী প্রকাশ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে নানাভাবে কটাক্ষ করেছিলেন।

 

সায়নী ঘোষ : আসানসোল দক্ষিণের তৃণমূলের প্রার্থী অভিনেত্রী সায়নী ঘোষকে পরাজিত করে বিধানসভায় যাচ্ছেন বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। দুই সেলেব প্রার্থীর লড়াইয়ে এই কেন্দ্র এবার হয়ে উঠেছিল নজরকাড়া। তৃণমূল যখন বিজেপি নেতাদের বহিরাগত বলে আক্রমণ শোনাচ্ছিল তখন অগ্নিমিত্রা বলেছিলেন, আসানসোলের মাটিতে সায়নীও বহিরাগত। আর তিনিই ভূমিকন্যা।

 

বিজেপি থেকে জয়ী

 

হিরণ: খড়়গপুর সদর কেন্দ্র থেকে জিতলেন বিজেপির তারকা প্রার্থী অভিনেতা হিরণ। যেখানে বিজেপির অন্য তারকা প্রার্থীদের প্রায় সবাই হেরেছেন সেখানে তার এই জয় খানিকটা স্বস্তি এনে দিয়েছে।

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

আরও পড়ুন…

বিপুল ব্যবধানে জয় পেল মমতার তৃণমূল

 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ফের বিপুল ব্যবধানে জয় পেল মমতার তৃণমূল

 

পশ্চিমবঙ্গে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে।

রোববার বেসরকারি ফলাফলে ২৯২ আসনের মধ্যে তৃণমূল পেয়েছে ২০৩ আসন। আর ৮৮টি আসনে বিজেপি জয় লাভ করেছে।

আনন্দবাজার পত্রিকার খবর অনুযায়ী, বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত প্রাপ্ত ফলাফলে ২০৩টি আসনে এগিয়ে তৃণমূল। অন্যদিকে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ৮৮টি আসনে।

বাম-কংগ্রেস এবং ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের সংযুক্ত মোর্চা এগিয়ে রয়েছে একটি আসনে।

বিধানসভার মোট আসন ২৯৪টি থাকলেও নির্বাচনের মধ্যে দুই প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় দুটি আসনের নির্বাচন স্থগিত হয়। ফলে সরকার গঠন করতে  ২৯২টি আসনের মধ্যে ১৪৭টিতে জয় লাভ করতে হবে। ইতোমধ্যে ২০৩ আসনে জয় পেয়ে এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল।

২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মমতার তৃণমূল কংগ্রেস নজিরবিহীন জয় পেয়েছিল।

// অনলাইন ডেস্ক //

আরও পড়ুন…

প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার স্টাইল

মহামারীর মৃত্যু নিয়েেও বানিজ্য…!  কলকাতায় করোনায় মৃতের সৎকার নিয়ে রমরমা বাণিজ্য!

 

 

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ভারতে প্রতিদিন হাজার হাজার রোগীর মৃত্যু হচ্ছে। আর সেই মৃত রোগীদের দেহ সৎকারে চলছে রমরমা বাণিজ্য। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কলকাতায় দেহ সৎকারে বিভিন্ন ‘প্যাকেজও’ চালু হয়েছে এরই মধ্যে।

আনন্দবাজার জানিয়েছে, করোনায় মৃতদের দেহ সৎকার করা নিয়ে কলকাতায় শহরে নানা অলিখিত ‘প্যাকেজ’ চালু হয়েছে। প্রতিদিন মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে যত বাড়ছে, ততই সেই সব প্যাকেজের খরচ বাড়ছে।

কারো থেকে স্রেফ সরকার নির্ধারিত শ্মশানে মৃতদেহ পৌঁছে দিতে ১২ হাজার তো কারও থেকে ১৫ হাজার টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

যদিও গত বছর এই সব করতে তিন হাজার টাকার বেশি নেওয়া যাবে না বলে ঘোষণা করেছিল পৌরসভা। কিন্তু এখন শুধু বাড়তি টাকা চাওয়াই নয়, প্রিয়জনের শেষকৃত্যের ছবি পাওয়ার বা বিশেষ কিছু জিনিস মৃতদেহের সঙ্গে পাঠানোর ইচ্ছে থাকলে সেই সংক্রান্ত খরচও আলাদা করে দিতে বলা হচ্ছে মৃতের পরিবারকে।

আবার মোটা টাকার প্যাকেজ নিতে রাজি থাকলে বাড়ি বসেই মিলছে চিতাভস্ম! রয়েছে মৃতদেহের সঙ্গে শেষ বার ছবি তোলার ‘ইচ্ছাপূরণের’ সুযোগও!

খবরে বলা হয়, ‘লাস্ট রাইটস উইশ’, ‘গুডবাই’, ‘সি ইউ ইন দ্য অ্যানাদার ওয়ার্ল্ড’ নামে বেশ কিছু সংস্থা তৈরি হয়েছে গত কয়েক দিনে। বেসরকারি হাসপাতাল তো বটেই, সরকারি হাসপাতাল থেকেও এই সব সংস্থা কোভিড মৃতদের দেহ সৎকারের জন্য নিয়ে যাচ্ছে। বেসরকারি ক্ষেত্রে হাসপাতাল থেকেই মৃতের পরিবারের ফোন নম্বর তাদের দিয়ে দেওয়া হচ্ছে কমিশনের ভিত্তিতে।

এমনই একটি সংস্থার নম্বরে ফোন করা হলে, মৃতের নাম, ঠিকানা, তিনি কোন হাসপাতাল ভর্তি ছিলেন জেনে নিয়ে বলা হয়, ‘শেষকৃত্যের ছবি লাগবে? যদি লাগে, তা হলে আলাদা ১৫০০ টাকা। মৃতদেহের সঙ্গে তার পছন্দের কিছু পাঠাতে হলে আরও হাজার টাকা। সব মিলিয়ে ১৬ হাজার পাঁচশো!’ এত? এ বার ওই ব্যক্তি বলেন, ‘অন্য রোগ হলে দু’হাজারও লাগত না। তা ছাড়া, আপনাদেরটা যাতে আগে হয়, সেটা আমরা দেখে দেব।’

বিডন স্ট্রিটের এমনই আর একটি সংস্থার আবার দাবি, ‘ছবি বা চিতাভস্ম না লাগলে আট হাজারে হয়ে যাবে। কিন্তু প্রচুর দেহ আসছে। ফলে কয়েক দিন যদি মৃতদেহটা কোথাও রেখে দিতে হয়, তা হলে কিন্তু আলাদা খরচ।’ কোথায় রাখা হবে? সংস্থার দাবি, ‘পৌরসভার কোনো জায়গাই ফাঁকা নেই। রেফ্রিজারেটর বসিয়ে আমরাই একাধিক জায়গা করেছি, যেখানে দিন কয়েক দেহ থাকতে পারে।’

আর একটি সংস্থা আবার মৃতদেহের শেষকৃত্য থেকে শ্রাদ্ধের কাজ— সবই ২০ হাজার টাকায় করে দেওয়ার ‘প্যাকেজ’ ঘোষণা করেছে।

কলকাতা পৌরসভা থেকে কোভিড মৃতদেহ শ্মশানে পৌঁছে দেওয়ার অনুমতি পাওয়া এক সংস্থার মালিক বললেন, ‘মৃত্যুর আগে যেমন রোগ নিয়ে ব্যবসা চলছে, মৃত্যুর পরে মৃতদেহ নিয়েও একই জিনিস চলছে। প্রশাসনের কোনও হুঁশই নেই। আমরা প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া তিন হাজারের বেশি এক টাকাও নিচ্ছি না। ২২টা ছেলে আমার সংস্থায় কাজ করছে।’

ভুক্তভোগী এক কোভিডে মৃতের আত্মীয়ের মন্তব্য, ‘রাজধানীর অবস্থা রোজ দেখছি, আর ভয় ধরছে। এখানেও তেমনটা হওয়ার আগে প্রিয়জনকে সসম্মানে বিদায় জানাতে চাই। এইটুকু চাওয়া নিয়েও যারা ব্যবসা করছেন, তারা আর যা-ই হোন, মানুষ নন।’

// অনলাইন ডেস্ক //

আরও পড়ুন…

  করোনায় (কোভিড-১৯) বিধ্বস্ত ভারত

ভারতের গুজরাটে হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১৮ করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে

 

ভারতের গুজরাটে একটি হাসপাতালের করোনা ইউনিটে আগুন লেগে কমপক্ষে ১৮ রোগী নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে রাজ্যের ভারুচ শহরের প্যাটেল ওয়েলফেয়ার হাসপাতালে ওই অগ্নিকাণ্ড ঘটে।খবর এনডিটিভির।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মী ও স্থানীয়রা মিলে প্রায় ৫০ জন রোগীকে উদ্ধার করেছেন।

ভারুচ পুলিশের এসপি রাজেন্দ্র সিং চুদাসামা জানিয়েছেন, হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চিকিৎসাধীন ১৮ করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করেন তিনি।

ভারুচ-জাম্বুসর মহাসড়কের পাশে অবস্থিত চারতলা এই হসপাতালটি কেবল করোনা রোগীদের চিকিৎসার কাজেই ব্যবহার করা হচ্ছিল।

ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা শৈলেষ সানসিয়া জানিয়েছেন, হাসপাতালটির নিচতলায় করোনা ওয়ার্ডে প্রথমে আগুন লাগে। তবে, অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।

ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং প্রায় ৫০ জন রোগীকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী অন্য আরেকটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

প্রথমে নিহতের সংখ্যা ১২ জন বলা হলেও ভোর সাড়ে ৬টার দিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিহতের সংখ্যা ১৮ বলে জানায়।

উল্লেখ্য, গত ১০ দিনে ভারতে হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের তিনটি ঘটনা ঘটলো।

 

// অনলাইন ডেস্ক //

আরও পড়ুন…

‘অল্প পরিমাণে ওজন বাড়লেও করোনায় জটিলতার ঝুঁকি বেড়ে যায়

 করোনায় (কোভিড-১৯) বিধ্বস্ত ভারত

 

বিধ্বংশি বেপরোয়া করোনা: ভারতে করুণ দৃশ্য: এক অ্যাম্বুলেন্সে ২২ লাশ শ্মশানে

 

করোনায় (কোভিড-১৯) বিধ্বস্ত ভারত। বেশ কয়েকদিন ধরে দেশটিতে করোনায় মৃত্যু ও শনাক্তের রেকর্ড হচ্ছে। হাসপাতালে জায়গা নেই। অক্সিজেনের তীব্র সংকট।

পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে। শ্মশানগুলোতে মৃতদেহ পোড়ানোর আর জায়গা হচ্ছে না। এখন অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার ব্যবহার করা হচ্ছে পার্কিং লটগুলো। এমনকি জায়গা নেই কবরস্থানেও।

মুখের শ্বাস দিয়েও স্বামীকে বাঁচাতে পারেননি স্ত্রী।   অ্যাম্বুলেন্স থেকে সড়কে ছিটকে পড়ছে করোনা রোগীর লাশ। এমন ঘটনার ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ছে ফেসবুক, টুইটারে।

এবার তেমনি আরেক করুণ দৃশ্য সামনে এলো। একটি অ্যাম্বুলেন্সে ২২টি মরদেহ গাদাগাদি করে সৎকারের জন্য শ্মশানে নেওয়ার ছবি ভাইরাল হয়েছে।

টুইটারে কয়েক সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, মহারাষ্ট্রের বীড জেলার অম্বেজোগাইয়ের স্বামী রামানন্দ তীর্থ মরাঠাওয়াড়ায় সরকারি হাসপাতালের মর্গের সামনে একটি অ্যাম্বুলেন্স। তাতে করোনায় মৃতদের দেহ গাদাগাদি করে তোলা হচ্ছে। বস্তাবন্দি মরদেহ দাবিয়ে দাবিয়ে জায়গা তৈরি করে আরও দেহ রাখা হচ্ছে।

আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মরদেহ এভাবে গাদাগাদি করে তোলার সময় সেখানে পুলিশ উপস্থিত ছিল। মৃত রোগীর স্বজনরা বিষয়টি নিয়ে আপত্তি করলেও কেউ তাদের কথায় কান দেয়নি। তারা অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহ গাদাগাদি করে তোলার দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করতে গেলে পুলিশ তা কেড়ে নেয়। মরদেহ সৎকার শেষে স্বজনদের মোবাইল ফেরত দেয় পুলিশ।

এদিকে এ ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর মহারাষ্ট্রসহ গোটা ভারতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। প্রশাসনের শীর্ষকর্তারা ঘটনার খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। বীড জেলার প্রশাসক রবীন্দ্র জগতপ বলেন, ‘অম্বেজোগাইয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যদি কারও দোষ থাকে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

হাসপাতালের ডিন শিবাজি সুকরে বলেন, ‘সৎকার করতে মরদেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য মাত্র দুটি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। আমরা আরও অ্যাম্বুলেন্সের দাবি জানিয়েছি। কেউ মারা গেলে স্থানীয় প্রশাসনের হাতে মরদেহ তুলে দেয়া পর্যন্ত আমাদের দায়িত্ব। তারা কীভাবে শ্মশান বা কবরস্থানে নিয়ে যাবে, তা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই।’

ওয়ার্ল্ডো মিটারের মঙ্গলবার সকালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ৩ লাখ ১৯ হাজার ৪৩৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে মারা গেছেন ২ হাজার ৭৬৪ জন।

আগের দিন সংক্রমিত হয়েছিলেন ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৫৩১ জন। একই সময়ে মারা যান ২ হাজার ৮০৬ জন। ভারতে করোনার মোট সংক্রমণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৭৬ লাখ ২৫ হাজার ৭৩৫ জনে। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৮০ জন। করোনার বৈশ্বিক সংক্রমণ তালিকায় ভারতের অবস্থান দ্বিতীয় আর মৃত্যুতে চতুর্থ।

// অনলাইন ডেস্ক //

আরও পড়ুন…

 

করোনা আতঙ্কে মৃতকে ছুঁল না স্বামী সন্তান, সৎকার করলেন একদল মুসলিম যুবক

যতই দিন যাচ্ছে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে ভারতের করোনা পরিস্থিতি। ইতোমধ্যে দেশটিতে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় তিন হাজারে পৌঁছেছে। প্রতিদিনের সংক্রমণ সংখ্যা ছাড়িয়েছে সাড়ে ৩ লাখের গণ্ডি। শ্মশানেও জায়গা সংকুলান হচ্ছে না মৃতদেহ সৎকারে।

 

এমতাবস্থায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নজির গড়লেন ভারতের বিহারের গয়া জেলার একদল মুসলিম যুবক।

 

করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন, এই ভয়ে এক নারীর মৃতদেহ ছুঁতে চায়নি পরিবারের লোক। শেষপর্যন্ত রীতি মেনে ওই হিন্দু নারীর শেষকৃত্য সম্পন্ন করলেন মুসলিম যুবকরাই। ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে তাদের সেই কাজ। অনেকেই প্রশংসাও করেছেন।

খবরে বলা হয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের গয়া জেলার ইমামগঞ্জ পুলিশ স্টেশনের তেতারিয়া গ্রামে। সম্প্রতি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন প্রভাবতী দেবী নামে ৫৮ বছরের ওই নারী। তাকে তড়িঘড়ি একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আরটি-পিসিআর টেস্টও করা হয়। কিন্তু সেই রিপোর্ট নেগেটিভ আসলেও পরবর্তীতে চিকিৎসা চলাকালীনই মৃত্যু হয় ওই নারীর। করোনাতেই মারা গিয়েছেন তিনি, এই ভয়ে ওই নারীর স্বামী এবং দুই ছেলে মরদেহ নিতে রাজি হননি। ফলে দীর্ঘক্ষণ গাড়িতেই পড়েছিল মৃতদেহ। শেষপর্যন্ত খবর পেয়ে ওই নারীর শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে এগিয়ে আসেন মুহাম্মদ রফিক, শারিক, কালামি, বারিক, লাদ্দানসহ এলাকারই বেশ কয়েকজন মুসলিম যুবক।

 

এই প্রসঙ্গে সমাজকর্মী মুহাম্মদ শারিক জানান, ‘চিকিৎসা চলাকালীনই ওই নারীর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হতে থাকে। এরপরই চিকিৎসকরা তার করোনা পরীক্ষা করতে বলেন। রিপোর্ট নেগেটিভ এলেও চিকিৎসা চলাকালীনই মারা যান তিনি।’

 

এদিকে, করোনায় মমৃত্যু হয়েছে প্রভাবতী দেবীর, এই ভয়ে তার স্বামী বা দুই ছেলে কেউই মৃতদেহ নিতে রাজি হননি। ফলে দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত গাড়িতেই পড়েছিল তার মৃতদেহ। শেষপর্যন্ত আমরা খবর পেয়ে সেখানে যাই, পরিবারের লোকজনকে শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে বলি। কিন্তু তবুও তারা দূরেই দাঁড়িয়েছিলেন। শেষপর্যন্ত আমরা কয়েকজন গাড়ি থেকে মৃতদেহটি নামাই। এরপর বাঁশ দিয়ে মড়া নিয়ে যাওয়ার খাট তৈরি করে শবদেহটি নিয়ে শ্মশানের উদ্দেশে রওনা হই। তখন অবশ্য পরিবারের অন্যরা নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে আমাদের সঙ্গ দেন।’

এই প্রসঙ্গে মৃতের এক ছেলে বলেন, ‘এলাকার মুসলিম যুবকরা আমার মায়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে সাহায্য করেন। ওরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য উদাহরণ গড়েছে। আমাদের পরিবার ওদের প্রত্যেকের কাছে ঋণী।’ সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

অনলাইন ডেস্ক।।

আরও পড়ুণ…

ঈদেই সালমান খানের সুপার এ্যাকশন সিনেমা ‘রাধে’

 

আগামী ঈদে মুক্তি পেতে যাচ্ছে বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের নতুন সিনেমা ‘রাধে’। ২০২০ সালে সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও করোনা মহামারির কারণে তা আটকে যায়। তবে, চলতি বছরের ঈদুল ফিতরে সিনেমাটি মুক্তি পাবে বলে জানা গেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জিনিউজ তাদের প্রতিবেদনে এসব তথ্য উল্লেখ করেছে।

জিনিউজ জানিয়েছে, ‘রাধে শুধু প্রেক্ষাগৃহে নয়, জিপ্লেক্স ও টেলিভিশনের পর্দায় বিশ্বের ৫০টির বেশি দেশে মাত্র ২৯৯ রূপি বা ৩৪০ টাকায় দেখা যাবে।’

‘রাধে’ ২০০৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ওয়ান্টেড’ সিনেমার সিকুয়েল বলে ধারণা করছেন অনেকেই। আগের পর্বের মতো এটিও পরিচালনা করেছেন প্রভুদেবা।

আজ ২২ এপ্রিল মুক্তি পেয়েছে ‘রাধে’র ট্রেলার। এরই মধ্যে ট্রেলারটি নেটিজেনে ঝড় তুলেছে। ট্রেলারে নিজের মেজাজেই দেখা গেছ সালমান খানকে। অ্যাকশন, রোম্যান্স ভরা ছবিতে তার বিপরীতে আছেন দিশা পাটানি। খল নায়কের চরিত্রে দেখা যাবে রণদীপ হুদাকে। এছাড়া, একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আছেন জ্যাকি শ্রফ।

এর আগে, গত জানুয়ারিতে প্রেক্ষাগৃহে ‘রাধে’ মুক্তি দেওয়ার আবেদন জানিয়ে সালমান খানকে  চিঠি লিখেছিলেন সিনেমা প্রদর্শকরা।

অনলাইন ডেস্ক।।

 

এর থেকে করোনার ভয়াবহ চিত্র আর কি হতে পারে…!!! মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের লাশ

 

ভারতের করোনা সংক্রমণের ভয়াবহতার চিত্র সামনে এলো এক ছবিতে। মায়ের পায়ের কাছে পড়ে আছে করোনায় মারা যাওয়া সন্তানের লাশ। ভারতের উত্তর প্রদেশের বারনাসী শহরের ব্যস্ত সড়ক থেকে ছবিটি তোলা হয়।

ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ক্লান্ত-বিধ্বস্ত মা চন্দ্রকলা সিং একটি ইলেকট্রিক অটোরিকশায় বসে আছেন। আর তার পায়ের নিচে পড়ে আছে ২৯ বছরের ছেলে বিনিত সিংয়ের লাশ। গত সোমবার সকালে চন্দ্রকলা সিং তার অসুস্থ ছেলেকে নিয়ে গিয়েছিলেন বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিনিতের করোনা হয়েছে জানিয়ে তাকে ভর্তি করতে অস্বীকৃতি জানায়।

মা চন্দ্রকলা সিং বলেন, ওরা বললো এর করোনা হয়েছে। তাকে এখান থেকে নিয়ে যান। আমার সন্তান, আমার বাছা শ্বাস নিতে পারছিল না। আমরা অক্সিজেন আর অ্যাম্বুলেন্স চাইলাম। কিন্তু কিছুই পেলাম না। পরপর দু’টি হাসাপাতালেও গিয়ে কাজ হয়নি।

 

ঘটনার দিন অটোরিকশায় করে প্রথমে একটি সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় বিনিতকে। সেখান থেকে আরেকটি বেসরকারি হাসপাতারালে নিয়ে গেলে তারাও ফিরিয়ে দেয়। পরে তৃতীয় হাসপাতালে যাওয়ার পথে মারা যায় বিনিত।

অনলাইন ডেস্ক।।