//নিজস্ব প্রতিবেদক //
রূপসায় ২৯ লাখ টাকা আত্মসাত ! এবি ব্যাংক শাখার এজেন্ট ব্যবসায়ী ও আল-ফালাহ সমবায় সমিতির স্বত্ত্বাধিকারি রবিউল ইসলাম বিরুদ্ধে। সে রূপসার নৈহাটী ইউনিয়নের নিকলাপুর খোড়ার বটতলা এলাকায় দীর্ঘকাল সমিতির ব্যবসা পরিচালনা করার মাধ্যমে বিভিন্ন লোককে প্রলোভন দেখিয়ে সুকৌশলে অর্থ টেনে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীরা তার বিরুদ্ধে আদালতে চেক জালিয়াতি মামলা দেওয়ার পাশাপাশি গত ২৫ নভেম্বর দুপুরে প্রতারক রবিউলের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের কাছে নানান কাহিনীর অভিযোগ সহ ২৯ লাখ টাকা আত্মসাতের ঘটনা জানান। তারা আরো জানান- রবিউলের বিরুদ্ধে উকিল নোটিশ ও স্থানীয় শালিসী-বৈঠকহলেও বিষয়টি আমলে না নিয়ে ক্ষমতার দাপটে বহাল তবিয়তে ব্যাংকিং কার্যক্রম ও সমিতি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। আমরা পাওনা টাকা চাইলে কোন কর্ণপাত করে না বরং তার নানান অযুহাত খাড়া করে বছরের পর বছর ঘুরাচ্ছে আমাদের।
ওই প্রতারণার খপ্পরে সর্বোচ্চ হারানো ব্যক্তিরা হলেন- ১। খাদিজা খাতুন বলেন, জমি কেনার শর্তে চেকের মাধ্যমে ৯ লাখ টাকা দিয়েছি রবিউলকে। জমি ক্রয় না করায় ঐ পাওনা টাকা থেকে মাত্র ২ লাখ টাকা দিয়েছে। বাকি ৭ লাখ টাকা এপর্যন্ত পরিশোধ করেনি।
২। শেখ ইমদাদুল ইসলাম বলেন- ১ লাখ ১০ হাজার ইট দিবে এমন শর্তে প্যাড ও ব্যাংকের চেকের মাধ্যমে ২০২১ সালের আগস্ট মাসে ৭ লাখ টাকা গ্রহণ করেন রবিউল। এ পর্যন্ত কোনো ইট দেয়নি এমনকি টাকাও পরিশোধ করেনি।
৩। ইমরান শরিফ বলেন- ইট দেওয়ার শর্তে ২০২০ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে মোট ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়েছি এবি ব্যাংকের এজেন্ট ব্যবসায়ি রবিউল ইসলামকে। তারপর থেকে সে এ পর্যন্ত ইট দেওয়া তো দূরের কথা, কোনো টাকাও দেয়নি। ঘুরতে ঘুরতে কোন উপায়ন্ত না পেয়ে তার বিরুদ্ধে আদালতে একটি চেক জালিয়াতি ও ৩ টি চেক ডিজঅনার মামলা দায়ের করেছি।
৪। শিরিনা বেগম বলেন, রবিউল আমাকে ৯৩ হাজার ইট দেওয়ার শর্তে ২০২১ সালে ইসলামী ব্যাংকের, ৬ লাখ টাকার চেক প্রদান করি। এখনো পর্যন্ত কোনো ইট দেয়নি, টাকাও পরিশোধ করেনি। টাকা চাইতে গেলে নানা অযুহাত খাড়া করেন।
এব্যাপারে অভিযুক্ত মো. রবিউল ইসলামের সাথে কথা বলার চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি।

