ডুমুরিয়ার হাতিটানা নদীতে অবৈধ কারেণ্টজাল উচ্ছেদ অভিযান

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া,  খুলনা//
ডুমুরিয়ায় মৎস‍্য অফিস বিশেষ অভিয২৬ ফেব্রুযারি   বুধবার  সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত  উপজেলার হাতিটানা নদী থেকে বিপুল পরিমান  অবৈধ কারেন্ট  জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
জানা গেছে,মৎস্য সম্পদ ধ্বংসকারী বেহুন্দি ও অন্যান ক্ষতিকর অবৈধ নেট-পাটা-জাল নির্মূলে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির উদ্যোগে ডুমুরিয়ার শোভনা ও মাগুরখালী ইউনিয়নের মধ‍্যে  দিয়ে প্রবাহিত হাতিটানা নদীর প্রায় ৪/৫ কিলোমিটার লম্বা নদীতে অর্ধ শতাধিক স্থানে এলাকার এক শ্রেণির প্রভাবশালী ব্যক্তি  অবৈধভাবে নেট-কারেন্ট জাল পেতে দীর্ঘদিন যাবৎ মাছ ধরে আসছে।
ইজারা প্রাপ্ত সমবায়সমিতি সদস‍্যরা  বিপাকে পভে।  নদীতে পানি প্রবাহে বাঁধাগ্রস্ত হয়ে পলি পড়ে নদী-খালের দুপাশ ভরাট হযে যাচ্ছে ।  সরকারী  ইজারা  প্রাপ্ত মৎস‍্যজীবি সমিতি   প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এরই প্রেক্ষিতে উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর  নেট-পাটা উচ্ছেদ করে জোয়ারের পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে নদীতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বিপুল পরিমানে নেট-কারেন্ট জাল উদ্ধার করে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।
অভিযান পরিচালনায় সহায়তা করেন উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আব্দুল কাদের, মাদারতলা পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলামসহ  পুলিশ সদস্যবৃন্দ।
এ বিষয়ে সিনিয়র উপজেলা  মৎস্য অফিসার মোঃ আবু বক্কার সিদ্দিক বলেন, প্রবাহমান খালে নেট-পাটা-বাঁধ  কারেন্ট জাল পেতে মাছ ধরা সম্পূর্ন বেআইনী। জোয়ারের পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে বাঁধ ও নেট পাটা উচ্ছেদ করা হয়েছে। তিনি আরো জানান,সম্প্রতি মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনায় গত মাস থেকে চার ধাপে ২৮ টি উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
ইতোমধ্যে ডুমুরিয়া উপজেলার সমস্ত এলাকায়  মাইকিং এর মাধ্যমে নদী-খাল  অবৈধ ভাবে দখলকারিদের তাদের সরঞ্জামাদি সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। এর পরও যে বা যারা নির্দেশনা অমান্য করবেন তাদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা বা নিয়মিত মামলা দায়ের করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
হাইমচরে ৪ ইউনিয়ন পরিষদের নব-নির্বাচিত ইউপি সদস্যগনের শপথ গ্রহণ

মুনিয়া হত্যা মামলার আসামি মিমকে জিজ্ঞাসাবাদ- পিবিআই

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

গুলশানে একটি ফ্ল্যাটে কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়ার লাশ উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি সাইফা রহমান মিমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পিবিআই প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক বনজ কুমার যুগান্তরকে বলেন, সাইফা রহমান মিমকে পিবিআই স্পেশাল ক্রাইম দক্ষিণ অফিসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার বিকালে তাকে ধানমণ্ডির বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

উল্লে­খ্য, মুনিয়া মিরপুরের একটি স্কুল অ্যান্ড কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাবার নাম মৃত শফিকুর রহমান। গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা সদরের দক্ষিণপাড়া উজির দিঘি এলাকায়। তিনি গুলশান দুই নম্বর এভিনিউয়ের ১২০ নম্বর সড়কের ১৯ নম্বর প্লটের বি/৩ ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন। গত বছরের ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় ওই বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মুনিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহান তানিয়া ‘আত্মহত্যা’য় প্ররোচনার অভিযোগ এনে একটি মামলা দায়ের করেন।  পরে গত ৬ সেপ্টেম্বর নুসরাত জাহান তানিয়া বাদী হয়ে মুনিয়াকে ‘ধর্ষণের পর হত্যার’ অভিযোগ এনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় আটজনকে আসামি করা হয়। আদালত গুলশান থানা পুলিশকে মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করে পিবিআইকে অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন। সাইফা রহমান মিম এ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন উপলক্ষে ডুমুরিয়ায় বিএনপির সভা

২৬ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন ।। লক্ষ্য এক কোটি ডোজ

খুলনার সেই প্রতারক মনির সহ দুই সহযোগি কারাগারে

 //আ: রাজ্জাক, খুলনা ব্যুরো//

খুলনার সাংবাদিক সোহাগ দেওয়ানকে ফাঁসানোর চেষ্টাকারী আলোচিত সেই প্রতারক ফরিদা ইয়াসমিন মনি’র আরও দুইজন সহযোগিকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ১৪ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) খুলনার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম সুমি আহমেদ এ আদেশ দিয়েছেন।

জেল হাজতে প্রেরণ হওয়া ওই দুই আসামি হলো ঢাকার মুগদা থানা এলাকার ১৬৯ দক্ষিণ মুগদা মান্ডার চাঁন মিয়া গলির বাসিন্দা শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরীর ছেলে কাওছার আহমেদ চৌধুরী (৪৫) ও বংশাল থানাধিন ছিদ্দিবাজার জবেদ গলির দেলোয়ার হোসেন ওরফে দিলু মিয়ার ছেলে আশিকুর রহমান (৩৪)। এরা দু’জনই প্রতারক মনি’র সহযোগি হিসেবে কাজ করেন। বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় স্বাক্ষী ও নানা প্রতারণার সাথে জড়িত এ চক্রটি। এদের মধ্যে কাওছার আহমেদ প্রতারক মনি’র ঢাকার ভাড়া বাসার বাড়ির মালিক ও আশিক তার সহযোগি বলে জানা গেছে।

প্রতারক মনি’র বাদি হয়ে ঢাকার মুগদা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে খুলনার সাংবাদিক সোহাগ দেওয়ান ও আইনজীবী মেহেদী হাসানের নামে একটি ষড়যন্ত্রমুলক মামলা করেন। ওই মামলায় কাওছার আহমেদ চৌধুরী ও আশিকুর রহমানকে মিথ্যা স্বাক্ষী বানানো হয়। এছাড়া ৩শ’টাকার নন জুডিসিয়াল স্ট্যাম্প জালিয়াতি করে সাংবাদিক সোহাগ দেওয়ানকে ফাঁসানোর চেষ্টার মামলায়ও এরা দু’জন প্রতারক ফরিদা ইয়াসমিন মনি’র স্বাক্ষী হিসেবে রয়েছে বলে তথ্য মেলে। পরবর্তিতে দেখা গেছে মনি’র বিভিন্ন মামলায় এদেরকে স্বাক্ষী বানিয়ে নানাভাবে প্রতারনা ও ব্লাকমেইল করে এ চক্রটি। এবিষয়ে ইতোমধ্যে বেশ কিছু লিখিত অভিযোগ ও জিডি এ প্রতারক চক্রটির বিরুদ্ধে পাওয়া গেছে।

এরআগে গত ২৪ নভেম্বর রাতে প্রতারক চক্রের হোতা ফরিদা ইয়াসমিন মনিকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-৬ সদস্যরা। ২৫নভেম্বর সদর থানা পুলিশ আদালতে সোপর্দ করলে খুলনার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শাহীদুল ইসলাম আসামি মনিকে জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ দেন। ২মাস ৯দিন কারাবাসের পর গত ৮ফেব্র“য়ারি মহানগর দায়রা জজ আদালতে তার জামিন হয়। প্রতারক ফরিদা ইয়াসমিন মনি খুলনার সোনাডাঙ্গা থানাধিন করিম নগর মসজিদ এলাকার মৃত আব্দুল ওহাব খাঁনের মেয়ে। সে বসুপাড়া কবরখানা এলাকার টাওয়ার ওয়ালা গলির শহিদুল ইসলামের বাড়ির ৫তলায় ভাড়া থাকেন।

মামলার বিবরণী থেকে জানা গেছে, তিনশত টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প জালিয়াতি করে সাংবাদিক সোহাগ দেওয়ানের নামে একটি ভুয়া অঙ্গিকার নামা তৈরি করে এ প্রতারক চক্রটি। ওই অঙ্গিকারনামায় বলা হয়, ফরিদা ইয়াসমিন মনি নামের এক নারীর সন্তান উদ্ধারের কথা বলে সাংবাদিক সোহাগ দেওয়ান ৩লাখ ৭৭হাজার টাকা নিয়েছেন। এ অঙ্গিকারনামাটি ব্যবহার করে ওই চক্রটি সোহাগ দেওয়ানের রিুদ্ধে ইতোমধ্যে নানা দপ্তরে অভিযোগ, মামলাসহ নানাভাবে হয়রানি করে।

এরপর প্রাথমিকভাবে প্রমান মেলে তিনশত টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে তৈরি করা অঙ্গিকারনামাটি ২০১৮ সালের ৪জানুয়ারির তারিখে দেখানো হলেও সেটি আসলে ২০২০ সালের ১৪ অক্টোবর সরকারের সংশ্লি¬¬ষ্ট দপ্তর থেকে বিক্রি হয়েছে। সহকারি নিয়ন্ত্রক (স্ট্যাম্প) প্রধান কার্যালয় ও পিরোজপুর জেলা প্রশাসকের ট্রেজারী শাখার লিখিত তথ্যমতে এ প্রাথমিক সত্যতা বেড়িয়ে আসে।

এঘটনায় গত ১৫ নভেম্বর খুলনার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ওই প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ড করতে কেএমপি’র সদর থানাকে নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশ হাতে পেয়ে খুলনা সদর থানায় প্রতারক চক্রের প্রধান ফরিদা ইয়াসমিন মনিসহ ৫জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৩/৪জনের বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ড করা হয়। দন্ডবিধির ৪৬৭, ৪৬৮, ৩৮৫, ১০৯ ও ৫০৬ ধারায় গত ১৯ নভেম্বর মামলাটি রেকর্ড করে পুলিশ (নং-৩৪)।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

দুষ্টদের সমাজ বিরোধী কর্মকান্ড প্রতিহত করে উন্নত বাংলাদেশ গড়তে হবে- নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি

 

খুলনার ডুমুরিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান: গ্রেফতার ১৮

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া, খুলনা//

খুলনার ডুমুরিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে সিআর,জিআর মামলায় আদালতের পরোয়ানাভূক্ত এবং নিয়মিত মামলার আসামীসহ ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ১৩ ফেব্রুয়ারি রোববার গ্রেফতার কৃতদের আদালতে প্রেরন করা হযেছে। থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে শনিবার রাতে  থানার বিভিন্ন এলাকায়  অভিযান চালিয়ে সিআর, জিআর মামলায় আদালতের পরোয়ানাভূক্ত ১৬ জন এবং নিয়মিত মামলায় ২ জন আসামীকে গ্রেপ্তার করেন ।

থানার এস,আই হাফিজুর রহমান,এসআই কাজলসহ পুলিশ সদস‍্যরা রাতভোর অভিযান পরিচালনা করে জিআর মামলার আসামি ধামালিয়া গ্রামের রত্না বেগম,জিলেরডাঙ্গা গ্রামের হুমায়ারা বেগম,চন্ডিপুর গ্রামের রেজাউল ইসলাম,খড়িয়া গ্রামের ইব্রাহীম গাইন,রুদাঘরা গ্রামের এস,এম দ্বীন মোহাম্মদ,শরাফপুর গ্রামের আবদুর রাজ্জাক গাজী,জিআর মামলার আসামি বরুনা পূর্বপাড়া এলাকার মেহেদী হাসান সাগর,শাহাপুর গ্রামের শামীম গাজী,চাকুন্দিয়া গ্রামের আবুল কালাম শেখ,টোলনা গ্রামের সুন্দরী বেগম,চাকুন্দিয়া গ্রামের ইমরান হোসেন গাজী,টোলনা গ্রামের আবদুর রউফ বিশ্বাস,বরুনা গ্রামের জাহাতাপ বিশ্বাস,টোলনা গ্রামের মিনা বেগম ও আফজাল বিশ্বাস,শরাফপুর গ্রামের আবদুর রাজ্জাক।

এছাড়া থানার নিয়মিত মামলার আসামি রাতুল ফকির ও মিতুল ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়।  থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওবাইদুর রহমান জানান,ধৃত আসামীদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

 

 

 

৮৫ বার পেছানো সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত নিয়ে জাতিসংঘ কি বলল

//অনলাইন ডেস্ক//

১০ বছর আগে মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত প্রতিবেদন এখনো দাখিল হয়নি। আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ এখন পর্যন মোট ৮৫ বার পিছিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য দিয়েছে জাতিসংঘ।

জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের স্পেশাল প্রসিডিউরস থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উচ্চ আদালত ২০১২ সালেই র‍্যাবকে এই মামলা তদন্তের দায়িত্ব দেন। গত বছর ২৪ নভেম্বর আদালত ৮৪তম বারের মতো র‍্যাবকে তাদের তদন্তের ফলাফল জমা দিতে বলেন, যা এখনো সম্পন্ন হয়নি।

এতে আরও বলা হয়, গত ১০ বছরে বাংলাদেশে অন্তত ১৫ জন সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। ২০১২ সালে সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের পর জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের পাঠানো চিঠির কোনো জবাব সরকারের কাছ থেকে কখনই পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে হত্যা করা হয়। এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই)। চার দিন পর চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।

দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদ্ঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‍্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

পাড়ুন দৈনিক বিশ্ব

Daily World News

আগামীকাল সার্চ কমিটির সঙ্গে বসছেন যে বিশিষ্টজনরা

খুলনার রূপসায় ছোট ভাইকে হত্যাকারী ইন্তাজ মোল্লাকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬ 

 //আ: রাজ্জাক, খুলনা ব্যুরো//

খুলনার রূপসা উপজেলার টিএসবি ইউনিয়নের পাচানী গ্রামের ইউপি সদস্য কর্তৃক আপন ভাইকে হত্যার ৩৬ ঘন্টার মধ্যে ঘটনার মূল নায়ক ইউপি সদস্য ইন্তাজ মোল্লাকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬ ।

১০ই ফেব্রুয়ারি  ১২.৩০ ঘটিকার সময় র‌্যাব-৬,(স্পেশাল কোম্পানি) খুলনার একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, গোপালগঞ্জ জেলাধীন ঘোনাপাড়া বাসস্ট্যান্ড হতে ঢাকা পালানোর উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। উক্ত স্থান থেকে র‌্যাব-৬ ইসরাইল মোল্লা হত্যা মামলার আসামী ইউপি সদস্য মোঃ ইন্তাজ মোল্লা(৬৫) কে গ্রেফতার করে।

গত ৮ই ফেব্রুয়ারি  ইসরাইল মোল্লা (৬০) স্থানীয় কাজদিয়া বাজার হতে বাইসাকেল যোগে বাড়ির ফেরার সময় নিজ বসতবাড়ির সামনে এসে পৌছালে তার দুই ভাই ও বড় ভাই এর ছেলে লাঠি, ইট দ্বারা তার স্ত্রীর সামনে মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত করে পালিয়ে যায়।

আহত ইসরাইল মোল্লা (৬০)কে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রুপসাতে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করে।

এই সংক্রান্তে খুলনা জেলার রুপসা থানায় মৃতের স্ত্রী খাদিজা পারভীন নিজে বাদী হয়ে মৃতের বড়ভাই মোঃ ইন্তাজ মোল্লা (৬৫), ছোট ভাই মোঃ মারুফ মোল্লা (৫০) উভয় পিতা-একলাস মোল্লা এবং ইন্তাজ মোল্লার বড় ছেলে সোহাগ মোল্লা (২৫) এর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করে।

গ্রেফতারকৃত হত্যা মামলার আসামী’কে খুলনা জেলার রুপসা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

উক্ত আভিযানিক দলটি হত্যা মামলার অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

পড়ুল দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

বাগেরহাটের রামপালে জমিজমা বিষয়ে মামলা থেকে রেহাই পেতে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

হিজাব বিতর্কের জেরে ব্যাঙ্গালোরে স্কুল-কলেজে ১৪৪ ধারা জারি

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

ভারতের ব্যাঙ্গালোরের সব স্কুল-কলেজের আশপাশে ১৪৪ ধারা জারি করেছে কর্নাটক সরকার। আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে বলে সরকারি নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে।

কর্নাটকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব নিষিদ্ধ করার দাবি করেছে হিন্দুত্ববাদীরা। আবার হিজাবের সমর্থনে সরব মুসলিম পড়ুয়াদের একাংশ। এই বিতর্ক ঘিরে অশান্তি ঠেকাতেই ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

এর আগে অশান্তি ঠেকাতে কর্নাটকের বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাইয়ের সরকার মঙ্গলবার থেকে তিন দিন রাজ্যের সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। এখন শুক্রবার স্কুল-কলেজ খোলার পর রাজ্যের রাজধানীতে নয়া নিয়ম কার্যকর হবে।

ব্যাঙ্গালোরের পুলিশ কমিশনার কমল পান্ত বুধবার ১৪৪ ধারা ঘোষণা করে বলেন, শহরে উত্তেজনা রয়েছে। নতুন করে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাই শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য যথাযথ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা অপরিহার্য। এই পরিস্থিতিতে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে স্কুল-কলেজের আশপাশে ফৌজদারি দণ্ডবিধির অনুযায়ী ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

কর্নাটকের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে হিজাব নিষিদ্ধ করার দাবিতে গেরুয়া উত্তরীয় পরে বিক্ষোভ দেখিয়েছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো। অন্যদিকে হিজাবের সমর্থনে পথে নেমেছে মুসলিম পড়ুয়ারা।

এদিকে হিজাব পরার অধিকার চেয়ে ছাত্রীরা কর্নাটক হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছে। বিষয়টি এখন আদালতের বিচারাধীন। বিচারপতি জানিয়েছেন, তিনি যতদিন রায় না দিচ্ছেন, ততদিন যেন রাজ্যে শান্তি বজায় থাকে। সব পক্ষ যেন ধৈর্য ধরেন।

রাজ্য সরকার জানিয়েছে, তারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ড্রেস কোড চালু করেনি। তবে রাজ্যের নিয়মানুযায়ী, স্কুল ও কলেজ কর্তৃপক্ষ নিজস্ব ড্রেস কোড চালু করতে পারে। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই ড্রেস কোড চালু আছে।

এই হিজাব বিতর্ক মধ্যপ্রদেশ ও পুদুচেরিতেও ছড়িয়েছে। মধ্যপ্রদেশের শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, ‘হিজাব স্কুল বা কলেজ ইউনিফর্মের অঙ্গ নয়। স্কুলে এলে ইউনিফর্ম পরে আসতে হবে। বাড়িতে যে যার মতো পোশাক পরতে পারেন।’ মধ্যপ্রদেশেও সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাবকে নিষিদ্ধ করার পক্ষে। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

পড়ুল দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

প্রদীপ-লিয়াকত এখন কাশিমপুর কারাগারে

প্রদীপ-লিয়াকত এখন কাশিমপুর কারাগারে

//নিউজ ডেস্ক//

মেজর সিনহা হত্যা মামলায় ফাসির সাজা পাওয়া দুই আসামি পুলিশের সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাস ও এসআই লিয়াকত আলীকে চট্টগ্রাম কারাগার থেকে বুধবার রাতে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে।

কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো গিয়াস উদ্দিন বলেন, দুই আসামিকে প্রিজন ভ্যানে করে চট্টগ্রাম থেকে পাঠানো হলে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তারা কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগারে পৌঁছেছে।

অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা সিনহা মো. রাশেদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ও মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামি টেকনাফ থানার বরখাস্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাস ও বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (পরিদর্শক) লিয়াকত আলীকে আদলতের রায়ের পর প্রথমে চট্টগ্রাম করাগারে পাঠানো হয়েছিল।

ক্রিকেটার নাসির-তামিমার বিচার শুরু

//নিউজ ডেস্ক//

যথাযথভাবে তালাক হয়নি জেনেও অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগে করা মামলায় ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু তামিমা সুলতানা তাম্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত।  এই মামলা থেকে তামিমার মা সুমি আক্তারকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতের অ্যাডিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন বুধবার এ আদেশ দেন।  এ তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী ইশরাত হাসান।  তিনি বলেন, অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে নাসির ও তামিমার বিচার শুরু হলো।

অভিযোগ গঠনের সময় নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আদালতের কাছে ন্যায়বিচার চান ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা। এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানি শেষ হয়।  আদালত আজ বুধবার অভিযোগ গঠন বিষয়ে আদেশ দেন।

এ মামলায় গত বছরের ৩১ অক্টোবর নাসির, তামিমা ও সুমি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেছিলেন। সেদিন আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেছিলেন। বর্তমানে তারা জামিনে রয়েছেন।

এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর নাসির, তামিমা ও সুমির বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। আদালত সেদিন পিবিআইয়ের প্রতিবেদন আমলে নেন।

অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ক্রিকেটার নাসিরের আইনজীবী কাজী নজিবুল্লাহ আদালতকে বলেন, তামিমার সঙ্গে মামলার বাদী রাকিবের তালাক কার্যকর হয়েছে ২০১৭ সালের ২২ এপ্রিল। আর নাসির তামিমাকে বিয়ে করেন এর চার বছর পর। সুতরাং নাসিরের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ টেকে না। আর তামিমা আইন মেনে রাকিবকে যথাযথভাবে তালাক দিয়েছেন, তালাক কার্যকর হয়েছে। তালাকের নোটিশ দেওয়ার দায়িত্ব কাজী অফিসের। তামিমার মায়ের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগও সঠিক নয়।

পরে ক্রিকেটার নাসিরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের সপক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন বাদীপক্ষের আইনজীবী ইশরাত হাসান। তিনি আদালতকে বলেছিলেন, আসামিপক্ষ থেকে ২০১৭ সালে রাকিব ও তামিমার মধ্যে তালাক কার্যকর করার কথা সঠিক নয়। তামিমা ২০১৮ সালের পাসপোর্টে স্বামীর নাম হিসেবে রাকিবের নাম উল্লেখ করেন। জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে নিয়েছেন আসামিরা।

আদালত উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে অভিযোগ গঠনের বিষয় আদেশের জন্য নতুন দিন ঠিক করে দেন সেদিন।

২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর উত্তরার একটি রেস্তোরাঁয় নাসির ও তামিমার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। এরপর নতুন করে বিতর্ক ওঠে এই ক্রিকেটারকে ঘিরে। তামিমা তার আগের স্বামীকে তালাক না দিয়ে নাসিরকে বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় মামলা করেন তামিমার আগের স্বামী রাকিব হাসান।

পড়ুল দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

খুলনার রূপসায় বড় ভাইকে নির্মমভাবে পিটিকে হত্যা করেছে ছোট ভাই

শপথ নেওয়া হলোনা সদ্য নিয়োগ পাওয়া বিচারপতি নাজমুল আহাসানের

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে সদ্য নিয়োগ পাওয়া বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান মারা গেছেন (ইন্না…রাজিউন)। শুক্রবার ভোর সোয়া ৬টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ব্যারিস্টার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান।

তিনি বলেন, সম্প্রতি করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান। চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন, সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

গত ৮ জানুয়ারি হাইকোর্ট বিভাগ থেকে পদোন্নতি পেয়ে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান আপিল বিভাগে নিয়োগ পান।  ৯ জানুয়ারি তার সঙ্গে নিয়োগ পাওয়া অপর বিচারপতি শপথ নেন। প্রধান বিচারপতি তাদের শপথবাক্য পাঠ করান। কিন্তু করোনা আক্রান্ত হওয়ার কারণে ওই দিন তিনি শপথ নিতে পারেননি নাজমুল আহাসান।

৯ জানুয়ারি আপিল বিভাগের এজলাস কক্ষে নতুন বিচারপতিদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী  জানিয়েছিলেন, বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান করোনা আক্রান্ত হয়ে সিসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি সুস্থ হলে শপথ নেবেন।

বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। এক শোক বার্তায়  তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার সমবেদনা জানিয়েছেন।

২০১০ সালের ১৮ এপ্রিল বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। পরে ২০১২ সালের ১৫ এপ্রিল স্থায়ী হন।

পড়ুল দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

যুক্তরাষ্ট্র আর নিষেধাজ্ঞা দেবেনা – পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম