খুলনার ডুমুরিয়ায় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী লিটনের মৃত‍্যুদন্ড

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া সংবাদদাতা খুলনা//

খুলনার ডুমু‌রিয়ায় সাবেক স্ত্রীকে হত্যার দায়ে লিটন মোল্লা নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দি‌য়ে‌ছে আদালত। মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) খুলনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ম‌শিউর রহমান চৌধুরী এ রায় ঘোষণা ক‌রেন। রায় ঘোষণার সময় আসা‌মি আদাল‌তে উপ‌স্থিত ছি‌লেন। রা‌য়ের বিষয়‌টি নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছেন ওই আদাল‌তের এ‌পি‌পি এম ই‌লিয়াস খান ও শা‌ম্মি আক্তার।

আদাল‌তের সূত্র জানায়, নিহত পারভীন বেগম লিটন মোল্লার দ্বিতীয় স্ত্রী। হত‌্যাকা‌ণ্ডের পাঁচ বছর পূ‌র্বে তা‌দের বি‌য়ে হয়। বিয়ের সময় পারভীন আগের ঘ‌রে ৮ বছরের এক‌টি কন‌্যাসন্তান নি‌য়ে ওই ঘরে ও‌ঠে। বিয়ের পর কিছু‌দিন ভালোভাবে চললেও পরে তা‌দের ম‌ধ্যে মত‌বিরোধ দেখা দেয়। এ নিয়ে প্রায়ই উভয়ের মধ্যে হাতাহা‌তির ঘটনা ঘটত। স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার চেষ্টা করে ব‌্যর্থ হয় লিটন মোল্লা।

হত‌্যাকণ্ডের এক সপ্তাহ আ‌গে পারভীন স্বামীকে তালাক দেয়। এ নি‌য়ে ক্ষুব্ধ হয় লিটন। হত‌্যার প‌রিকল্পনা করতে থাকে সে। ২০২১ সা‌লের ১৫ জুন রাতে পারভীনকে হত‌্যার জন‌্য বা‌ড়ি থে‌কে শাবল ও ধারালো ছু‌রি নেয় লিটন। রাত ১টার দিকে ডুমু‌রিয়া ম‌হিলা কলে‌জের পাশ জনৈক শামসুর রহমানের ভাড়া বা‌ড়িতে এসে পারভীনকে ডাকতে থাকে এতে পারভীন  সাড়া না দেওয়ায়  একপর্যায়ে শাবল দিয়ে ঘরের দরজা ভে‌ঙে ফেলে লিটন। তাকে অস্বাভা‌বিক দেখতে পেয়ে পালানোর চেষ্টা ক‌রে ব‌্যর্থ হয় পারভীন। হাতের নাগালে পেয়ে ধারালো ছু‌রি দি‌য়ে শরী‌রের বি‌ভিন্ন স্থানে কোপাতে থাকে সে। এরপর মৃত‌্যু নি‌শ্চিত করার জন‌্য পাশের রান্নাঘর থে‌কে কাঠ এনে মাথায় আঘাত করেতে থা‌কে।

বাইরে চিৎকার শুনে নিহ‌তের ৮ বছর বয়সী মেয়ের ঘুম ভেঙে যায়। তার চিৎকার শু‌নে অন‌্যরা এ‌গিয়ে এসে পারভীনকে রক্তাত্ব জখম অবস্থায় উদ্ধার করে চি‌কিৎসার জন‌্য হাসপাতালে প্রেরণ করলে সেখানকার কর্তব‌্যরত চি‌কিৎসক মৃত ব‌লে ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের বড় মেয়ে লিটনকে আসা‌মি করে হত্যা মামলা দায়ের ক‌রে। একই বছরের ৩০ আগস্ট মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা লিটন‌কে অ‌ভিযুক্ত ক‌রে আদাল‌তে অ‌ভিযোগপত্র দা‌খিল ক‌রেন। ১৮ জন আদালতে সাক্ষ‌্য দিয়ে‌ছেন। সাত কার্যদিবসে মামলা‌টির বিচার কর্যক্রম শেষ হ‌য়েছে বলে আদালতের ওই সূত্র জানায়।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

১৭ মার্চ জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস এর প্রস্তুতি সভা

ঢাকা যাওয়া হলোনা রাজনের, ডুমুরিয়ায় ট্রাক-বাইক সংঘর্ষে মৃত্যু

রাণীশংকৈলে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ অভিযুক্ত সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর 

মাহাবুব আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি।।

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ১০ম শ্রেণীর স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণে অভিযুক্ত পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের কম্পিউটার অপারেটর  শিক্ষক তৌহিদুল ইসলামের জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

(১৪ মার্চ সোমবার ) দুপুরে আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন তৌহিদুল। তবে জামিন নামঞ্জুর করে  ঠাকুরগাঁও জেলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট  তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন  বিচারক এস রমেশ কুমার ডাগা।

তৌহিদুল রাণীশংকৈল উপজেলার সহোদর গ্রামের নূর ইসলামের ছেলে এবং রাণীশংকৈলে পাইলট হাইস্কুলের কম্পিউটার অপারেটর  শিক্ষক। তার বিরদ্ধে নিজ প্রতিষ্ঠানের এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে।

গত ৫ মার্চ তৌহিদুলকে আসামি করে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে রাণীশংকৈল থানায় ধর্ষণ মামলা করেন। ওই দিন তৌহিদুলের বিচারের দাবিতে স্কুলের শিক্ষার্থীরা পৌর শহরে মানববন্ধন করে। সেই সঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি দেয়। এরপর আরও কয়েক দফায় আন্দোলন করে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। সর্বশেষ (১৩ মার্চ রবিবার)  তাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে।

তৌহিদুল ইসলাম পৌর শহরের ভান্ডারা মহল্লার ১০ম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সঙ্গে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। ঘটনা জানাজানি হলে ওই শিক্ষার্থীর বাবা তৌহিদুলের কাছে বিয়ের প্রস্তাব দেন। তৌহিদুল ১৫ লাখ টাকা যৌতুক দিলে বিয়ে করতে রাজি হন। তবে ওই ছাত্রীর বাবা এত টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ লোকজন গত ৩ মার্চ ওই শিক্ষার্থীকে তৌহিদুলের বাড়িতে রেখে আসে। ওই শিক্ষার্থী বিযের দাবিতে বাড়িতে অবস্থান নিলে তৌহিদুল বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে পরদিন তড়িঘড়ি করে অন্যত্র বিয়ে করে।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

চিরকুট লিখে আমতলীতে ৭০ বছরের বৃদ্ধের আত্মহত্যা

মাগুরার পুলিশ সুপারের তড়িৎ পদক্ষেপে রাজু হত্যার প্রধান আসামী ইউপি চেয়ারম্যান মসিয়ার গ্রেফতার

//শ্যামল বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা//

মাগুরার শ্রীপুরে তখলপুর গ্রামের কলেজছাত্র রাজু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শ্রীপুর সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মসিয়ার রহমানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

নিহত রাজুর বাবা আকতার শেখ মঙ্গলবার রাতে ৩৪ জনকে আসামী করে শ্রীপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ০৩ তাং ০৮/০৩/২০২২ ইং।আওয়ামী লীগ নেতা মসিয়ার রহমান ওই মামলার প্রধান আসামি বলে পুলিশ জানিয়েছে।

 

মাগুরার পুলিশ সুপারের তড়িৎ পদক্ষেপে রাজু হত্যার প্রধান আসামী ইউপি চেয়ারম্যান মসিয়ার গ্রেফতার

গত কয়েকদিন ধরে শ্রীপুর উপজেলার তখলপুর গ্রামে স্থানীয় হাতেম আলি দাখিল মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদে নির্বাচন নিয়ে শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ইউপি সদস্য অ্যাডভোকেট মকবুল হোসেন এবং উপজেলা আওয়ামী স্বেচছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি সাবেক ইউপি সদস্য কাজী আবদুর রউফের মধ্যে বিরোধ চলছিল। যার ধারাবাহিকতায় সোমবার রাতে কাজী আবদুর রউফ সমর্থকেরা তখলপুর গ্রামে রাজ্জাকের উপর হামলা করার সময় ভয়ে তিনি ঘরের মধ্যে পালিয়ে যাওয়ায় নিরপরাধ ছেলের উপর হামলা চালিয়ে ধারালো কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা নিয়ে যাবার পথে তার মৃত্যু হয়। রাজু ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজের সম্মান শ্রেণির শিক্ষার্থী।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুকদেব রায় ইউপি চেয়ারম্যান মসিয়ার রহমানের গ্রেফতারের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। এর আগে হত্যাকাণ্ডে জড়িত এজাহারভূক্ত আরো ০৩ জন কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে নিহত রাজু একজন কোরআনের হাফেজ এবং নিরপরাধী ।সে কোন মারামারি সাথে জড়িত নয় তার নামে কোন মামলা ছিল না।

বরগুনার তালতলী ইউএনও’র বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা

/সাইফুল্লাহ নাসির, আমতলী বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার তালতলী ইউএনও মোঃ কাওছার হোসেন এর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা হয়েছে। আদালতের আদেশ অমান্য করে অন্যের জমিতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণের অভিযোগে এ মামলা হয়েছে ।

গত বৃহস্পতিবার(০৪ মার্চ) আমতলী সহকারী জজ আদালত এ মামলা করেন বদলুর আলম বাবুল নামের এক ব্যক্তি। বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদী পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মোঃ আতিকুল হক।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কাওছার হোসেন ছাড়াও সহকারী কমিশনার ভূমি,উপজেলা ভূমি অফিসের কানুণ’গো’, সার্ভেয়ার ও বড় বড়বগী ইউনিয়নের তফসিলদারে বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হয়েছে। তালতলীতে সহকারী কমিশনার না থাকায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহকারী ভূমি কমিশনার হিসেবে দায়িত্বে আছেন।

জানা যায়,উপজেলা বড় বগি মৌজার ৩৯৯৩ ও ৪০০০ দাগের ৪ একর কৃষি জমি ১৯৬৪-৬৫ সালে মৌলবী লতিফ ও সিদ্দিকুর রহমান কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত দেয় সরকার। পরে ১৯৮১ সালে ঔ চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ও রেকর্ডিং জমি থেকে বদলুর আলম বাবুলসহ কয়েকজনের কাছে ২ একর ৬৭ শতাংশ বিক্রি করেন তারা । প্রায় ৪১ বছর ভোগ দখলের। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের শেষের দিকে তালতলী উপজেলা নির্বাহি অফিসার ওই জমিতে আশ্রায়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণের জন্য নির্ধারণ করেন। কোন প্রকার নোটিশ ও উচ্ছেদের কাগজপত্র ছাড়াই প্রথমে রেকর্ডিং সম্পত্তি দিয়ে জোরপূর্বক রাস্তা নির্মাণ করেন।

পরে গত ২৫ জানুয়ারি আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উপজেলা নির্বাহি অফিসার সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন বদলুর আমল বাবুল গং। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে লিখিতভাবে জবাব দেওয়ার জন্য ঔ ৫ জনকে বলেন। আদালতের লিখিত নোটিশ অন্য তিনজন গ্রহণ করলেও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কাওসার গ্রহণ করেননি। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঔ জমি দখল নিয়ে আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর নির্মাণের জন্য ভরাট করে। বিষয়টি বাদীপক্ষ আদালতকে জানান। আদালত ওই জমিতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয় এবং বলেন মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই জমিতে কোন প্রকার কাজ করা হবে না। আদালতের আদেশ অমান্য করে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণ শুরু করেন। পরে গত ৪ মার্চ আমতলী সহকারী জজ আদালতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কাওছার হোসেন ছাড়াও সহকারী কমিশনার ভূমি, উপজেমা ভূমি অফিসের কানুণ’গো’,সার্ভেয়ার ও তফসিলদারে বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ করে মামলা করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে কেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে না কেন জানতে চাওয়া হয়।

মামলার বাদী বদলুর আলম বাবুল বলেন,আমাদের রেকর্ডিং সম্পত্তি ও সরকারি চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের জমিতে ইউএনও কোন প্রকার নোটিশ ছাড়াই দখল নিয়েছেন। এরপরে আশ্রায়ন প্রকল্প ঘর নির্মাণ শুরু করেন। বিষয়টি আদালতে মামলা করি। আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেন কিন্তু তিনি সেই আদেশ মানে নাই। এ জন্য তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করা হয়েছে।

বাদী পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মোঃ আতিকুল হক বলেন, ইউএনওর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়েছেন। কেন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না জানতে চেয়ে নোটিশ করেছেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার অফিসার মোঃ কাওছার হোসেন বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু জানিনা।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

একটি বঙ্গোপসাগরের ভোল মাছ বিক্রি হলো প্রায় ৫লক্ষ টাকায়

২০০০ সালে কোটালিপাড়ায় বোমা রাখা ছদ্দবেশী আজিজুল ২১বছর পর গ্রেফতার

//অনলাইন নিউজ//

গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়ায় ২০০০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টা ও বোমা বিস্ফোরণের মামলায় ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)। তার নাম মো. আজিজুল হক রানা ওরফে শাহনেওয়াজ ওরফে রুমান।

পুলিশ বলছে, সে মুফতি হান্নানের ঘনিষ্ঠ এক সহযোগী। আজিজুল হক দীর্ঘ ২১ বছর বিভিন্ন পেশায় ছদ্মবেশে নিজেকে আত্মগোপন করে রাখে এবং গোপনে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যায়।

মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর খিলক্ষেত থানার খিলক্ষেত বাজার মসজিদের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে জিহাদী বই, ২ টি মোবাইল ফোন, পেনড্রাইভ ও কম্পিউটারের হার্ডডিক্স উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে খিলক্ষেত থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে একটি মামলা করা হয়েছে।

বুধবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ও সিটিটিসি প্রধান মো. আসাদুজ্জামান।

গ্রেপ্তারকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সিটিটিসি প্রধান জানান, গ্রেপ্তার আজিজুল হক রানা ১৯৮৭ সালে গাজীপুরের শ্রীপুরে জামিয়া আনোয়ারিয়া মাদ্রাসায় নূরানী বিভাগে ভর্তি হয় এবং এই মাদ্রাসার ওস্তাদ ও হরকাতুল জিহাদের সক্রিয় সদস্য মুফতি হান্নান এর অনুসারী মাওলানা আমিরুল ইসলাম এর সংর্স্পশে আসে। মাওলানা আমিরুল ইসলাম তাকে হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশে যোগদানের জন্য উদ্বুদ্ধ করেন।

তিনি বলেন, উক্ত মাদ্রাসায় মুফতি হান্নান, আব্দুর রউফ, আব্দুস সালামসহ হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশ এর বিভিন্ন সিনিয়র সদস্যদের যাতায়াত ছিল। এছাড়া হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশ (হুজি-বি) সদস্যদরা ওই মাদ্রাসায় গোপন বৈঠকে বসতো।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তার আজিজুল হক সংগঠনে যোগদানের পর অন্য ছাত্রসহ প্রশিক্ষণ ও তালিম নেয়ার জন্য হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি ইজহারের চট্টগ্রামের লালখান মাদ্রাসায় যায় এবং তালিম গ্রহণ করে। তালিম শেষে সেখানে সে বোমা তৈরি, আত্মরক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে। মুফতি হান্নান সংগঠনের অপারেশনাল কার্যক্রমের জন্য সাহসী, জিহাদী ও বিশস্ত কয়েকজন লোক সংগ্রহ করার জন্য মাওলানা আমিরুল ইসলামকে দায়িত্ব দিলে মাওলানা আমিরুল ইসলাম আজিজুল হককে নির্বাচন করেন।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, গ্রেপ্তার আমিরুল ইসলাম তাকে একটি চিঠি লিখে দিলে চিঠি সহকারে গোপালগঞ্জ বিসিক এলাকায় সোনার বাংলা সাবান ও মোমবাতি তৈরির কারখানায় পাঠায় এবং মুফতি হান্নানের সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে মাওলানা আমিরুল ইসলামের দেয়া চিঠিটি দেয়। মুফতি হান্নান তাকে সংগঠনের নিয়মকানুন সম্পর্কে বুঝিয়ে দেয় এবং আজিজুল হকের নাম পরিবর্তন করে ছদ্মনাম ‘শাহনেওয়াজ’ নাম রাখে।

সিটিটিসির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, আজিজুল হক নতুন নাম শাহনেওয়াজ পরিচয়ে প্রায় ১৫ দিন মোমবাতি প্যাকিং এর কাজ করে। বিশ্বস্ততা অর্জন করলে কারখানার পিছনে একটি কক্ষে গোপন বৈঠকে উপস্থিত থাকার অনুমতি পায়। কারখানায় মোমবাতি ও সাবান তৈরির আড়ালে বোমা তৈরির কাজ চলতো।

তিনি আরও জানান, বোমা তৈরির কাজে আজিজুল হকসহ মো. ইউসুফ ওরফে মোসহাব, মেহেদী হাসান ওরফে আ. ওয়াদুদ, ওয়াসিম আক্তার ওরফে তারেক হোসেন, মো. মহিবুল ওরফে মফিজুর রহমান, শেখ মো. এনামুল হক, আনিসুল ইসলাম ওরফে আনিস জড়িত ছিল।

সিটিটিসি প্রধান মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ২০০০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তার সফরসঙ্গীদের হত্যার উদ্দেশ্যে কোটালীপাড়ার শেখ লুৎফর রহমান সরকারি আদর্শ কলেজ মাঠে অবস্থিত সভামঞ্চের পাশে মাটির নিচে একটি ৪০ কেজি ওজনের বোমা এবং হেলিপ্যাড (ডহর পাড়া)’র পাশে মাটির নিচে একটি ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পুঁতে রাখে। আজিজুল হক মুফতি হান্নানের সাথে বোমা পুঁতে রাখার দায়িত্বে ছিল। ঘটনাটি প্রকাশ পেলে বোমা দুইটি উদ্ধারের পর আজিজুল হক কোটালীপাড়া থেকে পালিয়ে ঢাকায় চলে আসে এবং মাওলানা আমিরুল ইসলামের সাথে দেখা করে।

আজিজুল হক দীর্ঘ ২১ বছর বিভিন্ন ছদ্মপেশার আড়ালে নিজেকে আত্মগোপন করে রাখে এবং অত্যন্ত গোপনে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যায়। সে নিজের পরিচয় লুকিয়ে রাখতে টেইলারিং, মুদি দোকানদার, বই বিক্রেতা, ড্রাইভ্রার এবং সবশেষ প্রিন্টিং ও স্ট্যাম্পপ্যাড বানানোর কাজ করত বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা। সূত্র: বিডিজার্নাল।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

জাতীয় ভোটার দিবসে ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসনের আলোচনা সভা ও র‍্যালী

 

খুলনার ডুমুরিয়ায় দলিত জনগোষ্ঠীর অগ্রাধিকার নিশ্চিত করণে গণশুনানি অনুষ্ঠিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া খুলনা//

খুলনার ডুমুরিয়ায় দলিতের উদ্যোগে উপজেলা  সমাজসেবা কর্তৃক  সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচীতে দলিত জনগোষ্ঠীর অগ্রাধিকার নিশ্চিতকরণে এক  গণশুনানি অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলার শহীদ জোবায়েদ আলী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত গণশুনানি অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সুব্রত বিশ্বাস।  দলিত সংস্থার ম্যানেজার মোঃ আল-আমিন’র সঞ্চালনায় গণশুনানির অনুষ্ঠানে  প্রধান অথিতির বক্তব্য দেন খুলনা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক খান মোতাহার হেসেন   সহকারী – পরিচালক আইনাল হক ও শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন দলিত সংস্থার নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার দাস।

আরোও বক্তব্য দেন, দলিত সংস্থার মনিটরিং অফিসার ইসরাত নূরেয়ী হোসেন,হিসাব রক্ষক হরিচাঁদ দাস, ফিল্ড সুপার ভাইজার সামসুন নাহার, সহকারী মেডিকেল অফিসার তনিমা দাস, সুমিত্রা বিশ্বাস, সঙ্গীতা দাস, রাজু দাস, প্রান্ত দাস, দোলন দাস, নিয়তি দাস, দিপ্তী রানী দাস, শিল্পী গাইন, পলাশ দাস,  প্রমুখ।

গণশুনানিতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত সুবিধা বঞ্চিত দলিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের দাবি প্রদান করে।

রাশিয়-ইউক্রেন যুদ্ধ// কোন দেশ কি অবস্থানে আছে জেনে নিন..

ত্রয়োদশ তম প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ নিচ্ছেন রোববার

 

রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংকের এমডির ব্যাংক হিসাব তলব

//অনলাইন নিউজ//

রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম ও তার স্ত্রী নাসরিন হাসান চৌধুরীর ব্যাংক হিসাব তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, মোহাম্মদ শামস-উল ইসলামের বিষয়ে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন ব্যাংকে চিঠি পাঠিয়ে তাদের চলমান, সুপ্ত ও বন্ধ হিসাবের তথ্য বুধবারের (২৩ ফেব্রুয়ারির) মধ্যে দুদক প্রধান কার্যালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে সংস্থাটি।

ব্যাংক হিসাব তলবের কারণ হিসেবে দুদকের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, ঘুষ গ্রহণ, নিয়োগে অনিয়ম ও বদলি বাণিজ্য করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎপূর্বক বিদেশে অর্থপাচার করার অভিযোগ রয়েছে মোহাম্মদ শামস-উল ইসলামের বিরুদ্ধে।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত ২০১৬ সালে মুন গ্রুপের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ২৭০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানে অগ্রণী ব্যাংকের ১৮ কর্মকর্তাকে তলব করেছিল দুদক। সে সময় অগ্রণী ব্যাংকের বর্তমান এমডির ব্যাংক হিসাবও তলব করা হয়েছিল।

বাগেরহাটে ভ‍্যানচালক হত‍্যার প্রধান আসামী গ্রেফতার

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি//

বাগেরহাট সদর উপজেলার চুলকাঠির ভট্রবালিয়া গ্রামের ভ্যান চালক দেলোয়ার শেখ হত্যাকান্ডে জড়িত আসামী একই উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের মোঃ নজরুল ইসলাম(৩২) কে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিজ বাড়ির সামনে হতে সদর উপজেলার চুলকাঠী তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশের একটি চৌকস টিম আটক করে।

এসময়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া স্বীকারোক্তি মোতাবেক তার বসত ঘরের ওয়াড্রবের ভিতর হতে নগদ ৩৭,৬৮০/-টাকা এবং ঘটনাস্হল সংলগ্ন কুড়িখালি খাল হতে হত্যাকান্ডে ব্যাবহৃত একটি দা উদ্ধার করে। ২১/০২/২০২২ দুপুর ১২ টায় বাগেরহাট পুলিশ সুপারের কনফারেন্স রুমে পুলিশ সুপার কে এম আরিফুল হক সাংবাদিকদের এক প্রেস ব্রিফিং এ এই তথ্য জানান।

উল্ল্যেখ্য গত ১৮/০২/২০২২ বিকাল আনুমানিক বিকাল ৫ টার দিকে রনজিতপুর কুড়িখালী দক্ষিন খালের পাশে সুকুমার দাসের কলাবাগানের ভিতর অজ্ঞাতনামা একজন মহিলা দেলোয়ার হোসেনের রক্তাক্ত লাশ দেখতে পায়। পরে চুলকাঠি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের টহল পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে প্রেরন করে।

এ ব্যাপারে নিহতের মা তহমিনা বেগম(৫০) বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

ডুমুরিয়ায় নদী দখল করায় ৫ ইটভাটাকে ভ্রাম্যমান আদালতের ৩ লাখ টাকা জরিমানা

//জাহিদুর রহমান বহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া খুলনা//

ডুমুরিয়ায় খর্নিয়া সংল্গন্ন  ভদ্রা নদীর পাড়ে গড়ে ওঠা দেড় ডজন ইট ভাটার মধ্যে ৫টি ইটভাটায়  ১৯ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকালে  উপজৃলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজস্ট্রেট মোঃ মামুনুর রশীদ  ভ্রাম‍্যমান আদালত পরিচালনা করেন ও কার্যক্রম বন্ধের  নির্দেশনা দেন। এসময়ে তিনি দু’টি ইট ভাটায় ভ্রাম্যমাডুমুরিয়ায় নদী দখল করায় ৫ ইটভাটাকে ভ্রাম্যমান আদালতের ৩ লাখ টাকা জরিমানান আদালত পরিচালনা করে নগদ ৩লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেন।

জানা যায়, হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়নে ইটভাটা উচ্ছেদ কার্যক্রমে  প্রশাসন প্রথমদিন নদীর জায়গা অবৈধ দখল করায় ৫টি ইটভাটার সকল কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেন। আগামী তিনদিন চলবে এই অভিযান। সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজস্ট্রেট মোঃ মামুনুর রশীদ প্রথম দিনে অভিযান চালিয়ে খর্ণিয়া এলাকায় জাহান ব্রীকসে ২লাখ টাকা ও এফএম ব্রীকসে ১লাখ টাকা জরিমানা আদায়সহ সেতু ব্রীকস, এসবি ব্রীকস ও কেবি-২ ব্রীকসে সরকারি জায়গা দখলে থাকা সব ধরণের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেন।

সুত্র জানায়, বিডাব্লিউডিবি খুলনার তালিকায় ডুমুরিয়া উপজেলার খর্ণিয়া এলাকায় ভদ্রা ও হরি নদীর তীরবর্তী জায়গায় মোট ১৮টি ইটভাটার নাম রয়েছে। যার অধিকাংশ ইটভাটা নদীর চর দখল করে ইট প্রস্তুত করে আসছে। ইটভাটার মাধ্যমে এসব দখলের কারণে ভদ্রার শাখা নদী সালতাসহ সংযুক্ত অন্তত তিনটি খালের স্রোতের প্রবাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।

এক সময়কার ৫০০ মিটার প্রশস্ত ভদ্রা নদী সংকুচিত হয়ে এখন ২০ থেকে ৩০ মিটার রয়েছে। এসব কারণে জনস্বার্থে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ এর পক্ষে গত বছর ২২ ফেব্রুয়ারী হাইকোর্টে রীট পিটিশন দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরশেদ।

২৫ ফেব্রুয়ারী ওই রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্যার হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ আদেশ দেন। রিটের বিবাদীরা হচ্ছেন এলজিআরডি, পানিসম্পদ, পরিবেশ সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের ডিজি, পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনার পরিচালক, ডিসি ও এসপি, খুলনা, খুলনা-৫ এর সংসদ সদস্য, ডুমুরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যানসহ মোট ১৪জন।

এছাড়া খুলনার জেলা প্রশাসক ও ডুমুরিয়ার এসিল্যান্ডকে সিএস/আরএস অনুসারে জরিপ করে ভদ্রা ও হরি নদীর সীমানা নির্ধারণ করে ৯০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়। আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের পর গতবছর ১৪ ডিসেম্বর আদালত ৬০ দিনের মধ্যে ১৪টি ইটভাটা উচ্ছেদ করতে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টকে নির্দেশ দেন।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

নৌকার তোড়ন ভেংগে ফেলা, প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগকে গালাগালি করার প্রতিবাদ করায় নুরুদ্দীন ও তার স্ত্রীকে মারধরের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

বিস্ফোরণে ৫৬ জন নিহতের মামলায় ৩৮ জনের ফাঁসির আদেশ বাকীদের যাবজ্জীবন আমেদাবাদে

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

২০০৮ সালে আমদাবাদে ধারাবাহিক বিস্ফোরণে মোট ৫৬ জন নিহত হয়েছিলেন।

২০০৮ সালে আমদাবাদে এই ধারাবাহিক বিস্ফোরণের ঘটনায় মোট ৫৬ জন নিহত হয়েছিলেন। ২০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছিলেন। সেই মামলায় ৪৯ জন অভিযুক্ত হন।

আমদাবাদ ধারাবাহিক বিস্ফোরণ মামলায় অভিযুক্ত ৪৯ জনের মধ্যে ৩৮ জনকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দিল আদালত। ২০০৮ সালের ওই বিস্ফোরণে অভিযুক্ত আরও ১১ জনকে যাবজ্জীবনের নির্দেশ শোনাল আদালত। শুক্রবার আমদাবাদের বিশেষ আদালত এই নির্দেশ দিয়েছে। ওই ধারাবাহিক বিস্ফোরণের ঘটনায় মোট ৫৬ জন নিহত হয়েছিলেন। পাশাপাশি ২০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হন। তদন্তে নামার পর তদন্ত সংস্থাগুলি মোট ৪৯ জনকে এই ঘটনার জন্য দায়ী করে।

এই বিস্ফোরণের ১৪ বছর পর অভিযুক্তদের সাজার ঘোষণা করা হল। গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঘটনায় অভিযুক্ত ৪৯ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে ‌আদালত। এর পর শুক্রবার তাদের সাজা ঘোষণা করা হল। ২০০৮ সালের ২৬ জুলাই ১৯টি ধারাবাহিক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে আমদাবাদ শহর।

অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত স্টুডেন্টস্‌ মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়া-র নেতা সাফদার নাগোরি। আমদাবাদে বিস্ফোরণের আগে জয়পুর এবং বেঙ্গালুরুতেও একই রকম ভাবে হামলা চালানো হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, বিস্ফোরণের মূল লক্ষ্য ছিল আমদাবাদের হাসপাতালগুলি। নিহত ৫৬ জনের মধ্যে আমদাবাদের সিভিল হাসপাতালের বিস্ফোরণেই প্রাণ যায় ৩৭ জনের। এলজি হাসপাতালেও একটি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। তবে সেখানে কেউ আহত বা নিহত হননি।

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আমদাবাদ এবং সুরাটে ৩৫টি ভিন্ন মামলা নথিভুক্ত করা হয়। বোমা বিস্ফোরণের জন্য আমদাবাদে মোট ২০টি এবং সুরাটে মোট ১৫টি মামলা দায়ের করা হয়। বিস্ফোরণের কয়েক দিন পরে শহরের বিভিন্ন জায়গায় ২৯টি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়।

ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন (আইএম) এই বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করে। ২০০২ সালের গুজরাত দাঙ্গার প্রতিশোধ নিতেই এই বিস্ফোরণ ঘটানো হয় বলে এই জঙ্গি সংগঠন দাবি করে। সূত্র: আনন্দবাজার

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

১ মার্চ খুলবে প্রাথমিক বিদ্যালয়