বরিশালে স্ রোড ফার্নিচার ব্যবসায়ী পরিষদ এর উদ্যোগে শ্রী শ্রী বিশ্বকর্ম্মা পূজা  

 

রাত পোহালেই ৩১ শে ভাদ্র,১৪২৮ বাংলা ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ইঃ, শুক্রবার প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও  স্ রোড় ফার্নিচার ব্যবসায়ীক পরিষদ, ও শিল্পকারিকর বৃন্দর উদ্যোগে, বাৎসরিক  শ্রী শ্রী বিশ্বকর্ম্মা পূজার আয়োজন করা হয়েছে। বৈশ্বিক মহামারীর কারণে গত বছরের ন্যায় এ বছরও সম্পূর্ণ অনাড়ম্বর পরিবেশে।

স্ব রোড ব্যবসায়ীক পরিষদের এর উদ্যোগে শ্রী শ্রী বিশ্বকর্মা পূজার আয়োজন করা হয়েছে। স্ব রোড ফার্নিচার ব্যবসায়ীক এর  সভাপতি,  নারায়ন চন্দ্র বালা জানান। মহামারি করোনা ভাইরাসেরর কারনে ,জনসমাগন এড়াতে  নিয়ম রক্ষার্থে, বিশ্বব্যাপী মহামারী করোনাভাইরাস থেকে রোগমুক্তি কামনায়, জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সকলের জন্য বিশেষ প্রার্থনা সহ সম্পুর্ণ অনাড়ম্বর পরিবেশে, শ্রী শ্রী বিশ্বকর্ম্মা পূজা  সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকলকে মাস্ক  ব্যাবহার করে পূজা অনুষ্ঠান  করা হবে। কিন্তু প্রতিবছর যে  বিশ্বকর্ম্মার পূজার  মঙ্গল শোভাযাত্রা করা হয় তা এবছর জনসমাগন এড়াতে শোভাযাত্রা  করা হচ্ছেনা।

বেদে বিশ্বকর্ম্মাকে পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তারূপে বর্ণনা করা হয়েছে। ভক্তদের বিশ্বাস মতে তিনি বিশ্বের তাবৎ কর্মের সম্পাদক। তিনি শিল্পসমূহের প্রকাশক, অলঙ্কার শিল্পের স্রষ্টা, দেবতাদের গমনাগমনের জন্য বিমান নির্মাতা ইত্যাদি। অর্থাৎ শিল্পবিদ্যায় তাঁর একচ্ছত্র অধিকার। তাই যাঁরা শিল্পকর্মে পারদর্শিতা লাভ করতে চান তাঁরা বিশ্বকর্ম্মার অনুগ্রহ কামনা করেন।

রামায়ণে বর্ণিত অপূর্ব শোভা ও সম্পদবিশিষ্ট লঙ্কা নগরীর নির্মাতা বিশ্বকর্মা বলে কথিত। তিনি উপবেদ, স্থাপত্যবেদ ও চতুঃষষ্টিকলারও প্রকাশক। দেবশিল্পিরূপে তিনি দেবপুরী, দেবাস্ত্র ইত্যাদিরও নির্মাতা। জনশ্রুতি আছে যে, পুরীর প্রসিদ্ধ জগন্নাথমূর্তিও বিশ্বকর্ম্মা  নির্মাণ করেন।

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনার রূপসায় শিশুকে শারিরীক নির্যাতনকারী  মুছা গ্রেফতার

 

বরিশালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালিত

 

মহামারি করোনাভাইরাসের বিরূপ বাস্তবতায়  সোমবার (৩০ আগস্ট) সারা দেশে উদযাপন হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পরমেশ্বর শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি তথা শুভ জন্মাষ্টমী। করোনাকালীন স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে এ বছরও অনেকটা ঘরোয়াভাবে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। কোনোরকম সমাবেশ, শোভাযাত্রা কিংবা ভক্তদের আমন্ত্রণ ছাড়াই মন্দির প্রাঙ্গণের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠান।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, প্রায় সাড়ে ৫ হাজার বছর আগে দ্বাপর যুগে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে এ দিনে এক যুগ-সন্ধিক্ষণে আবির্ভূত হিন্দুধর্মের প্রবর্তক ও মহাবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কংসের কারাগারে বন্দি দেবকী ও বাসুদেবের বেদনাহত ক্রোড়ে জন্ম নিয়েছিলেন। অত্যাচারী ও দুর্জনের বিরুদ্ধে শান্তিপ্রিয় সাধুজনের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কংসের কারাগারে জন্ম নেন তিনি।

শিষ্টের পালন ও দুষ্টের দমনে শ্রীকৃষ্ণ ব্রতী ছিলেন। সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে শ্রীকৃষ্ণ তাই ভগবানের আসনে অধিষ্ঠিত। শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন উপলক্ষে প্রতিবছর বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায় বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করে থাকে। তবে বৈশ্বিক করোনা মহামারির কারণে গত গেল বছরের মতো এবারও সীমিত পরিসরে ও যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে দিনটি উদযাপন করা হয়েছে ।

সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বিশেষ এ দিনটিতে উপবাস, পূজা-অর্চনা ও নামকীর্তনসহ বিভিন্ন আচার-উপাচার পালন করবেন। এছাড়া ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি উদযাপন হয়।

এ উপলক্ষে বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। প্রতিবছরের মতো এবারও জন্মাষ্টমী উদযাপন ঘিরে কেন্দ্রীয়ভাবে বরিশাল মহানগর  পূজা কমিটি ও যুব ঐক্য পরিষদ নানা কর্মসূচি পালন করে । ধর্ম লক্ষিন সভাগৃহ, রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন, ইসকনসহ বিভিন্ন মন্দিরে অনুষ্ঠানাদির আয়োজন করা হয়েছে।

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জাগ্রত খুলনা এর উদ্যোগে দুঃস্থদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

 

মসজিদে ইমামতি না করতে সৈয়দ ইকরাম আলী মুন্সিকে আইনি নোটিশ

 

সৈয়দ ইকরাম আলী মুন্সির প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ও যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও প্রভাব খাটিয়ে মসজিদে ইমামতি করার অভিযোগে ইমামতি না করতে তাকে আইনি নোটিশ দেয়া হয়েছে।

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার মহেশপুর ইউনিয়নের হিরোণ্যকান্দি উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সৈয়দ ইকরাম আলী মুন্সি ওই গ্রামের মৃত হাসমত আলী মুন্সির ছেলে।

হিরোন্যকান্দি গ্রামের বাসিন্দা মো: দেলোয়ার শেখের পক্ষে গোপালগঞ্জ জজ কোর্টের আইনজীবী মো: সরোয়ার শিকদার এ নোটিশ দিয়েছেন।

এ নোটিশে বলা হয়েছে, সৈয়দ ইকরাম আলী মুন্সি ধর্মীয় কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেননি। তিনি এলাকার লাঠিয়াল ও প্রভাবশালী হওয়ায় পেশিশক্তির জোরে মসজিদে ইমামতি করছেন। মসজিদ পরিচালনা কমিটি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত বৈধ ইমাম থাকা সত্ত্বেও তিনি নিজেকে ইমাম দাবি করছেন। মিলাদ ও দোয়ায় মুসল্লিদের দেয়া হাদিয়া ভোগ করছেন।

নোটিশে আরো বলা হয়েছে, তিনি মসজিদকে ব্যক্তিগত ঘরের মতো ব্যবহার করছেন। মসজিদের বারান্দায় কাঠমিস্ত্রী দিয়ে ফার্নিচার তৈরির কাজ করান। মসজিদের মটর দিয়ে পানি তুলে নিজের ভবন নির্মাণ কাজে ব্যবহার করছেন। মসজিদের জায়গার গাছপালার ফল-ফলাদি তিনি ভোগ করছেন। এলাকার মুসল্লিরা এসব বিষয় বাঁধা দিলেও তিনি তা মানছেন না।

এদিকে, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় বড় ধরনের সঙ্ঘাতের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে সৈয়দ ইকরাম আলী মুন্সির সাথে কথা হলে তিনি কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করেননি স্বীকার করে বলেন, ‘আমি মসজিদ কমিটির অনুমতি নিয়ে মাঝে-মাঝে আজান দেই ও ইমামতি করি। আমরা পূর্বপুরুষ থেকে ইমামতি করে আসছি। তবে একটি মহল আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছেন।’ সূত্র: নয়াদিগন্ত

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

উন্নয়শীল দেশ যখন থেকে ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন আমরাও তখন থেকে ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছি: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী 

 

আজ শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী

১৩ই ভাদ্র ১৪২৮বাং ৩০শে আগস্ট২০২১ সোমবার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব উদযাপন হতে যাচ্ছে। এই মহামারী করোনার প্রাদুর্ভাবের কারনে শোভাযাত্রা, পদাবলী ও রামায়ন কীর্তন স্থগিত করা হয়েছে। তাই সকল মঠ-মন্দিরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পূজা অর্চনা করার জন্য অনুরোধ করেছেন । বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ বরিশাল জেলা ও মহানগর।

প্রাণ গবিন্দ ভগবান শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমী উৎসব ২০২১ ভগবান শ্রীকৃষ্ণর জন্মাষ্টমী উৎসব বা কৃষ্ণজন্মাষ্টমী একটি হিন্দু উৎসব। এটি বিষ্ণুর অবতার কৃষ্ণের জন্মদিন হিসেবে পালিত হয়। এর অপর নাম কৃষ্ণাষ্টমী, গোকুলাষ্টমী, অষ্টমী রোহিণী, শ্রীকৃষ্ণজয়ন্তী ইত্যাদি। পঞ্জিকা মতে, সৌর ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে যখন রোহিণী নক্ষত্রের প্রাধান্য হয়, তখন জন্মাষ্টমী পালিত হয়।

উৎসবটি এ বছর মহামারি করোনা প্রাদূ্র্ভাবের ক্লান্তি লঙ্গে কারনে, সরকারি নির্দেশ পালন করায় জনসমাগন, এরাতে শ্রীকৃষ্ণের জম্মষ্টমী উৎসব পালন করা হচ্ছেনা। নিয়ম রক্ষাতেই যে সকল মন্দিরে থেকে শ্রীকৃষ্ণর জম্মষ্টমী উৎসব উদযাপন হয়,সেই সব মন্দিরে ভিতরে কোন রকম ভক্ত সমাগম না করেই, সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখেই, শ্রীকৃষ্ণের জম্মষ্টমী পূজা ও প্রার্থনার মাধ্যমে সুষ্ঠ সুন্দর আনুষ্ঠানিক ভাবে পালন করার অনুরোধ করেছেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, বরিশাল মহানগর এর।

সভাপতি তমাল মালাকার ও সাধারন সম্পাদক চঞ্চল দাস পাপ্পা । কোনো এক সময় কৃষ্ণের জীবনের নাটকীয় উপস্থাপন রাসলীলা মথুরা, বৃন্দাবন, মণিপুর ইত্যাদি স্থানে এই উৎসবের সাথে করা হয়। রাস লীলায় কৃষ্ণের ছোট বয়সের কর্ম-কাণ্ড দেখানো হয়, অন্যদিকে, কৃষ্ণের দুষ্ট স্বভাব প্রতিফলিত করা হয় যেখানে উরিয়াদি নামে পালন করা হয় শ্রী কৃষ্ণের জন্ম। শ্রী কৃষ্ণ জন্মাষ্টমীর পর বহু স্থানে নন্দোৎসব পালন করা হয়।

 //পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

Daily World News

বরিশাল নগরীতে ১৪দিন দুই নারী রহস্যজনক নিখোঁজ

আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী হেফাজতের আমির ইন্তেকাল করেছেন

//চট্টগ্রাম প্রতিনিধি//

হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে নেওয়ার পর ইন্তেকাল করেন তিনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাটহাজারী মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ১২.৩০ মিনিটে চট্টগ্রাম নগরীর সিএসসিআর হাসপাতালে আল্লামা বাবুনগরী শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।

এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে চট্টগ্রামে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।

বাবুনগরীর খাদেম মাওলানা জুনায়েদ জানিয়েছেন, বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে বাবুনগরীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে।  বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়। পরে তড়িঘড়ি করে অ্যাম্বুলেন্স ডেকে তাকে নিয়ে হাসপাতালের দিকে রওনা হন সঙ্গীরা।

৬৭ বছর বয়সি দেশের অন্যতম শীর্ষ আলেমে দ্বীন দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, কিডনি ও ডায়াবেটিসসহ বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন।

হিন্দু সম্প্রদা‌য়ের ওপর হামলার প্রতিবা‌দে বরিশালে মানববন্ধন

 

সম্প্রতি খুলনার রূপসা শিয়ালী, পটুয়াখালীর কলাপাড়া ও সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়াসহ দেশের নানা স্থানে হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির,ঘর-বাড়ি,ভাংচুর ও জমি দখলের প্রতিবাদে বরিশালে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বুধবার বিকালে বরিশাল সদর রোড অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে হিন্দু -বৌদ্ধ-খ্রীস্ট্রান ঐক্য পরিষদ ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের যৌথ উদ্যোগে সড়কে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে হিন্দু সমপ্রাদায় অংগ্রহণ করেন।

বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ বরিশাল জেলা ও মহানগর ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ বরিশাল জেলা ও মহানগর এবং বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ বরিশাল জেলা কমিটির যৌথ উদ্যোগে সারাদেশে ঘটে যাওয়া হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘরবাড়ি ভাঙচুরসহ ধর্মীয় উপাসনালয় মন্দিরে ধাকা প্রতিমা পর্যন্ত রক্ষা পায়নি তাদের হাত থেকে। তারই ধারাবাহিকতায় বিকাল ৪ ঘটিকায় বরিশাল সদর রোড অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয় । উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ বরিশাল জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মানিক মুখার্জি কুডু।

বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ বরিশাল মহানগরের সভাপতি তমাল মালাকার সাধারণ সম্পাদক চঞ্চল দাস পাপ্পা, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে ১৬ ১৭ ১৮ নং ওয়ার্ড সংরক্ষিত কাউন্সিলর গায়েত্রী সরকার পাখি, বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতি চন্দন কুমার দাস, সহ-সভাপতি খোকন কুমার দাস, সাধারণ সম্পাদক কমল দাস শুভ, সাংগঠনিক সম্পাদক সঞ্জীব সিংহ বর্মন, সদর উপজেলা যুব ঐক্য পরিষদ এর আহবায়ক অনুপ বসু সহ আরো প্রমূখ।

সমাবেশে বক্তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে হিন্দুদের উপর হামলা প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ । দেশে মানুষের শান্তি বিনস্টকারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের হস্তক্ষেপ প্রকাশ করেন।

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালে বিএম কলেজের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

 

বরিশালে রথযাত্রার রথ সড়কে বেড় হয়নি

 

বরিশালে রথযাত্রার রথ সড়কে বের হয়নি । করোনার প্রোকোপে হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম উৎসব রথযাত্রায় তেমন কোন আয়োজন পথে দেখা যায়নি বরিশাল নগরীতে । সরকারের ঘোষিত লকডাউনকে স্বাগতম জানিয়ে রথযাত্রার উৎসব স্থাগিত করেছে বিভিন্ন মন্দিরের কতৃপক্ষবৃন্দ।

তবে প্রতিবছরের মত মন্দির গুলো উৎসব মুখর পরিবেশে রথযাত্রা উদযাপন না করতে পারলেও মন্দিরে মন্দিরে প্রার্থনা ও পূজা অর্চনা করা হয়। এছাড়া গতবছরও করোনার কারনে এ উৎসব বড় করে উদযাপন করতে পারেনি হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষজন।

সোমবার (১২ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায় বরিশালে লকডাউন থাকার জন্য বরিশাল নগরীর ইসকন মন্দির, সদর রোড জগন্নাথ মন্দির, হাটখোলা হরি মন্দির, চকবাজার মদনমোহন আখড়া, বাজার রোড রাধাগোবিন্দ জিউ মন্দির এসব কোন মন্দির থেকে জগন্নাথ এর রথযাত্রা উৎসবে বরিশাল নগরীর রাস্তা-ঘাটে কোন শোভাযাত্র ও রথ নিয়ে নামতে দেখা যায়নি।

গত১২জুলাই রথযাত্রা শুরু হয়ে উল্টো রথযাত্রা ২০ জুলাই মঙ্গলবার। এদিকে বরিশাল নগরীতে ইসকন মন্দিরের এই উৎসব বড় করে আয়োজন করলেও এবছর তারা মন্দির আঙ্গিনায় মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ধর্মীয় নিয়ম অনুসারে পুরোহিত পূজাঅর্চনা করেন। উল্লেখ্য, হিন্দু সম্প্রদায়ের আনন্দের অন্যতম পবিত্র একটি ধর্মোৎসব রথযাত্রা।

বাংলাদেশেও এই উৎসব পালিত হয়ে আসছে বহুকাল থেকে। এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয় চন্দ্র আষাঢ়ের শুক্লাপক্ষের দ্বিতীয় তিথিতে। পুরীর জগন্নাথদেবের মন্দির থেকে রথযাত্রার প্রচলন ঘটে। পুরীতে রয়েছে জগন্নাথ বলরাম শুভ্রদার দারুমূর্তি। কিন্তু ধর্মমতে জগন্নাথ বিশ্ব প্রতিপালক বিষ্ণুর অবতার। হলধারী বলরাম তার জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা ও সুভ্রদা তাদের ভগ্নী। রথটানা হয় এই ত্রিমূর্তিকে নিয়ে।

//পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

এবার মহাকাশে পাড়ি দিলেন অ্যামাজনের কর্ণধার বেজোস

 

 

জগন্নাথপুরে হাজী শাহজাহান মিয়ার উদ্যোগে হাজারো নারী-পুরুষের মাঝে ঈদবস্ত্র বিতরণ

 

জগন্নাথপুর বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও প্রবীন শালিসি ব্যক্তিত্ব হাজী ফিরোজ মিয়ার সুযোগ্য সন্তান মোঃ শাহজাহান ফিরোজ তালুকদারের উদ্যোগে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও গরীব ও অসহায় হাজারো নারী- পুরুষের মাঝে ঈদবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় জগন্নাথপুর পৌর শহরের ইকড়ছই নিজ বাসভবন প্রাঙ্গনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শাড়ী ও লুঙ্গি বিতরণ করেন সুনামগঞ্জ জেলা মার্চেন্ট গ্রুপের সহ-সাধারণ সম্পাদক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও মানবাধিকার ব্যক্তিত্ব হাজী শাহজাহান ফিরোজ তালুকদার।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাজী ফিরোজ মিয়ার সহধর্মিনী মোছাঃ রুকসানা বেগম, হাজী শাহজাহান ফিরোজ তালুকদারের শিশু পুত্র সাদী ও সামী। অন্যানোর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জগন্নাথপুর ডাক বাংলা রোড ব্যবসায়ী সমিতির সেক্রেটারী সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম লাল মিয়া, বিশিষ্ট সমাজ সেবক মির্জা মুহিবুর রহমান, তরুন সমাজ সেবক সৈয়দ জিতু মিয়া, ব্যবসায়ী মোঃ নাঈম রাজা, আলহাজ্ব ফিরোজ এন্টার প্রাইজের ম্যানেজার গোপাল চন্দ্র দাস, ওয়াদুদ চৌধুরী, কদ্দুস আলী, রুকন মিয়া, সংবাদকর্মী মোঃ রনি মিয়া, আশরাফুল রহমান রিয়াদ প্রমূখ।

//  মোঃ রনি মিয়া, জগন্নাথপুর প্রতিনিধি //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রূপসায় বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজ ব‍্যহত করার চেষ্টার অভিযোগে মানববন্ধন

 

মাহফুজুল-মামুনুল পরিবারকে জামি’আ রাহমানিয়া ছেড়ে যেতে হচ্ছে

 

মাহফুজুল-মামুনুল পরিবারকে জামি’আ রাহমানিয়া আরাবিয়া ছাড়তে হলো । দেশের প্রথিতযশা কওমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মোহাম্মদপুরের জামি’আ রাহমানিয়া আরাবিয়া ছাড়তে হলো মাহফুজুল-মামুনুল হক পরিবারকে।  টানা দুই দশক মাদ্রাসাটি দেশবরেণ্য আলেম শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হকের পরিবারের নিয়ন্ত্রণে ছিল।

মোহাম্মদপুরের জামি’আ রাহমানিয়া আরাবিয়া ছাড়তে হলো মাহফুজুল-মামুনুল হক পরিবারকে।  টানা দুই দশক মাদ্রাসাটি দেশবরেণ্য আলেম শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হকের পরিবারের নিয়ন্ত্রণে ছিল।

১৯ জুলাই  সোমবার সকালে বর্তমান মুহতামিম প্রয়াত আজিজুল হকের ছেলে মাওলানা মাহফুজুল হক মাদ্রাসার মূলফটকে তালা দিয়ে বেরিয়ে যান। এ সময় মাদ্রাসার চাবি কওমি শিক্ষা বোর্ড আল হাইআতুল উলিয়ার চেয়ারম্যান মাওলানা মাহমুদুল হাসানের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

পরে উপস্থিত শিক্ষক-ছাত্রদের নিয়ে ফেসবুক লাইভে আসেন মাওলানা মাহফুজুল হক।  তিনি বলেন, বিভিন্নভাবে কথা আসছে- আমাদের এ প্রতিষ্ঠান ছাড়তে হবে, এ ভবন আমাদের ছাড়তে হবে। আমাদের কাছে নিয়মতান্ত্রিকভাবে কোনো নোটিশ আসেনি। আমাদের দেশের শীর্ষ আলেমরা এ বিষয়টি নিয়ে কোনো পরামর্শও করছেন না।

চলমান অবস্থার অবসান হওয়া দরকার উল্লেখ করে মাহফুজুল হক বলেন, ইতোমধ্যে আমাদের উপস্থিত শিক্ষক ও ছাত্ররা তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে আশপাশে চলে যাচ্ছেন।  আমরা অল্প সময়ের মধ্যে মাদ্রাসার সব গেটে তালা দিয়ে শীর্ষ আলেমদের কাছে চাবি হস্তান্তর করবো।

এ সময় মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকদের অধৈর্য না হওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে মাদ্রাসা ভবনটি সোমবারের মধ্যে না ছাড়লে ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে উচ্ছেদ অভিযান হওয়ার কথা ছিলো বলে জানা গেছে।

ওয়াকফ অ্যাস্টেট অনুমোদিত জামিআ রাহমানিয়া আরাবিয়া সাত মসজিদ মাদ্রাসা কমিটির এক সদস্য জানিয়েছেন, আজ ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে উচ্ছেদ অভিযান হওয়ার কথা ছিলো। তারা (মাওলানা মাহফুজুল হক) আগেই মাদ্রাসা ছেড়ে চলে গেছেন।  তারা চাবি মাওলানা মাহমুদুল হাসানের কাছে হস্তান্তর করবেন। এখন আমরা তার সঙ্গে যোগাযোগ করছি, আশা করছি মাদ্রাসার ভবনটি কমিটির কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এদিকে জামিআ রাহমানিয়া ইস্যুতে রোববার হেফাজত মহাসচিব নূরুল ইসলাম জিহাদীসহ কয়েকজন আলেম বেফাক সভাপতি মাওলানা মাহমুদুল হাসানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এ সময় তারা মাদ্রাসার দায়িত্ব মাহফুজুল হকের কাছে রাখার অনুরোধ করেন বলে জানা গেছে।

বৈঠকে গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি রুহুল আমিন, মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ, মুফতি এনামুল হকসহ আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।

বিষয়টির দিকে ইঙ্গিত দিয়ে মাওলানা মাহফুজুল হক বলেন, শীর্ষ আলেমদের পরামর্শের পর আমরাও মাদ্রাসার শিক্ষকদের নিয়ে পরামর্শ করেছি।  রোববার দুপুরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আমাদের কাছে বার্তা আসে, আমরা যেন মাদ্রাসার চাবি আল হাইআতুল উলিয়ার চেয়ারম্যান মাওলানা মাহমুদুল হাসানে কাছে বুঝিয়ে দেই।

তিনি আরও বলেন, আমরা জেনেছি তারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন এবং মন্ত্রী তাদের আশ্বাসও দিয়েছেন।  এতে আমরা আশ্বস্ত হয়েছি, দীর্ঘদিন ধরের চলে আসা এই অবস্থার একটি চূড়ান্ত পরিণতির দিকে যাবে।

প্রসঙ্গত, মোহাম্মদপুরের জামি’আ রাহমানিয়া আরাবিয়া শীর্ষস্থানীয় একটি কওমি মাদ্রাসা। ১৯৮৮ সালে ওয়াকফ সম্পত্তিতে গড়ে ওঠা এই মাদ্রাসাটি ২০০১ সালে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় আল্লামা আজিজুল হকের পরিবার।  তার ছেলে মাহফুজুল হক ও মামুনুল হকরা পরে হেফাজতের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন।

ওয়াকফ প্রশাসনে নিবন্ধিত মাদ্রাসাটি থেকে ওই সময়ের ৩৬ জন শিক্ষককে বের করে দেওয়া হয়। সেই সময় থেকে মাদ্রাসাটির পরিচালনার দায়িত্ব ফিরে পেতে আইনি লড়াই চালিয়ে যায় ওয়াকফ অ্যাস্টেট পরিচালনা কমিটি। আদালতের রায়, ওয়াকফ প্রশাসনের পক্ষে আদেশ থাকার পরও এতদিন মাহফুজুল হক ও মামুনুল হকরা প্রতিষ্ঠানটি নিয়ন্ত্রণে রাখে।

সম্প্রতি হেফাজেতের তাণ্ডব ও মামুনুল হকের রিসোর্ট কাণ্ডের পর বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসে।

সর্বশেষ ১৮ মে বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসন জামি’আ রাহমানিয়া আরাবিয়া সাত মসজিদ মাদ্রাসা ওয়াকফ অ্যাস্টেট পরিচালনার জন্য ২১ সদস্যের একটি পরিচালনা কমিটি অনুমোদন দেয়। তিন বছরের জন্য এই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।  সেই কমিটির সভাপতি আব্দুর রহীম।  কমিটির সহ-সভাপতি হারুনুর রশীদ, আলীমুজ্জামান, সম্পাদক কাজী সাহিদুর রহমান, অর্থ সম্পাদক হাফিজ আব্দুল গাফফার, রঈস মাওলানা হিফজুর রহমান, শাইখ মুফতি মনসুরুল হক। কমিটির সদস্য হিসেবে আছেন ক্বারী মুজাফ্ফর হুসাইন, ডা. আব্দুল কাইউম, মুজাম্মেল হুসাইন, আকরাম হুসাইন, উমর ফারুক মিল্কী, মুনীর সাঈদ, আলী হুসাইন, ডা. আহসানুল্লাহ, ডা. ইখলাসুর রহমান, আব্দুল হালীম, আব্দুর রব, হিফজুল বারী।

২৯ জুন বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসন জামি’আ রাহমানিয়া আরাবিয়া সাত মসজিদ মাদ্রাসা ওয়াকফ অ্যাস্টেট’র সম্পত্তি অনুমোদিত কমিটির কাছে বুঝিয়ে দিতে ঢাকা জেলা প্রশাসককে চিঠি দেয়।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

উত্তর কোরিয়ায় তীব্র খাদ্য সংকট: পার্টি করছেন কিম জং উন

 

 

ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে শুভেচ্ছা বার্তায় মহিউদ্দিন ঠাকুর

 ঈদুল আযহা অর্থ কোরবানির ঈদ। একে বড় ঈদ এবং বকরি ঈদও বলা হয়। ঈদ মানে আনন্দ তবে করোনার এই কালে ঈদ মানে অতিরিক্ত সর্তকতা। প্রতি বছরের ন্যায় এবছর হিজরি বর্ষের ১২ তম মাসের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হবে। ঈদুল আযহা ও পবিত্র কোরবানি সর্ম্পকে মহান আল্লাহ্ তাআলা পবিত্র গ্রন্থ আল কোরআনে বলেন, ‘সকল সম্প্রদায়ের জন্য আমি কোরবানির বিধান দিয়েছি, তিনি তাদের কে জীবন উপকরণ স্বরূপ যে সব চতুষ্পদ জন্তু দিয়েছেন, সেগুলোর ওপর যেন তারা আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে (২২: ৩৪)।
এমন মহিমান্বিত আত্মত্যাগের ঈদ আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার কৃতি সন্তান আসন্ন গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতিক প্রত্যাশিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মহিউদ্দিন ঠাকুর গজারিয়া ইউনিয়ন বাসি কে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন মহান ত্যাগ আর কোরবানির মহিমায় ভাস্বর মুসলিম উম্মাহর বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা।
ঈদ সবার জন্য আনন্দ বার্তা নিয়ে আসে আমাদের মাঝে। ঈদুল আযহায় প্রিয় বস্তুকে মহান আল্লাহ্ তাআলার উদ্দেশ্য উৎসর্গের মাধ্যমে আল্লাহ্ পাকের সন্তুষ্টি লাভের যে অনুপম দৃষ্টান্ত হযরত ইব্রাহিম (আঃ) স্থাপন করেছেন। তাই চিরকালই বিশ্ববাসীর জন্য অনুকরনীয় অনুসরনীয়। ঈদুল আযহার আর্দশ আমাদের প্রত্যাহিত জীবনে অনুসরন করা উচিত বলেও তিনি মনে করেন।
তিনি বার্তায় আরও বলেন আমার অন্তরে অন্তঃস্থল থেকে গজারিয়া ইউনিয়ন বাসি কে জানাই অগ্রীম ঈদ শুভেচ্ছা ঈদ মোবারক। সেই সাথে তিনি গজারিয়া ইউনিয়ন বাসির প্রতি চলমান করোনা সংক্রমন রোধে সকল প্রকার সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহৃবান জানায়। গজারিয়া ইউনিয়নের স্থানীয় মাও. মাহবুব বলেন জিলহজ্ব মাসের ১০ তারিখ সকাল থেকে ১২ তারিখ সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কোনো মুসলিম যদি সাহেবে নিসাব অর্থাৎ সাড়ে ৭ ভরি স্বর্ণ বা সাড়ে ৫২ ভরি রুপা অথবা এর যে কোনো একটির মূল্যের সম পরিমাণ নগদ অর্থ বা ব্যবসার পণ্যের মালিক থাকেন বা হন, তাঁর কোরবানি করা ওয়াজিব।
তিনি আরও বলেন মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেন, ‘আপনি আপনার রবের উদ্দেশে নামাজ পড়ুন এবং কোরবানি করুন’ (১০৮: ২)।
রাসুলুল্লাহ্ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কোরবানি করল না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের ধারে কাছেও না আসে’ (ইবনে মাজাহ)।
//সৈয়দ মোহাম্মদ শাকিল, মুন্সীগঞ্জ//