এনবিআর: অনলাইন রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়াল 

//দৈনি বিশ্ব ডেস্ক//

ই-ভ্যাট সিস্টেমে অনলাইন রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা আগামী ২৯ মার্চ পর্যন্ত বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

রোববার (১৫ মার্চ) এনবিআরের প্রথম সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) নাহিদ নওশাদ মুকুল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, পবিত্র ঈদুল ফিতর ও মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দীর্ঘ সময় সরকারি ছুটি থাকায় এবং ই-ভ্যাট সিস্টেমের সেবা কিছুটা ধীরগতির হওয়ায় জনস্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ধারা ৬৪-এর উপধারা (১ক)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ই-ভ্যাট সিস্টেমে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ কর মেয়াদের অনলাইন রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা আগামী ২৯ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে।

সমাজের প্রতিটি মানুষকে নিজ অবস্থান থেকে অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকতে হবে …… রূপসায় ডিআইজি রেজাউল হক পিপিএম

//এম মুরশীদ আলী, খুলনা//

খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল হক পিপিএম বলেছেন, অপরাধ দমনে পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ জনগণকেও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।সমাজের প্রতিটি মানুষ যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকে, তাহলে অপরাধ অনেকাংশেই কমিয়ে আনা সম্ভব। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের একার পক্ষে সব কিছু করা সম্ভব নয়, এজন্য জনসাধারণের সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।

সমাজের প্রতিটি মানুষকে নিজ অবস্থান থেকে অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকতে হবে ...... রূপসায় ডিআইজি রেজাউল হক পিপিএম

তিনি বলেন মাদক, সন্ত্রাস, চুরি, ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশ নিয়মিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তবে সমাজের মানুষ যদি কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য পায়, তাহলে তা দ্রুত পুলিশকে জানালে অপরাধ দমনে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হবে। মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলাই পুলিশের প্রধান লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, পুলিশ সব সময় জনগণের পাশে রয়েছে এবং জনগণের আস্থা ও সহযোগিতা পেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে।

তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, সন্তানদের প্রতি নজরদারি বাড়াতে হবে, যাতে তারা মাদক, সন্ত্রাস বা কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে। পাশাপাশি তরুণ সমাজকে ভালো কাজে সম্পৃক্ত করার জন্য সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় তিনি সবাইকে আইন মেনে চলার পাশাপাশি অপরাধের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

তিনি আজ ৮ মার্চ (রবিবার) দুপুরে পূর্ব রূপসা ঘাট বাসটার্মিনাল এলাকায় রূপসা থানা পুলিশ আয়োজিত অপরাধ নিয়ন্ত্রণকল্পে সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা রেঞ্জের অ্যাডিশনাল ডিআইজি (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ফিন্যান্স) তোফায়েল আহাম্মেদ, খুলনা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক্রাইম এন্ড অপস্ আনিসুজ্জামান, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের সহকারী পুলিশ সুপার (স্টাফ অফিসার টু ডিআইজি) মোঃ রাফিউর রহমান, খুলনা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ-সার্কেল সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তৃতা করেন রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ আবদুর রাজ্জাক মীর।

রূপসা থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আব্দুস সবুর খানের সঞ্চালনায় বক্তৃতা করেন-

খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, এনামুল হক সজল, জেলা বিএনপির সদস্য শেখ আঃ রশিদ, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য মোল্যা রিয়াজুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আমির মাওলানা লবিবুল ইসলাম, সেক্রেটারি মাওলানা হাবিবুল্লাহ ইমন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বিকাশ মিত্র প্রমূখ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা ইলিয়াজ হোসেন, এসএম আঃ মালেক, মহিউদ্দিন মিন্টু, দিদারুল ইসলাম, আজিজুর রহমান,বাদশা জমাদ্দার, ফিরোজ মাহমুদ, জামায়াতে ইসলামী নেতা সহকারী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান, মাওলানা জাহাঙ্গীর হোসেন, মাওলানা হেকমত আলী, মো. নাজিমুদ্দিন, সাইফুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, শাহ জামান প্রিন্স, ফরহাদ হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নেতা সেলিম সরদার, শফিকুল ইসলাম, মুফতি হেলালউদ্দিন, ইকরামুল হক, মাওলানা আলামিন শেখ, মো. হাজী ইকরাম, থানা পুলিশের মধ্যে এসআই রজত কুমার মন্ডল, নাজমুল হাসান, আশরাফ হোসেন, লাইজু সহ পুলিশ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি সরকার দেশকে মাদক-সন্ত্রাস-দূর্নীতি মুক্ত করতে বদ্ধ পরিকর—- আজিজুল বারি হেলাল এমপি

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা, খুলনা//

খুলনা-৪ আসনে নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য আজিজুল বারি হেলাল বলেছেন মাদক, সন্ত্রাস দূর্নীতি প্রতিরোধে বর্তমান সরকার দৃড় পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। মব সন্ত্রাস করে পরের জমি দখল, চাঁদাবাজি করে যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনী পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে। এদেশের মানুষ যাতে সুখী, সমৃদ্ধ ও নিরাপদে বসবাস করতে পারে তার যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। তিনি বলেন নির্বাচন পর পরবর্তী সময়ে এক স্বার্থান্বেষী মহল দেশে বিশৃঙ্খলা এবং অরাজকতা সৃষ্টির লক্ষ্যে অশুভ পায়তারা করছে। তাদের এ অশুভ কর্মকান্ড দমনে নব গঠিত বিএনপি সরকার কঠোর হস্তে দমন করবে। মাদক সম্পর্কে তিনি বলেন খুলনা-৪ আসন এলাকায় মাদক ক্রয় বিক্রয় বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে রয়েছে প্রশাসন। মাদক ক্রয় বিক্রেতা বা সন্ত্রাসী ব্যক্তি কোনো দলের হতে পারে না। এ অশুভ কাজে যারাই সহযোগিতা বা আশ্রয় প্রদান করবে তাদের বিরুদ্ধেও বিএনপি সরকার পদক্ষেপ গ্রহন করবে। তিনি সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য বলেন প্রজাতন্ত্রের কাজ সুষ্ঠু দূর্নীতিমুক্ত এবং জনবান্ধন করতে যত রকমের পদক্ষেপ গ্রহন করা দরকার তা সবই বর্তমান সরকার ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করবে। এ কারনে সকল কর্মকর্তাকে দল মতের উর্ধ্বে থেকে দূর্নীতিকে প্রশ্রয় না দিয়ে দেশের ভঙ্গুর অবকাঠামোগত উন্নয়নে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি গত ২৬ ফেব্রুয়ারী দুপুরে রূপসা উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

এরপূর্বে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেছেন।

 

সভায় সভাপতিত্ব করেন রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতা।

এসময় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক মীর,প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ড. আহসান হাবীব প্রামাণিক, কৃষি কর্মকর্তা তরুন কুমার বালা, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মাজেদুল হক কাউসার, মৎস্য কর্মকর্তা জ্যোতি কনা দাস, উপজেলা প্রকৌশলী শোভন সরকার, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএ আনোয়ার উল কুদ্দস, নির্বাচন কর্মকর্তা আঃ সাত্তার, শিক্ষা কর্মকর্তা মুহা: আবুল কাশেম, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক ইকবাল আজিজ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ মোঃ বোরহান উদ্দীন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোঃ রাসেল, সমাজসেবা কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম তরফদার, হিসাব রক্ষন কর্মকর্তা মদন কুমার দাস, সহকারী প্রোগ্রামার ইমরান হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, পল্লী বিদ্যুৎ এজিএম এম হালিম খান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ বজলুর রহমান, খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মো. আশরাফুজ্জামান, সমবায় কর্মকর্তা মো. ফরিদ আহম্মেদ, আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ, কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অজিত সরকার, রূপসা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক  মোল্যা সাইফুর রহমান,রূপসা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা লবিলুল ইসলাম, ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আছাফুর রহমান, জিয়াউল ইসলাম বিশ্বাস, মাসুম বিল্লাহ, ইলিয়াছুর রহমান, আজিজুল ইসলাম নন্দু, বীরমুক্তিযোদ্ধা হাসান মাহমুদ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

 

এছাড়া নেতাকর্মীদের মধ্য উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক জুলফিকার আলী জুলু, মোল্যা খায়রুল ইসলাম, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক আতাউর রহমান রুনু, জেলা বিএনপির সদস্য আনিসুজ্জামান বিশ্বাস, আরিফুর রহমান, মোল্যা রিয়াজুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বিকাশ মিত্র, যুগ্ম আহবায়ক আবুল কালাম গোলদার, হুমায়ূন কবীর, বিএনপি নেতা এসএম আঃ মালেক, খান আনোয়ার হোসেন, মহিউদ্দিন মিন্টু, মিকাইল বিশ্বাস, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রেজাউল ইসলাম রেজা, যুব মহিলা দল নেত্রী শারমিন আক্তার আখি, খন্দকার শরিফুল ইসলাম, সৈয়দ নিয়ামত আলী, বাদশা জমাদ্দার, জিএম আসাদুজ্জামান, আসাদুজ্জামান বিপ্লব, মাসুম বিল্লাহ, মুন্না সরদার, খান আলিম হাসান, মাসুদ খান, সাইফুল ইসলাম পাইক, ফিরোজ মাহমুদ, জাহিদুল ইসলাম রবি, আরিফ মোল্যা,  মিশকাত মোল্যা, মোকাররম হোসেন, শাহ জামান প্রিন্স, তরিকুল ইসলাম রিপন, সরদার শিহাবুল ইসলাম, ইসরাইল বাবু, এসএম আবু সাঈদ, খায়রুল আলম খোকন, কামরুজ্জামান নান্টু, জহিরুল হক শারাদ, বিউটি পারভিন, মাঈনুল হাসান, ওলিয়ার রহমান, হাফিজুর রহমান, ফরহাদ হোসেন, জাহিদ হোসেন, আকতার শেখ, শাহাজাদা আলমগীর, ফারুক আহম্মেদ, সফর কাজী, ইব্রাহিম শেখ, গোলাম রসুল, জাহিদুর রহমান, মুস্তাহিন শেখ প্রমূখ।

বাংলাদেশ পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান

//দৈনি বিশ্ব ডেস্ক//

বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী খাকি পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি জানানো হয়।

মো. আনিসুজ্জামান বলেন, ২০০৩ ও ২০০৪ সালে তৎকালীন সরকার পুলিশের যে খাকি পোশাকটা ছিল, তা ২০০৪ সালে পরিবর্তন করে বর্তমানে যে ব্লু পোশাকটা আমরা পরেছি, পরতেছি এই পোশাকটা নির্ধারণ করেছিলেন। এই পোশাকটাতেই আমরা ফিরতে চাই। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে পোশাক পরিবর্তন করেছে ওইটা আমরা নিতে চাই না। আমরা পূর্ববর্তী পোশাক তথা ২০০৪ সালে তৎকালীন সরকার খাকি পোশাকটা পরিবর্তন করে ব্লু যে পোশাকটা বাংলাদেশ পুলিশকে দিয়েছিল, এই পোশাকটাতেই আমরা ফিরতে চাই।

সংগঠনটি বলেছে, দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী খাকি পোশাক পরিবর্তনের আগে আরও গবেষণা ও জনমত যাচাই প্রয়োজন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ২০০৩-২০০৪ সালে তৎকালীন সরকার গঠিত একটি কমিটির মাধ্যমে দীর্ঘ যাচাই-বাছাই শেষে পুলিশের ইউনিফর্ম নির্ধারণ করেছিল। সে সময় পুলিশ সদস্যদের গায়ের রং, দেশের আবহাওয়া, দিন ও রাতের ডিউটিতে সহজে চিহ্নিত হওয়ার বিষয় এবং অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সাদৃশ্য এড়ানোর দিকগুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল।

বিবৃতিতে দাবি করা হয়, অন্তর্বর্তী সরকার সম্প্রতি যে নতুন পোশাক নির্বাচন করেছে, সেখানে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মতামত, গায়ের রং ও আবহাওয়াগত বিষয় যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। পাশাপাশি অন্যান্য ইউনিফর্মধারী সংস্থার সঙ্গে সাদৃশ্য থাকায় পুলিশ সদস্যদের আলাদাভাবে চিহ্নিত করা কঠিন হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আরও দাবি করেন, বাহিনীর অধিকাংশ সদস্য তড়িঘড়ি করে নেওয়া এ সিদ্ধান্তের পক্ষে নন। তাদের মতে, বর্তমান পোশাক বাংলাদেশ পুলিশের ঐতিহ্য, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের প্রতীক।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রায় সব পুলিশ সদস্য বর্তমান ইউনিফর্ম পরেই দায়িত্ব পালন করেন। তাদের পেশাদারিত্ব দেশ-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

এছাড়া ইউনিফর্ম পরিবর্তনকে ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া উল্লেখ করে সংগঠনটি বলেছে, বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে এ খাতে বিপুল অর্থ ব্যয় না করে বাহিনীর আধুনিকায়ন, থানা পর্যায়ে যানবাহন সরবরাহ এবং লজিস্টিক সহায়তা বাড়ানো বেশি যৌক্তিক হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, পোশাকের রং বা নকশা নয় বরং পুলিশ সদস্যদের মনোবল, মানসিকতা ও পেশাদারিত্বের উন্নয়নই এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিষয়টি নিয়ে আরও গবেষণা ও জনমত যাচাই করে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত এবং পুলিশ সদস্যদের আবেগ ও বাস্তবতাকে গুরুত্ব দিতে হবে।

 

নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশের নতুন পথচলা শুরু

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায় শুরু হলো। দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে যাত্রা শুরু করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এর মাধ্যমে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের হাতে রাষ্ট্রক্ষমতা ন্যস্ত করল জাতি, যা বাংলাদেশে আগে ঘটেনি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে নবগঠিত ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভার হাত ধরে আগামীর বাংলাদেশের নতুন পথচলা শুরু হলো।

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারেক রহমান। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শপথের মাধ্যমে নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হয়। তারেক রহমান দীর্ঘদিন রাজনীতিতে যুক্ত থাকলেও অতীতে সংসদ নির্বাচনে অংশ নেননি। এবার ঢাকায় ও পিতৃভূমি বগুড়ায় দুটি আসনে নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন।

১৯৯১ সালের পর প্রথম কোনো পুরুষ প্রধানমন্ত্রী পেয়েছে দেশ। এর আগে বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা প্রায় তিন যুগ দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। শেখ হাসিনা পালিয়ে যান ভারতে। দেড় বছরের অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনের পর তারেক রহমানের হাত ধরে শুরু হলো নির্বাচিত সরকারের পথচলা।

গত ৩০ ডিসেম্বর বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মারা যান। মায়ের মৃত্যুর পর গত ৯ জানুয়ারি তারেক রহমান বিএনপির চেয়ারম্যান হন। অভিষিক্ত হয়ে তাঁর নেতৃত্বেই দলের নির্বাচনী প্রচার ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বিএনপিও তাঁকে একক নেতা হিসেবে উপস্থাপন করেছে। নির্বাচনী প্রচারের সময়ই তাঁকে বাংলাদেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উপস্থাপন করে দেশ-বিদেশের গণমাধ্যম ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা। ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে তাঁর নেতৃত্বে দলটি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। দীর্ঘ দুই দশক পর সরকারে ফেরে বিএনপি।

এর আগে গত ২৫ ডিসেম্বর দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের ইতি টেনে যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে দেশের মাটিতে ফেরেন তারেক রহমান। বিপুল মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হন তিনি।

১৯৬৫ সালের ২০ নভেম্বর জন্ম নেন তারেক রহমান। বিএনপির দলীয় ওয়েবসাইটে দেওয়া তারেক রহমানের জীবনীতে বলা হয়, স্বৈরশাসক এইচ এম এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় তারেক রহমান তাঁর মা খালেদা জিয়ার সঙ্গে রাজপথে আন্দোলনে যোগ দেন। তিনি ১৯৮৮ সালে বগুড়ার গাবতলী উপজেলা ইউনিটে সাধারণ সদস্য হিসেবে বিএনপিতে যোগদান করেন। তৃণমূল থেকে জনগণকে সংগঠিত করেছিলেন এবং এইচ এম এরশাদের সরকারের পতনে অবদান রেখেছিলেন তারেক রহমান। ১৯৯১ সালের নির্বাচনের আগে তিনি তাঁর মা খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় প্রচারণা চালিয়ে নির্বাচনে বিজয় অর্জন করেন। খালেদা জিয়া হন দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী।

২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের সময় তিনি দলকে সংগঠিত করতে ইউনিয়ন পর্যায়ে দলের সম্মেলন করে আলোচনায় আসেন তারেক রহমান। সাংগঠনিক প্রচেষ্টার স্বীকৃতি হিসেবে ২০০২ সালে স্থায়ী কমিটি তাঁকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক পদে মনোনীত করে।

বাংলাদেশে ২০০৭ সালে সেনা–সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে দুর্নীতির অভিযোগে আটক হয়েছিলেন তারেক রহমান। সরকারটি এক–এগারোর সরকার নামে পরিচিত। এরপর ১৮ মাস কারাগারে থাকার পর ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে মুক্তি পেয়ে সপরিবার লন্ডনে চলে যান তিনি।

লন্ডনে থাকা অবস্থায় ২০০৯ সালে দলের কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তারেক রহমান। এরপর ধীরে ধীরে বিএনপির পুনর্গঠনে যুক্ত হন। ২০১৮ সালে খালেদা জিয়া কারাগারে বন্দী হন। তখন তারেক রহমান দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন মনোনীত হন। খালেদা জিয়ার অবর্তমানে তিনিই দলকে শেখ হাসিনার নিপীড়নমূলক শাসনের বিরুদ্ধে এবং ভোটাধিকার অর্জনের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন।

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে অধিষ্ঠিত হন বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত জিয়াউর রহমান। সেনাপ্রধান হন তিনি। এরপর প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক করা হয় তাঁকে। বিএনপির ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল তৎকালীন রাষ্ট্রপতি এ এস এম সায়েম পদত্যাগ করলে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হন।

১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর জিয়াউর রহমান নিজে চেয়ারম্যান হিসেবে থেকে নতুন রাজনৈতিক দল বিএনপি গঠন করেন। ১৯৯১ সালের পর থেকে জিয়ার প্রতিষ্ঠিত এই দলটি চারবার রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হলো।

১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্যের হাতে জিয়াউর রহমান নিহত হন। তখন খালেদা জিয়া ছিলেন পুরোদস্তুর গৃহিণী। স্বামীহারা খালেদা দলের হাল ধরেন। যুক্ত হন স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে।

বিশ্বে অল্প কয়েকটি রাজনৈতিক পরিবার আছে, যাদের তিন সদস্য কোনো দেশের রাষ্ট্র কিংবা সরকারপ্রধানের গুরুদায়িত্ব সামলেছেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে তারেক রহমানের শপথের মধ্য দিয়ে এই পরিবারগুলোর তালিকায় নাম লেখাল জিয়া পরিবারও। বাবা জিয়াউর রহমান ও মা খালেদা জিয়ার পর এবার বাংলাদেশ পরিচালনার ভার নিলেন ছেলে তারেক রহমান।

প্রয়াত জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার আরেক ছেলে ছিলেন আরাফাত রহমান কোকো। তারেক রহমানের এই ছোট ভাই ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মাত্র ৪৪ বছর বয়সে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান। তিনি পেশায় চিকিৎসক। এই দম্পতির একমাত্র সন্তান ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

খুলনার রূপসায় একাধিক অবৈধ কয়লার চুল্লি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

English DainikBiswa

বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ২০ নং ওয়ার্ড বিএনপির দোয়া সম্পান্ন

//এম মুরশীদ আলী//

খুলনা সোনাডাঙ্গা থানাধীন ২০ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী ও আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মাহফিল গত ১১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- খুলনা- ২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বক্তব্যে বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে আপসহীনভাবে সংগ্রাম করেছেন এবং দৃঢ় নেতৃত্বের মাধ্যমে দল ও দেশকে সঠিক পথে পরিচালিত করেছেন। তিনি বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিচারণ করেন।

দোয়ায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন। তিনি তার বক্তব্যে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সংগ্রাম, ত্যাগ ও নেতৃত্বের নানা দিক তুলে ধরেন এবং তার অবদান কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে মহানগর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। দোয়া মাহফিলে দেশ ও জাতি সহ দলের কল্যাণ কামনা করা হয়।

খুলনা মহানগর ১৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা

//এমন মুরশীদ আলী //

খুলনা মহানগরীর ১৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে বাংলাদেশের ৩ বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা গত ১০ জানুয়ারি আছর বাদ হাফিজনগর খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বক্তব্যে বেগম খালেদা জিয়ার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তাঁর আত্মত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একইসঙ্গে তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া এদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক অবিস্মরণীয় নেতৃত্ব, যার অবদান জাতি চিরকাল স্মরণ করবে। বক্তৃতায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বর্তমান চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, তাঁর নেতৃত্বে বিএনপি রাজনৈতিক দৃঢ়তার সঙ্গে দেশ ও জনগণের অধিকার আদায়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

১৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান সোহাগ এর সভাপতিত্বে দোয়া ও আলোচনা উপস্থিত ছিলেন- আরিফুর রহমান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মিজানুজ্জামান তাজ, মাহবুব হোসেন পিয়ারু, সেকেন্দার জাফরুল্লাহ খান সাচ্চু, এডভোকেট গোলাম মাওলা, আনোয়ার হোসেন, শরিফুল ইসলাম বাবু বাবুসহ ওয়ার্ড বিএনপির অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

উপকূলীয় অঞ্চলের কিশোরী শিক্ষার্থীদের STEM ও ICT শিক্ষা বৃদ্ধি কর্মশালা অনুষ্ঠিত

//এম মুরশীদ আলী //

উপকূলের মেয়েদের STEM শিক্ষায় সুযোগ ও সম্ভাবনা নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগে অ্যাডভোকেসি কর্মশালা গত ১০ জানুয়ারি সকাল ১১ টায় খুলনা আভা সেন্টারের অনুষ্ঠিত হয়।

কিশোরী মেয়েদের জন্য (বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ইঞ্জিনিয়ারিং ও গণিত) এবং ICT শিক্ষায় অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (BDOSN) ও বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন (BFF) এর উদ্যোগে এবং “স্টেম এন্ড আইসিটি স্কিলস ফর দ্যা গার্লস অফ কোস্টাল এরিয়া” প্রকল্প কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য ছিল, উপকূলীয় অঞ্চলের কিশোরী শিক্ষার্থীদের STEM ও ICT শিক্ষায় অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি করা এবং তাদের ক্ষমতায়নে সমন্বিত উদ্যোগ গড়ে তোলা।

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্যে বিএফএফ এর নির্বাহী পরিচালক সাজ্জাদুর রহমান চৌধুরী বলেন- “উপকূলীয় অঞ্চলের মেয়েদের STEM ও ICT শিক্ষায় অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে নীতি নির্ধারক ও অংশীদারদের মধ্যে একটি শক্তিশালী সংযোগ তৈরির কোনো বিকল্প নেই। আজকের কর্মশালা থেকে প্রাপ্ত সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে আমরা প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখব”। উল্লেখ্য- ২০২৩ সাল থেকে বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (BDOSN)- এর উদ্যোগে ও বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন (BFF)- এর সহযোগিতায় এবং মালালা ফান্ডের পৃষ্ঠপোষকতায় স্টেম এন্ড আইসিটি স্কিলস ফর দ্যা গার্লস অফ কোস্টাল এরিয়া প্রকল্পটি উপকূলের মাধ্যমিক স্কুলের মেয়েদের বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তিতে আগ্রহ তৈরী ও দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। যার অংশ হিসেবে উক্ত কর্মশালার আয়োজন। এই কার্যক্রমকে টেকসই করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পরিবার, স্থানীয় সরকার, এনজিও এবং বেসরকারি খাতের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।

অতিথির মধ্যে বক্তৃতা করেন- খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যাল অধ্যাপক ড. হেলাল আন নাহিয়ান, মালালা ফান্ডের এডুকেশন চ্যাম্পিয়ন নেটওয়ার্ক মুনির হাসন, মাচাটোনিস কুয়েট দেব প্যান্ট হেড প্রফেসর ড. হেলাল নাহিয়ান, রূপসা উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. রাকিবুল ইসলাম তরফদার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এস.এ আনোয়ার-উল কুদ্দুস, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশ মো. জাকারিয়া, সংবাদকর্মী এম মুরশীদ আলী, মো. আজিজুল ইসলাম প্রমূখ।

কর্মশালায় দলগত আলোচনা ও প্যানেল সেশনে শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি ও এনজিও নেতৃবৃন্দ উপকূলীয় মেয়েদের STEM শিক্ষায় অংশগ্রহণের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে মতামত দেন।রূপসা উপজেলার ৪ টি মাধ্যমিক হলো-১.  কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২. পিঠাভোগ ডি.জি.সি. মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৩. কমরেড রতন সেন কলেজিয়েট গার্লস স্কুল, ৪. নৈহাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া উপকূলের মেয়েদের ক্ষমতায়নে কাজ করা ৬টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কর্মকর্তা সহ ৭০ জন উপস্থিত ছিলেন।

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ১৬, ২০ ও ৩১ নং ওয়ার্ড বিএনপি কর্তৃক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

//এম মুরশীদ আলী//

দেশনেত্রী, আপোষহীন নেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় খুলনা মহানগর ১৬, ২০ ও ৩১ নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সংগ্রাম গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তাঁর অবদান। দেশবাসীর প্রতি তাঁর ত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি আরো বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন গণতন্ত্রের প্রতীক এবং এদেশের মানুষের অধিকার আদায়ের আপসহীন নেত্রী ছিলেন। মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া-মোনাজাত পরিচালনার মাধ্যমে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করা হয়।

দোয়া মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন- আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, আনোয়ার হোসেন খোকন, এডভোকেট গোলাম মাওলা, জামিরুল ইসলাম জামিলসহ ওয়ার্ড ও মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

খুলনা ডি আই জি রূপসা আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম এ কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, ফিজিওথেরাপি সেবা ও কম্বল বিতরণ উদ্বোধন করেন

//এম মুরশীদ আলী//

জীবনেও সাথী, মরনেও সাথী” এই শ্লোগান সঙ্গে নিয়ে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম ঢাকা কর্তৃক পরিচালিত কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, ফিজিওথেরাপি সেবা এবং শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ এর শুভ উদ্বোধন গত ৩ জানুয়ারি বিকেলে রূপসা আঞ্জুমান দলিল হারুন স্বাস্থ্য সেবা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়।

উদ্বোধনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- খুলনা ডি আই জি মো. রেজাউল হক (পিপিএম)।

খুলনা ডি আই জি রূপসা আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম এ কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, ফিজিওথেরাপি সেবা ও কম্বল বিতরণ উদ্বোধন করেন

অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব ও সদস্য ম্যানেজিং কমিটি আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম ঢাকা, এস এম হারুনার রশিদ এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার যুগ্ম-সচিব ও চেয়ারম্যান, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ মোসা: ফেরদৌসী বেগম।

এসময় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন- সাবেক জেলা প্রশাসক, আঞ্জুমান যুগ্ম পরিচালক আনিস মাহমুদ।

আঞ্জুমান রূপসা শাখার যুগ্ম আহবায়ক অ্যাডভোকেট সফিউল আলম সুজন এর পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন- আঞ্জুমানের দাতা সদস্য প্রফেসর নার্গিস জাহান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিক্তা, রূপসা থানার ওসি আবুর রাজ্জাক মীর, উপ পরিচালক (আইটি) মো. হেলাল উদ্দিন, ইন্জিনিয়ার সামসুজ্জামান, সদস্য সচিব আরিফুল ইসলাম রিপন, মিজানুর রহমান ডিকেন, কম্পিউটার প্রশিক্ষক মো. আশফাক, ফিজিওথেরাপিষ্ট গৌতম মন্ডল, ম্যানেজার আমজাদ হোসেন, রূপসা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. শহিদুল্লাহ, নৈহাটি ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. ইলিয়াস শেখ, প্রধান শিক্ষক হায়দার আলী, সহকারী অধ্যাপক এমদাদুল হক, প্রভাষক মো. রিপন আলী, ক্রীড়া শিক্ষক অনিরুদ্ধ কুমার বাহাদুর, মাওলানা আইয়ুব আলী, যুবদল নেতা সাইফুল ইসলাম রিমন, সাবেক ছাত্রনেতা এসএম মিজানুর রহমান, সাজ্জাদ হোসেন লিটন, আসমান, সেলিম শেখ, হান্নান, রনি, বক্কার, বাবু, সালমান শেখ প্রমুখ।

আলোচনা শেষে ১৫০ জন অসহায় হত দরিদ্রর মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়। আলোচনা শুরুতে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা এবং মরহুম এসএম দলিল উদ্দিন ও আসমাতুন ন্নেছা লক্ষি বিবির জন্য দোয়া করা হয়েছে।