তিন বিয়ে হওয়ার পরেও মুক্তা এখনো কুমারী…!!!

 

যে নারীরা পুরুষের সাথে যে কোনো ভাবেই কোনো শারিরীক সম্পর্কে লিপ্ত হননি এবং বিয়ে বসনি সেই সব নারীদের কুমারী নারী বলে। কিন্তু লাকসামে ৩ বিয়ের পরও কন্যা কুমারী দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। সিপি মামলা নং- ৮৩৯/২০, তারিখ-২৫-১০-২০২০ইং ও পিবিআই হেডকোঃ স্মারক নং-৩০৫৮, তারিখ-২২/১২/২০২০ইং তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়:

১ম বিয়ে:

২০১২ সালে ঢাকাতে নড়াইলের জনৈক মনিরুজ্জামান মনিরের সাথে ইসরাত জাহান মুক্তার বিয়ে হয়। সেই সংসারে জনৈক মনিরের ঔরসে মুক্তার গর্ভের মোঃ নাহিয়ান আব্দুল্লাহ মাহিম নামে এক ছেলে আছে তার বয়স অনুমান ৫ বছর হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রথম বিয়েতে মুক্তার দাবি ছিল কুমারী।

২য় বিয়ে:

লাকসাম পৌরসভার উত্তর লাকসাম মহল্লার উত্তর বাজার পৌড়সভার পিছনে উত্তর পাশের বাড়ির মোঃ আমিন মিয়ার ছেলে মোঃ ইমন হোসেনের সাথে ২০১৯ সালের ৪ জুলাই ইসরাত জাহান মুক্তার ২য় বিয়ে হয়। বিয়ে রেজিষ্ট্রি করেন লাকসাম পৌরসভার ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের কাজী মাওলানা মোঃ মহি উদ্দিন। দ্বিতীয় বিয়ের কাবিনে মুক্তা নিজেকে কুমারী দেখান।

৩য় বিয়ে:

২০১৯ সালের ২২অক্টোবর লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ আবদুল আলীর সাথে ইসরাত জাহান মুক্তার ৩য় বিয়ে হয়। ডাঃ আবদুল আলী বর্তমানে মনোহরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে কর্মরত। বিয়ে রেজিষ্ট্রি করেন লালমাই উপজেলার বেলঘর দক্ষিণ ইউনিয়নের কাজী মাওলানা নুর মোহাম্মদ। তৃতীয় বিয়েতেও মুক্তা নিজেকে কুমারী দেখান।

ইসরাত জাহান মুক্তা লক্ষীপুর সদর উপজেলার পেয়ারাপুর গ্রামের মোঃ মানিক হোসেনের কন্যা।

স্থানীয় সূত্রে আরোও জানা যায়, ২০১২ সালের আগে মুক্তার নিজ গ্রামের সুমন হাওলাদার নামে এক ছেলেকে বিবাহ করে, সুমন হাওয়ালাদার বর্তমানে প্রবাসে রয়েছে। এ ব্যাপারে ৩নং বিয়ে রেজিষ্টারকারী কাজী মাওলানা নুর মোহাম্মদ বলেন, কনের আগে কতবার বিয়ে হয়েছে তা আমার জানার কথা না, আমাকে বলেছে কনে কুমারী তাই কাবিনে কুমারী লেখা হয়েছে।

তিন বিয়ের পর নিজেকে কুমারী দাবিকারী ইসরাত জাহান মুক্তার মোবাইলে কল করলে রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

৩/৪ বিয়ের পরও একজন নারী কিভাবে কুমারী থাকে তা নিয়ে কুমিল্লার লাকসাম ও লক্ষীপুর সদর উপজেলায় স্থানীয়দের মাঝে আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

সুত্রঃ সাপ্তাহিক সবুজপত্র ও আলোর দিশারী।

//স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ ইকবাল মোরশেদ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

Daily World News

খুলনায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদন্ডের আদেশ

নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে বৃৃক্ষের চারা বিতরণী অনুষ্ঠান

Md. Pikul Islam  //মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি//
যশোর যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ২২ আগষ্ট (রবিবার) দুপুর ১২টায় প্রেসক্লাব অডিটোরিয়ামে এলাকাবাসীর মাঝে বৃৃৃৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয়েছে ৷
নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে বৃৃক্ষের চারা বিতরণী অনুষ্ঠান
নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতি নজরুল ইসলাম মল্লিকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ-সম্পাদক মো.মোজ্জাফর আহমেদ এর পরিচালনায় বৃৃৃৃক্ষচারা বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ-ফরিদ জাহাঙ্গীর ,বিশেষ অতিথি এস আই মাসুদ রানা ৷ বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, প্রেসক্লাবের উপদেষ্টাঃ এস এম ফারুক আহমেদ সহ-সভাপতিঃ এস এম মুজিবুর রহমান, যুগ্ন-সম্পাদকঃ সৈয়দ জাহিদ মাসুদ তাজ, সহ-সাধারণ সম্পাদকঃ কামরুল হাসান, কোষাধ্যক্ষঃ মোঃ মফিজুর রহমান, ক্রীড়া ও সাংস্কৃৃতিক সম্পাঃ-এম এম আলাউদ্দিন, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাঃ মোঃ সেলিম হোসেন, তথ্য প্রযুক্তি ও আইন বিষয়ক সম্পাঃ তারিম আহমেদ ইমন, নির্বাহী সদস্যঃ গাজী রেজাউল করিম ও প্রেসক্লাবের অন্যান্য সদস্যবৃৃৃৃন্দ ৷

মহম্মদপুরে চৌবাড়ীয়া গ্রাম পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

// শ্যামল বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা//
মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার চৌবাড়িয়া গ্রামের শরিফুল মোল্লার সেজো ছেলে তামিম(৩) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তামিম ছিলো পরিবারের চোখের মণি।
আজ সকাল আনুমানিক ৮ঘটিকার সময় বাড়ির পাশের খালে পরে যায়। পরবর্তীতে নুরজাহান নামের এক মেয়ে খালের পাড়ে পাট বাছাড় সময় দেখতে পেয়ে চিৎকার করে এবং উজির নাকের এক যুবক পানি থেকে তুলে অবস্থা আশংকাজনক হলে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।
তামিমের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া পরেছে। তামিনের জানাযায় নামাজ আজ দুপুর ২ ঘটিকার সময় চৌবাড়ীয়া গোরস্থান সংলগ্ন ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।

গ্রেনেড হামলা মামলার রায় দ্রুতই কার্যকর হবে- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

‘একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা দিবস’ ।। বাংলাদেশের ইতিহাসে  ২১ আগস্ট একটি কলঙ্কময় দিন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ঘোষণার মধ্য দিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। সব আইনি বিধিবিধান ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে যত দ্রুত সম্ভব এ রায় কার্যকর হবে।

প্রধানমন্ত্রী প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, এই রায় কার্যকরের মধ্য দিয়ে দেশ থেকে হত্যা, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের চির অবসান হবে এবং বাংলাদেশ আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ-শান্তিপূর্ণ আবাসভূমিতে পরিণত হবে।

‘একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা দিবস’ উপলক্ষে শুক্রবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৪ সালের এই দিনে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতায় ঢাকায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগ আয়োজিত সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদবিরোধী সমাবেশে বর্বরতম গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এ হামলার মূল লক্ষ্য ছিল স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করা; আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশকে নেতৃত্বশূন্য করে হত্যা, ষড়যন্ত্র, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও দুঃশাসনকে চিরস্থায়ী করা।কিন্তু আল্লাহর রহমত ও জনগণের দোয়ায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যাই।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মানববর্ম তৈরি করে আমাকে রক্ষা করেন। তবে সন্ত্রাসীদের গ্রেনেড হামলায় বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভানেত্রী বেগম আইভি রহমানসহ ২২ জন নেতাকর্মী নিহত হন। আহত হন ৫ শতাধিক নেতাকর্মী, সাংবাদিক ও নিরাপত্তাকর্মী। তাদের অনেকে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন এবং অনেকে শরীরে স্প্লিন্টার নিয়ে দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন।

একুশে আগস্টের শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং আহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান শেখ হাসিনা। বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট যখনই সরকারে এসেছে, জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের মদদ দিয়ে বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র বানানোর অপচেষ্টা করেছে। ২০০১ সালে নির্বাচনে কারচুপির মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে সারা দেশে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। একের পর এক বোমা হামলা, গ্রেনেড হামলা চালিয়ে জঙ্গিবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা চালায়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদবিরোধী সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালায়। এ নারকীয় হামলা ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করে বিচার করা ছিল সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। কিন্তু বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে উল্টো হত্যাকারীদের রক্ষায় সব ধরনের ব্যবস্থা করেছিল। হামলাকারীদের বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়। গুরুত্বপূর্ণ সব আলামত ধ্বংস করে। তদন্তের নামে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে। রাষ্ট্রযন্ত্রকে অপব্যবহার করে তারা জনগণকে ধোঁকা দিতে ‘জজ মিয়া’ নাটক সাজায়। কিন্তু সত্য কখনো চাপা থাকেনি। পরবর্তীকালে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তে বেরিয়ে আসে বিএনপি-জামায়াত জোটের অনেক কুশীলব এ হামলার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল।

নারকীয় ওই হামলা মামলার রায়ের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন, দীর্ঘ ১৪ বছর পর ২০১৮ সালের অক্টোবরে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার রায় হয়। আদালত গ্রেনেড হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে বিএনপি নেতা সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বিদেশে পলাতক তারেক রহমান, হারিছ চৌধুরীসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড হয়েছে ১১ আসামির। এই রায়ের মধ্য দিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা পেয়েছে, জাতি কলঙ্কমুক্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াতের সব অপচেষ্টা ও ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে জনগণ ২০০৮ সালে নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে পুনরায় বিপুল ভোটে বিজয়ী করে। ২০০৯ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে সরকার গঠন করে মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য আওয়ামী লীগ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিহিংসার রাজনীতি বাদ দিয়ে দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করেছে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে দেশে শান্তি ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের টানা এক যুগের সাফল্যের সারসংক্ষেপ তুলে ধরে বলেন, গত সাড়ে ১২ বছরে সরকার দেশের প্রতিটি সেক্টরে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন করেছে। আর্থসামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে ‘রোল মডেল’। আমরা আজ আত্মমর্যাদাশীল দেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছি। আমরা জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করছি। এই সময়ে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জন করেছে। বর্তমান প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের মহামারির মধ্যেও আমরা আমাদের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এবং উন্নয়ন ও গণতন্ত্রবিরোধী চক্র এখনো নানাভাবে সোচ্চার আছে। এই অপশক্তির যে কোনো অপতৎপরতা-ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করার জন্য জনগণকে সব সময় প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

জেলা প্রশাসকের মোবাইল ফোন ক্লোন বিভিন্ন লোকের কাছে অর্থ দাবি

 

বাঁশখালীর মাসুমা রাঙ্গামাটিতে এসিল্যান্ড: চেয়ারম্যান আসহাব উদ্দিনের অভিনন্দন

 

রাঙ্গামাটি সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যোগদান করেছেন চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত বাঁশখালী উপজেলার পুকুরিয়া ইউনিয়ন এর চাঁনপুর গ্রামের কৃতিসন্তান মাসুমা বেগম শিমুল ।

তিনি গত ২৯ জুলাই ২০২১ ইং উপজেলা ভূমি অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব বুঝে নেন। তিনি ইতোপূর্বে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় পটুয়াখালীতে সহকারী কমিশনার ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় সহকারী কমিশনার হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন।

অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা বার্তায় বাঁশখালী উপজেলার ১নং পুকুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আসহাব উদ্দিন বলেন, আমার এলাকার মেয়ে মাসুমা বেগম শিমুল রাঙ্গামাটি সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যোগদান করায় আমি অত্যন্ত খুশি আবেগ আপ্লূত, আমি তার উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করি তাকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

মাসুমা বেগম শিমুল আমার ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী,সমাজসেবক মরহুম মাওলানা আবদুল অদুদের জৈষ্ঠ্য মেয়ে।

আলহাজ্ব মোঃ আসহাব উদ্দিন চেয়ারম্যান আরও বলেন, মেধাবী মাসুমা বেগম শিমুল শৈশবে আমার প্রতিষ্ঠিত চন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষাজীবন শুরু করেন এবং কৃতিত্বের সাথে পঞ্চম শ্রেণীতে ২০০০ইং সালে সরকারি সমাপনী বৃত্তি প্রাপ্ত হন ও তিনি প্রথমবারে অংশ নিয়ে ৩৬তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারের মধ্য দিয়ে সিভিল সার্ভিসে ক্যারিয়ার শুরু করেন।

তিনি চুয়েট থেকে ‘নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা’ বিষয়ে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। তাহার এই সাফল্য সফলতা কামনা করি।

 ।।চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালে ইউএনও বাসভবনের হামলায় বিসিসির মেয়রসহ ৬০২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

 

 সরকারি চাকরিপ্রার্থীরা বয়সে ২১ মাসের ছাড় পেলেন

//অনলাইন নিউজ//

করোনা পরিস্থিতির কারণে নিয়োগ বন্ধ থাকায় অনেকের বয়স শেষ হয়ে  গেছে . তাদের জন্য সুখবর এনেছে সরকার।

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রার্থীদের সরকারি চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে বয়সে ছাড় দিয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ নির্দেশনা দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেয়ার পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ নির্দেশনা দিল।

মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোকে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকাশিতব্য বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা গত বছরের ২৫ মার্চ নির্ধারণ করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। অর্থাৎ ২০২০ সালের ২৫ মার্চ যাদের বয়স ৩০ বছর পূর্ণ হয়েছিল তারা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত জারি করা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের যোগ্য হবেন।

এক্ষেত্রে চাকরিপ্রার্থীরা করোনা মহামারির কারণে বয়সের ক্ষেত্রে ২১ মাসের ছাড় পাচ্ছেন।

সূত্র: জনকন্ঠ।

নাগরপুরে সিরিজ বোমা হামলা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

মোঃ হাবিবুর রহমান আল-আমিন নেতা // মোঃ আল-আমিন শেখ টাঙ্গাইল//
  ১৭ আগস্ট সারাদেশ ব্যাপী মৌলবাদী ও জঙ্গি কর্তৃক সিরিজ বোমা হামলা দিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইলের নাগরপুরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাকিরুল ইসলাম উইলিয়ামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. কুদরত আলীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মতিয়ার রহমান মতি, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক বি এম এম জহিরুল আমিন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক দেলোয়ার আহম্মেদ, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক সদস্য মো. হাবিবুর রহমান হাবিব, সাবেক ভিপি আল-মামুন প্রমুখ। এসময় উপজেলা আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

রূপসায় বোমা হামলায় নিহতদের স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রির্পোটার :

দেশ ব্যাপী সিরিজ বোমা হামলায় নিহত সকল শহীদদের স্বরণে স্বরণ সভা ও দোয়া মাহফিল ১৭ আগষ্ট বিকালে রূপসা উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

মউপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বাদশার সভাপতিত্বে ও উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক ইমদাদুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তৃতা করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, শাহজাহান কবীর প্যারিস, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক স ম জাহাঙ্গীর, বিনয় হালদার, এবিএম কামরুজ্জামান, তাহিদুল ইসলাম, আশিষ রায়, শাহনেওয়াজ মাগদুম, ফ ম অহিদুল ইসলাম, ফ ম আইয়ুব আলী, যুবলীগের নোমান ওসমানী রিচি, বাদশা মিয়া, শামীম হাসান লিটন,আবুল কালাম আজাদ, শাহনেওয়াজ কবির টিংকু, আ. রশিদ শেখ, রতন মন্ডল, জ্যাকি ইসলাম সজল, সাইফুল ইসলাম শাওন, ছাত্রনেতা খায়রুজ্জামান সজল, সাকিব রায়হান, জেসমিন বেগম প্রমূখ।

 

বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রীত্ব চাননি – চেয়েছেন এদেশের স্বাধীনতা : আব্দুস সালাম মূর্শেদী এমপি

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের দিয়ে গেছেন লাল-সবুজের পতাকা, স্বাধীন-সার্বভৌম একটি রাস্ট্র। সুদীর্ঘ আন্দোলন, অনেক প্রাণ ও রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের স্বাধীনতা। বঙ্গবন্ধুর মহান ব্যক্তিত্ব, অদম্য সাহস ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী সত্তা সকলের জন্য অনুসরণীয়। বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রীত্ব চাননি, চেয়েছেন এদেশের স্বাধীনতা। তার আদর্শকে ধারণ করে সোনার বাংলা বিনির্মাণেই স্বাধীনতার সার্থকতা।

আজ রোববার (১৫ আগস্ট) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রুপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ ও আব্দুস সালাম মূর্শেদী এমপির আয়োজনে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এসময় সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন, জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি বিএম এ সালাম। জেলা আ’লীগের সদস্য অধ্যক্ষ ফ ম আব্দুস সালাম এর সভাপতিত্বে ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মোতালেব হোসেন এর সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্রীড়াবিদ আজাদ আবুল কালাম, রূপসা উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি আইয়ুব মল্লিক বাবু, সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, আরিফুর রহমান মোল্লা।

আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান শারাফাত হোসেন মুক্তি, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইসহাক সরদার,কামাল হোসেন বুলবুল,আ’লীগ নেতা এস এম হাবিব, আক্তার ফারুক, রবিউল ইসলাম বিশ্বাস, বাছিতুল হাবিব প্রিন্স, স ম জাহাঙ্গির, দেলোয়ার হোসেন দিলু, মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ বি এম কামরুজ্জামান, জেলা মহিলালীগের নেত্রী আজিজা সুলতানা, রিনা পারভীন,সাবিনা ইয়াসমিন, যুবলীগ নেতা নোমান ওসমানী রিচি, আ’লীগ নেতা মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, বাদশা মল্লিক, শেখ আসাদুজ্জামান, ফরিদ শেখ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা রুহুল আমিন রবি, আনিসুল হক আনিচ, রাজিব দাস, খান ফরাদুজ্জামান সুমন, মঈন উদ্দিন,শামীম হাসান তুহিন, মাও আ: রাজ্জাক রাজা, আনোয়ারুল ইসলাম, আকলিমা খাতুন তুলি,শারমিন সুলতানা রুনা, আনজুয়ারা বেগম, তাহিরা নয়ন হারুন মোল্লা, সালাম মূশের্দী সেবা সংঘের টিম লিডার সামসুল আলম বাবু, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আ:রাজ্জাক শেখ,ওয়াহিদুজ্জামান মিন্ট, নুর ইসলাম সরদার,সুব্রত বাগচী, সালাম মূশের্দী সেবা সংঘের তরিকুল ইসলাম, আরাফাত,জাহিদুল, খলিল,সোহেল, হৃদয়,হায়াত, রুবেল, ছাত্রলীগের রিয়াজ,রাসেল,শিমুল প্রমূখ।

দিঘলিয়া : উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি খান নজরুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক মোল্লা আকরাম হোসেন, জেলা আওয়ামিলীগ সদস্য সামসুন নাহার,উপজেলা আওয়ামরলীগ এর সহ সভাপতি এস এম গোলাম রহমান,উপজেলা আওয়ামিলীগ এর যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আলীরেজা বাচা, প্রচার সম্পাদক খান হাবিবুর রহমান বিপুল, সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ আনসার আলী, সাধারন সম্পাদক শেখ মুন্জুর হোসন, সেনহাটী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর সভপতি সৈয়দ মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শাহালম খান, বারাকপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর সভাপতি গাজী আব্দুর রউফ,সাধারন সম্পাদক ওয়াদুদ চৌধুরী, নজরুল মোল্লা,কে এম আসাদুজ্জামান, শেখ আনিসুর রহমান,শেখ রিয়াজ হোসেন,হাবিবুর রহমান তারেক,রাসেল বুলু, রাজিবুল হাচান, সাইদ শেখ, রাকিবুল ইসলাম, নাহিদ মোল্লা, সৈয়াদ জামিল মোর্শেদ মাসুম, জুম্মন নাহিদ জেড, আলামিন শেখ, রানা মোল্লা, মিরাজ মোল্লা,মনিরুল ইসলাম সহ প্রমুখ।

তেরখাদা : উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শহিদুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ শারাফাত হোসেন মুক্তি, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা খান, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ আসাদুজ্জামান, সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা প্রবীর কুমার দাম, কৃষি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ কামরুল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী ওয়ালিদ ইবনে হাসান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী প্রজিৎ সরকার, ওসি তদন্ত মোঃ মোশাররফ হোসেন, উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অরবিন্দ প্রসাদ সাহা, মুক্তিযুদ্ধের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার চৌধুরী আবুল খায়ের, বীর মুক্তিযোদ্ধা আমীর সরদার, মোল্যা বোরহান উদ্দিন আহমেদ, শহীদ স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হোসনেয়ারা চম্পা, আ’লীগ নেতা বাছিতুল হাবিব প্রিন্স, মুক্তিযুদ্ধ সন্তান কমান্ডের সভাপতি কায়নাথ হোসেন সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী ও শ্রেনী পেশার ব্যক্তিবর্গ।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালের টরকী বন্দর বাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, দেড় কোটি টাকা লুট

অভয়নগরে সিদ্দিপাশায় ১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস পালন

বঙ্গবন্ধুর নাম মানুষের হৃদয় থেকে কোনদিন মুছে ফেলা যাবে না : খুবি উপাচার্য

 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৬তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে খুলনা প্রেসক্লাব আয়োজিত  ১৪ আগস্ট বেলা ১১টায় তিনদিনব্যাপী কর্মসূচির প্রথম দিনে বঙ্গবন্ধু’র জীবন, কর্ম ও শোকাবহ ১৫ আগস্টের উপর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের রাষ্ট্রপতি স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত প্রাক্তন ছাত্রী চিত্রশিল্পী হিমা আক্তার হিরামনি’র ‘একক চিত্র প্রদর্শনী’ উদ্বোধন করা হয়। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর তিনি চিত্রকর্মগুলো ঘুরে দেখেন। পরে তিনি ক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, ১৫ আগস্ট হত্যাকন্ড মানবসভ্যতার ইতিহাসে নৃশংস হত্যাকান্ডের মধ্যে একটি। এটি নিছকই একটি হত্যাকন্ড নয়, একটি দেশকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়ার গভীর ষড়যন্ত্র। কিন্তু ৭৫’র দোসররা জানতো না বঙ্গবন্ধু, বাঙালি ও বাংলাদেশ একই সূত্রে গাঁথা। বঙ্গবন্ধু একটি আদর্শের নাম। বাংলাদেশ থাকলে বঙ্গবন্ধুর নামও থাকবে। বঙ্গবন্ধুর অবস্থান আমাদের অন্তরে। তাঁর নাম এ দেশের মানুষের হৃদয় থেকে কোনদিন মুছে ফেলা যাবে না।

তিনি বলেন, শিল্পীর মনের নিংড়ানো ভালবাসা প্রকাশ পেয়েছে তার চিত্রকর্মে। এটি বঙ্গবন্ধুর প্রতি তার ভালবাসার প্রকাশ ও আদর্শের প্রতিফলন। তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সমাজে ভাল কিছু করলে শিক্ষকরা তৃপ্তি পান। নবীন একজন শিল্পীকে দিয়ে এমন একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করায় তিনি খুলনা প্রেসক্লাব কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। আগামীতেও নবীন শিল্পীদের প্রতিভার বিকাশে প্রেসক্লাব ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে নৃশংস হত্যাকান্ডর শিকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর পরিবারের সদস্যসহ শহিদদের আত্মার শান্তি কামনা করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম জাহিদ হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা। খুলনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ মোল্লার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু, সাবেক সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম, আহমদ আলী খান, ফারুক আহমেদ, দৈনিক পূর্বাঞ্চল সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সনি, ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মল্লিক সুধাংশু, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ।

অনুষ্ঠানে শিল্পী হিসেবে অনুভূতি ব্যক্ত করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী চিত্রশিল্পী হিমা আক্তার হিরামনি।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

সাতক্ষীরায় হারিয়ে যাওয়া ২৮ মোবাইল ফোন উদ্ধার করে মালিকের কাছে হস্তান্তর