রাণীশংকৈলে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদ্বোধন

 //মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি//

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালন উপলক্ষে পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে উপজেলায় ২৯ আগষ্ট সকাল সাড়ে দশটায় উপজেলা পরিষদ পুকুর সহ বিভিন্ন পুকুরে রুই,কাতলা,মৃগেল সহ বিভিন্ন প্রজাতির ১৪০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

এ কর্মসুচিতে ইউএনও প্রতিনিধি সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইন্দ্রজিৎ সাহা, মৎস্য কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম, সহকারি মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুল জলিল,ওসি এস এম জাহিদ ইকবাল, প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ইত্তেফাক প্রতিনিধি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারকে হত্যা করে বাংলাদেশকে পিছিয়ে দিতে চেয়েছিলো: সালাম মূর্শেদী এমপি

খুলনা—৪ আসনের এমপি আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেছেন, ১৫ আগস্ট জাতির জনককে স্বপরিবারে নির্মম ভাবে হত্যা করে হত্যাকারীরা বাংলাদেশকে পিছিয়ে দিতে চেয়েছিলো। তারই সাহসী কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারা বাংলাদেশের মানুষ আজ শোককে শক্তিতে রুপান্তরিত করে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে রুপান্তরিত করতে পেরেছে।

আগামীতে এই শক্তিকে কাজে লাগিয়ে সারা দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খুলনা—৪ আসনের উন্নয়ন অব্যহত রাখতে হবে।

আজ শনিবার (২৮ আগস্ট) বিকাল ৫ টায় তেরখাদা উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ তেরখাদা উপজেলা শাখার উদ্যোগে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী স্বাধীনতার মহান স্থাপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ ১৫ আগস্ট ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত সকল শহীদদের স্মরনে আলোচনা সভা, দোয়া ও খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

তেরখাদা উপজেলা ছাত্রলীগের প্রথম যুগ্ম আহবায়ক শেখ হুসাইন আহমেদের সভাপতিত্বে ও ছাত্রলীগ নেতা আনারুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তেরখাদা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শহিদুল ইসলাম, উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান কে এম আলমগীর হোসেন, আ’লীগ নেতা শেখ তবিবুর রহমান, আব্দুর রাজ্জাক রাজা, মোল্যা বোরহান উদ্দিন, মোল্যা ফরিদ আহমেদ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ শারাফাত হোসেন মুক্তি, যুবলীগ নেতা শেখ শামীম হাসান, আব্দুস সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের টিম লিডার, যুবলীগ নেতা সামছুল আলম বাবু, স্বেচ্চাসেবক লীগ নেতা শেখ আনিছুল হক, শ্রমিক লীগ নেতা জিল্লুর রহমান নান্নু, খান ফরাদুজ্জামান সুমন, মহিলালীগ নেত্রী আঞ্জুয়ারা সুমি, তাহেরা নয়ন, ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী হাসান আকিব, আরশাদ মোল্যা, জহির চৌধুরী, গোবিন্দ বিশ্বাস, আবুজার ছকাতি, আলআমিন ইসলাম, রাজিব, সাফিন, নাঈম ইসলাম, রাকিব হাসান, আকাশ, রিহাজ আহমেদ, মিলন, মেহেদী, রিয়াদ প্রমুখ।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

যশোরের অভয়নগরে করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ শতাধিক পরিবারে খাদ্য সহায়তা বিতরণ

 

ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈলে ২০ কর্মহীন নারীকে প্রশিক্ষণ।। সম্মানী ও সনদ বিতরণ

//মাহাবুব আলম , রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি//

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ২৮ আগস্ট শনিবার ২০ জন বেকার, স্বামী পরিত্যেক্তা কর্মহীন নারীকে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উদ্যোগে ৭ দিনব্যাপি ব্লকবাটির উপর প্রশিক্ষণ শেষে সম্মানী ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়েছে।

পরবর্তিতে এরা ক্ষুদ্র ঋণ গ্রহণ করে কাপড়ের উপর ব্লকবাটির ডিজাইন তৈরি করে আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠতে পারবে বলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর জানান।

এদিন বিকালে নির্বাহী অফিসার কার্যালয় চত্বরে সনদ ও সম্মানী ভাতা প্রদান করেন সুযোগ্য নির্বাহী অফিসার সোহেল সুলতান জুলকার নাঈন কবির স্টিভ।

এ সময় উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শেফালি বেগম, ব্লকবাটি ট্রেইনার শিউলী রায়সহ মহিলাবিষয়ক অফিসের অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে ইউএনও বলেন মহিলা বিষয়ক অফিস কর্তৃক ২০ জন অসহায় কর্মহীন নারীকে ৭ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ ও সম্মানী প্রদান করা হলো।

চট্টগ্রামে বন্ধ ঘরে যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার খাগরিয়া এলাকা হতে এক ব্যবসায়ীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গত বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে বারোটার দিকে উপজেলার খাগরিয়া ইউনিয়নের মাইজ পাড়া এলাকার নিজ বাসা থেকে মুনসুর আলী (৪৫) নামের উক্ত ব্যবসায়ীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত মুনসুর আলী ইউনিয়নের মাইজ পাড়া এলাকার মৃত আসহাব মিয়ার পুত্র। লাশ ময়না তদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত মনসুর আলী চট্টগ্রামের বিভিন্ন হোটেল ও চা দোকানে চা- পাতা সরবরাহের ব্যবসা করতেন।

নিহতের স্বজনরা জানান, মনসুর আলী গত মঙ্গলবার দুপুরে গ্রামের বাড়ী খাগরিয়ায় আসেন। তারপর বড় ভাইয়ের ঘরে রাতের খাবার খেয়ে নিজের রুমে ঘুমাতে যান। বুধবার বিকেলের দিকেও তিনি ঘুম থেকে জেগে না ওঠায় বাড়ীর সকলে ডাকাডাকি করতে থাকেন। কোন সাড়া -শব্দ না পেয়ে এক পর্যায়ে রুমের দরজা ভেঙ্গে মেজেতে তার গলাকাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্বজনরা। পরে পুলিশে খবর দেয়া হলে রাত সাড়ে বারোটার দিকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

নিহতের স্বজনরা জানান, মনসুর আলী এক সময় চট্টগ্রামের খাবার হোটেলে ম্যানেজারের চাকরি করতেন। পরে চাকরি ছেড়ে চা- পাতার ব্যবসা শুরু করেন। করোনা ও বিধি নিষেধের কারনে চায়ের দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারনে তাঁর চা – পাতার ব্যবসাও বন্ধ হয়ে যায়। এতে পুজি হারিয়ে সে বেশ কিছুদিন যাবৎ হতাশায় ভুগছিলেন। হতাশার কারনে সে নিজের গলা কেটে আত্মহত্যা করতে পারেন বলে তারা ধারণা করছেন। অন্যদিকে একজন লোক একান্নবতী পরিবারের কি ভাবে নিজের গলা কেটে আত্মহত্যা করতে পারেন যা কেউ টেরই পেলনা, তা নিয়ে এলাকায় প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ খাগরিয়া মাইজ পাড়া এলাকার মনসুর আলী নামের এক ব্যক্তির কণ্ঠনালী কাটা লাশ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিক ভাবে হতাশা থেকে ধারালো দায়ের সাহায্যে গলা কেটে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে হত্যা না, আত্মহত্যা তা ময়না তদন্তের পরই জানা যাবে। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখবে।

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

Daily World News

চট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্ঠায়ও নিখোঁজ ব্যবসায়ীর কোজ মেলেনি

 

চট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্ঠায়ও নিখোঁজ ব্যবসায়ীর খোজ মেলেনি

চট্টগ্রামে নালায় নিখোঁজ হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও ব্যবসায়ী সালেহ আহমদের (৫০) খোঁজ মেলেনি। ফায়ার সাভির্সের দুইটি ইউনিট বৃহস্পতিবার বিকেল ৪ টা পর্যন্ত (রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত) মুরাদপুরস্থ ঐ নালার বিভিন্ন স্থানে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করলেও এখনো পর্যন্ত নিখোজ ব্যবসায়ীর কোন খোঁজ পাওয়া যায় নি।

জানা যায়, ব্যবসায়ী সালেহ আহমদ গত বুধবার উত্তর চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির মাইজভান্ডার দরবার শরীফে যাওয়ার বাসা থেকে বের হন। বাসে উঠার জন্য তিনি মুরাদপুর মোড়ে হাটার সময় নালায় পড়ে যান। নালায় পড়ার সাথে সাথে নালার তীব্র ¯্রােতে তিনি ভেঁসে যান। এর পর থেকে ব্যবসারী সালেহ আহমদকে আর পাওয়া যাচ্ছে না। নিখোজ ব্যবসায়ী সালেহ আহমদ নগরীর চকবাজার এলাকায় তরকারীর ব্যবসা করতেন।

আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার শফিকুল ইসলাম জানান, বুধবার বেলা ১১ টার দিকে সালেহ আহমদ নিখোঁজের পরপরই উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। সন্ধায় অভিযান স্থগিত করা হলেও বৃহস্পতিবার ভোরে পূনরায় উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার ঠিমের ছয় সদস্য ও ডুবুরী ঠিমের ছয় সদস্যসহ মোট ১২ জন অভিযানে অংশ নিয়েছেন। এখনো নিখোঁজ ব্যক্তির কোন সন্ধান পাওয়া যায় নি। তবে নালায় প্রচুর ময়লা আবর্জনা থাকায় উদ্ধার প্রক্রিয়া কিছুটা হলেও ব্যাহত হচ্ছে।

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

চট্টগ্রামে করোনায় ৭ জনের মৃত্যু: নতুন সনাক্ত ৩০৬

 

কেসিসি’র ২০২১-’২২ এর ৬০৮ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

খুলনা সিটি কর্পোরেশন ২০২১-২২ অর্থ বছরের জন্য ৬০৮ কোটি ২ লাখ ৫৬ হাজার টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে। কেসিসি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বৃহস্পতিবার দুপুরে নগর ভবনের শহীদ আলতাফ মিলনায়তনে এ বাজেট ঘোষণা করেন। প্রস্তাবিত এ বাজেটে রাজস্ব ব্যয় ধরা হয়েছে ১৯৮ কোটি ৮৫ লক্ষ ৯৩ হাজার টাকা এবং সরকারি বরাদ্দ ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা হতে উন্নয়ন খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪০৯ কোটি ১৬ লাখ ৬৩ হাজার টাকা।

গত ২০২০-২১ অর্থ বছরে বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫০৪ কোটি ৩১ লাখ ২২ হাজার টাকা। সংশোধিত বাজেটে এর আকার দাঁড়িয়েছে ৩৬৯ কোটি ১৯ লাখ ২৬ হাজার টাকা। লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ৭৩.২০ শতাংশ। বাজেট ঘোষণাকালে সিটি মেয়র বাজেটের মূল বৈশিষ্ট্যগুলো তুলে ধরে বলেন, বাজেটে এবারও নতুন কোন কর আরোপ করা হয়নি। বকেয়া পৌরকর আদায়, নবনির্মিত সকল স্থাপনার ওপর প্রচলিত নিয়মে কর ধার্য্য এবং নিজস্ব আয়ের উৎস সম্প্রসারণের মাধ্যমে কর্পোরেশনের আয় বৃদ্ধির পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এটি একটি উন্নয়নমূখী বাজেট।

বাজেটে সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন, বর্জ্যব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, নাগরিকসেবা সম্প্রসারণ, কোভিড-১৯ প্রতিরোধ, মশকনিধন, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, ধর্মীয় উপাসনালয়-পার্ক-বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-রাস্তাঘাট উন্নয়ন, কেসিসি’র বিভিন্ন দপ্তর আধুনিক প্রযুক্তির আওতায় আনা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থাপনার উন্নয়ন বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। মেয়র বলেন, কেসিসি একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। এটি কেবল সরকারি বা বিদেশি সাহায্য ও ঋণের ওপর নির্ভরশীল থাকতে পারে না। কেসিসিকে নিজস্ব আয়ের ওপর নির্ভর করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে।

মেয়র জানান, কেসিসির নিজস্ব সংস্থাপন ব্যয় মিটিয়ে এবং ব্যয় সংকোচন করে রাজস্ব তহবিল হতে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক খাতে মোট ৫১ কোটি ৯৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব খাত থেকে উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩৮ কোটি ৪৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। অবকাঠামো ও রাস্তাঘাট উন্নয়নের সাথে সাথে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রাজস্ব তহবিল থেকে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা। মানববর্জ্য উন্নয়ন এবং মশক নিধনের জন্য কঞ্জারভেন্সি খাতে ১১ কোটি ৮০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এডিপির জন্য থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫৫ কোটি টাকা।

উক্ত বরাদ্দ হতে পূর্ত খাতে ২৭ কোটি ৯৪ লাখ টাকা, নগরীতে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের দায়িত্ব খুলনা ওয়াসার হলেও বিশেষ প্রয়োজনে জরুরি পানির চাহিদা মেটানোর জন্য গভীর ও অগভীর নলকূপকে সাবমারসিবল পাম্পে রূপান্তর করার জন্য এখাতে ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ভেটেরিনারি খাতে ৫০ লাখ টাকা, জনস্বাস্থ্য খাতে ১০ কোটি ২ লাখ টাকা, কঞ্জারভেসি খাতে ১৫ কোটি ৭৯ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বিভিন্ন দাতা সংস্থার ১৫টি উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে এবং চারটি প্রকল্পের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

এসব প্রকল্পে ২০২১-২০২২ অর্থ বছর ১৫৩ কোটি ১৬ লাখ ৬৩ হাজার টাকার উন্নয়ন সহায়তা পাওয়ার আশা করা যায়। জাতীয় এডিপিভুক্ত তিনটি প্রকল্পে ২০১ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বাজেট অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেসিসির অর্থ ও সংস্থাপন বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও কাউন্সিলর শেখ মোঃ গাউসুল আজম।

এ সময় কেসিসির প্যানেল মেয়র, কাউন্সিলর, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তা, কেসিসির উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রূপসায় ভাতার টাকা আত্মসাতের মিথ্যা অভিযোগের  প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

 

আমির মোল্লা।। এই সেই বেইমান আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বাদী

 

শরীয়তপুরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্রের মামলার বাদী ছিলেন জাজিরা উপজেলার পালেরচর ইউনিয়নের ফাজিল মোল্লা ছেলে আমির হোসেন মোল্লা বুক ফুলিয়ে এই বাংলার জমিনে নিশ্চিন্তে ওরা বসবাস করছে মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) এ বিষয়ে মুখ খুললেন পালেরচর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক আকন্দ। আমরা স্বাধীনতা বিরোধীদের চিন্হিত করেছিলাম।

এক সময় স্বাধীনতা এন্ট্রি একজন আমাদের দেশে (পালেরচর) ছিলো। সে আগরতলা ষড়যন্ত্রের মামলার সাথে জড়িত ছিলো। আমির মোল্লা যে মুজিবকে হত্যার জন্য মুজিবের বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্রের মিথ্যা মামলা করেছিলো। বাঙালি জাতিসহ আমার এলাকার কেউ মামলা মানেনি , মানতে পারে নাই। বর্তমানে আমির মোল্লাকে ধরার জন্য আমাদের দেশের যুবক শ্রেণী, মুক্তিযুদ্ধারা স্বাধীনতার বিপক্ষের লোকজন বাড়ি-বাড়ি গিয়ে অনেক খোঁজা খুঁজি করছে।

ঐ সময় তাকে ধরতে পারলে জীবন্ত কবর দিতো কিন্তু পায়নি। শেখ মুজিবরের বিরুদ্ধে এতো বড় একটি ষড়যন্ত্রের মামলা কেউ মানতে পারে নাই। সবার ধারণা ছিল, ওকে ধরতে পারলে জ্যান্ত কবর দিবে কিন্তু তাকে খুঁজে পায় নাই। সেই আমির হোসেন মোল্লা উধাও হয়ে গেলো দেশ থেকে। এই দেশে তার কোন বাড়ি ঘর নাই। তার বাবার নাম ছিলো ফাজিল মোল্লা তাদের বাড়ি-ঘর পদ্মা নদীতে ভেঙে নিয়ে গেছে।

ভেঙে নেয়ার পরে সে এই দেশে আর বাড়ি-ঘর করে নাই। তারা ঢাকার শহরে চলে গেছে। ঢাকা শহরে গিয়ে আমির মোল্লা সে বিভিন্ন পর্যায়ে ষড়যন্ত্র করতে চেষ্টা করেছে, কিন্তু পারে নাই। সে অপরিচিত জায়গায় লুকায়িত ছিলো। যদি কেউ জানতে পারতো সে কথায় আছে তাহলে তাকে জ্যান্ত কবর দিতো। খুবই দুঃখজনক আমাদের দেশে স্বাধীনতার এন্ট্রি এমন একটি লোক যে শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করছে! এমন একটা লোক এখানে জন্ম হয়েছে একথা বলতে আমার খুব কষ্ট হয়।

কিভাবে এটা করলো? তিনি আরও বলেন, আগরতলা ষড়যন্ত্রের মামলার সাথে জড়িত হয়ে সে তছনছ করার চেষ্টা করেছিলো। ইনশাআল্লাহ সে পারে নাই। মিথ্যা-মিথ্যাই, প্রমাণ করতে পারে নাই। যে কারণেই বাংলার যুবকরা তাকে ধরার জন্য আনাচে কানাচে খোঁজাখুঁজি করেছিল। তাকে ধরতে পারে নাই। লুকিয়ে ছিলো ঢাকার শহরে। তারপর শুনছি তার স্ত্রী মারা গেছে। পরে সে বিয়ে করেছিল এক হিন্দু মেয়ে। ঐ হিন্দু মেয়ে নিয়ে ঢাকার শহরে থাকতো, এখন কোথায় বাসা আছে আমি জানি না।

তবে তার হিন্দু স্ত্রীর ঘরে বাচ্চাকাচ্চা আছে। কিন্তু তাদের সন্ধান আমার জানা নেই। সবাই জানতো আমির হোসেন মোল্লা, বিশ্ব ব্রেইনী, বিশ্ব ক্রিমিনাল, বিশ্ব বাটপার এলাকায় এই ধরনের নামে আখ্যায়িত ছিলো। আমির হোসেন মোল্লা গরিবেরচর ইউনিয়নে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি তৈরি করতে চেয়েছিলো,কিন্তু এখানে সে সুবিধা করতে পারে নাই। কারণ এখানে স্বাধীনতার পক্ষের লোক বেশি ছিলো। তাদের বসতভিটা নদী ভেঙে নেয়ার পর সে রুপবাবুর হাট মল্লিকবাড়িতে একবার এসেছিল।

 

মৃত্যুর বিস্তারিত বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এই মুহূর্তে বলতে পারছিনা। আমি যদি এই রহস্য উদঘাটন করতে পারি, সে কখন মারা গেলো, কিভাবে মারা গেলো। তাহলে আমি পরবর্তীতে আপনাদের অবহিত করবো। ফাজিল মোল্লার বংশের এখানে কেউ নাই। তার বংশের সবাই ঢাকা থাকতো। সবাই মারা গেছে বলে জানান তিনি। এসময় এলাকার অনেক মানুষ তার কথা গুলো মনোযোগ দিয়ে শুনছিলো।

সেই সাথে এলাকার নবীন ও প্রবীণ অনেকেই এঘটনা শুনেছেন বলে জানান।

উল্লেখ, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা পাকিস্তান আমলে পূর্ব পাকিস্তানে দায়ের করা একটি রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা ছিলা তৎকালীন পাকিস্তান সরকার আওয়ামী লীগ নেতা ও পরবর্তীকালে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমানসহ ৩৫জন বিশিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করেছিল।

// স্টাফ রিপোর্টার, মোঃ ইকবাল মোরশেদ //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

Daily World News

কুমিল্লায় ১০০ কেজি গাঁজা নিয়ে ২ জন মানুষ কি করল দেখুন

অবশেষে সমঝোতা।। বরিশালের আলোচিত ইউএনওর বাসভবনের হামলার ঘটনা

 

সম্প্রতি বরিশালে ইউএনওর বাসভবনে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের বিষয়টি অবশেষে সমঝোতা হয়েছে। বরিশালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনের ঘটনাকে ভিন্ন দিকে না নিতে পারে সেজন্য মেয়র ও প্রশাসনের মধ্যে সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল রোববার রাতে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সমঝোতা হয়।

বৈঠকে বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনিবুর রহমান, বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল হাসান বাদল, মেট্রোপলিন পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান, জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এসময় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুসসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগের নেতারাও উপস্থিত ছিলে।

এর আগে দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংকালে সমঝোতার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। রবিবার সচিবালয়ে নিজ কক্ষে তিনি এ মন্তব্য করেন। এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, বরিশালের ঘটনাটি ভুল বোঝাবুঝি থেকে হয়েছে। এটা এখন নিরসনের পথে। উভয় পক্ষ নিজেদের অবস্থান থেকে নিরসনের চেষ্টা করছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, বর্জ্য অপসারণের বিষয়ে অভিযোগের পরও তারা কিন্তু কাজ করেছে। প্রতিবাদ মিটিং-মিছিল ছিল, সেটাতো বন্ধ হয়েছে। হয়তো প্রশাসন ও মেয়র পরস্পরের মধ্যে কিছু আলোচনা হয়েছে। তারা হয়তো একটা আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ে এসেছে। মেয়রতো একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। স্বাভাবিকভাবেই তিনি একজন দায়িত্বশীল মানুষ। তারা বুঝেছে, এটা নিজেদের মধ্যে একটা মিস আন্ডারস্ট্যান্ডিং। এটা কারও জন্যই শুভকর না।

তিনি বলেন, স্বাভাবিকভাবে ভুল বোঝাবুঝিই হয়েছে। আপনারা কি অন্য কিছু মনে করেন নাকি? সব ঘটনাই ভুল বোঝাবুঝি থেকেই হয়।

বরিশালের ঘটনায় মেয়রকে প্রধান আসামি করে মামলা দেয়ার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, মামলা করাটা অস্বাভাবিক কিছু না।

প্রসঙ্গত, পোস্টার-ব্যানার অপসারণকে কেন্দ্র করে গত বুধবার রাতে সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সাথে পুলিশের হামলা-সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অর্ধ-শতাধিক মানুষ গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়।

//পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

বরিশালের ঘটনায় অবশেষে সমঝোতা

 

 

তিন বিয়ে হওয়ার পরেও মুক্তা এখনো কুমারী…!!!

 

যে নারীরা পুরুষের সাথে যে কোনো ভাবেই কোনো শারিরীক সম্পর্কে লিপ্ত হননি এবং বিয়ে বসনি সেই সব নারীদের কুমারী নারী বলে। কিন্তু লাকসামে ৩ বিয়ের পরও কন্যা কুমারী দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। সিপি মামলা নং- ৮৩৯/২০, তারিখ-২৫-১০-২০২০ইং ও পিবিআই হেডকোঃ স্মারক নং-৩০৫৮, তারিখ-২২/১২/২০২০ইং তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়:

১ম বিয়ে:

২০১২ সালে ঢাকাতে নড়াইলের জনৈক মনিরুজ্জামান মনিরের সাথে ইসরাত জাহান মুক্তার বিয়ে হয়। সেই সংসারে জনৈক মনিরের ঔরসে মুক্তার গর্ভের মোঃ নাহিয়ান আব্দুল্লাহ মাহিম নামে এক ছেলে আছে তার বয়স অনুমান ৫ বছর হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রথম বিয়েতে মুক্তার দাবি ছিল কুমারী।

২য় বিয়ে:

লাকসাম পৌরসভার উত্তর লাকসাম মহল্লার উত্তর বাজার পৌড়সভার পিছনে উত্তর পাশের বাড়ির মোঃ আমিন মিয়ার ছেলে মোঃ ইমন হোসেনের সাথে ২০১৯ সালের ৪ জুলাই ইসরাত জাহান মুক্তার ২য় বিয়ে হয়। বিয়ে রেজিষ্ট্রি করেন লাকসাম পৌরসভার ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের কাজী মাওলানা মোঃ মহি উদ্দিন। দ্বিতীয় বিয়ের কাবিনে মুক্তা নিজেকে কুমারী দেখান।

৩য় বিয়ে:

২০১৯ সালের ২২অক্টোবর লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ আবদুল আলীর সাথে ইসরাত জাহান মুক্তার ৩য় বিয়ে হয়। ডাঃ আবদুল আলী বর্তমানে মনোহরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে কর্মরত। বিয়ে রেজিষ্ট্রি করেন লালমাই উপজেলার বেলঘর দক্ষিণ ইউনিয়নের কাজী মাওলানা নুর মোহাম্মদ। তৃতীয় বিয়েতেও মুক্তা নিজেকে কুমারী দেখান।

ইসরাত জাহান মুক্তা লক্ষীপুর সদর উপজেলার পেয়ারাপুর গ্রামের মোঃ মানিক হোসেনের কন্যা।

স্থানীয় সূত্রে আরোও জানা যায়, ২০১২ সালের আগে মুক্তার নিজ গ্রামের সুমন হাওলাদার নামে এক ছেলেকে বিবাহ করে, সুমন হাওয়ালাদার বর্তমানে প্রবাসে রয়েছে। এ ব্যাপারে ৩নং বিয়ে রেজিষ্টারকারী কাজী মাওলানা নুর মোহাম্মদ বলেন, কনের আগে কতবার বিয়ে হয়েছে তা আমার জানার কথা না, আমাকে বলেছে কনে কুমারী তাই কাবিনে কুমারী লেখা হয়েছে।

তিন বিয়ের পর নিজেকে কুমারী দাবিকারী ইসরাত জাহান মুক্তার মোবাইলে কল করলে রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

৩/৪ বিয়ের পরও একজন নারী কিভাবে কুমারী থাকে তা নিয়ে কুমিল্লার লাকসাম ও লক্ষীপুর সদর উপজেলায় স্থানীয়দের মাঝে আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

সুত্রঃ সাপ্তাহিক সবুজপত্র ও আলোর দিশারী।

//স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ ইকবাল মোরশেদ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

Daily World News

খুলনায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদন্ডের আদেশ

নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে বৃৃক্ষের চারা বিতরণী অনুষ্ঠান

Md. Pikul Islam  //মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি//
যশোর যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ২২ আগষ্ট (রবিবার) দুপুর ১২টায় প্রেসক্লাব অডিটোরিয়ামে এলাকাবাসীর মাঝে বৃৃৃৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয়েছে ৷
নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে বৃৃক্ষের চারা বিতরণী অনুষ্ঠান
নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতি নজরুল ইসলাম মল্লিকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ-সম্পাদক মো.মোজ্জাফর আহমেদ এর পরিচালনায় বৃৃৃৃক্ষচারা বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ-ফরিদ জাহাঙ্গীর ,বিশেষ অতিথি এস আই মাসুদ রানা ৷ বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, প্রেসক্লাবের উপদেষ্টাঃ এস এম ফারুক আহমেদ সহ-সভাপতিঃ এস এম মুজিবুর রহমান, যুগ্ন-সম্পাদকঃ সৈয়দ জাহিদ মাসুদ তাজ, সহ-সাধারণ সম্পাদকঃ কামরুল হাসান, কোষাধ্যক্ষঃ মোঃ মফিজুর রহমান, ক্রীড়া ও সাংস্কৃৃতিক সম্পাঃ-এম এম আলাউদ্দিন, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাঃ মোঃ সেলিম হোসেন, তথ্য প্রযুক্তি ও আইন বিষয়ক সম্পাঃ তারিম আহমেদ ইমন, নির্বাহী সদস্যঃ গাজী রেজাউল করিম ও প্রেসক্লাবের অন্যান্য সদস্যবৃৃৃৃন্দ ৷