Category: বাংলাদেশ
Bangladesh
গ্রাম বাংলার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন বর্তমান সরকার: সালাম মূশের্দী এমপি
বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থা ও জনপ্রিয় সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূশের্দী মানব সেবার ব্রত নিয়ে তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা নির্বাচনী এলাকায় গ্রাম বাংলার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে কাজ চলমান রয়েছে।
খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদীর নির্বাচনের সময় ইস্তেহার ছিল তার নির্বাচনী এলাকায় সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার। নির্বাচনী এলাকার এ তিন উপজেলায় সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে সাংসদের এস্তেহার এখন বাস্তবায়নের পথেই।জানা যায়, নিরাপদ পানি পানের সুযোগ এখনও সীমিত। বিশ্বে সবচেয়ে বেশি আর্সেনিক দূষণ আক্রান্ত মানুষের বসবাস বাংলাদেশে। এছাড়া পানিতে ম্যাঙ্গানিজ, কোরাইড ও লৌহ দূষণের কারণেও খাওয়ার পানির মান খারাপ থাকে।বাংলাদেশের এক তৃতীয়াংশ পানির উৎসে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত মানের চেয়ে বেশি মাত্রায় ম্যাঙ্গানিজের উপস্থিতি পাওয়া যায়।
মলের জীবাণু রয়েছে এমন উৎসের পানি পান করছে ৪১ শতাংশের বেশি মানুষ। নগরবাসী সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে বলে ২০১৩ সালের জরিপে বলা হয়েছে। শহরালয়ের এসব পরিবারে যে পানি খাওয়া হয় তার এক তৃতীয়াংশেই উচ্চমাত্রার ই-কোলাই ব্যাক্টেরিয়া থাকে, যা ডায়রিয়ার অন্যতম কারণ।জরিপের তথ্যমতে, প্রতি পাঁচটি পরিবারের মধ্যে দুটি, অর্থাৎ বাংলাদেশের ৩৮ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়া দূষিত উৎসের পানি পান করে।
সালাম মূর্শেদী তার নির্বাচনী এলাকা রূপসা,তেরখাদা ও দিঘলিয়ার জনগণের সুরায় সর্বাপো গুরুত্ব দিয়েছেন নিরাপদ পানির উপর। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের বাস্তবায়নের মাধ্যমে নানাবিধ প্রকল্পের দ্বারা নির্বাচনী অঙ্গিকার আজ শতভাগ দৃশ্যমান চোখে পড়ে।
এই তিন উপজেলায় (রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া) ২ হাজার ৫ শতটি গভীর নলকূপ,রেইন ওয়াটার হারভেষ্টিং ১ হাজার ১ শতটি ও কমিউনিটি ল্যাট্রিন ৩০টি স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হচ্ছে।রূপসা কলেজ সংলগ্ন স্থাপিত ওয়াটার প্ল্যান্টের পাইপ লাইনের মাধ্যমে ১০ কিঃ মিটারের মধ্যে বসবাসকারী মানুষের জন্য বিশূদ্ধ পানি সরবরাহ করা হচ্ছে।
সুপেয় নিরাপদ পানি নিশ্চিতকল্পে রূপসায় স্থাপিত হচ্ছে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট। গত ২৯ মে উপজেলার শ্রীফলতলা ইউনিয়ন পরিষদে স্থান নির্ধারণ ও লে-আউট করা হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ৪২ লাখ টাকা। নির্মাণ কাজ শেষ হলে দুটি ট্যাংকির মাধ্যমে প্রতি ঘন্টায় তিন হাজার লিটার সুপেয় নিরাপদ পানি ফিল্টার করা হবে। যা এলাকাবাসী পান করতে পারবে। পাশাপাশি এ সকল এলাকার শতাধিক পুকুর পুনঃখননেরও কাজ দ্রুত গতিতে চলছে। যার দরুন বিগত ৪মাস ধরে অনাবৃষ্টি ও অতি খরায় দেশের মানুষ যখন অতিষ্ঠ তখন এ অঞ্চলের মানুষ স্বস্থির নিঃশ্বাস ছেড়েছে।
এছাড়াও রূপসা,তেরখাদা, ও দিঘলিয়া উপজেলার নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় রূপসা ও তেরখাদায় প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে ১টি করে মোট ২টি রীভার অসমোসিস প্ল্যান্ট হাউজ স্বল্প সময়ে মধ্যে স্থাপন করা হবে।প্রতিটি এই প্ল্যান্টে ঘন্টায় ৩০ লিটার পানি বিশুদ্ধ করা যাবে।
খুলনা-৪ আসনের এমপি আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেন, নিরাপদ পানি ও উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গ্রাম বাংলার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বর্তমান সরকার।
“গ্রাম হবে শহর” এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমি আমার নির্বাচনী এলাকায় মানুষের উন্নয়নে সকল প্রকার উন্নয়ন কর্মকান্ডে আমার নির্বাচনী এস্তেহার অনুযায়ী সকল কর্মযজ্ঞে সামিল থাকব।তিনি আরও বলেন, গ্রাম বাংলায় মানুষ পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রতি বছর অসংখ্য মানুষের জীবন বিপন্ন হত। যে কারণে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী এস্তেহার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে খুলনা-৪ আসনের বিভিন্ন এলাকায় সুপেয় পানিয় নিরাপদ স্যানিটেশন ব্যবস্থার লক্ষ্যে নানামুখী পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হচ্ছে।
তেরখাদা উপজেলা জনস্বাস্থ্য উপ সহকারী প্রকৌশলী মো: রাসেল বলেন, এমপি আব্দুস সালাম মূর্শেদী মহাদয়ের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বলেন, এমপি দিক নির্দেশনায় প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে, প্রকল্প শেষ হলে উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় বিশুদ্ধ পানি ও নিরাপদ স্যানিটেশন নিশ্চিত হবে। যার দারুন উপজেলাবাসী সকল দিক থেকে ভাবে উপকৃত হবে।
সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদীর ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক দিক নির্দেশনায় ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট প্রকল্পের আওতায় এ কাজ বাস্তবায়িত হচ্ছে। এতে ব্যয় হবে ৪২ লাখ টাকা। নির্মাণ কাজ শেষ হলে দুটি ট্যাংকির মাধ্যমে প্রতি ঘন্টায় তিন হাজার লিটার সুপেয় নিরাপদ পানি ফিল্টার করা হবে। যা এলাকাবাসী পান করতে পারবে।
//আ. রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//
রূপসার শ্রীফলতলা ইউনিয়নে সালাম মূশের্দী সেবা সংঘের মাক্স বিতরণ
এস এম মোস্তফা রশিদী সুজা’র মৃত্যুবার্ষিকী।। ছাগলাদাহ ইউনিয়নে দোয়া মাহফিল
এনআইডি অথবা জন্ম নিবন্ধন কার্ড নিয়ে গেলেই পাবে করোনা টিকা : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
করোনা প্রকোপ রোধে টিকার বিকল্প নাই তাই অনলাইন রেজি: ছাড়া যত সহজে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা যাবে তত তাড়াতাড়ি টিকা জনগনের কাছে পৌচাবে । টিকা দেওয়ার বিষয়ে আমরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘আমরা ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদে টিকাকেন্দ্র স্থাপন করছি। যেখান থেকে ইউনিয়নের সমস্ত লোকজন, আপামর জনসাধারণ যারা টিকা নিতে চান, তারা ওখানে এসে টিকা নিতে পারবেন। তারা এনআইডি বা জন্ম নিবন্ধন কার্ড নিয়ে আসলেই টিকা দিতে পারবেন।’
আজ সচিবালয়ে ‘লকডাউন’ সম্পর্কিত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মন্ত্রী। এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদ নেই, তাদেরও একটি বিশেষ ব্যবস্থায় নিবন্ধন করে টিকা দিয়ে দেওয়া হবে, স্পটেই।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁনের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা, সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী, পুলিশ ও র্যাবসহ প্রশাসনের প্রতিনিধিরা।
//অনলাইন নিউজ//
লকডাউন কবে শেষ হচ্ছে ? জানালেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
২৩ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে প্রাণঘাতি করোনা ভারোসের বিরুদ্ধে লকডাউন। যা চলবে ৫ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত।
চলমান লকডাউনে সব সরকারি, বেসরকারি অফিস, শিল্প কারখানা, পোশাক শিল্পসহ সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। টানা এই ১৪ দিনের লকডাউনে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে মানুষের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। অপ্রয়োজনে বাইরে বের হলেই করা হচ্ছে জেল জরিমানা। এমতাবস্থায় জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা।
আগামী ৫ আগস্টের পর লকডাউন তুলে নেওয়া হবে কিনা? এমন এক প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ধীরে ধীরে সব খোলা হবে। একবারে না। ধাপে ধাপে সব খোলা হবে। এক সঙ্গে সব খোলা হবে না।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের সবারই সবার জায়গা থেকে চেষ্টা করা উচিত। আমরা তো এভাবে বাঁচতে পারব না। আমাদের মাস্ক পরতে হবে, কাজও করতে হবে। আমাদের টিকার সংকট কেটে গেছে। এখন সবাইকে টিকার আওতায় আনা হবে। তাহলে কি অর্ধেক জনবল নিয়ে প্রথম দিকে অফিস খোলা হবে এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, হ্যাঁ এরকমই।
দুএক দিনের মধ্যে গার্মেন্টস খোলার কোন সম্ভাবনা রয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ মাসে সম্ভাবনা খুবই কম। সবাইকে আমরা নিয়ন্ত্রণে আনতে চাচ্ছি। দুই সপ্তাহ পরে গার্মেন্টস খুলে দেব। রপ্তানিমুখী সবগুলো শিল্প কারখানা খুলে দেব।
আগামী ১ আগস্ট থেকে খোলা হবে কি না এবিষয়ে বলেন, পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত হবে।
এদিকে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, লকডাউনের বিষয়ে অনেকের অনীহা আছে। কিন্তু অনীহা হলে চলবে না। আগে জীবন বাঁচবে তারপর অর্থনীতি। আগে আপনি বেঁচে থাকুন, তার পর আপনার অর্থনীতি। অর্থনীতি দিয়ে কি করবেন? অর্থনীতিকে বাঁচাতে হলে জীবন বাঁচাতে হবে। জীবন বাঁচাতে হলে আপনাদের লকডাউন মানতে হবে এবং ভ্যাকসিন নিতে হবে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে, মাস্ক সবাইকে পরতে হবে। কিন্তু আমরা দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করছি লকডাউন আজ চারদিন চলছে, কিন্তু রাস্তাঘাটে যেভাবে মানুষ চলাচল করছে, গাড়ি বের হচ্ছে, আমরা তাতে খুবই দুঃখিত। তারা লকডাউন ব্রেক করছে। তারা নিজেরা নিজেদের ক্ষতি করছেন।
মন্ত্রী বলেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে লকডাউনের বিকল্প কিছু নাই। লকডাউন মানাতে হবে। লকডাউন বাস্তবায়নে যারা দায়িত্বে আছেন তাদের আরো কঠোর হতে হবে। জনগণকে একটু সচেতন হতে হবে। বয়স্করা যেন ভ্যাকসিন নেন, টেস্ট করান এটা নিশ্চিত করতে হবে। যেখানে সংক্রমিত হচ্ছে সেখানে যেন বয়স্করা না যায়। সংক্রমণ না কমলে রোগী কমবে না, রোগী না কমলে মৃত্যু কমবে না এবং হাসপাতালে জায়গা হবে না এটিই বাস্তবতা।
লকডাউন না হলে মৃত্যু ছয়শো বা আটশো হত: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
লকডাউন বা বিধিনিষেধ কঠোরভাবে কার্যকর না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতো বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।
বাংলাদেশে লকডাউন বা বিধিনিষেধ কার্যকর করার প্রভাবে করোনাভাইরাসে সংক্রমণ এবং মৃত্যুর সংখ্যা এক জায়গায় থেমে গেছে বলে সরকার মনে করছে।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, আগামী সপ্তাহে আবারও পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সীমান্ত এলাকাগুলোতে সংক্রমণ বৃদ্ধির মুখে গত এপ্রিল মাসে স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন জায়গায় লকডাউন দেওয়া হয়েছিল।
কিন্তু সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লে ১ জুলাই থেকে দুই সপ্তাহের জন্য ঢাকাসহ সারাদেশকে বিধিনিষেধের আওতায় নেওয়া হয়েছিল। ঈদের সময় সাতদিন বাদ দিয়ে আবার ২৩শে জুলাই থেকে দুই সপ্তাহের লকডাউন বা ‘কঠোর বিধিনিষেধ’ এখন চলছে। সূত্র: যুগান্তর।
//অনলাইন নিউজ//
সকল মামলার জামিনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে : সুপ্রিম কোর্ট
দেশে যোগ হচ্ছে আরও তিনটি উপজেলা
দেশে যোগ হচ্ছে আরও তিনটি উপজেলা। এ নিয়ে দেশে মোট উপজেলা হচ্ছে ৪৯৫টি। এ ছাড়া একটি উপজেলার নাম পরিবর্তন করা হয়েছে।
সোমবার প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে করে নিকার ও মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।
নতুন উপজেলাগুলো হলো কক্সবাজারের ঈদগাও থানা, মাদারীপুরের ডাসার থানা এবং সুনামগঞ্জের মধ্যনগর থানা।এ ছাড়া সুনামগঞ্জের দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার নাম পরিবর্তন করে শান্তিগঞ্জ করা হয়েছে। সূত্র: যুগান্তর
//অনলাইন নিউজ//
রূপসায় ঘর ও নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনে স্থানীয় সরকার বিভাগ
//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//
খুলনার রূপসা উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া আঠারোবেকী নদীর বুকে হারিয়ে গেছে হাজারও বাড়ি ঘর ও কৃষি জমি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যায়ে নদীটি খনন করেন। নদী খননের তীরে গড়ে তুলা হয় মুজিববর্ষের উপহার গৃহহীন ও ভূমিহীনদের ঘর।
প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর গুলো ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য ইতি মধ্যে ভাঙ্গন রোধ করার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহন করেছেন জেলা প্রশাসক।
গত সোমবার দুপুরে সরকারি ঘর পরিদর্শনসহ পুটিমারী, সামন্তসেনা ও নেহালপুরসহ ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরির্দশনে আসেন জেলা প্রশাসক এর স্থানীয় সরকার বিভাগের মো. ইকবাল হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাছনিম, মোংলা বাগেরহাট অঞ্চলের পাউব’র উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী কৃষ্ণান্দ বিকাশ সরকার, উপজেলা প্রকৌশলী এস এম ওয়াহিদুজ্জামান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফ হোসেন, পাউব এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. হুরাইয়া প্রমূখ।
পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভাঙন কবলিত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধে কাজ শুরু করা হবে।
করোনায় বরিশাল ৫নং ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতির মৃত্যু
অভয়নগরে শশুর বাড়িতে বেড়াতে এসে জামাতার রহস্যজনক মৃত্যু
যশোরে মৈত্রী ভলান্টিয়ার্সদের দুঃসাহসীক মানবিক অভিযান
বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আঘাতে সারাবিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশওআজ ক্ষতবিক্ষত। বিশেষ করে ভারতের সীমান্তবর্তী জেলা যশোরের অবস্থা দেশের অন্য জেলার থেকে একটু বেশি শোচনীয় । আর তাই যশোর জেনারেল হাসপাতালে করোনা রোগী ধারণের সক্ষমতা না থাকায় হাসপাতালের বারান্দায়,পথের ধারে,অ্যাম্বুলেন্সে বা ভ্যানের পরে করে করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা নিতে দেখা গেছে।
ফলে হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে একটি শয্যা পাওয়া রীতিমত সোনার হরিণের মতো হয়ে দাঁড়ায়। একদিকে হাসপাতালের স্বল্প সংখ্যক ডাক্তার, নার্সসহ চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিতদের অসহায়ের মতো আত্মসমার্পণ অন্যদিকে করোনার চিকিৎসার জন্য অতি প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের সরবরাহ ও আইসিইউ এর ব্যবস্থা না থাকায় রীতিমত চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল সমগ্র যশোরবাসীর জন্য।
তাই অনেক সচ্ছল, অসচ্ছল ও পিছিয়ে পড়া হতদরিদ্র করোনা আক্রান্ত রোগীকে বাধ্য হয়েই নিজের বাসায় থেকে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। চিকিৎসা ব্যবস্থার এমনই লাজুক পরিস্থিতিতে চারিদিকে শুধু করোনায় আক্রান্ত রোগীদের মৃত্যুর বিশাল মিছিল আর অক্সিজেনের অভাবজনিত কারণে করোনার রোগীদের অক্সিজেন স্বল্পতার কারণে বেঁচে থাকার যে আপ্রাণ চেষ্টা লক্ষ করা যায় তাতে জনজীবনে দুর্বিসহ শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। করোনা আক্রান্ত রোগী ও স্বজনদের দীর্ঘশ্বাসে সমগ্র যশোরের আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত।

সরকারি – বেসরকারি বড় বড় হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠান করোনার এই ক্রান্তিলগ্নে চিকিৎসা সেবা দিতে অনেকাংশেই ব্যর্থ। ঠিক জাতির এমনই একটি দুঃসময়ে যশোরের আপামর জনগণের ত্রাতা হয়ে হাজির হয়েছে মৈত্রী ভলেন্টিয়ার্সদের ২০/২৫ জন স্বেচ্ছাসেবক । ২৭ জুন থেকে শুরু করে অদ্যাবধি তারা করোনা আক্রান্ত রোগী ও তাদের পরিবারের পাশে আছে।
তাদের যাত্রাটা শুরু হয়েছিল শূণ্যহাতে।শূন্যহাতে যাত্রা শুরু করে আজ তারা যশোরবাসীর আস্থার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।যশোর শহরের ভিতর যদি কারো অক্সিজেন প্রয়োজন হয় তাহলে সর্বপ্রথমেই মানুষ স্মরণ করছে মৈত্রী ভলান্টিয়ার্সদের।একইভাবে খাদ্য সংকটে অথবা করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা সংকটে পড়ে ডাক্তারের পরামর্শের প্রয়োজন হলে টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছে তাদের সমমনা কিছু অভিজ্ঞ ডাক্তারবৃন্দের নিকট থেকে ।
আর এই বিশাল কর্মযোগ্য সম্ভব হয়েছে অসংখ্য মানুষের ভালবাসা ও মৈত্রী ভলেন্টিয়ার্সদের ঐকান্তিক চেষ্টা, শ্রম,মেধা এবং সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার জন্য। গতবছর করোনা শুরু থেকে আজ পর্যন্ত মৈত্রী ভলেন্টিয়ার্সরা স্বাস্থ্যসেবা, খাদ্য ও পোশাক সহায়তা,মাস্ক বিতরণ, করোনা টীকা গ্রহনের জন্য রেজিষ্ট্রেশনসহ অক্সিজেন সেবা দিয়ে যাচ্ছে। তাদের কাছে অক্সিজেন সিলিন্ডার আছে ১১২ টি।এই সিলিন্ডারের মাধ্যমে ৩৩৮ জনকে ৯৯৭ বার অক্সিজেন সেবা দিয়েছেন।
সেবা দেওয়া ৩৩৮ জনের মধ্যে ২৯ জনকে একাধিকবার অক্সিজেন সেবা দিলেও করোনার হাত থেকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।বাকি ৩০৯ জন সুস্থতার দিকে। মৈত্রী ভলেন্টিয়ার্সদের মহা কর্মযোগ্যে ১৬৭০ জন দেশ-বিদেশের মানবিক বন্ধু সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে তাদের কার্যক্রমকে গতিশীল করেছেন।
তাদের এই মানবিক কার্যক্রমকে চলমান রাখার জন্য সমাজের বিত্তবানসহ সকলের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।
সহযোগিতার হাত বাড়াতে চাইলে Moitry Volunteers, AC/NO- 01411200021525, First Security Islami Bank Ltd. Jashore Branch পাঠাতে পারেন অথবা 01713078267 বিকাশ নম্বরে আর্থিক সহায়তা পাঠাতে পারেন।
উল্লেখ্য যতদিন করোনার প্রার্দুভাব থাকবে ততোদিন মৈত্রী ভলেন্টিয়ার্সদের এই সামাজিক স্বেচ্ছাসেবকমূলক কাজগুলো চলমান থাকবে।আর তাই সকলের সহযোগিতা একান্ত কাম্য।
//স্বীকৃতি বিশ্বাস//
যশোরে ২ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
বাউফলে ৪বারের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহন: সংবর্ধনা আ’মীলীগের
শেখ সোহেল ও তার পরিবারের রোগ মুক্তি কামনায় রূপসায় দোয়া
খুলনা- ৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদীর পৃষ্ঠপোষকতায় ও উপজেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ সোহেল ও তার সহধর্মীনি শারিন জারা এর রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া মোনাজাত ১৯ জুলাই বিকালে উপজেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি কামাল উদ্দিন বাদশার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা কৃষকলীগ সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল।
উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ইমদাদুল ইসলামের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মিস্টার বাংলাদেশ আজাদ আবুল কালাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আইয়ুব মল্লিকবাবু, সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মোতালেব হোসেন, জেলা আওয়ামীলীগ সাবেক সদস্য আ: মজিদ ফকির, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম হাবিব, জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবিএম কামরুজ্জামান,দপ্তর সম্পাদক আকতার ফারুক, ইউপি চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর শেখ, স,ম জাহাঙ্গীর, সাবেক চেয়ারম্যান মোল্যা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান,উপজেলা স্বেচ্ছা সেবকলীগের সভাপতি রুহুল আমীন রবি, যুবলীগ নেতা আজিজুল হক কাজল, বিনয় কৃষ্ণ হালদার, আমজাদ হোসেন, তাহিদুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা ব্রজেন দাস, শাহনেওয়াজ কবির টিংকু, রতন মন্ডল, আবুল কালাম আজাদ, মাধুরী সরকার, নাজির হোসেন, আজমল ফকির, আজমল হোসেন, খালিদ হোসেন, জিয়া মোল্লা, শরিফুল ইসলাম সোহাগ, মোকলেস শিকদার, নাজমুল হুদা অঞ্জন, সাজ্জাত হোসেন, আলম খা, লিটন, বাবু শিকদার, প্রমুখ।
//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//
কালিয়ার হামিদুপুরের দুই গ্রামের লোকজন ঈদে বাড়ি ফিরতে না পারায় মানববন্ধন
মাহফুজুল হক বৃত্তি ফাউন্ডেশনের হোসেন্দী ইউপিতে ঈদ উপহার বিতরণ
মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলায় হোসেন্দী ইউনিয়নে ব্যাক্তিগত একটি সংগঠনের নিজস্ব তহবিল থেকে ২০০ পরিবারের মাঝে ঈদের উপহার সামগ্রী বিতরন করা হয়।
আজ সোমবার (১৯ জুলাই ) দুপুর ১২ টা নাগাদ হোসেন্দী ইউনিয়নের ভবানিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে ঈদ উপহার সামগ্রী মাহফুজুল হক বৃত্তি ফাউন্ডেশনের পক্ষ হতে বিতরণ করেন ইঞ্জিঃ তানভীর হক তুরিন। এ সময় তানভীর হক তুরিন বলেন এ করোনা কালীন মহাদুর্যোগের সময় সরকার সাধ্য মতো আপনাদের সহযোগিতা করে যাচ্ছে।
আমার পারিবারিক ভাবেও সাধ্য মতো করে যাচ্ছি ভবিষ্যতেও এ সহায়তা অব্যাহত থাকবে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ থেকে দেশ সম্পূর্ণভাবে মুক্তি না পাওয়া পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজ নিজ এলাকায় সার্মথ্যবান ব্যাক্তিদের সার্মথ্য অনুযায়ী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে হবে। ঈদ উপহার বিতরন করা প্রতিটি ব্যাগে আছে ৫ কেজি চাল, ২ কেজি সয়াবিন তেল, ২ কেজি পোলাউ চাউল, ২ কেজি চিনি, ২ কেজি সেমাই, ২ কেজি ডাল, ২ কেজি আলু। ঈদ উপহার বিতরন অনুষ্ঠানের উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া তদন্ত থানার ও.সি মো. আব্দুল জলিল, কুদ্দুস মেম্বার, আরিফ হোসেন, সরদার জাহাঙ্গীর প্রধান, জসিম, শফিক, শহিদ সহ স্থানীয় ব্যাক্তিবর্গ প্রমুখ।
//সৈয়দ মোঃ শাকিল, গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ//

সরকারি অফিসের কার্যক্রম ভার্চুয়ালি পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
//অনলাইন নিউজ ডেস্ক//
কোভিড-১৯ সংক্রমণ বিস্তার রোধে বিধিনিষেধ আরোপকালীন সময়ে সরকারি অফিসের সব কার্যক্রম ভার্চুয়ালি পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ রবিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বর্তমানে চলমান লকডাউনে জরুরি অফিস ও সেবা কার্যক্রম চালু রয়েছে। বন্ধ রয়েছে সকল সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিসসমূহ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি অফিসের দাফতরিক কাজসমূহ ভার্চুয়ালি (ই-নথি, ই টেন্ডারিং, ইমেইল, এসএমএসসহ অন্যান্য মাধ্যম) সম্পন্ন করতে হবে।
