পেশাদারিত্বের মধ্য দিয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অনিয়ম অপরাধ নির্মূল করাই আমাদের কাজ: ওসি মোশাররফ

 

পেশাদারিত্বের মধ্য দিয়ে আইন, পেশাগত দক্ষতা, নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পাশাপাশি জনগণের প্রতি সুশীল আচরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন বাংলাদেশ পুলিশ। দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করছেন খুলনা জেলার রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সরদার মোশাররফ হোসেন।

থানায় যোগদানের পর থেকেই টনক নড়েছে অপরাধীদের। সমাজের সকল ধরনের অপরাধ আর অপরাধীরা রয়েছে আতঙ্কে। প্রতিহিংসা ও লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে থেকে ভালোবাসা কোমলতা আর কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে পেশাদারিত্ব দায়িত্বের মধ্যে দিয়ে শুরু করেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাসহ নানা অনিয়ম অপরাধ নির্মূলের কাজ। সাধারণ মানুষের আস্থা আর নির্ভরতার থানা বাস্তবায়নে তিনি কাজ করে চলেছেন। ুযেখানে কোন রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক পরিচয়ে কোনও অনিয়ম, দুর্নীতিকে প্রশয় দেওয়া হয় না। যে কোনও অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া মাত্রই নেওয়া হচ্ছে কঠোর আইনি ব্যবস্থা। অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে ওসি মোশাররফ স্বপ্রণোদিত হয়ে যে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন তা এখনও চলমান আছে।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অনিয়ম অপরাধ নির্মূল করাই আমাদের কাজ: ওসি মোশাররফ

 

রাজনৈতিক পরিচয়ে অপরাধ করার কোনও সুযোগ তার কাছে নেই, দলীয়ভাবে কখনও কোনও অপরাধীকে রক্ষা করার ঢাল হিসাবে ব্যবহার করার বিন্দুমাত্র সুযোগ ওসি মোশাররফ দেন নাই এবং দেবেন না। কারণ পুলিশের কাছে অপরাধীর পরিচয় অপরাধীই। গুটি কয়েক মানুষের অপরাধের জন্য থানা পুলিশের অনন্য অর্জনগুলো স্লান হতে দিতে চান না। থানার অধীনস্থ স্টাফদের প্রতিও তিনি অমায়িক এবং আন্তরিক। তাদেরকে তিনি তার অধীনস্থ ভাবেন না, ভাবেন একজন সহকর্মী, একজন ষ্টাফ, একজন বন্ধু। তাদের কাজে সহযোগিতা ও কাজ বন্টন করে দেওয়া এবং মামলায় জটিলতা সৃষ্টি হলে কৌশলী সুপরামর্শ দিয়ে প্রশংসিত স্টাফদের কাছেও।

আরো জানা যায়, তিনি এইভাবে ধর্ম-বর্ণ, জাত-গোত্র, উচু নিচু, ধনী গরীবের বিবেচনা না করে কেবল মানুষ মানুষের জন্য এমন চিন্তা চেতনায় সর্বসময় বিপদগ্রস্থ মানুষের পাশে ছায়া হয়ে দাড়ানোর পাশাপাশি নিজের সাধ্যর চেয়েও অধিক সহযোগিতা করে এখন ভালোবাসায় সর্বজন প্রিয় ও পরিচিত ওসি মোশাররফ হোসেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, থানায় তাঁর কক্ষে অবস্থান নেওয়া বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে তিনি কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী। থানায় আসা ব্যক্তিদের সাথে সাবলীলভাবে হাস্যোজ্জ্বল মুখে কথা বলেন। উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা বিভিন্ন সমস্যা সম্বলিত লোকজনের কথাও শুনছেন এবং স্টাফদের যার যার কাজ ভাগ করে দিয়ে সমস্যা নিরসনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। টিমওয়ার্ক আর কাজের দক্ষতায় সমস্যা নিয়ে আসা লোকজন হাসিমুখে থানা থেকে বাহির হতে দেখা যায়।

কোভিড-১৯ করোনা মহামারীতে বিশ্ব যখন স্তব্ধ ও অসহায়, বাংলাদেশের সকল পুলিশ প্রশাসনের মত রূপসা থানা পুলিশের ওসি মোশাররফ হোসেনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সকল স্টাফদের নিয়ে করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। করোনাকালীন সময় স্কুল কলেজ বন্ধ থাকায় উদীয়মান শিক্ষার্থীরা অনেকে জড়িয়ে পড়েছিল চোরাকারবারিসহ অসামাজিক কার্যকলাপে। তাদেরকে এই দূর্গম অনিশ্চিত পথ থেকে ফিরিয়ে এনে নতুন ভাবে যাতে এ ধরনের কার্যকলাপে কোন শিক্ষার্থী জড়াতে না পারে তার জন্য উপজেলার প্রতিটা ইউনিয়নে বিট পুলিশিং সভা-সেমিনার আনুষ্ঠানিকতায় যোগদান করে দিয়েছেন কঠিন হুশিয়ারী ও কোমল বাণী।এতে করে সামাজিক অবক্ষয়, অপরাধ প্রবনতা যেমন হ্রাস পেয়েছে তেমনি স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও কমেছে।

উপজেলায় মাদক, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ, জঙ্গি ও সামাজিক অবক্ষয় প্রতিরোধে, উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে বিট পুলিশিং সভা সহ বিভিন্ন কার্যক্রম নিরলসভাবে চালিয়ে যান রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ। ওসি হিসেবে রূপসা থানায় যোগদানের পর থেকে বেশ কয়েকটি আলোচিত ঘটনার তথ্য উৎঘাটন, উপজেলা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখে গুজব প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি করেন। খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে গড়ে তোলা হয়েছে টিম ওর্য়াক। এলাকার ছোটখাটো ঘটনা সমুহ থানায় কিংবা আদালতে গড়ানোর আগেই বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হচ্ছে বাদী বিবাদীর সম্মতিতে। সম্প্রতি মাদক, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই বন্ধকরণসহ চিহিৃত মাদক চোরাচালানী গ্রেফতার বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধারসহ অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য জেলার শ্রেষ্ট অফিসার ইনচার্জ এর পুরস্কারে ভুষিত হয়েছেন।

ওসি মোশাররফ হোসেন সাধারণ মানুষের প্রত্যাশিত সেবাকে দ্রুত জনগণের দোঁরগোঁড়ায় পৌঁছে দেন অনন্য কৌশলে। পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে যোগদানের পর থেকে খুলনা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান এর নির্দেশনায় অত্যন্ত সুনামের সাথে সাধারণ মানুষের কাছে মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আলোকে সাড়াশি অভিযানের নির্দেশে উপজেলার মাদক ব্যবসা অধিকাংশ ক্ষেত্রে দমন করা সম্ভব হয়েছে। গ্রামের নিরীহ মানুষকে হয়রানি, চাঁদাবাজি দায়িত্ব অবহেলা বন্ধেও কাজ করেন ওসি মোশাররফ। পুলিশের প্রতি অনেকের যে বিরূপ ধারণা ছিল তা বদলে দিতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। নিয়ম নীতিতে কাজ করে তিনি এখন জনগণের কাছে প্রশংসিত হচ্ছেন।

ওসি সরদার মোশাররফ হোসেন এর কাছে আইন শৃংখলাসহ সার্বিক বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার কাজই হচ্ছে সমাজের অপরাধীদের চিহ্নিত করে তাদের আইনের আওতায় আনা ও সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। যখন কেউ সমাজের জন্য ভালো কিছু করতে চাইবে, অবশ্যই সে নানা বাধা প্রতিকূলতা, প্রতিবন্ধকতা ও নির্যাতনের শিকার হবে, আমিও তার ব্যতিক্রম নয়। ইতোপূর্বেও তিনি সমাজের অপরাধীদের কালো মুখোশ উম্মোচন করতে অনেক বাধা সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন, তাই বলে তার কাজ থেমে থাকবে না বলেও জানান। আমার প্রত্যাশা রূপসা থানাকে বৃহত্তর খুলনার মধ্যে একটা উদাহরণ দেওয়ার মতো থানায় পরিণত করতে চাই।’আর এই করোনাভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধে‘উপজেলাবাসী আপনাদের নিরাপত্তায় আমরা বাইরে আছি, আপনারা ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন।

//আ. রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

আরও পড়ুন….

খুলনা বিভাগে একদিনে এ যাবত কালের সর্বোচ্চ মৃত্যু ও সনাক্ত

 

 

মানুষের কল্যাণে কাজ করছে বাংলাদেশ আ.লীগ: সালাম মূর্শেদী এমপি

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সব ধর্মের মানুষের কল্যাণে কাজ করছে। জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল এমন এক অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা যেখানে সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার থাকবে। তার নীতি অনুসরণ করেই আমরা সকলের জন্য কাজ করছি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এমন একটি দেশ যেখানে সব ধর্মের মানুষ সমান অধিকার ভোগ করছে এবং আপনারা সবাই সমান অধিকার নিয়েই বসবাস করছেন।

শুধু আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই বাংলাদেশের প্রত্যন্ত গ্রামে এখন উন্নয়নের চিত্র ভেসে উঠেছে। গৃহহীনদের মাঝে প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৭০ হাজার ও দ্বিতীয় ৫৩ হাজার ৩৪০ অসহায় পরিবারের মাঝে জমি ও ঘর বিতরণ করা হয়েছে। যা ইতিহাসে বিরল। বাঙালি জাতির মুক্তি ও অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে ঢাকার কে এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে ১৯৪৯ সালের ২৩শে জুন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। জেলে বন্দি থাকা অবস্থায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংগঠনে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ ভূখণ্ডে প্রতিটি প্রাপ্তি ও অর্জন সবই আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই হয়েছে।

 

মানুষের কল্যাণে কাজ করছে বাংলাদেশ আ.লীগ: সালাম মূর্শেদী এমপি

 

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে আজ বুধবার (২৩ জুন) বিকালে দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে একথা বলেন।

জেলা আওয়ামীলীগের সদস অধ্যক্ষ ফ ম আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন, জেল আওয়ামীলীগের সাবেক সদস্য আ:মজিদ ফকির, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব আজাদ আবুল কালাম, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহবায়ক মো:মোতালেব হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান মোল্লা, সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, শাহাজাহান কবীর।

উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এমপির প্রতিনিধি এস এম হাবিবের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, এমপির চীপ কো-অডিনেটর যুবলীগ নেতা নোমান ওসমানী রিচি, দপ্তর সম্পাদক আকতার ফারুক,ক্রীড়া সম্পাদক স ম জাহাঙ্গীর, ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বুলবুল, জাহাঙ্গির শেখ,প্রভাষক অহিদুজ্জামান, উপজেলা যুবমহিলীগের সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানা রুনা, বিনয় হালদার, সাবেক চেয়ারম্যান এমপির প্রতিনিধি ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, আজিজুল হক কাজল,আজমল ফকির, সুব্রত বাগচী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি রুহুল আমিন রবি, দ্বীনবন্ধু, আওয়ামীলীগ নেতা নাজির শেখ, যুবলীগনেতা আ:মজিদ শেখ,সামসুল আলম বাবু, আবুল কালাম,শিমুল শেখ, ছাত্রলীগ নেতা এস এম রিয়াজ।

তেরখাদা থেকে আলোচনা সভা ও কেক কাটা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শহিদুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ শারাফাত হোসেন মুক্তি, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান এফ এম অহিদুজ্জামান, সাধারন সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান কে এম আলমগীর হোসেন, আ’লীগ নেতা শেখ রাজা মিয়া, শেখ তবিবুর রহমান, এম ফরিদ আহমেদ, মোল্যা জিয়াউর রহমান, আব্বাস মোল্যা, বাদশা মল্লিক, বাছিতুল হাবিব প্রিন্স, আরিফুজ্জামান অরুন, ইদু বিশ্বাস, এফ এম তৌহিদুল ইসলাম, স্বেচ্চাসেবক লীগ নেতা খান ফরাদুজ্জামান সুমন, ছাত্রলীগ নেতা শেখ হুসাইন আহমেদ, প্রমুখ।

দিঘলিয়া থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোল্লা আকরাম হোসেনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারহানা নাজনীন, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও উপজেলা মহিলা লীগের সভাপতি মোসাম্মৎ শামসুন্নাহার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ইউনুছ আলী মাস্টার, প্রচার সম্পাদক খান হাবিবুর রহমান বিপুল, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সাহেব আলী হুজুর, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক গাজী জাকির হোসেন, সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ আনসার আলী, সাধারণ সম্পাদক মুন্জুর হোসেন, সেনহাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সৈয়দ মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য কে এম আসাদুজ্জামান, উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক খান আবু সাঈদ, জেলা যবলীগ নেতা সেলিম মল্লিক, উপজেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শেখ আনিসুর রহমান, সহ-সভাপতি শেখ রিয়াজ হোসেন, সহ সম্পাদক সাইদুর রহমান, সহ-সম্পাদক রাকিব মোড়ল, উপজেলা যুবলীগ সদস্য মোঃ হাবিবুর রহমান তারেক, সদর ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক শেখ শাহাবুদ্দিন, জেলা ছাত্রলীগ নেতা নাহিদ জুম্মান জেড,সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক সৈয়দ জামিল হোসেন মাসুম, ইউনিয়ন মহিলা লীগের সভাপতি পাখি বেগম, ছাত্রলীগ নেতা আল-আমিন শেখ, উপজেলা মহিলা যুবলীগ নেত্রী স্বর্ণালী খাতুন, সদর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সভাপতি সেখ জুবায়ের হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মিন্টু মুন্সি, রেজোয়ান, রাজিব, রাসেল প্রমুখ।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালে আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী স্বাস্থ্য (বিধি মেনে) পালিত

 

আজ আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী

 

আজ আওয়ামী লীগের ৭২তম আজ ঐতিহাসিক ২৩শে জুন।  ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে সব আন্দোলন-সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া দলটি এবার পা রাখছে তিয়াত্তর বছরে। এ উপলক্ষ্যে দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন। এতে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের লক্ষ্যই হলো দেশকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়া এবং বিশ্বে বাঙালি জাতিকে একটি মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করা। আমার দৃঢ় বিশ্বাস দলের মধ্যে শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো ও গণতন্ত্রের চর্চা অটুট থাকলে কেউ আমাদের দাবায়ে রাখতে পারবে না।’

আওয়ামী লীগের দীর্ঘ পথচলায় অর্জন যেমন পাহাড়সম, তেমনই এসেছে নানা বাধাবিপত্তি, দুর্যোগ-দুর্বিপাকও। জাতির পিতাকে হত্যা, দলে ভাঙন, নেতাদের দলত্যাগ, সামরিক জান্তাদের রোষানল, নিষেধাজ্ঞা, হামলা-মামলাসহ নানা সংকটের সম্মুখীন হতে হয়েছে দলটিকে। তবে জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজকের আওয়ামী লীগ দেদীপ্যমান। টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় দলটি। এর আগে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একবার ক্ষমতাসীন ছিল আওয়ামী লীগ। শেখ হাসিনা এখন দেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে নিয়ে যাচ্ছেন। তার নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় দেশে দারিদ্র্য কমেছে। বেড়েছে মাথাপিছু আয়। স্বপ্নের পদ্মা সেতু আজ বাস্তব। এছাড়া আরও অনেক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলেছে। সাম্প্রদায়িক শক্তি ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান দেশ-বিদেশে প্রশংসতি হচ্ছে। মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের নেতারা জানান, আওয়ামী লীগের লক্ষ্য শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণ। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে কিছু বাধা থাকলেও আওয়ামী লীগ সঠিক পথেই রয়েছে। এছাড়া করোনাভাইরাস এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বিরোধী দল না থাকাসহ বেশকিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে দলের সামনে। তবে তৃণমূল পর্যন্ত দলকে ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী করে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েও কাজ করছে আওয়ামী লীগ।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান যুগান্তরকে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি। করোনাভাইরাস না এলে আরও অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারতাম। তিনি বলেন, আমাদের জন্য মূল চ্যালেঞ্জ হলো তিনটি। ১ নম্বর চ্যালেঞ্জ হলো-দেশে এখনো ভালো একটা বিরোধী দল গড়ে উঠেনি। বিএনপি-জামায়াত কেউ বাংলাদেশকে ভালোবাসে না। এরা স্বাধীনতার পক্ষের বিরোধী দল না। আমাদের দুই নম্বর চ্যালেঞ্জ হচ্ছে-কোভিড-১৯ মোকাবিলা। এর জন্য অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা-সবকিছুই সমস্যায় রয়েছে। তিন নম্বর চ্যালেঞ্জ হলো-সাম্প্রদায়িকগোষ্ঠী ও জঙ্গিবাদ প্রতিহত করা। আমি মনে করি, এই তিনটি আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ এবং এগুলো আমরা মোকাবিলা করতে পারব। কারণ আমরা সঠিক রাস্তায় আছি। পঁচাত্তরে জাতির পিতাকে হত্যা করে ঘাতকরা। এরপর নানা বাধাবিপত্তি পায়ে ঠেলে ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব নেন শেখ হাসিনা। চার যুগ ধরে দলটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে দলটি ক্ষমতাসীন হয়। মাঝে একবার ক্ষমতার বাইরে থেকে এবং ১/১১ মেকাবিলা করে টানা তৃতীয়বারসহ চতুর্থবার ক্ষমতায় আছে দলটি। এই সময়ে দেশের ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এক ভিডিওবার্তায় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু বলেন, মহান ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রামসহ দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও মহৎ অর্জনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুর নাম। অনেক বাধা অতিক্রম করে সাধারণ জনগণের ভালোবাসায় অত্যন্ত দক্ষতা, সততা ও সফলতার সঙ্গে দেশের সেবা করে যাচ্ছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশ পরিচালনায় বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রমাণ করেছেন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেই দেশের মানুষ নিরাপদে থাকে। আগামী দিনের পথচলায় তাই জনগণকে আওয়ামী লীগের পাশে থাকার আহ্বান জানান আমির হোসেন আমু।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য। তার দুটি স্বপ্ন ছিল। একটি হলো স্বাধীনতা আর অন্যটি হলো ক্ষুধামুক্ত-দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ। একটি স্বপ্ন তিনি পূরণ করে গেছেন। অন্যটি পূরণে যখন কাজ করছিলেন, তখনই তাকে হত্যা করা হয়।

তিনি আরও বলেন, ১৯৮১ সালে আমরা বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যার হাতে আওয়ামী লীগের পতাকা তুলে দিই। সেই পতাকা হাতে নিয়ে নিষ্ঠা, সততা ও দক্ষতার সঙ্গে ৪০ দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। চারবার তিনি রাষ্ট্র পরিচালনা করছেন। আমরা আশা করি, তার হাত ধরেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ হবে।’ ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার স্বামীবাগে কেএম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর উদ্যোগে এক কর্মী সম্মেলনের মধ্য দিয়ে গঠিত হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী সভাপতি, টাঙ্গাইলের শামসুল হক সাধারণ সম্পাদক, শেখ মুজিবুর রহমানকে (কারাবন্দি ছিলেন) যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক করে গঠিত হয় প্রথম কমিটি।

এই দলটিই ১৯৫৫ সালে ধর্মনিরপেক্ষতাকে আদর্শ হিসাবে গ্রহণ করে। দলটির নামকরণ হয় ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ’। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর নাম হয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

 

// দৈনিক বিশ্ব //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অসুস্থ আওয়ামীলীগ নেতার পরিবারের পাশে এমপি সালাম মূশের্দী

বাঁশখালীতে মুজিব বর্ষের উপহার ৪০ ঘর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

 

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে মুজিব বর্ষের উপহারের ৪০ ঘর প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শুভ উদ্ভোধনী অনুষ্ঠিত হয়। রবিবার সকাল ১০ টা থেকে উপজেলা অফিসার ইনচার্জ ক্লাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান চৌধুরীর পরিচালনায় ভুমিহীন ও গৃহহীনদের জন্যে মুজিব বর্ষের উপহার উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ৪০ টি ঘর উদ্ভোধনী ও হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,বাঁশখালীর সাংসদ আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহেনা আক্তার কাজেমী, বাঁশখালী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শফিউল কবির, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল কালাম মিয়াজী, প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা সমরঞ্জন বড়ুয়া, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু ছালেক, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ফয়সাল আলম, বাহারছড়া ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক তাজুল ইসলাম,৭ নং সরল ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রশিদ আহমদ চৌধুরী,পুকুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আসহাব উদ্দিন চৌধুরী,চাম্বল ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুজিবুল হক চৌধুরী, চেয়ারম্যান বদর উদ্দিন চৌধুরী,কফিল উদ্দিন,বন কর্মকর্তা শেখ আনিচ্ছুজ্জামান , বাঁশখালী পল্লী বিদ্যুৎ (ডিজিএম) জসিম উদ্দিন, এবং বাঁশখালীতে কর্মরত সাংবাদিকদবৃন্দ সহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় মুজিব বর্ষের উপহার স্বরূপ ভূমিহীন ও গৃহহীনদের পূর্নবাসনের দৃঢ়প্রতিজ্ঞায় কাজ করে যাচ্ছে সরকার।তারই অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতেও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার স্বরূপ আরো ৪০টি ভূমিহীন পরিবারের জন্য বসতঘর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেছি। ইতিপূর্বে বাঁশখালীতে ২৫ টি ঘর ভূমিহীন ও গৃহহীনদের তালিকা অনুযায়ী হস্তান্তর করা হয়েছে। আজকে আরো ৪০ টি ঘর প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্ভোধন ও হস্তান্তর করেন। এই পর্যন্ত ৬৫ টি ঘর ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের কাছে আমরা হস্তান্তর করতে পেরেছি।

শুধু নয়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ়প্রতিজ্ঞা এদেশের কোন মানুষ ভূমিহীন ও গৃহহীন থাকবেনা। ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলা -উপজেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের নতুন তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। ঠিক বাঁশখালীতেও নতুন ভাবে তালিকা তৈরি করা হবে।যারা প্রকৃত পক্ষে ভূমি ও গৃহহীন তাদের যেন আর পুটপাতে জীবন যাপন করতে না হয়।

//চট্টগ্রাম প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

সড়ক দুর্ঘটনায় আহতের চিকিৎসার খবর নিতে হাসপাতালে সালাম মূশের্দী এমপি

 

খুলনায় বিএনপির ১০ হাজার নিমের চারা রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন

 

কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সাংসদ নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, “মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ছিলেন আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার। বাংলাদেশে বৃক্ষরোপনের মত সামাজিক কর্মসূচি সূচনা তাঁরই উদ্যোগে। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে পবিত্র নগরী সুদূর মক্কায় আরাফাতের ময়দানসহ সৌদি আরবে নিমগাছ লাগিয়ে তিনি এক যুগন্তকারী ইতিহাস রচনা করেছিলেন।”

সোমবার (২১ জুন) বেলা ১১টায় খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দানে বির্পযস্ত পরিবেশ সুরক্ষায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় দেশব্যাপী নিমগাছ রোপন কর্মসুচির অংশ হিসেবে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির উদ্দ্যেগে খুলনায় ১০ হাজার নিমের চারা রোপন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে মঞ্জু এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ৯০ এর গণঅভ্যূথানের পর ৯১ এর নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয় লাভ করে সরকার গঠনের পর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বৃক্ষরোপনকে একটি সামাজিক আন্দোলনের রূপ দিয়েছিলেন। নিমের চারা রোপনের মাধ্যমে পরিবেশ সুন্দর ও প্রাণীকুলের বেঁচে থাকার অন্যতম উপাদান বাতাসকে দুষণমুক্ত রাখতে হবে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস- ২০২১ এর প্রতিপাদ্য “ইকোসিস্টেম রেস্টোরেশন” এ সর্বাত্মক ভূমিকা রাখতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানিয়ে মঞ্জু আরো বলেন, নিম গাছের মধ্যেই অন্তর্নিহিত আছে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও পরিবেশ দূষণের প্রতিকার।

এসময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, সাবেক মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, জেলা সাধারণ সম্পাদক আমীর এজাজ খান, মোশাররফ হোসেন, এড. ফজলে হালিম লিটন, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান মন্টু, শেখ আব্দুর রশিদ, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, আরিফুজ্জামান অপু, আব্দুর রকিব মল্লিক, এস এ রহমান বাবুল, আবু হোসেন বাবু, কামরুজ্জামান টুকু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মহিবুজ্জামান কচি, নিজাম উর রহমান লালু, সাজ্জাদ হোসেন পরাগ, একরামুল কবির মিল্টন, হাসানুর রশিদ মিরাজ, মিজানুর রহমান মিলটন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, মজিবর রহমান ফয়েজ, খায়রুজ্জামান জনি, গোলাম কিবরিয়া, শরিফুল ইসলাম বাবু, আবু সাঈদ শেখ, ম শ আলম, খন্দকার ফারুক হোসেন, ফরহাদ হোসেন লাচ্চু, কাজী আব্দুর লতিফ, শাহাবুদ্দিন মন্টু, শামসুল আলম পান্না, কাজী মাহমুদ আলী, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, মনিরুজ্জামান লেলিন, রবিউল ইসলাম রবি, মেজাবাহ উদ্দিন মিজু, ইকবাল হোসেন, জাহাঙ্গীর হোসেন, নুওে আব্দুল্লাহ, জামাল উদ্দিন মোড়ল, আবু বকর, মাহবুব আলম বাদশা, শামীম আশরাফ, সেলিম বড়মিয়া, হেদায়েত হোসেন হেদু, মেজবাউল আলম পিন্টু, আশিকুর রহমান, মাসুদ রুমি, আব্দুল আহাদ শাহিন, সেখ আল মামুন, আবীর হোসেন, এড. রফিকুল ইসলাম, এম এ হাসান, শফিকুল ইসলাম, মফিজুল ইসলাম মিঠু, মারুফ হোসেন প্রমূখ।

প্রেস রিলিজ:

খুলনা ব্যুরো: 

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

সড়ক দুর্ঘটনায় আহতের চিকিৎসার খবর নিতে হাসপাতালে সালাম মূশের্দী এমপি

 

 

 

 

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় সবাই নিজের ঘরে থাকবে: সালাম মূশের্দী

 

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায়  মুজিববর্ষ উপলক্ষ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫৩ হাজার ৩৪০ পরিবারকে দুই শতাংশ জমির মালিকানাসহ সেমিপাকা ঘর উপহার দিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার (২০ জুন) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘একটি ঘর পেয়ে দুঃখী মানুষের মুখে যে হাসি, যে আনন্দ, এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছু না।

’ তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য সমাজের নিচুস্তরে পড়ে থাকা লোকদের টেনে তোলা, তাদের মূল সমাজের সঙ্গে অন্তর্ভুক্তি করা। এসময় খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূশের্দী ভিডিও কনফারান্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় কোনও মানুষ গৃহহীন থাকবে না।

আওয়ামী লীগ সরকার মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করে। খুলনার রুপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া উপজেলায় আজ আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় পর্যায়ে ২৮৫টি ঘর প্রদান করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) খান মাসুম বিল্লাহর সভাপতিত্বে, বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন, থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ যোবায়ের, ফারহানা আফরোজ মনা, কৃষি কর্মকর্তা মো:ফরিদুজ্জামান, প্রকৌশলী ওহিদুজ্জামান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো:আরিফ হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাহিরা খাতুন, সমাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়াজামান, বিশিষ্ট ক্রীড়া বিদ আজাদ আবুল কালাম।

যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আবু বকর মোল্লার সঞ্চালনায় আরো বক্তৃতা করেন, সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও অধ্যক্ষ ফ ম আ:সালাম, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল, সাবেক সদস্য আ: মজিদ ফকির, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, খান শাহজাহান কবীর, নজরুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বুলবুল, জাহাঙ্গির শেখ, সাধন অধিকারী, এমপির প্রতিনিধি এস এম হাবিব, আকতার ফারুক, আজিজুল হক কাজল, আজমল ফকির, সুব্রত বাগচী, বিনয় হালদার, রাজিব দাস টাল্টু, মুক্তিযোদ্ধা রফিক শিকদার, আ:মালেক শেখ, ওলিয়ার রহমান, ওয়াজেদ আলী,মুনসুর বিশ্বাস।

অনুষ্ঠানে ভিডিওতে যুক্ত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বাদশা ও উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাছনিম।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

আজকে খুলনা বিভাগে করোনায় সর্বোচ্চ ২৮ জনের মৃত্যু

 

রাণীশংকৈলে জমি-গৃহ প্রদান কার্যক্রম দ্বিতীয় পযায়ে শুভ উদ্বোধন

 

রাণীশংকৈলে জমি-গৃহ প্রদান এর মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রম”র দ্বিতীয় পর্যায়ের ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শুভ উদ্বোধন করেন প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরই প্রক্ষিতে (২০ জুন রবিবার) সকালে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা সভা কক্ষে সহকারী কমকর্তা ভূমি( ভারপ্রাপ্ত ইউএনও) প্রিতম সাহার সভাপত্বিতে আলোচনা সভা ও জমির দলিলসহ ঘর প্রদান করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরক্তি জেলা প্রশাসক কামরুন নাহার।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ইয়াসিন আলী,আ”লীগ সভাপতি সইদুল হক, পৌর মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান, আ”লীগ সম্পাদক তাজউদ্দীন আহমেদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সেফালি বেগম, পৌর আ”লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম সরকার,থানার ওসি এস এম জাহিদ ইকবাল, কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সঞ্চয় দেবনাথ, পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুস সামাদ চৌধুরী, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আবিদা সুলতানা, বীর মুক্তিযোদ্ধা হবিবর, প্রসক্লাব প্রতিষ্টাতা সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, প্রেসক্লাব পুরাতন “র সভাপতি কুসমত আলী ও সম্পাদক সফিকুল ইসলাম শিল্পী, প্রেস ক্লাব সভাপতি ফারুক আহমেদ, সংশ্লিষ্ট তহসিলদার জাহিরুল ইসলাম, প্রমুখ। এ ছাড়াও ৮ টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বৃন্দ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কমচারি বৃন্দ প্রন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চয়লনা করেন সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাদেকুল ইসলাম। উল্লেখ্য সাড়া বাংলাদেশের ভূমিহীন ও গৃহহীন দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫৩ হাজার ৩৪০ টি পরিবারকে জমিসহ গৃহ প্রদান করা হয়েছে। এরই প্রক্ষিতে এ উপজেলায় ৮ টি ইউনিয়নের ২৯৬ টি পরিবারকে জমিসহ ঘর প্রদান করা হয়।

প্রথম ও পর্যায়ে ঘর পাওয়া ভুক্তভোগী সবুজ চন্দ্র, দিনোবালা, হাসমত ও আরজিনা প্রধান মন্ত্রীর এমন ঘরসহ জমি পেয়ে খুশি এবং ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি।।

Dainik Biswa

ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ চাইলেই আমরা এড়াতে পারি…

 

 

যশোরের সীমান্তবর্তী ২ টি উপজেলায় করোনা সংক্রমণ সর্বোচ্চ

 

যশোরের সীমান্তবর্তী ২ টি উপজেলা বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আজ পর্যন্ত আমদানি রপ্তানি সচল আছে। এছাড়া ভারত থেকে বিশেষ অনুমোদন নিয়ে বহু লোক করোনাকালীন সময়ে দেশে প্রবেশ করছে।দেশে প্রবেশকারী এই সকল লোকদের স্থানীয় হোটেলসহ যশোর খুলনার বিভিন্ন হোটেলে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

 

অনেক ক্ষেত্রে কোয়ারেন্টাইনে থাকা লোকজন বিধিনিষেধ তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন বাজার দোকানপাটে ঘোরাঘুরি করছে।ফলে ঘোরাঘুরি করা লোকদের করাও যদি করোনার অতি সংক্রমশালী ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ডেল্টা থাকে তাহলে জনগণের মধ্যে ডেনামাইটের বিধ্বংসী গতিতে ছড়িয়েছে। এছাড়াও ভারত ও বাংলাদেশের সীমানা প্রচীর না থাকায় অবৈধ পথে বেনাপোল ও শার্শার সীমান্তবর্তী গ্রাম দিয়ে ভারত বাংলাদেশের লোক যাতায়ত করছে।

 

ফলে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা যশোরের বেনাপোল ও শার্শা উপজেলা সমূহ করোনার হটস্পটে পরিণত হয়েছে। আজ ১৮ জুন-২০২১ রোজ শনিবার উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে প্রাপ্ত তথ্য জানা যায় গত ৩ দিন শার্শা ও বেনাপোলের ৭৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৫২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয়েছে।সনাক্তের হার প্রায় ৭০ শতাংশ। এছাড়াও আজ পর্যন্ত উপজেলায় ৬২১ জন কোনা রোগী পাওয়া গিয়েছে।

 

এরপরও সরকার ও স্থানীয় করোনা প্রতিরোধ কমিটি ঘোষিত জন ভিত্তিক লকডাউন মানা,মাস্ক ব্যবহার করা,জনসমাগম এড়িয়ে চলাসহ করোনার বিরুদ্ধে টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণের উদাসীনতা নিষ্ঠুরভাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে। আর এভাবে চলতে থাকলে বাংলাদেশই এক সময় করোনায় সংক্রমণে ভারতকেও পিছনে ফেলবে।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

Dainik Biswa

আজ খুলনা করোনা হাসপাতালে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে

 

 

খুলনায় ১হাজার ৩৫১টি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে জমি ও ঘর 

 

খুলনায় ১হাজার ৩৫১টি ভূমিহীন পরিবারের মাঝে ১হাজার ৩৫১টি জমি সহ ঘর পাচ্ছে । মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে দ্বিতীয় পর্যায়ে দেশের সকল জেলায় ৫৩ হাজার ৩৪০টি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারের মাঝে আগামী ২০ জুন প্রধানমন্ত্রী জমিসহ ঘর প্রদান করবেন।

 

এর মধ্যে খুলনা জেলার নয়টি উপজেলায় মোট এক হাজার ৩৫১টি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবার প্রধানমন্ত্রীর এই উপহার পাবেন, যা খুলনা বিভাগের মধ্যে সর্ব্বোচ্চ , শুক্রবার খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন তাঁর সম্মেলনকক্ষে এ উপলক্ষ্যে এক প্রেসব্রিফিং এসকল তথ্য জানান। খুলনার সকল উপজেলায় গৃহনির্মাণকাজ শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে।

 

প্রত্যেক পরিবারের জন্য দুইশতক জমিসহ নির্মিত ঘর ইত্যেমধ্যে দলিল কবুলিয়ত ও মিউটেশন সম্পন্ন করে রবিবারে প্রেসব্রিফিং এ জানানো হয়, ব্রিফিং এর আরও জানানো হয়, খুলনা জেলা প্রশাসকের প্রত্যক্ষ মনিটরিং এবং সুপারভিশনে এ জেলার ভূমিহীন পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে এবং উপকারভোগী বাছাই এর ক্ষেত্রে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।

 

এছাড়া নির্মাণ কাজের গুণগত মান বজায় রাখার জন্য অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকগণকে প্রত্যক্ষভাবে তত্ত্বাবধনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। খুলনার উপকারভোগীদের মধ্যে ডুমুরিয়া উপজেলায় ৫শতটি, রূপসায় দুইশত ১৫টি, পাইকগাছায় তিনশত, দাকোপ দুইশত, তেরখাদা ৪০টি, বটিয়াঘাটা ৩০টি, কয়রা ৩০টি, দিঘলিয়া ৩০টি এবং ফুলতলা উপজেলায় ছয়টি পরিবারকে এই ঘর দেওয়া হচ্ছে।

 

উল্লেখ্য, মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে প্রথম পর্যায়ে চলতিবছরের ২৩ জানুয়ারি সারা দেশে ৬৯ হাজার নয়শত চার ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারের মাঝে জমিসহ ঘর প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। যার মধ্যে খুলনা জেলায় নয়শত ২২টি পরিবার এই ঘর পান।

 

প্রেসব্রিফিং এ খুলনার স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক মোঃ ইকবাল হোসেন, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার জিনাত আরা আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ইউসুপ আলী, অতিরিক্ত জলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ সাদিকুর রহমান খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোছাঃ শাহানাজ পারভীন, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম জাহিদ হোসেন, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুন্সি মোঃ মাহবুব আলম সোহাগসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ারকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

Dainik Biswa

আজ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু ৬ আক্রান্ত ২২২

 

জাতির পিতার স্বপ্ন ছিলো স্বাস্থ্যসেবা গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দেয়া — জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

 

জাতির পিতার স্বপ্ন ছিলো সোনার বাংলা গড়ার সাথে সাথে গ্রম গঞ্জে স্বাস্থ সেবা পৌছে যিাবে । খুলনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলার সকল উপজেলায় করোনাকালীন এবং করোনা পরবর্তী সময়ে নিয়মিত অক্সিজেন সরবরাহ চালু রাখতে অক্সিজেন সিলিন্ডার ব্যাংক, হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা ও ২০ শয্যা বিশিষ্ট আইসিইউ সুবিধার ভিত্তিমূল নিশ্চিতকরণ প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন বুধবার দুপুরে খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

 

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপজেলা পর্যায়ে রোগীদের জন্য নিয়মিত অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিতে খুলনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগ এক অনন্য নজির স্থাপন করলো। জাতির পিতার স্বপ্ন ছিলো স্বাস্থ্যসেবাকে গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দেয়া। প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক এ লক্ষ্যে কাজ করছে।

 

স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নের ফলে দেশের মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছে। করোনা পরিস্থিতে দেশের সকল জেলা ও উপজেলায় সরকার গৃহীত পদক্ষেপের ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। তিনি আরও বলেন, দূরবর্তী ও বিছিন্ন উপজেলায় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে উদ্যোগটি একটি মাইল ফলক যা অন্যদের জন্য একটি নজির হয়ে থাকবে। উল্লেখ্য, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে করোনাকালীন আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী খুলনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বাংলাদেশে প্রথমবারের মত অক্সিজেন সিলিন্ডার ব্যাংক, ৪ টি করে হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা সম্বলিত ২০ শয্যাবিশিষ্ট আইসিইউ বেড সুবিধার ভিত্তি স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন করা হয়।

 

উপজেলা প্রশাসন/উপজেলা পরিষদের নিজস্ব অর্থায়নে, জেলার স্থানীয় রিসোর্স ফান্ড এবং জাইকার সমন্বয়ে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পে সহায়ত প্রদান করেছে খুলনার সিভিল সার্জনে কার্যালয়, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক, শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের পরিচালক, সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রকৌশলী এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসমূহ।

 

এ প্রকল্প সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত হলে জেলার উপজেলা পর্যায়ে রোগীদের হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা এবং স্বয়ংক্রিয় অক্সিজেন সিলিন্ডার ব্যাংকের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ করা যাবে। শিশুদের নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কিওলাইটিস, ন্যাসোফ্যারিঞ্জাইটিস, ফুসফুসের নানাবিধ সংক্রমণ ও বয়স্কদের হৃদরোগসমূহ যেমন হার্ট ফেইলিওর, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, মেটাবলিক এসিডোসিস, সড়ক দুর্ঘটনাজনিত শ্বাসকষ্টসহ অন্যান্য রোগে অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করা যাবে।

 

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অনলাইনে বিশেষ অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সৈয়দ মজিবুল হক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ডাঃ আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইসমাইল হোসেন এবং খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ রাশেদা সুলতানা।

 

খুলনার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান এবং সিভিল সার্জন ডাঃ নিয়াজ মোহাম্মদ। খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে খুলনা জেলার স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক মো: ইকবাল হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ইউসুপ আলী, অতিরিক্ত জলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ সাদিকুর রহমান খান, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম জাহিদ হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে অনলাইনে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা যুক্ত ছিলেন।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

Dainik Biswa

রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়ায় শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম অনুমোদন।। আনন্দ মিছিল