সর্বাত্মক লকডাউন ১৪ এপ্রিল – ২১ এপ্রিল-২০২১ পর্যন্ত: সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি

 

করোনার বৈশ্বিক মহামারী টর্ণেডোর গতিতে ছড়িয়ে পড়ায় সর্বাত্মক লকডাউন কার্যকরের জন্য আজ ১২ এপ্রিল -২০২১ রোজ সোমবার কিছুক্ষণ আগে একটি সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়ঃ

পূর্বের জারিকৃত লকডাউনের বিধিনিষেধের সাথে কিছু কিছু নতুন বিষয় সংযুক্ত হয়েছেঃ

১. সব সরকারি – আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, বেসরকারি অফিস ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। প্রতিষ্ঠানের সব কর্মকর্তা- কর্মচারীরা নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন তবে বিমান সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসগুলো নিষেধাজ্ঞার আওতা মুক্ত থাকবে।

২. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৩. সব ধরনের পরিবহন ( সড়ক, নৌ,অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না।

৪.শিল্প কলকারখানাসমূহ স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ পূর্বক নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে।তবে শ্রমিকদের নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের পরিবহনে আনা নেওয়া নিশ্চিত করতে হবে।

৫. আইন- শৃঙ্খলা ও জরুরি পরিষেবা যেমন – কৃষি উপকরণ ( সার,বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি) খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিট-১৯ টীকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/ জ্বালানি, ফায়ারসার্ভিস, বন্দরগুলোর ( স্থল,নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ইন্টারনেট ( সরকারি – বেসরকারি), গণমাধ্যম ( প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা,ডাক সেবাসমূহসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ,তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে।

৬ অতি জরুরী প্রয়োজন ( ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রবাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন ও সৎকার ইত্যাদি) কোনভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। তবে টীকাকার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টীকা গ্রহনের জন্য যাতায়াত করা যাবে,

৭. খাবার দোকান ও হোটেল – রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা এবং রাত ১২ টা থেকে ভোর ৬ টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয় ও সরবরাহ করা যাবে। শপিং মলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে।

৮. কাঁচাবাজার ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রবাদি সকাল ০৯ টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত উন্মুক্তস্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়- বিক্রয় করা যাবে। বাজার কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

০৯. বোরো ধান কাটার জরুরি প্রয়োজনে কৃষি শ্রমিক পরিবহনে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন সমন্বয় করবে।

১০. সারাদেশের জেলা ও মাঠ প্রশাসন উল্লেখিত নির্দেশনা বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করবে এবং আাইনশৃঙ্খলা বাহিনী টহল নিয়মিত জোরদার করবে।

১১. স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন।

১২. স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জুমা ও তারাবির নামাজে জমায়েত বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা জারি করবে।

১৩. উপরোক্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/ বিভাগ প্রয়োজনে সম্পূরক নির্দেশনা জারি করতে পারবে।

//স্বীকৃতি বিশ্বাস//

বর্তমান সরকার কৃষকসহ সকল মানুষের জীবন- মান উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে: সালাম মূর্শেদী

 

খুলনা-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য  আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেছেন,  বঙ্গবন্ধু কন‍্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার কৃষি বান্ধব সরকার।

খাদ‍্যের সয়ংসম্পুর্ণতা অর্জন বর্তমান সরকারের এক অনন‍্যা উধারণ।

কৃষিতে ভতূর্কি দিয়ে সরকার যে উদরতার প্রমান দিয়েছেন তা আমাদের স্বরণ রাখতে হবে।

 

তাছাড়া এই করোনা কালীন সময়ে সরকার কৃষকদের প্রনোদনা দিয়ে উজ্জিবিত করে রেখেছেন।

তিনি আর ও বলেন, কৃষি ও কৃষকের উন্ন য়নে সরকার সর্বাত্মক সহায়তা অব‍্যহত রাখার অব‍্যহত রাখার ঢ়ড় প্রত‍্যায় ব‍্যক্ত করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষকসহ এদেশের আপামর মানুষের জীবন মান উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

সোমবার বেলা ১১ টায় রূপসা উপজেলা  অফিসার্স ক্লাব  সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি অফিসের বাস্তবায়নে ২০২০-২১ অর্থবছরে উফসী আউশ ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে কৃষকদের কৃষি পৃর্ণবাসন কর্মসূচির  ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত খান মাসুম বিল্লাহ’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন  উপজেলা পরিষদ চেয়ারম‍্যান কামাল উদ্দীন বাদশা,থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, অধ‍্যক্ষ ফ ম আ;সালাম, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ যোবায়ের, ফারহানা আফরোজ মনা।

উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ফরিদুজ্জামান, মেডিকেল অফিসার সঙ্গিতা চৌধুরী, মৎস‍্য কর্মকর্তা বাপ্পী কুমার দাস,সমাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়া জামান,মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাহিরা খাতুন,  প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফ হোসেন,বন কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান,সহকারী ম‍্যাধমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো:মতিয়ার রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান অধ‍্যাপক আশরাফুজ্জামান, আলহাজ্ব ইসহাক সরদার, সাধন অধিকার, আওয়ামীলীগ নেতা এস এম হাবিব, রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আ:রাজ্জাক শেখসহ  উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

এর পূর্বে উপজেলা আইন শৃংখলা ও সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।

//আ: রাজ্জাক সেখ, খুলনা ব্যুরো//

2 লক্ষ পরিবারকে রমজানে উপহার সামগ্রী বিতরণের মেগা প্রকল্প শুরু করেছে ‘‘মাইজভান্ডারী ট্রাস্ট’’

 

বাংলাদেশে দুই লাখ গরিব কর্মহীন অস্বচ্ছল পরিবারের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণের মেগা প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করেছে মাইজভাণ্ডারী ট্রাস্ট ।

উপহার সামগ্রির প্রতি ব্যাগে রয়েছে চাল, ডাল, সেমাই, চিনি, সাবান সহ ১০টি নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রি

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায় গত রবিবার (১১এপ্রিল) মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফ চট্রগ্রামে দুই হাজার পরিবারের মাঝে বিতরণের মধ্য দিয়ে মানবিক এই কার্যক্রমের শুভ সূচনা করাহয়। আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডরীয়া ও মইনীয়া যুব ফোরামের সহযোগিতায় পুরো রমজান মাস জুড়ে দেশব্যাপি ২লাখ পরিবারের মাঝে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

মানবিক খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম উপলক্ষে মাইজভাণ্ডার ট্রাস্ট চেয়ারম্যান শাহ্সূফী সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা ঘোষনা করে বলেন করোনার ভয়াবহতায় চলমান লকডাউনে গরিব অসহায় কর্মহীন দিনমজুর মানুষ আজ গভীর দুঃখ দুর্দ্দশায় নিপতিত। করোনার অভিঘাত থেকে গরিব বিপন্ন মানুষকে বাঁচাতে চারপাশের বিত্তবান স্বচ্ছল মানুষদের মানবিকতার হাত প্রসারিত করতে হবে।

তিনি উপস্থিত ভক্ত জনতাকে বিশেষ আহবান করে বলেন মাইজভাণ্ডারী ট্রাস্ট পরিচালিত দ্বীনি প্রতিষ্ঠান মাদ্রাসা এতিমখানা গুলোর শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে ভক্ত আশেকানরা যা পারেন দান করে দরবারকে সহযোগিতা করবেন।

‘‘মাইজভান্ডারী ট্রাস্ট’’

মইনীয়া যুব ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক মহিউদ্দীন আহমদ জানান ২০২০ সালে কোভিড সংক্রমন চলাকালেও সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারী ট্রাস্টের উদ্যোগে দেশব্যাপী প্রায় তিন লাখ অস্বচ্ছল ঘরবন্দি অসহায় পরিবারকে খাদ্য সহায়তাসহ বিভিন্ন প্রতিরোধক সামগ্রী প্রদান করা হয়েছিল।

এই মানবিক খাদ্য উপহার সামগ্রী বিতরন প্রকল্পের সূচনা অনুষ্ঠানে মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফ চট্রগামে আরোও উপস্থিত ছিলেন হাফেজ মোহাম্মদ কবির হোসেন খলিফা মোহাম্মদ সেলিম হাফেজ মোহাম্মদ নূরুল আমিন মইনীয়া যুব ফোরাম চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান আপন সহ প্রমুখ।

 

।। সৈয়দ মোঃশাকিল, বিশেষ প্রতিনিধি ।।

২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃত্যু ৯, আক্রান্ত ৫২৩জন। চট্টগ্রাম বিভাগ।।

 

বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত- হয়ে চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা গত এক বছরের সর্বোচ্চ রেকর্ড। এ নিয়ে চট্টগ্রামে করোনায় মোট মৃত্যু হয়েছে ৪২৩ জনের।

এ সময়ে ২২৮ জনের দেহে নতুন করে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ সনাক্ত হয়েছে। মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাড়িয়েছে  ৪৪ হাজার ৩১৯ জন। আজ (রবিবার) চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের অনুযায়ী , গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের ৫ টি ল্যাব ও কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাব সহ মোট ৬ টি ল্যাবে ১ হাজার ৬৮৭ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রফিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ৮০৯ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৫২ জন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ( চমেক) হাসপাতাল ল্যাবে ৪৩৪ টি নমুনা পরীক্ষা করে ১০ জন, চট্টগ্রাম ভেটেনারী অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ১৫৪ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৫৩ জনের দেহে করোনার জীবানু সনাক্ত হয়েছে।

এছাড়াও শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ৪০৬ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৭৯ জনের, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ৫২ টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৭ জনের, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালেররিজিওনাল টিবি রেফারেন্স ল্যবরেটরিতে(আরটিআরএল) ল্রাবে ১২ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৭ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব সনাক্ত হয়েছে।

এদিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি), ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ও কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে গত ২৪ ঘন্টায় কোনো নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি।

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১ হাজার ৮৬৭ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত- হয়েছেন ২২৮ জন।

উক্ত সময়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত- চট্টগ্রামে করোনায় মোট মৃত্যু হয়েছে ৪২৩ জন। চট্টগ্রামে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪৪ হাজার ৩১৯ জন। নতুন আক্রান্ত-দের মধ্যে ২০৪ জন নগরীর এবং ২৪ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।

// আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো  //

সালাম মূশের্দী সেবা সংঘের আয়োজনে খুলনা  রূপসায় মাক্স বিতরণ

 

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী ও এনভয় গ্রুপের পরিচালক সারমিন সালামের  সার্বিক  সহযোগিতায়-  ১১ এপ্রিল সালাম মূশের্দী সেবা সংঘের আয়োজনে দিনব্যাপী রূপসা  উপজেলা সদরে মাষ্ক বিহীন পথচারীদের মাঝে   মাক্স বিতরন  সহ করোনা ভাইরাস দ্বিতীয় ঢেউ  মোকাবেলা করার জন্য পথচারী ও সাধারন মানুষের মাঝে গণসচেতনতা মূলক প্রচারণা করা হয়।

এসময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে অনুষ্ঠিত এ  মাক্স বিতরণে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম‍্যান কামাল উদ্দিন বাদশা, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য  অধ্যক্ষ ফ ম আ: সালাম, বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ মি:বাংলাদেশ আজাদ আবুল কালাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবিব,ভাইস চেয়ারম‍্যান ফারহানা আফরোজ মনা।

মাষ্ক বিতরন ও সচেতনতা মূলক প্রচারনা

অন্যন্যাদের মধ্য উপস্থিত ছিলেন-এমপির প্রধান সমন্বয়কারী ও যুবলীগ নেতা মোঃ নোমান ওসমানী রিচি,সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের টীম লিডার ও যুবলীগ নেতা সামসুল  আলম বাবু, আওয়ামীলীগ নেতা মিয়া আরিফ হোসেন, স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি রুহুল আমিন রবি,যুবলীগ নেতা আ:মজিদ শেখ, ছাত্রনেতা হামীম কবির রূবেল,তরিকুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মোঃ শিমুল হোসেন,ছাত্রনেতা খায়রূজ্জামান সজলসহ নেতৃবৃন্দ।

।। আ: রাজ্জাক সেখ, খুলনা ব্যুরো ।।

 

গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মারা গেছে ৭৮ জন

 

বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

পূর্বে ১০ এপ্রিল একদিনে করোনায় ৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এনিয়ে সর্বমোট মৃত্যু হয়েছে ৯,৭৩৯ জনের।

নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৮১৯ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৬ জনে।

আজ রবিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গ বিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন চার হাজার ২১২ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন পাঁচ লাখ ৭৬ হাজার ৫৯০ জন।

সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২৪৮টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১২১টি, জিন এক্সপার্ট ৩৪টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ৯৩টি।

এসব ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ২৯ হাজার ২৯৮টি। আগের নমুনাসহ মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৯ হাজার ৩৭৬টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৫০ লাখ ২ হাজার ৮৬৫টি।

এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৮১ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৪ দশমিক ২০ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪২ শতাংশ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৭৮ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৪৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২০ জন, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে চার জন করে আট জন, সিলেট বিভাগে দুই জন। এছাড়া রংপুর বিভাগে এক জন রয়েছেন। এদের মধ্যে হাসপাতালেই মারা গেছেন ৭৭ জন, বাড়িতে এক জন।

মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬০ বছরে ঊর্ধ্বে ৪৮ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১৬ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে সাত জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ছয় জন, শূন্য থেকে ১০ বছরের মধ্যে এক জন রয়েছেন।

এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ৫৩৩ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ২২৬ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন এক লাখ ১১ হাজার ১৩১ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন ৯৫ হাজার ৫৭১ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৫ হাজার ৫৬০ জন।

এর আগে গত ৭ এপ্রিল দেশে একদিনে করোনা শনাক্ত হয় সাত হাজার ৬২৬ জন। যা দেশে একদিনে করোনা শনাক্তে সর্বোচ্চ রেকর্ড। আর গত ৬ এপ্রিল একদিনে করোনা শনাক্ত হয়েছিল সাত হাজার ২১৩ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য মতে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর ধীরে ধীরে আক্রান্তের হার বাড়তে থাকে।

অনলাইন ডেস্ক।।

সরকার আরও প্রশ্রয় দিলে এক সময় হেফাজতকে নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে যাবে – মিছবাহুর রহমান চৌধুরী

 

শিশু-কিশোরদের রাজনৈতিক মাঠে নামিয়ে হেফাজত ইসলামবিরোধী কাজ করছে বলে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মিছবাহুর রহমান চৌধুরী৷ ডয়চে ভেলেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেন৷

মিছবাহুর রহমান চৌধুরী, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোট

তার মতে, এখনো হেফাজতকে নিয়ন্ত্রণ কঠিন নয়, যদি সরকার ইচ্ছা করে৷ তবে সরকার আরো বিলম্ব করলে বা আরো প্রশ্রয় দিলে এক সময় কঠিন হয়ে যাবে৷

ডয়চে ভেলে : মোদিকে বলা হচ্ছে সাম্প্রদায়িক নেতা, কিন্তু যারা তার সফরের বিরোধিতা করেছেন তারাও কি সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করছেন?

মিছবাহুর রহমান চৌধুরী : যারা মোদির সফরের বিরোধিতা করেছেন, বিশেষ করে আমি কওমি আলেমদের ব্যাপারে বলব, তাদের পূর্বসূরিরা বা তারাও সবাই সাম্প্রদায়িক না৷ যেমন ধরেন তারা দেওবন্দকে অনুসরণ করেন৷ এটা ভারতে৷ দেওবন্দের যখন একশত বার্ষিকী পালন করা হল, তখন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে প্রধান অতিথি করা হয়েছিল৷ এটা ১৯৮১-৮২ সালের ঘটনা৷ এছাড়া তাদের যারা মুরুব্বি মাওলানা হোসাইন আহমেদ মাদানী তো বিখ্যাত হাদিস বিশারদ ছিলেন৷

তিনি জহরলাল নেহেরু, সরদার প্যাটেলদের সঙ্গে একই মঞ্চে অনেক বক্তৃতা করেছেন৷ কিন্তু এখন যারা মোদি বিরোধী বলে কাজ করছেন তারা একটা সাম্প্রদায়িক ও ফ্যাসিস্ট দলের খপ্পরে পড়ে গেছেন৷ এই দলটি বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেনি কখনও৷ স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীকে, নিজেদের ছাত্র সংগঠন দিয়ে সশস্ত্র ক্যাডার তৈরি করে তারা সহযোগিতা করেছেন৷ এখন যে ক’জন কওমি আলেম মাঠে বক্তৃতা বিবৃতি দিচ্ছেন এটা অত্যন্ত সুস্পষ্ট যে দলটির খপ্পরে তারা পড়েছেন যে কোন আঁতাতের ভিত্তিতে তারা সাম্প্রদায়িক কর্মকাণ্ড করছেন৷

ভারতেও তো বিপুল সংখ্যক মুসলমান রয়েছে৷ এখানে মোদির সফরের বিরোধিতা করলে কি তাদের  বিপদ হতে পারে?

তাদের উদ্দেশ্য তো মোদি নয়৷ তাদের উদ্দেশ্য হল বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করা৷ তাদের উদ্দেশ্য হল বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমতাচ্যুত করা৷ তাদের উদ্দেশ্য হল দেশে একটা বিশৃঙ্খলা করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করা৷ গত কয়েকদিনে যারা ভাঙচুর, জ্বালাও পোড়াও করলেন তাদের গত ছয় মাসের বক্তৃতা বিবৃতি একত্রিত করেন তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন তাদের লক্ষ্য কী ছিল৷

হেফাজত তো অরাজনৈতিক ধর্মীয় সংগঠন৷ তাদের কি  রাজনৈতিক পক্ষ বা প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখা ঠিক হচ্ছে?

হেফাজতের সবাই তো বিভিন্ন নামে রাজনীতি করেন৷ আহমদ শফির ইন্তেকালের পর যিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন তার ব্যাপারে তো অনলাইন বা বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় আসছে তিনি জামায়াতের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন৷ তাদের পরামর্শেই তিনি বিভিন্ন কর্মসূচি দিচ্ছেন৷ এ কারণে আমি আগেই আপনাকে বলছি, জামায়াতে ইসলামী নামক ফ্যাসিস্ট রাজনৈতিক দলের খপ্পরে তারা পড়েছেন৷

আহমদ শফির মৃত্যুর পর হেফাজত কি আগের আদর্শ থেকে সরে এসেছে?

আহমদ শফি সাহেব যখন হেফাজত প্রতিষ্ঠা করেন তখন আদর্শ ছিল যেসব ব্লগার আল্লাহ ও রাসুলের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করেন এদের বিরুদ্ধে হবে তাদের আন্দোলন৷ ইসলামের মূল নীতির যারা বিরোধিতা করবেন তাদের বিরুদ্ধেই হবে এদের আন্দোলন৷ এটাতে উনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন৷ যখন উনি আন্দোলন করলেন তখন উনি দেখলেন শেখ হাসিনা সরকার আলেমদের ব্যাপারে শ্রদ্ধাশীল৷ আলেমদের জন্য তিনি কল্যাণকর কাজ করেছেন৷ এক শতাব্দীব্যাপী তাদের শিক্ষা সনদের কোন স্বীকৃতি ছিল না৷ প্রধানমন্ত্রী এই শিক্ষা সনদের স্বীকৃতি দিয়েছেন৷ সারা বাংলাদেশের ৮৫ হাজার মসজিদকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আওতায় এনে সেখানে কোরআন শিক্ষার ব্যাবস্থা করে ইমামদের সম্মানি দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন৷ ৫৬০টি জেলা-উপজেলায় মসজিদ তৈরি করে আলেমদের জন্য চাকরির ব্যবস্থা করেছেন৷ প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, প্রত্যেকটি প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি স্কুলের জন্য ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেবেন৷ এইসব তারা বানচাল করে দিতে চাচ্ছেন৷ এই রহস্যটাই আমি বুঝতে পারি না কেন তারা এই কাজ করতে চাচ্ছেন৷

হেফাজতের দাবির সঙ্গে বাম রাজনৈতিক দলগুলোর দাবি মিলে যাচ্ছে৷ আওয়ামী লীগের বিপক্ষে কি সবাই একতাবদ্ধ হচ্ছেন?

অনেকেই হবেন৷ যারা আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চান তারা নিজেদের আদর্শ বিসর্জন দিয়ে হলেও মিলে যাওয়ার একটা প্রক্রিয়া নিচ্ছেন এটাই আমরা শুনতে পাচ্ছি৷

কওমি মাদ্রাসাগুলোকে কি রাজনৈতিকরণ করা হচ্ছে? 

এইটা খুবই দুঃখজনক৷ যে কোন আন্দোলনে তারা শিশু-কিশোরদের নিয়ে মিছিল করেন৷ এই সরাইল হাইওয়েতে তারা যে আন্দোলন করেছে, সেখানে এত শিশু ছিল যে পুলিশ গুলি করতে ভয় পেয়েছে৷ এই শিশুদের তারা নিয়ে গেছেন৷ এগুলো ইসলামের পরিপন্থি কাজ৷ অথচ তারা ইসলামের নাম নিয়ে করছেন৷ এটার সুফল তারা পাবেন তো নাই, বরং সমস্ত কওমি অঙ্গনকে তারা কলুষিত করছেন৷

এই শিশুদের মধ্যে উগ্র মনোভাব তৈরি করা হচ্ছে৷ আপনি খেয়াল করবেন নারায়নগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় যে পিকেটিংটা হলো সেখানে বিভিন্ন মসজিদ থেকে নামাজের জন্য এসো না বলে আন্দোলনে যাওয়ার আহবান জানানো হয় মাদ্রাসা ছাত্রদের৷ এই যে, দেশের কোমলমতি শিশুদের তারা যে শিক্ষা দিচ্ছেন দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে, স্বাধীনতার জনকের বিরুদ্ধে, স্বাধীনতার স্থপতির বিরুদ্ধে এবং এমন বক্তৃতা বিবৃতি দিচ্ছেন যে সরকার ইসলামের ঘোর দুশমন৷ এভাবেই এই বাচ্চাদের মনে তারা ঘৃণা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছেন৷ এটা তো আত্মঘাতি, নিজেদের জন্যই তারা ক্ষতি করছেন৷ সারা দুনিয়ায় দেশের ইমেজ কমবে, ধর্মের ইমেজ কমবে৷ আফগানিস্তানের মতো তারা দেশটাকে একটা অস্থিতিশীল জায়গায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন৷

সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো কী বার্তা দেয়? 

বাংলাদেশ কখনই সাম্প্রদায়িক দেশ হবে না৷ এটার প্রমাণ দেখেন যে, স্বাধীনতার পর যতগুলো নির্বাচন হয়েছে সেখানে যারা ইসলামপন্থি বলে প্রচার করে তাদের মানুষ ভোট দেয়নি৷ কেন দেয়নি, যদি সেই প্রশ্ন করেন তাহলে বুঝবেন তারা ধার্মিক কিন্তু তারা ধর্মান্ধ নয়৷ তারা জানে, গুন্ডামি, গোড়ামি, ভন্ডামি এগুলো ধর্ম না৷ ধর্ম হবে উদার, ধর্ম হবে অসাম্প্রদায়িক, ধর্ম হবে ভালোবাসার৷ আল্লাহ কোরআন শরীফে বারবার বলেছেন, তোমরা সীমা লঙ্ঘন করো না৷ সীমালঙ্ঘনকারীকে আল্লাহ পছন্দ করেন না৷ তারা তো একদিকে সীমা লঙ্ঘন করছেন, মানুষকে ভুল বার্তা দিচ্ছেন৷ মিথ্যাচার করছেন৷ ওয়াজ মাহফিলে গিয়ে তারা কোরআন হাদিসের কথা বাদ দিয়ে নানা ধরনের কিচ্ছা কাহিনী বলে মিথ্যা তথ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করে ব্যবসা করছেন৷

অনেকেই অভিযোগ করেন, সরকারের প্রশ্রয়ে হেফাজত আজকের অবস্থানে এসেছে? এখন তাদের নিয়ন্ত্রণ সরকারের জন্য কঠিন হয়ে যাচ্ছে?

আপনি যেটা বললেন সেটা আংশিক সত্য৷ নিয়ন্ত্রণ কঠিন নয়, যদি সরকার ইচ্ছা করে৷ তবে সরকার আরো বিলম্ব করলে বা আরো প্রশ্রয় দিলে এক সময় কঠিন হয়ে যাবে৷  সূত্র: ডয়েচে ভেলে

// অনলাইন নিউজ //

মাস্ক ব্যবহারে উদ্ধুদ্ধকরণ ও মাস্ক বিতরণ কর্মসূচি অব্যাহত।।যশোর জেলা পুলিশ

বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ সারা দেশের ন্যায় যশোর জেলায়ও  পহেলা বৈশাখের পূর্বেই কালবৈশাখী ঝড়ের গতিতে প্রবাহিত হচ্ছে। আজকে যশোরে ২১৯ জনের করোনা টেষ্ট করে দেখা যায় আক্রান্ত ৫৯ জন এবং আক্রান্তের হার ২৫.৭৬%। যা যথেষ্ট উদ্বিগ্নের কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে যশোর জেলার জন্য তথা সমগ্র দেশের জন্য।

 

করোনায় আক্রান্তের হার নিয়ন্ত্রণ করতে সরকার ঘোষিত লকডাউনের সাথে সাথে সকল নিয়মকানুন পালনসহ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, নিয়মমেনে সেনিটাইজার বা সাবান দিয়ে হাত ধোয়া এবং সঠিকভাব মাস্ক ব্যবহার করার কোন বিকল্ল নেই। কিন্তু আমাদের অনেকেরই মাস্ক ব্যবহারের প্রতি অনিহা আবার স্বল্প সংখ্যক যারা মাস্ক ব্যবহার করছেন তারা সঠিক নিয়মে মাস্ক ব্যবহার করছেন না।

 

বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাব শুরু হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশ পুলিশ করোনা মোকাবেলায় সম্মূখসারির যোদ্ধা হিসাবে মাঠে কাজ করে যাচ্ছে।

আর তাই আজ ১০ এপ্রিল -২০২১ রোজ শনিবার সরকার ঘোষিত লকডাউনের ষষ্ঠদিনে ” মাস্ক পরার অভ্যাসে, করোনা মুক্ত হবে বাংলাদেশ”- এই স্লোগানকে সামনে রেখে যশোর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ বেলাল হোসাইনের নেতৃত্বে লকডাউন কার্যকরের পাশাপাশি জনগণকে করোনা ভাইরাস সম্পর্কে অধিকতর সচেতন করতে এবং মাস্ক ব্যবহারে উদ্ধুদ্ধ করতে যশোর শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রচারসহ মাস্ক বিতরণ করেন।

 

এই বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় নিজে অধিকতর সচেতন হই এবং অন্যকেও সচেতন করি। সকলের সম্মিলিত প্রয়াসেই সম্ভব যেকোন ধরনের মহামারি মোকাবেলা করা।আমরা প্রত্যেকে যদি সচেতন হই তাহলে বাঁচবে পরিবার,সমাজ ও দেশ।

// স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক //

খুলনার তেরখাদা উপজেলায় করোনা সচেতনতা ও মাস্ক বিতরণ করেছে ‘‘সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘ’’

 

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী ও এনভয় গ্রুপের পরিচালক সারমিন সালামের  সার্বিক  সহযোগিতায়-  ১০ এপ্রিল সালাম মূশের্দী সেবা সংঘের আয়োজনে দিনব্যাপী তেরখাদা উপজেলার   বিভিন্ন  স্থানে মাষ্ক বিহীন পথচারীদের মাঝে   মাষ্ক বিতরন ও সচেতনতা মূলক প্রচারনা করা  হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে অনুষ্ঠিত এ  মাক্স বিতরণে প্রধান অতিথি হিসাবে মাক্স বিতরণ করেন জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য  অধ্যক্ষ ফ ম আ: সালাম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মোঃ মোতালেব হোসেন,

সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এফএম অহিদুজ্জামান, সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবীব,

তেরখাদা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ শারাফাত হোসেন মুক্তি,

সাংগঠনিক সম্পাদক  বাছিতুল হাবিব প্রিন্স,এমপির প্রধান সমন্বয়কারী ও যুবলীগ নেতা মোঃ নোমান ওসমানী রিচি,সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের টীম লিডার সামসুল  আলম বাবু, আওয়ামীলীগ নেতা মিয়া আরিফ হোসেন

সাংবাদিক সেলিম আহমেদ, অরবিন্দ প্রসাদ সাহা, মিয়া আলী হোসেন, ফরহাদ হোসেন, হারুন শেখ, আরিফুজ্জামান অরুন, হাসিনা বেগম প্রমুখ।

  // আ: রাজ্জাক সেখ, খুলনা ব্যুরো //

খুলনায় কোভিড-১৯ দ্রুত বিস্তার রোধে জেলা প্রশাসকের সভা অনুষ্ঠিত

 

 করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা ও মহানগর কমিটির সভা শনিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে খুলনা সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মোঃ কামাল হোসেন অনলাইনে যুক্ত ছিলেন। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক ছিলেন সভার প্রধান অতিথি ।

 

 সভায় সিটি মেয়র বলেন, জেলায় প্রতিদিনই করোনা রোগী বেড়ে চলেছে । করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও বাধ্যতামূলকভাবে মাস্কের ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং লকডাউন কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে । তিনি করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের পাশাপাশি সকলকে সহযোগিতা করার আহবান জানান।

 

 আলোচনা সভায় করোনা রোগীর সু-চিকিৎসা নিশ্চিতে সার্বিক সমন্বয়ের জন্য কমিটি গঠন করা হয়। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে করোনা চিকিৎসার জন্য নিদিষ্ট করার প্রস্তাব করা হয়। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিদ্যমান একশটি করোনা বেডের সাথে আরো একশটি বেড বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়। দ্রুততার সাথে করোনা টেস্টের রেজাল্ট দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়াও সভায় এক বিভাগ থেকে অন্য বিভাগে টিকা প্রদানে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।

 

 সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডাঃ রাশেদা সুলতানা, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ এটিএম মঞ্জুর মোর্শেদ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান, সিভিল সার্জন ডাঃ নিয়াজ মোহাম্মদ, উপপুলিশ কমিশনার (সদর) মোহাম্মদ এহসান শাহ, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোঃ ইকবাল হোসেন, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার জিনাত আরা আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ইউসুপ আলী, খুলনা চেম্বার অব কমার্সের প্রতিনিধি ডা: সেখ ফরিদ উদ্দিন, সরকারি কর্মকর্তাসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

// আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো //