”তোমারো করোনা হোক” বলেই করোনা আক্রান্ত শাশুড়ি জড়িয়ে ধরেন বৌমাকে

 

”তোমারো করোনা হোক” এমনটাই আশা করেন এক করোনা আক্রান্ত শাশুড়ি। হ্যা করোনা হয়েছে। তাই বাড়িতেই আইসোলেশনে ছিলেন শাশুড়ি। স্বাভাবিক ভাবেই ছেলে, বউমা, নাতি-নাতনি, সবাই নিয়মনে চলছিল, তার ঘরের চৌকাঠ পেরোননি কেউই। বাইরে রেখে দেয়া খাবার খেতে হচ্ছিল রোজ।

 

এত লোকজনের ঘরে তার একাএকা থাকতে থাকতে মন খারাপ লাগতেছিল ওই মহিলার। থাকতে না পেরে এক দিন হঠাৎ তিনি চলে গেলেন বউমার ঘরে। আর বলে উঠলেন  আমি মরে গেলে তোমরা ভাল থাকতে চাও…! বলেই জাপটে ধরলেন বউমাকে।.

ব্যাস হয়ে গেল…

 

ভারতের তেলঙ্গানার রজান্যা জেলার থিমাপুর গ্রামের ঘটনায় অবাক হয়ে গিয়েছেন সবাই। পরিবারের ২০ বছরের পুত্রবধু গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, কয়েক দিন আগে করোনা হওয়ায় শাশুড়ির সাথে নিরাপদ দূরত্ব রেখে চলছিলেন পরিবারের সবাই। কিন্তু শাশুড়ির বিষয়টা পছন্দ হয়নি। তাই বউমাকে জড়িয়ে ধরে তিনি বলেছেন, ‘তোমারও করোনা হোক’।

 

ঘটনার পরেই অবশ্য ছেলে-বউমা বাড়ি থেকে বার করে অন্যত্র পাঠিয়ে দেয় শাশুড়িকে।

 কিন্তু তত ক্ষণে যা হওয়ার তা হয়ে গিয়েছে।

কয়েক দিন পরেই পরীক্ষা করে দেখা যায়, বউমাও করোনা পজিটিভ

আপাতত নিজের বোনের কাছে আছেন ওই মহিলা।

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

আজ ৫০তম বাজেট: ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট

 

পরেশ রাওয়াল বেচে আছেন…! নিজেই বললেন- ‘মারা যাইনি, ঘুমাচ্ছিলাম’…

 

বলিউড অভিনেতা  পরেশ রাওয়াল বেচে আছেন…! তার মৃত্যু সংবাদ নিয়ে তোলপাড় চলছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এই অভিনেতার ভক্তরা এই খবরে রীতিমতো ভেঙে পড়েছিলেন। কিন্তু এই খবর নিয়ে মুখ খুললেন পরেশ রাওয়াল নিজেই।

মজার ছলে ভক্তদের জানিয়ে দিলেন, খবরটি ভুল ছিল। তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন। নেটিজেনদের একাংশের কথায়, সুন্দর এক জবাবের মধ্যে দিয়েই অভিনেতা বুঝিয়ে দিয়েছেন, পরেশ রাওয়ালের ‘কমিক টাইমিং’ সবার সেরা। কী লিখেছিলেন অভিনেতা?

টুইটারে এক ব্যক্তি লেখেন, ‘অভিনেতা পরেশ রাওয়াল প্রয়াত। শনিবার সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।’ একই সঙ্গে অভিনেতার একটি ছবিও পোস্ট করেন তিনি, যেখানে ছবির সামনে জ্বালানো ছিল মোমবাতি। যদিও অনেকেই এই খবর বিশ্বাস করতে চায়নি।

এই পোস্ট প্রকাশ্যে আসার কিছুক্ষণের পরেই একটি টুইট করেন পরেশ রাওয়াল নিজেই। নিজের মৃত্যুর খবর সংক্রান্ত পোস্টটির একটি স্ক্রিনশট তুলে তিনি বলেন, ‘ ভুল বোঝাবুঝির জন্য দুঃখিত,সকাল ৭টার পরও ঘুমাচ্ছিলাম’।

তার এই পোস্ট সামনে আসার পরেই রীতিমতো হাসির রোল উঠেছে নেট দুনিয়ায়। নেটিজেনদের একাংশের বক্তব্য, নিজের উত্তর মধ্য দিয়েই পরেশ রাওয়াল বুঝিয়ে দিয়েছে, কেন থাকে সেরা কমেডিয়ান বলা হয়। এদিকে, অভিনেতা নিজে টুইট করে মৃত্যুসংবাদ ভুল বলায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে ভক্তরা। বর্তমানে ‘হাঙ্গামা ২’ ছবির শুটিং করছেন এই অভিনেতা।

অনলাইন ডেস্ক।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

পদ্মায় স্পিডবোট দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত: প্রধান আসামি গ্রেফতার

 

ভারতের গঙ্গায় হাজারো মৃতদেহ ভাসিয়ে দিচ্ছে কে বা কারা বা কেন…? এর উত্তর নেই…!

 

ভারতের গঙ্গায় হাজারো মৃতদেহ ভাসালে মোক্ষলাভ হবে— এই ধর্মীয় বিশ্বাসে সেখানে আধাপোড়া মৃতদেহ ভাসিয়ে দেওয়া হয়। প্রায় ২০০ টন আধাপোড়া মৃতদেহ এভাবেই ভেসে চলে গঙ্গায়। বারাণসীর মণিকর্ণিকা ও হরিশ্চন্দ্র ঘাটে আবার প্রতি বছর গড়ে ৩২ হাজার মৃতদেহ দাহ করা হয়। সেই সৎকারের পরে প্রায় ৩০০ টন ছাই পড়ে গঙ্গায়, যা গঙ্গা দূষণের অন্যতম কারণ।

বছর পাঁচেক আগে জাতীয় পরিবেশ আদালতে এই মর্মেই হলফনামা জমা দিয়েছিলেন এক আইনজীবী। যার পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সরকার ও উত্তরপ্রদেশ সরকারকে তীব্র ভাষায় ভর্ৎসনা করেছিল পরিবেশ আদালত।

কিন্তু তার পরেও যে পরিস্থিতির বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হয়নি, তা সাম্প্রতিক ঘটনাতেই স্পষ্ট। যেখানে কোভিডে আক্রান্ত মৃতদেহ দাহ না করে গঙ্গায় ভাসিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আর এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছেন উত্তরপ্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের একাধিক রাজ্যের নদী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা। তাদের বক্তব্য,মহামারীর কারণে গঙ্গায় মৃতদেহ ভাসার বিষয়টি নিয়ে শোরগোল হচ্ছে। কিন্তু এমনি সময়েও এমন ঘটনা ঘটে থাকে। যেখানে মরদেহের সম্মানজনক অন্ত্যেষ্টি-পর্ব ব্রাত্যই থেকে যায়!

উত্তরপ্রদেশের গঙ্গা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা এ ক্ষেত্রে ২০১৫ সালে উন্নাও জেলার একটি ঘটনার প্রসঙ্গ উল্লেখ করছেন। যেখানে ওই জেলা সংলগ্ন গঙ্গায় প্রায় ১০০টি মরদেহ ভাসতে দেখা গিয়েছিল। নদীর তীরে আটকে যাওয়া মরদেহ ঘিরে রেখেছিল কুকুর-শকুনের দল।

 

সেই ঘটনারই যেন পুনরাবৃত্তি হচ্ছে করোনাকালে। কানপুরের বাসিন্দা, নদী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত তথা তথ্যের অধিকার নিয়ে কাজ করা সমাজকর্মী (আরটিআই অ্যাক্টিভিস্ট) শঙ্কর বলছেন, “কোভিডে মৃতের প্রসঙ্গ উঠলেই তো প্রশাসন তথ্য চেপে যাচ্ছে। এদিকে, গঙ্গায় মরদেহ ভেসে যাচ্ছে।”

ওই রাজ্যেরই আরেক নদী আন্দোলনকারীর বক্তব্য, “কোভিডে মৃতদেহের সৎকার যাতে সম্মানজনকভাবে হয়, সে কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে তার কোনও প্রতিফলন নেই।”

বারাণসীর গঙ্গা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা জানাচ্ছেন, অনেক জায়গায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে, কোভিড-মরদেহ সৎকারের জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও আবার জায়গা পাওয়া গেলেও মরদেহ শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার পর্যাপ্ত লোক নেই। ফলে রাতের অন্ধকারে ওই মৃতদেহ গঙ্গায় ফেলে দেওয়া হচ্ছে। আবার অনেক জায়গায় গঙ্গার পাড়েই কিছুটা গর্ত করে মরদেহ পুঁতে দেওয়া হচ্ছে।

নদী আন্দোলন-কর্মী বল্লভচার্য পাণ্ডের কথায়, ‘‘গঙ্গায় পানি বাড়লেই বালিতে পোঁতা মৃতদেহ বেরিয়ে আসছে। তার পরে গঙ্গার স্রোত তা টেনে নিয়ে যাচ্ছে।”

গবেষণা জানাচ্ছে, শুধু বারাণসীর ঘাটেই প্রতি বছর প্রায় তিন হাজার মরদেহ গঙ্গায় ভাসতে দেখা যায়। দিনে গড়ে ৮-১০টি মৃতদেহ গঙ্গায় ভেসে যাচ্ছে, এমন ঘটনা হামেশাই ঘটে। করোনা সংক্রমণ সেই বিষয়টিকেই আলাদা মাত্রা দিয়েছে।

বিহারের গঙ্গা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের বক্তব্য, গ্রামীণ এলাকায় অনেকে আক্রান্ত হচ্ছেন। কিন্তু তারা সংক্রমণের শুরুতে চিকিৎসা করাচ্ছেন না। ফলে যেটা হচ্ছে, একটা শ্রেণি নিজেরাই সুস্থ হয়ে উঠলেও যারা পারছেন না, তাদের শেষ মুহূর্তে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

এক নদী আন্দোলনকারীর বক্তব্য, “কিন্তু তাতে দেরি হওয়ায় তাদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠেরই মৃত্যু হচ্ছে।”

“এর সঙ্গে যোগ হয়েছে শ্মশানঘাটগুলোতে কাঠের অপ্রতুল জোগান। সৎকারের উপযুক্ত ব্যবস্থা নেই। তাই মরদেহ গঙ্গায় ফেলে দেওয়া হচ্ছে,” বলছেন পটনার বাসিন্দা, নদী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কর্মী আশিস রঞ্জন।

 

ফলে মোক্ষলাভ না করোনার সময়ে দাহ করার পর্যাপ্ত কাঠের অভাবে মৃতদেহ গঙ্গায় ফেলা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই।

 

তবে কারণ যা-ই হোক, অনেকের বক্তব্য, গঙ্গায় মৃতদেহ ফেলা যাবে না, এ বিষয়ে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে। এও বলা হয়েছে, গঙ্গায় মরদেহ দেখা গেলে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রশাসনকেই তার সৎকারের উপযুক্ত ব্যবস্থা করতে হবে। যার পরিপ্রেক্ষিতে পশ্চিমবঙ্গের নদী আন্দোলন-কর্মী গৌতম দে সরকার বলছেন, “গঙ্গাকে দূষণমুক্ত রাখার অনেক নির্দেশ, কেন্দ্রীয় প্রকল্প থাকলেও পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে করোনাকালে তা ধুয়েমুছে গিয়েছে!”

ফলে প্রায় ২৫৩২ কিলোমিটার যাত্রাপথে আরও কত কোভিডে মৃতের দেহ বহন করতে হবে গঙ্গাকে, সেই আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। সূত্র: আনন্দবাজার

অনলাইন ডেস্ক।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

হিন্দুদের মৃতদেহ সতকারে মুসলিমরা…

 

ঈদের দিন ভারতের হুগলিতে হিন্দু পড়শির দেহ সৎকার করলেন মুসলিম প্রতিবেশীরা

 

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সুনামি বইছে ভারত জুড়ে। করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে লাগামহীনভাবে।করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি এখনও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়।তাছাড়া করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করলে তো অবস্থা আরও খারাপ। মৃত ব্যক্তিটির  স্বাভাবিক সৎকার করার লোকও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।তেমনি একটি ঘটনা ঘটছে হুগলি জেলার পোলবা- দাদপুর ব্লকের বাবনাম গ্রামে।

 গ্রামের হরেন্দ্র সাধু খাঁ(৭২) নামক ব্যক্তিটি গত তিনদিন যাবত জ্বরে ভুগছিলেন।করোনা পরীক্ষার আগেই তার মৃত্যু হয়। পরিবারের কারো মৃত্যুর পরে সেই পরিবারের লোকেরা কতটা শোকাতুর থাকে সেটা যেকারো কাছে অনুমেয়। কিন্তু ঐ পরিবারের নিকট এই শোকের পরে আরও অপরিসীম  শোক হয়ে দেখা দিল যখন তারা দেখলেন, করোনা সংক্রমনের ভয়ে কেউ তাদের বাড়ির চৌকাঠে পা রাখছেন না। মৃতের একমাত্র ছেলে চন্দন দিশেহারা হয়ে সৎকারের জন্য প্রতিবেশী হিন্দুদের সহযোগিতা চেয়েছেন কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেনি সৎকারের কাজে সাহায্য করতে।

 

 হিন্দু পড়শির দেহ সৎকার করলেন মুসলিম প্রতিবেশীরা

 

গতকাল ছিল মুসলমানদের সর্ব বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ইদুল- উল- ফিতর।ইদের নামাজ পড়ে উৎসব পালনের জন্য সকলে যার যার মতো বের হচ্ছিলেন তারা। এরই মধ্যে মুসলিম প্রতিবেশীরা হঠাৎ খবর পেলেন মৃতের সৎকার করার জন্য কোন লোক পাচ্ছেন না তার ছেলে চন্দন।

মৃতের ছেলের এই অসহয়তার কথা শুনে উৎসব শিকেয় তুলে ধর্মীয় সংকীর্ণতা ভুলে পাশে দাঁড়াতে বেরিয়ে পড়েন মুসলিম প্রতিবেশী আশিক মোল্লা, গোলাম সুবানী,গোলাম সাব্বার,শেখ সানিসহ আরও অনেকে।

করোনার ভয় উপেক্ষা করে হাজির হলেন মৃতের বাড়িতে। নিজেরা খাট বেঁধে, ফুলের মালা দিয়ে সাজিয়ে তোলেন মৃতের দেহ। চার ভিন্নধর্মী মানুষের কাঁধেই শেষ যাত্রায় যান হরেন্দ্রনাথ সাঁধুখাঁ। শ্মশানে কাঠ জোগাড় থেকে শুরু করে দাহ করার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত পিতৃহারা সন্তানের পাশে ছিলেন তারা।

 

এযেন মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত। আমরা যদি সকলেই ধর্মীয় শৃঙ্খলার বাইরে গিয়ে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারতাম তাহলে হয়তো ধর্মীয় পরিচয়ের বাইরে গিয়ে সত্যিকারের মানুষ হয়ে হিংসা বিদ্বেষ ভুলে একে অপরের বিপদ- আপদে,সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে পারতাম।আর তাহলে হয়তো  আগামী প্রজন্মের জন্য একটা সুন্দর পৃথিবী গড়ে তোলা সম্ভব হতো।

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক// 

————————————–

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

সিরিয়া থেকে রকেট হামলা….

 

 

রেড ভলেন্টিয়ার্স – ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে গঠিত স্বেচ্ছাসেবি যুবকদের নাম রেড ভলেন্টিয়ার

ভারতের পশ্চিম বঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয় ২ মে।ফলাফলে দেখা যায় ধর্মীয় মেরুকরণের রাজনীতি থেকে পশ্চিম বঙ্গকে রক্ষা করার জন্য গঠিত বামদল, কংগ্রেস, ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট সমার্থিত সংযুক্ত মোর্চা একটি আসন পেয়েছে।

কিন্তু দীর্ঘ ৩৪ বছর শাসন ক্ষমতায় থাকা বাম সংগঠন পেয়েছে শূন্য আসন যা ছিল কল্পনাতীত। দল একটি আসনও পাইনি তারপরওবিজয়ীদল তৃণমূল কংগ্রেস তাদের নেতাকর্মী,সমার্থকদের বাড়িঘর,ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাংচুর করছে, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করছে ও পার্টির অফিস ভেঙে চুরমার করছে।সরকার দলীয় সংগঠনের এধররণের অমানবিক আচারণ দেখে মনে হয়েছে বিজেপি তাদের প্রতিপক্ষ নয় বামসংগঠনই যেন তাদের প্রতিপক্ষ।

 

বাম সংগঠনগুলোর অবস্থা যখন করোনা রোগীর মতো দিনকে দিন অক্সিজেন লেবেল কমতে কমতে মৃত্যু পথযাত্রী,বাঁচার আশা বা রাজনৈতিক অঙ্গনে টিকে থাকার কোন সমূহ সম্ভাবনা নেই বললেও ভুল হবে না, এমনকি বামদলের সকল রাজনৈতিক নেতাকর্মী যখন শোকের অথৈই সাগরে ভাসছে তখনো কিছু কর্মী সমার্থক গতবছর করোনাকালীন সময়ে প্রতিষ্ঠিত শ্রমজীবি ক্যান্টিনে খাবার রান্না করে গরীব অসহায় ও করোনা রোগীদের বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছে, রাত বিরাতে অক্সিজেন পৌঁছে দিচ্ছে, অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি, আইসিইউ এর ব্যবস্থা,ওষুধের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে,এমনি কি কোন রোগী মারা গেলে দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে।

 

সেখানে না আছে কোন জাতি- ধর্ম- বর্ণ, না আছে কোন রাজনৈতিক পরিচয় । তাদের এই সেবা বিদেশে অবস্থানরত লোকজন তাদের বাড়ির মা- বাবাদের চিকিৎসা, ওষুধসহ সার্বিক সহযোগিতার জন্য নিচ্ছে এবং তারাও নির্দ্বিধায় ছুটে যাচ্ছে সহযোগিতার জন্য। দিনরাত ছুটে চলা এই যুবদের নাম রেড ভলেন্টিয়ার।

গত বছর ভারতে করোনার প্রার্দুভাব শুরু হলে স্বল্প পরিসরে বিভিন্ন জেলায় শুরু হলেও এবার সমগ্র পশ্চিম বঙ্গের শহর থেকে গ্রামে বিস্তৃত হয়েছে এই রেড ভলেন্টিয়ারদের সেবার পরিধি।গতবছর যে রেড ভলেন্টিয়ার ছিল কয়েক হাজার এবছর এই রেড ভলেন্টিয়ারদের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৮৩ হাজারের মতো। তারা তাদের মোবাইল নম্বর ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে দেওয়ালে লিখে টানিয়েছে, ফেসবুক ও বিভিন্ন গ্রুপে দিয়ে দিয়েছে এবং তারা একটা ফেসবুক পেজও খুলেছে যেখানে রেডভলেন্টিয়ারদের নাম,মোবাইল নম্বরসহ যাবতীয় তথ্য দেওয়া আছে।যদি কারো কোন সেবার প্রয়োজন হয় তাহলে মোবাইলে কল করার সাথে সাথে রকেটের গতিতে গিয়ে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করছে।

যখন সমগ্র বিশ্ব জাতি-ধর্ম- বর্ণ,সম্প্রদায়িক গোষ্ঠী দ্বদ্ধে দিশেহারা, পৃথিবীর অপরূপ সুন্দর নীল আকাশ যখন রকেট লাউঞ্জের কালো ধোঁয়ায় ঢেকে ফেলেছে তখন সেই কালো ও বিষাক্ত ধোঁয়ার বুক চিরে সূর্যের রক্তিম আভা হয়ে গ্রাম থেকে শহর, শহর থেকে দূরে, বহুদূরে,সেই বিদেশ বিভুইয়ে অবস্থানরত রেমিট্যান্স যোদ্ধার হৃদয় পর্যন্ত স্পর্শ করা অগ্নিগিরির অগ্নিগর্ভ থেকে বের হয়ে আসা ভালবাসার নাম রেড ভলেন্টিয়ার।

করোনার এই বৈশ্বিক সুনামির আঘাতে সমগ্র মানব সভ্যতা যখন দিশেহারা হয়ে দ্বিকবিদিক ছুটছে টীকা,অক্সিজেন, হাসপাতাল- ক্লিনিকের বেড ও আইসিইউ- এর জন্য,এমনই এক ক্রান্তিকালে সীমিত সাধ্যের মধ্যে বৃহৎ সেবা দেওয়ার মনমানসিকতা নিয়ে এগিয়ে যাবার মতো লোক ক’জনই বা আছে?আজ যেখানে ঘরেঘরে, পাড়ায়পাড়ায় গোষ্ঠীদ্বদ্বে দিশেহারা, ব্যক্তি স্বার্থের কাছে সামগ্রিক স্বার্থ যেখানে তুচ্ছ তেমনিই এক সংকটকালীন সময়ে যারা নিজেদের মৃত্যু ভয় উপেক্ষা করে মানুষকে বাঁচিয়ে তোলার আপ্রাণ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে- সেখানে না আছে জাতি, ধর্ম,বর্ণ, না আছে কোনো রাজনৈতিক রং। তাদের পরিচয় রেড ভলেন্টিয়ার।

এই স্বেচ্ছাসেবকরা তোমার আমার মতো কতশত বাবা- মা- সন্তানের প্রাণ বাঁচিয়ে তুলছে অসীমমায়া মমতা ও ভালবাসা দিয়ে।তাদের একটাই পরিচয় তারা মানুষ।তাদের দেখানো পথ অনুসরন করে যদি আমাদের বাংলাদেশের প্রতিটি পাড়ায়,মহলায় এই ধরনের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গড়ে তোলা যায় তবে ইদের পরে হতে যাওয়া করোনার তৃতীয় সুনামি থেকে অনেকটাই নিজেদের রক্ষা করার পথ প্রশস্থ হবে।

// স্বীকৃতি বিশ্বাস, যশোর //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব….

ভারতে করোনা বৃদ্ধির জন্য দায়ী কে…

 

 

ভারতে করোনা মহাবিপর্যয়ের জন্য দায়ী কে তা জানিয়েদিয়েছে  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

 

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে ভারতে করোনা মহাবিপর্যয়ের নেমে এসেছে । এই ভাইরাসের প্রকোপে দিশেহারা হয়ে পড়েছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনসংখ্যার দেশটি। কিন্তু এর জন্য দায়ী কে?

 

ল্যানসেট এবং নেচার পত্রিকার পর এবার ভারতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য সরাসরি রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় সমাবেশকে দায়ী করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ভারতের বর্তমান পরিস্থিতির কারণ খতিয়ে দেখতে গিয়ে তারা জানতে পেরেছেন, দেশটিতে সংক্রমণ বৃদ্ধির অনেকগুলো কারণের মধ্যে অন্যতম হল বড় বড় রাজনৈতিক জনসভা এবং ধর্মীয় জমায়েত।

 

আসলে প্রথম দফার সংক্রমণের গতি কিছুটা কমতেই ভারত সরকার তথা সাধারণ মানুষ করোনা নিয়ে অনেকটাই গা-ছাড়া মনোভাব দেখিয়েছে। সামাজিক দূরত্ব বিধি তো মানেইনি, উল্টো বড়বড় রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সমাবেশ হয়েছে দেশটিতে। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই দূরত্ববিধি অমান্য করে ৭টি রাজ্যে নির্বাচন হয়েছে।

দেশটির খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একের পর এক বড় বড় জনসভা করেছেন। একই দোষে দুষ্ট বিরোধী শিবিরও। শুধু রাজনৈতিক সমাবেশ নয়, এমন কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে কুম্ভমেলার মতো ‘সুপার স্প্রেডার’ ধর্মীয় সমাবেশ হয়েছে। বহু পুজো-অর্চনা এবং অন্য ধর্মীয় অনুষ্ঠানে জমায়েতের অনুমতি দিয়েছে সরকার। এগুলোকেই দেশে দ্বিতীয় ঢেউয়ের ভয়াবহ আকার নেওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

 

তবে, এর পাশাপাশি দেশে কোভিডের অতি সংক্রামক স্ট্রেনের হামলাকেও সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য দায়ী করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ইতিমধ্যেই করোনার B.1.617 স্ট্রেনকে গোটা বিশ্বের জন্য বিপজ্জনক হিসেবে আখ্যা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তাদের মতে, ভারতে সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য এই মিউট্যান্ট B.1.617 স্ট্রেন এবং B.1.616 স্ট্রেন অনেকাংশে দায়ী। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

// অনলাইন ডেস্ক //

————————

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

Oxygen …..

আজকের সাময়িক বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বিপর্যয়ে অতিষ্ঠ কলকাতার জনজীবন

বৈশাখের শেষ প্রান্তে হঠাৎ করে আজকের সাময়িক বৃষ্টির কারণে প্রকৃতি কিছুটা রুদ্ররূপ ধারণ করেছে।সৃষ্ট নিম্নচাপের কারণে প্রবল বৃষ্টিতে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম বিপর্যয়।

একদিকে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে বিপর্যস্থ সমগ্র ভারতের সাথে পশ্চিম বঙ্গও।আজও অক্সিজেনের সল্পতার কারণে ১১ জন মৃত্যু বরণ করেছে এবং অন্যদিকে গঙ্গা নদী দিয়ে ভেসে আসছে লাশের পরে লাশ।এযেন মানবিক বিপর্যয়ের অকল্পনীয় রূপ।

বৃষ্টির পানিতে রাস্তাঘাট ভেসে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের যেমন চলাচলের অসুবিধা হয়েছে তেমনি করোনা আক্রান্ত রোগীদের বাড়িতে অক্সিজেন, খাবার ও ওষুধ পৌঁছানোও দুরূহ হয়ে পড়েছে।ফলে রেড ভলেন্টিয়ার্সের মতো যে সকল সামাজিক সংগঠন কাজ করছে তারা যেমন রোগীর নিকটে দ্রুত পৌঁছাতে পারছে না তেমনি মুমুর্ষ্য রোগীদের সঠিক সময়ে হাসপাতালে স্থানান্তর করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

আবহাওয়ার এই বৈরী প্রভাবের ফলে করোনা আক্রান্ত রোগীদের মৃত্যুর মিছিল আরও বেড়ে যেতে পারে।

// অনলাইন ডেক্স //

……………………………

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

করোনা পরীক্ষার ফি..

 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা মমতার নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পাচ্ছেন কারা?

 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভূমিধস জয়ে টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  ইতিমধ্যে তিনি শপথ নিয়েছেন।  সোমবার শপথ নেবেন তার নতুন সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা।  এ নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে হিন্দুস্তান টাইমস।

খবরে বলা হয়, রাত পোহালেই নতুন মন্ত্রিসভা তৈরি করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  ইতিমধ্যেই বিধায়করা নিজেদের মতো করে খোঁজখবর করতে শুরু করেছেন। কে মন্ত্রী হবেন আর কে মন্ত্রী হবেন না তার হিসেবনিকেশ করছেন। 

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই চারদিক বিচার করে মন্ত্রিসভার তালিকা তৈরি করে ফেলেছেন।  যা সকলেরই অজানা।  সোমবারই শপথ নিতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা।  বেলা ১১টা নাগাদ বিধানসভাতেই রাজ্যের মন্ত্রীরা শপথ নেবেন। তারপর বিকেলে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক রয়েছে।

সূত্রের বরাত দিয়ে হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, স্বরাষ্ট্র, স্বাস্থ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে থাকবে। অমিত মিত্রকে অর্থমন্ত্রী করে ৬ মাসের মধ্যে জিতিয়ে আনা হবে।  আবার এই দফতরের মন্ত্রী হতে পারেন অভিরূপ সরকারও।  এমনটাও হতে পারে। যোজনা কমিশনের ধাঁচে কোনও প্রতিষ্ঠান তৈরি করা হতে পারে। সেখানে অমিত মিত্রকে নিয়ে আসা হতে পারে উপদেষ্টা করে।

 

আর একজন প্রতিমন্ত্রী রাখা হবে। নতুন–পুরনো মিশেলেই এই মন্ত্রিসভা তৈরি করা হবে। বেশ কয়েকটি নতুন মুখকেই মন্ত্রিসভায় জায়গা দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী বলে খবর। সুশান্ত মাহাতো, বীরবাহা হাঁসদাকে সেক্ষেত্রে দেখা যেতে পারে। জুন মালিয়া কিংবা রাজ চক্রবর্তীর মধ্যে একজনকে দেখা যেতে পারে মন্ত্রিসভায়। তবে এবার আরও গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হতে চলেছেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়।

 

খাদ্যমন্ত্রীই থাকছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের। একুশের নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমর্থন পেয়েছেন মুর্শিদাবাদ ও মালদহ থেকে। সেক্ষেত্রে এই দুটি জেলা থেকে মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মালদা থেকে সাবিত্রি মিত্র ও সাবিনা ইয়াসমিন এবং মুর্শিদাবাদ থেকে সুব্রত সাহা এবং অপূর্ব সরকারের মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। আর পূর্ব মেদিনীপুর থেকে অধিকারী পরিবারের প্রধান বিরোধী অখিল গিরির মন্ত্রিসভায় ঠাঁই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবার উত্তর ২৪ পরগনা থেকে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, পরিবহণ মন্ত্রী হিসাবে মদন মিত্র ও শিক্ষামন্ত্রী হিসাবে ব্রাত্য বসুর নাম তালিকায় রয়েছে বলে সূত্রের খবর।

 

তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রের বরাত দিয়ে হিন্দুস্তান টাইমস আরও জানায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনাতে তৃণমূল কংগ্রেস ৩১টি আসনের মধ্যে ৩০টি আসন পেয়েছে। তাই এখান থেকেও নতুন মুখ আসতে পারে। ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক সওকত মোল্লা মন্ত্রী হতে পারেন। বিষ্ণুপুরের বিধায়ক দিলীপ মণ্ডলকেও মন্ত্রিসভায় নিয়ে আসা হতে পারে।

 

উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী হতে পারেন মেখলিগঞ্জ থেকে নির্বাচিত পরেশচন্দ্র অধিকারী, জলপাইগুড়ি থেকে মন্ত্রী হতে পারে প্রদীপ বর্মা, উত্তর দিনাজপুর থেকে মন্ত্রী হতে পারেন গোলাম রব্বানি, দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে মন্ত্রী হতে পারেন বিপ্লব মিত্র, হুগলি থেকে মন্ত্রী হতে পারেন স্নেহাশিস চক্রবর্তী। তবে ইন্দ্রনীল সেন, মানস ভুঁইয়া, মনোজ তিওয়ারি মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

অনলাইন ডেস্ক।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

কোন তারকা কোথায় জয়ী হয়েছিলের…

 

 

বিশ্বের বৃহত্তম কার্গো বিমানে ভারতে আসছে অক্সিজেন ও চিকিৎসা সরঞ্জাম এর প্রথম চালান

 

 

নদার্ন আয়ারল্যান্ডের রাজধানী বেলফাস্ট থেকে রওনা দিল বিশ্বের বৃহত্তম কার্গো বিমান। গতকাল শুক্রবার (৭ মে) ১৮ টন অক্সিজেন জেনারেটার ও ১ হাজার ভেন্টিলেটরসহ যুক্তরাজ্যের এই বিমান ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে বলে জানা গেছে।

 

ফরেন কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, ওই বিমানে প্রাণদায়ী জিনিস ভর্তি করতে কর্মীরা রাতভর কাজ করেছেন। তারপরই বিশাল অ্যান্টোনভ ১২৪ এয়ারক্র্যাফট ভর্তি হতে পেরেছে। ৪০ ফুট তিনটি অক্সিজেন কনটেনার প্রতি মিনিটে ৫০০ মিটার অক্সিজেন প্রস্তুত করতে পারে। এখান থেকে একসঙ্গে ৫০ জন অক্সিজেন নিতে পারবে।

 

যুক্তরাজ্যের বিদেশ সচিব ডমিনিক ব়্যাব বলেছেন, উত্তর আয়ারল্যান্ড থেকে অক্সিজেন ভারতে পাঠানো হচ্ছে। এটি দেশের হাসপাতালগুলিতে পাঠানো হবে যাতে কোভিড-১৯ রোগীরা ব্যবহার করতে পারে। এই মহামারীর সঙ্গে ভারত ও যুক্তরাজ্য একসঙ্গে লড়াই করছে। সবাই যতক্ষণ না নিরাপদ হচ্ছে, কেউ নিরাপদ নয়। যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য সচিব ম্যাট হ্যানকক বলেছেন, ভারতের পরিস্থিতি মর্মান্তিক। এই চ্যালেঞ্জে আমারা বন্ধুর পাশে আছি।

এদিকে, গতকাল শুক্রবার (৭ মে) সকালে নেদারল্যান্ড থেকে প্রথম সাহায্য এসে পৌঁছায় ভারতে। এদিন, ৪৪৯ ভেন্টিলেটর, ১০০ অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর এবং কোভিড -১৯ ত্রাণ সামগ্রীর প্রথম চালান ভারতে আসে। মিনিস্ট্রি অফ এক্সটারনাল অ্যাফেয়ার্স-এর মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি তার অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেলে লিখেছেন, নেদারল্যান্ডস থেকে ৪৪৯টি ভেন্টিলেটর, ১০০ অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর এবং অন্যান্য চিকিৎসা সামগ্রীর প্রথম চালানটি ভারতে এসেছে। আগামী দিনগুলিতে বাকি চিকিৎসা সরঞ্জামগুলি সরবরাহ করবে বলে আশ্বাস দিয়েছে নেদারল্যান্ড। আমাদের বন্ধু নেদারল্যান্ডসের সমর্থন আমাদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান।

অনলাইন ডেস্ক।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

চট্টগ্রামে ভারত থেকে আসা ১০ জন চমেকে…

 মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেয়ায় মমতা ব্যানার্জীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেয়ায় মমতা ব্যানার্জীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (৬ মে) এক বার্তায় এ অভিনন্দন জানান তিনি। বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে জানান প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব সারওয়ার সরকার জীবন।

তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের টানা তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করায় মমতাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গতকাল বুধবার রাজ্যপালের কাছে শপথ নেন মমতা ব্যানার্জী। বিধানসভা নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে তার দল তৃণমূল কংগ্রেস।

অনলাইন ডেস্ক।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

মমতার শপথ গ্রহণ….