বিএনপি নেতা ডা. শাহাদাতকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ বিজ্ঞ আদালতের

 

 চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেনকে এক কোটি টাকা চঁাদা দাবী মামলায় জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। বুধবার দুপুরে অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মহিউদ্দিন মুরাদের আদালত এ নির্দেশ প্রদান করেন। গত সোমবার গ্রেফতারের পর মঙ্গলবার বিকালে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম সরোয়ার জাহানের আদালতে হাজির করা হলে আদালত ডা. শাহাদাত হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গত সোমবার সন্ধায় নগরীর পাঁচলাইশ এলাকার বেসরকারী ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে নিজ চেম্বার থেকে ডা. শাহাদাতকে গ্রেফতার করা হয়। পরে নগর বিএনপির সাবেক সহ দফতর সম্পাদক ও নারী নেত্রী লুসি খানের দায়ের করা এক কোটি টাকার চাঁদা দাবীর মামলায় আটক দেখানো হয়।

ডা. শাহাদাত হোসেনের আইনজীবী ও চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট এনামুল হক জানান, চকবাজার থানার চঁাদা দাবী ও অপহরণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ডা. শাহাদাত হোসেনকে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন পুলিশ। আদালত শুনানী শেষে ডা. শাহাদাতকে জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদ করার আদেশ প্রদান করেছেন। অন্য দুই মামলায় রিমান্ডের আবেদন করা হয় নি।

উলে­খ্য নগরীর কাজীর দেউরীতে চট্টগ্রাম বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে দুইটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলা দুইটিতে বিএনপি’র চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান শামীম, মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন, নগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাসেম বক্কর, চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলার বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান সহ ৫৭ জনের নাম উলে­খ পূর্বক আরো অজ্ঞাত নামা ৫০ – ৬০ জনকে আসামী করে কোতোয়ালী থানায় করা মামলায় ডা. শাহাদাতকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

 রিপোর্টার: আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ।।

১২নং বিছালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম আনিসুল ইসলামের বিরুদ্ধে কুচক্রী মহলের অপপ্রচার

 

নড়াইলে ইউপি চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্বার্থান্বেষী মহলের অপপ্রচার। নড়াইলের সদর উপজেলার ১২নং বিছালী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের নৌকার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত চেয়ারম্যান এস এম আনিসুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি স্বার্থান্বেষী মহল ষড়যন্ত্রমুলক ভাবে একের পর এক মিথ্যাচার ও অপপ্রচার চালাচ্ছে। যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন এস এম আনিসুল ইসলাম।

গত বছরের (৮নভেম্বর) ২০২০ সালে কিছু কুচক্রী মহল সাংবাদিকদের ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভিত্তিহীন ও বানোয়াট সংবাদ প্রচার করায় এবং চলতি বছরের (২৪-২৫-২৬মার্চ) শুক্রবার পুনরায় সংবাদটি আবারো শেয়ার হওয়ায় চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলামসহ ইউনিয়ন বাসীর নজরে আসে।এমন মিথ্যা, ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র নিন্দা জানান ইউনিয়ন বাসি।

এদিকে, মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট সংবাদ প্রচার হয় যে, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, উন্নয়ন মুলক কাজের অর্থ আত্মসাৎ সহ চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলামের পিতা মরহুম এস এম কোবাদ হোসেন এর নামে অহেতুক মিথ্যা রাজাকার খেতাব দিয়ে চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিলের জন্য এবং তার সন্মান ক্ষুন্ন করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে একটি কুচক্রী মহল।মির্জাপুর গ্রামে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় বা জানা যায়, নির্বাচনকে সামনে রেখে বিরোধী গ্রুপের পর্নোগ্রাফি ব্যবসায়ী বেনজীর সাংবাদিকদের অসত্য তথ্য দিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করিয়ে আনিসুল ইসলামকে ইউপি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন নৌকা প্রতিক যেন না পায় এজন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যার জন্য আনিসুল ইসলামের সন্মান নষ্ট করতে ব্যস্ত।

এদিকে মির্জাপুর গ্রামের বীর মুক্তীযোদ্ধা গাজী আব্দুর রহমান খোকা, কাজি সাইদুর রহমান, কাজি তবিবুর রহমানসহ তার স্ত্রী আমেনা বেগম সাংবাদিকদের জানান, বর্তমান বিছালি ইউপি চেয়ারম্যানের বাবা এস এম কোবাদ হোসেন মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে মির্জাপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধাদের সকল প্রকার রসদ সরবরাহ করতেন এবং তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের সকল প্রকার সহযোগী হিসাবে কাজ করতেন এস এম কোবাদ হোসেন। মুক্তিযোদ্ধারা আরো জানান, এস এম কোবাদ হোসেন বিগত কিছুদিন আগে মারা গেছেন এবং কোবাদ হোসেনের ছেলে আনিসুল ইসলাম বর্তমান বিছালী ইউনিয়নের চেয়াম্যানন হিসাবে সুনামের সাথে ইউনিয়ন বাসির সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সুখে দুখে চলেন বলে কিছু বিএনপি জামাত ও রাজাকার পন্থি অপ-রাজনিতী বিদরা আনিসুল ইসলামের সন্মান ক্ষুন্ন করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে।

বিছালি ইউনিয়ন ঘুরে জানা যায়, বর্তমান চেয়ারম্যান নৌকার মাঝি আনিসুল ইসলাম বিগত করোনা কালীন সময়ে বিছালি ইউনিয়নের অসহায় দিন মুজুর মধ্যবিত্ত পরিবারের মধ্য বাড়ি বাড়ি সরকারী ত্রান সহ নিজ অর্থ দিয়ে চাল, ডাল, আলু, তেল, সাবান সহ সাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী প্রতিনিয়ত বিতরন করেন। এদিকে, স্থানীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাথে আলাপ কালে জানা যায়, বর্তমান চেয়াম্যান একজন সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বান্ধব চেয়ারম্যান। আনিসুল ইসলাম চেয়ারম্যান হওয়ার পরে এ পর্যন্ত কোন সংখ্যলঘু পরিবার কোন সন্ত্রাসীকে কোন প্রকার চাঁদা দিতে হয়নি বলেও জানান।কিন্তু বিগত দিনের চেয়ারম্যানের আমলে এসব সংখ্যালঘু পরিবারদের উপরে হামলা মামলা সহ বিভিন্ন ভাবে চাঁদা দিতে বাধ্য করাসহ সংখ্যালঘু পরিবারের মধ্যে হাঙ্গা-দাঙ্গামা চালিয়ে শালিশ করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

১২নং বিছালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নৌকার মাঝি এস এম আনিসুল ইসলাম বলেন, আমি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, গণতন্ত্রের মানস কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নীতি ও আদর্শে অনুপ্রণীত হয়ে তার নেতৃত্বে আওয়ামী-লীগ সরকারের হাতকে শক্তিশালী করতে আমি বদ্ধপরিকর। তিনি আরো বলেন, আমি কেমন মানুষ বা কেমন চেয়াম্যান সেটা ঠিক করবে আমার ইউনিয়ন বাসি। আমি আমার রাজনীতি করি অসহায় গরিবদের জন্য, আমি চেয়ারম্যান হয়েছি ইউনিয়ন বাসীর দাবি আদায়ের জন্য। আমার ইউনিয়ন বাসীর সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা সরকারের কাছ থেকে এনে দেয়ার জন্য আমি এ চেয়ারে বসেছি। তিনি সাংবাদিকদের আরো জানান, ভালো কাজ করলে আমার চেয়ারম্যানের চেয়ার কেউ নিতে পরবে না বা দলীয় মনোনয়ন নৌকা প্রতীক আমি ছাড়া কেউ পাবে না বলে আমার নামে বিভিন্ন ভাবে সাংবাদিকদের ভুল তথ্যদিয়ে হয়রানী মুলক মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করিয়ে আমার সুনাম ক্ষুন্ন করতে বিভিন্ন অপ-কৌশল অবলম্বন করছে।আমি জনগন নিয়ে রাজনীতি করি। জনগন আমাকে ভালোবাসলে কোন কুচক্রী মহল আমার কিছু করতে পারবে না ইনশাআল্লাহ বলেও তিনি জানান।

এছাড়াও কুচক্রীমহল স্থানীয় সামাজিক ব্যক্তিত্ব শেখ আরশীদ, স্থানীয় মেম্বার শেখ আজিম এবং ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মুন্সি ইমরান এর বিরুদ্ধেও অপপ্রচার চালায়, যা প্রতিহিংসা ও আওয়ামী লীগ বিরোধিতা ছাড়া কিছু নয়। সকলেই এসব কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

// নড়াইল রিপোর্টার //

ডা. শাহাদাত চাঁদাবাজী মামলায় গ্রেফতার

আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো :

চাদাবাজী মামলায় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ, মামলাটি দায়ের করেছেন একজন চিকিৎসক ।

গত সোমবার সন্ধায় নগরীর পাচলাইশ এলাকার বেসরকারী ট্রিটমেন্ট হাসপাতালের নিজস্ব চেম্বার থেকে তাকে গ্রেফতার করে করা হয়। ডা. শাহাদাতকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে নগর পুলিশের উপ- কমিশনার (দক্ষিণ) এস এম মেহেদী হাসান জানান, নগরীর চকবাজার থানায় এক চিকিৎসকের দায়ের করা চাঁদাবাজী মামলায় ডা. শাহাদাত হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিএনপি দলীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।

লুসি খান নামের এক চিকিৎসক ডা. শাহাদাতে হোসেনের বিরোদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করেছেন। তিনি বিএনপির চট্টগ্রাম মহানগরের বিগত কমিটির মহিলা বিষয়ক সহ সম্পাদিকা ছিলেন। লুসি খান সম্প্রতি অনুষ্টিত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের মেয়র পদের দলীয় প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছিলেন। কিন্- নির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে মেয়র পদে মনোনয়ন পান ডা. শাহাদাত হোসেন। লুসি খানের একটি এনজিও সংস্থা রয়েছে বলে জানা যায়।

মামলার আরজিতে বাদী লুসি খান বলেন, ডা. শাহাদাত বিভিন্ন সময়ে তার কাছ থেকে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবী করেছেন।

নির্বাচনী প্রচারে ক্লান্ত নুসরাত বললেন- মুখ্যমন্ত্রীর জন্যও এত করি না

অনলাইন ডেস্ক।।

দলীয় প্রার্থীর হয়ে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে ‘বাড়তি আবদারে’ বেকে বসলেন অভিনেত্রী তথা তৃণমূল সাংসদ নুসরাত জাহান। দলের তরফেই একটু বেশি সময় ধরে প্রচার চালিয়ে যেতে অনুরোধ জানানো হয়েছিল তাকে। কিন্তু নুসরাত সাফ জানিয়ে দেন, আর পারবেন না তিনি। শুধু তাই নয়, মুখের কথা শেষ হওয়ার আগে গাড়ি থেকেও নেমে যান।

শনিবার অশোকনগরের তৃণমূল প্রার্থী নারায়ণ গোস্বামীর হয়ে প্রচারে যান নুসরাত। খাঁ খাঁ রোদের মধ্যেও এক ঘণ্টার উপর হুডখোলা গাড়িতে চেপে প্রচার করেন তিনি। তার পরেও আরও কিছুক্ষণ তাঁকে প্রচার করার অনুরোধ জানাতেই অভিনেত্রী বেঁকে বসেন বলে।

দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নুসরাতের কথোপকথনের একটি ভিডিও সামনে এসেছে। ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, দলীয় কর্মীদের মধ্যে কেউ এক জন নুসরাতকে বোঝাচ্ছেন, সামনে বড় রাস্তা। আর আধ কিলোমিটার গেলেই হবে।

 

কিন্তু গাড়ির পিছনের রড ধরে দাঁড়িয়ে থাকা নুসরাত হাত নেড়ে না বলতে থাকেন। তাতেও ওই কর্মী না থামায় চটে যান তিনি। বলেন, ‘‘এক ঘণ্টার উপর শোভাযাত্রা করছি’’। এ কথা বলেই রডের নিচ দিয়ে মাথা গলিয়ে গাড়ি থেকে নেমে যেতে উদ্যত হন নুসরাত। তাকে রেগে যেতে দেখে, এতটা রাস্তা প্রচারের জন্য পাশ থেকে হাততালি দিয়ে তাকে অভিবাদন জানান দলীয় কর্মীরা। পাশ থেকে ‘ঠিক আছে’ বলতেও শোনা যায় কয়েকজনকে।

তবে তাতেও থামেননি নুসরাত। বরং কোনও দিকে না তাকিয়ে গাড়ি থেকে নেমে পড়েন তিনি। আর নামতে নামতেই বলেন, ‘‘এক ঘণ্টার উপর র্যালি করছি। মুখ্যমন্ত্রীর জন্যও করি না। ঠাট্টা করছ?’’

নীলবাড়ির লড়াইয়ে এর আগে একাধিক বার তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে বিভিন্ন সভা এবং মিছিলে দেখা গিয়েছে নুসরাতকে। তবে আচমকা কেন তিনি রেগে গেলেন, তার সদুত্তর এখনও মেলেনি। তৃণমূলও এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।

সরকার নমনীয় নয়, ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছে মাত্র।। হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক।।

গত দুইদিন ধরে দেশে হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডবের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, সরকার নমনীয় নয়, ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছে মাত্র। নিরাপত্তা বাহিনী চরম ধৈর্যের সঙ্গে মোকাবিলা করছে। কিন্তু এ অবস্থা আর থাকবে না।

রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ হুশিয়ারি দেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এতিম ও ছোট্ট ছোট্ট শিশুদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এরাই ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। গুজব সৃষ্টি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করে উত্তেজনা তৈরি করা হচ্ছে। এগুলো থেকে বিরত না হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অহেতুক এসব আচরণ কাম্য নয়।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে বিক্ষোভে হতাহতের ঘটনায় শনিবার বিক্ষোভ ও রোববার হরতাল ডাকে হেফাজতে ইসলাম। বিক্ষোভ কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপক হামলা, ভাংচুর, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। কয়েকটি থানায় হামলা, ভাংচুর, অস্ত্র লুটসহ বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

রোববার হরতালের দিনও ঢাকাসহ সারা দেশে গাড়ি ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, সড়ক অবরোধ, হামলার ঘটনা ঘটে চলেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চেষ্টা করলে তাদের ওপর হামলা, এক পর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে দিনভর। রেলস্টেশনসহ বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা-অগ্নিসংযোগ করা হয়। এই দুই দিনে সংঘর্ষের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে রোববার পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১০ ও চট্টগ্রামে ৪ জন নিহত হয়েছেন।

 

নুসরাত ক্ষমা চাইলেন কেন ?

অনলাইন ডেস্ক।।
কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সংসদ সদস্য নুসরাত জাহান পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে তৃণমূলের হয়ে ক্ষমা চেয়েছেন।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, সম্প্রতি ডেবরা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী হুমায়ুন কবীরের সমর্থনে ডেবরার গোলগ্রামে প্রচার সভা করেন নুসরাত জাহান। ভোটের মাঠে ক্ষমা চেয়ে তিনি বলেন, দলের পক্ষ থেকে কোনো ভুল হয়ে থাকলে, ক্ষমা করে দেবেন— ভোট প্রচারে গিয়ে বললেন তিনি।

অভিনেত্রী বলেন, আমাদের দলের মানুষের থেকে যদি কিছু ভুল হয়ে গিয়ে থাকে। আপনাদের তো মন বড়— ক্ষমা করে দেবেন।

উপস্থিত মানুষের উদ্দেশ্যে নুসরাত বলেন, মনে রাখবেন শুধু একটিই মুখ, সেটি দিদির মুখ। যিনি শুধু বাংলার জন্য লড়াই করে যাচ্ছেন।

উল্লেখ্য, শুধু নুসরাতই নন, বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে ভোট প্রচার শুরু করেছেন আরও দুই তারকা এমপি মিমি চক্রবর্তী ও দেব। তাদের উপস্থিতিতে ভোটাররা উজ্জীবিত হচ্ছেন।

হাটহাজারী থমথমে : র‍্যাব, পুলিশের ব্যারিকেড, ছাত্রদের অবরোধ

চট্টগ্রাম ব্যুরো :

স্বাধীনতার ৫০ তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্টানে যোগদানের উদ্দেশ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলে হেফাজতে ইসলামীর কর্মী ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষে চারজন নিহত হওয়ার ঘটনায় হাটহাজারীতে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

শনিবার সকাল থেকে চট্টগ্রাম – খাগড়াছড়ি সড়ক অবরোধ করে সেখানে বিপুল সংখ্যক মাদরাসা ছাত্র অবস্থান করছে। অপ্রীতিকর যে কোন ঘটনা এড়াতে র‍্যাব ও পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। গতকাল (শুক্রবার) রাতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ব্যারিষ্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের মধ্যস্থতায় পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে হেফাজতে ইসলামীর নেতাদের মধ্যে বৈঠক হলেও সমস্যার কোন সমাধান হয় নি।

আজ (শনিবার) সকাল থেকে সংসদ সদস্য ব্যারিষ্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন এবং জেলা পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হকসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা হাটহাজারী থানায় অবস্থান করছেন।

স্থানীয় সাংবাদিকরা জানান, হাটহাজারী বাজারের অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্টান বন্ধ রয়েছে। থানা ভবনের দক্ষিনে বাসস্ট্যান্ড রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়েছে প্রচুর সংখ্যক র‍্যাব ও পুলিশ। সেখান থেকে থানা ও আশপাশ এলাকায় অবস্থান নিয়েছে বিজিবি সদস্যরা। অন্যদিকে হাটহাজারী মাদরাসার দক্ষিনে চট্টগ্রাম-নাজির হাট -খাগড়াছড়ি সড়কে বাঁশ ও টিনের ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা অবরোধ করে রেখেছেন মাদরাসা ছাত্র ও হেফাজত কর্মীরা।
সংসদ সদস্য ব্যারিষ্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ জানান, আমি দুই পক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসেছি। মাদরাসার ছাত্রদের পক্ষ থেকে ৫টি দাবী জানানো হয়েছে। দাবী গুলো হলো, নিহত চার জনের সঠিক ভাবে ময়না তদন্- করতে হবে, তাদের দাফন- জানাযায় বাধা দেয়া যাবে না, আহতদের সুচিকিৎসার ব্যাবস্’া করতে হবে, গুলির ঘটনায় দায়ী পুলিশের বিরোদ্ধে সুষ্টু তদন্ত করে শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। তিনি বলেন, আমরা সব দাবী মেনে নিয়েছি। তবু মাদরাসা ছাত্ররা কেন অবরোধ তুলে নিচ্ছে না, জানি না।

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে শহীদ মিনারে বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০

অনলাইন ডেস্ক।।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় শহীদ মিনারে ফুল দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

আজ শুক্রবার স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দেওয়ার সময় এই ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, স্বাধীনতা দিবসে আজ সকালে উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দেওয়ার একপর্যায়ে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান লস্কর তপু গ্রুপ ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মাস্টার গ্রুপের লোকদের মধ্যে ওই ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়।

 

এসময় ঘটনাস্থলের পাশেই পুলিশ অবস্থান করছিল। পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করতে গেলে সংঘর্ষে লিপ্ত বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা করে। এ ঘটনায় পুলিশসহ দু’পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

এ বিষয়ে সরাইল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে সরাইল থানার ওসিসহ মোট ৮ জন পুলিশ আহত হয়েছেন। আর ঘটনার সঙ্গে জড়িত ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

ডোমারে হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদের ৯৩তম জন্ম বার্ষিকী পালিত

মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:

নীলফামারীর ডোমারে জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি পল্লীবন্ধু হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদের ৯৩তম জন্ম বার্ষিকী পালিত হয়েছে। রবিবার (২০মার্চ) সন্ধ্যায় পৌর জাতীয় পার্টি তাদের দলীয় কার্যালয়ে কেক কাটা, দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। পৌর জাতীয় পার্টির সভাপতি হাবিবুল্লাহর সভাপতিত্বে উপজেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক আসাদুজ্জামান চয়ন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

এসময় উপজেলা সদস্য সচিব সার্জেন্ট তহিদুল ইসলাম,পৌর সাধারন সম্পাদক হাচান চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজালুল ইসলামসহ পৌর জাতীয় পার্টির ৯টি ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকগন উপস্থিত ছিলেন। শেষে কেক কেটে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় দোয়া করা হয়।

নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি

অনলাইন ডেস্কঃ

ভারতের পশ্চিম বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ডামাডোল শুরু হয়ে গেছে। ইতিমধ্যে বিজেপি, সংযুক্ত মোর্চা,তৃণমূল কংগ্রেসসহ অন্যান্য ছোট আঞ্চলিক দলসহ স্বতন্ত্র প্রার্থীরা তাদের নমিনেশন পেপার্স জমা দিয়েছেন।

এছাড়াও বাম- কংগ্রেস – আইএসএফ সংযুক্ত মোর্চার বামফ্রন্ট, তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপিসহ সকল দল তাদের ব্যতিক্রমী নির্বাচনী ইস্তেহার ঘোষণার মাধ্যমে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। ২৯৪ আসন বিশিষ্ট বিধানসভার ভোট গ্রহণ আগামী ২৭ মার্চ-২০২১ থেকে শুরু হয়ে ২৯ এপ্রিল-২০২১ পর্যন্ত সর্বমোট ০৮ দফায় শেষ হবে এবং ফলাফল ঘোষণা হবে ০২ মে-২০২১।

নির্বাচনের ফলাফলকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে বিভিন্ন মিডিয়া ও সংস্থা জরীপ কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছে এবং ফলাফলের দিন লাল,সবুজ না কমলা আবীরের ছড়াছড়ি হবে তা নিয়েও ভোটারদের মধ্যেও ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা ও চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে পাড়ার মোড়ে, চায়ের দোকানে। ভারতের মতো বৃহৎ দেশে গণতন্ত্রের চর্চা সব সময় বিশ্ব নন্দিত। কিন্তু কালের বিবর্তনে শিক্ষার যত বিস্তার ঘটছে ততোই যেন ভারতীয় গণতন্ত্র ধর্মীয় লেবাসে আবদ্ধ হয়ে পড়ছে। ধর্মীয় মনস্তাত্ত্বিক বিষয়টি যে কতটা প্রকট হয়ে পড়ছে তার কিছুটা বিশ্লেষণ তুলে ধরার চেষ্টা মাত্র। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষক, মিডিয়া ও সংস্থা জনমত জরীপ করে কিন্ত সেই সব জনমত জরীপকে ভুল প্রমাণিত করে এবং ৪২ টি লোকসভা আসনের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ২২ টি আসন,বিজেপি ১৮ টি ও কংগ্রেস ০২ টি আসন পায়।বামফ্রন্ট কোন আসন পেতে অসমার্থ হয়।

এখন আসন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ভোটের বিশ্লেষণে দেখা যায়- তৃণমূল কংগ্রেস সর্বমোট ৪৩.২৮%, বিজেপি ৪০.২৫% কংগ্রেস ৫.৬১%, বামফ্রন্ট ৭.৫০% এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৩.৩৬% ভোট পেয়েছিল।

পশ্চিম বঙ্গে ৩০% মুসলিম ভোটার আছে। ধরনা করা হয় মুসলিম ভোটারের কমপক্ষে ২৫% তৃণমূল কংগ্রেস, ৩% কংগ্রেস এবং বাকি ০২% বামফ্রন্ট পেয়েছিল।তাহলে দেখা যায় মমতা ব্যানার্জীর প্রাপ্ত ৪৩.২৮% ভোটের ২৫% সংখ্যালঘু ভোট বাদ দিলে হিন্দু ভোট পেয়েছিল মাত্র ১৮.২৮%। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস এবারের বিধানসভা নির্বাচনে তাদের ভোট ব্যাংক এককভাবে ধরে রাখতে পারছে না। পশ্চিম বঙ্গের ফুরফুরা দরবার শরীফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকের ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট ( আই.এস.এফ) ৩০% মুসলিম ও হিন্দু,আাদিবাসী সংখ্যালঘু ভোটারের দিকে হাত বাড়িয়ে বসে আছে যা সংযুক্ত মোর্চা ফ্রন্টের দিকেই যাবে।

এছাড়াও ভারতের অন্যতম মুসলিম সংগঠন আসাদ উদ্দিন ওয়াইসি- এর মীম পশ্চিম বঙ্গের মুসলিম ভোটকে টার্গেট করে একক বা জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে লড়াই করার ঘোষণা দিয়েছে। ফলে তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট ব্যাংকের একটি বৃহৎ অংশ যে হাত ছাড়া হতে চলেছে তাতে কোন সন্দেহ নেই। এতে করে ধারণা করা হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট ব্যাংক ২৫% থেকে নেমে অর্ধেক বা ১২.৫০% হতে যাচ্ছে এতে কোন সন্দেহ নেই। এছাড়াও নির্বাচনের পূর্ব মুহুর্তে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃত্বের যেভাবে দল বদলের হিড়িক পড়ে গেছে তাতে ধারণা করা হচ্ছে প্রাপ্ত হিন্দু ভোট ১৮.২৮% এতেও যে হাত পড়বে তাতে কোন সন্দেহ নেই এবং কমপক্ষে ০৮% ভোট কমতে পারে।তখন তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট দাঁড়াবে (১২.৫০%+১০.২৮)= ২২.৭৮%।

অন্যদিকে বাম- কংগ্রেস – আইএস-এর সংযুক্ত মোর্চা তৃণমূল কংগ্রেসের হারানো মুসলিম ও হিন্দু ভোটারের ১২.৫০ ও ৪% পেলেও অমূলক হবে না। তৃণমূল কংগ্রেসের হারানো ভোটের সম্পূর্ণ অংশ যদি সংযুক্ত মোর্চা ফ্রন্টকেও নাও দেয় সে ক্ষেত্রে তাদের অবস্থান হবে ( কংগ্রেসের ৫.৬১%+ বামেদের ৭.৫০% + মুসলিমদের ৭.৫% + তৃণমূলের হারানো হিন্দু ভোটের ৪%)=২৪. ৬১%। যেহেতু বিজেপি উল্লেখ করার মতো মুসলিম ভোট পায়নি সেহেতু ধরে নেওয়া যেতে পারে মুসলিম ভোটের ৫% ও হিন্দু ভোটের ২% আসাদ উদ্দিন ওয়াসির মীম ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পাবে। তাহলে স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দলের ভোট দাঁড়াবে ( গত লোকসভার৩% + মুসলিম ভোট ৫% + হিন্দু ভোটের ২%)= ১০% বিজেপি গত লোকসভা নির্বাচনে ৪০.২৫% ভোট পেয়েছিল যার অধিকাংশ ছিল হিন্দু ভোটার।

এবার বিধানসভার নির্বাচনের আগে দল বদলের যে মহাধূম শুরু হয়েছে তাতে আশাকরা যায় বিজেপির ভোট বাড়বে বই কমবে না।

এ ক্ষেত্রে এনআরসি,সিএএ এর প্রসঙ্গ থাকলে দেখা যায় ঐ অতি আলোচিত ও সমালোচিত বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের জন্য পশ্চিম বঙ্গে হিন্দুদের একটি ভোট ব্যাংক এবং যা পশ্চিম বঙ্গের নির্বাচনে নিয়ামক হিসাবে কাজ করে সেই মতুয়া সম্প্রদায়ের ভোটগুলি নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং মাঠে নেমেছেন। যার অংশ হিসাবে ২৬ ও ২৭ মার্চ-২০২১ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় সফরে মতুয়াদের প্রাণের ঠাকুর হরিচাঁদ গুরুচাঁদের জন্মস্থান বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলার কশিয়ানী উপজেলার ওড়াকান্দি তীর্থধাম পরিদর্শন করবেন। এক্ষেত্রে বিজেপির ভোট হবে ( ৪০.২৫% + তৃণমূল কংগ্রেসের হারানো হিন্দু ভোট ২%)= ৪৪.২৫ % অর্থাৎ ভোট প্রাপ্তির শতকরা হিসাবে মমতা ব্যানার্জির তৃণমূল কংগ্রেস,সংযুক্ত মোর্চাসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলকে মোটামুটি একটা নির্দিষ্ট ব্যবধানে হারিয়ে সংখ্যা গরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে বলে আশা করা যায় এবং কমপক্ষে ১৬০ টির মতো আসন লাভ করার সম্ভাবনা আছে।ফলে একক সংখ্যা গরিষ্ঠ দল হিসাবে পশ্চিম বঙ্গে সরকার গঠনের সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে বর্তমান কালের নির্বাচনে রাজনৈতিক নেতা ও ভোটারদের যে দ্বিমূখী বা তৃমূখী আচরণ তাতে নির্বাচনের মোড় যে কোন দিকে যাবে তা বলা খুবই দুরূহ।

You May Also Like